বায়ুবিদ্যুতেই চলতে পারে পুরো বিশ্ব

| তারিখ: ১২-০৯-২০১২

  • ৯ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

পুরো বিশ্বের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা মেটানোর জন্য বায়ুশক্তিই যথেষ্ট। গত সোমবার প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এমনটি দাবি করছেন এক গবেষক। তবে এ জন্য অবকাঠামো খাতে যে বিপুল বিনিয়োগের প্রয়োজন পড়বে, তা বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনার চেষ্টা চলছে সারা বিশ্বে। এ ক্ষেত্রে বিকল্প জ্বালানির উৎস হিসেবে সৌর ও বায়ুশক্তির ব্যবহার বাড়াতে গবেষণা ও অবকাঠামো খাতে বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগ করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক অন্যান্য গবেষণা এবং প্রসেডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের জলবায়ু-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা গেছে, বায়ুশক্তি ব্যবহার করে শত শত টেরাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব, যা দিয়ে সারা বিশ্বের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো সম্ভব।
নতুন গবেষণার লেখক যুক্তরাষ্ট্রের স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী মার্ক জ্যাকবসন জানান, পুরো বিশ্বের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য বড় আকারের ১৫০ কোটি বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র লাগবে। কিন্তু বর্তমানে যে পরিমাণ বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, তা থেকে মাত্র ২৫০ গিগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। কাজেই বিশ্লেষকেরা বলছেন, বায়ুশক্তি দিয়ে বিশ্বের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের বিষয়টি বাস্তবসম্মত নয়। কেননা, এটা করতে হলে এই খাতে বিপুল বিনিয়োগ করতে হবে।
তবে গবেষক জ্যাকবসন হিসাব করে দেখিয়েছেন, পাঁচ মেগাওয়াটের (বর্তমানে যে ধরনের টার্বাইন ব্যবহার করা হয়, তার চেয়েও বড়) ৪০ লাখ টার্বাইন স্থাপন করা সম্ভব হলে তা দিয়ে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে, তাতে ২০৩০ সালে সারা বিশ্বের বিদ্যুতের চাহিদার অর্ধেক পূরণ হবে।
বিশ্লেষকেরা অসম্ভব বললেও জ্যাকবসনের যুক্তি, ‘বিশ্বে প্রতিবছর সাত থেকে আট কোটি গাড়ি তৈরি হচ্ছে। সেখানে বায়ুশক্তি দিয়ে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে আমাদের ৩০ বছর অন্তর ৪০ লাখ টার্বাইন স্থাপন করতে হবে। কাজেই এটা অবশ্যই সম্ভব।’ এএফপি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

monir

monir

২০১২.০৯.১২ ১০:০৫
সুন্দর পৃথিবীর জন্য এটা অবশ্যই সম্ভব।

Arman

Arman

২০১২.০৯.১২ ১০:২৩
আমরা সেই দিনের অপেখখায় থাকলাম।

Rafiq

Rafiq

২০১২.০৯.১২ ১০:৫৫
অসম্ভব কিছুই নয়।

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৯.১২ ১১:০২
জ্বালানী, জীবাশ্ম-জ্বালানী ও বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বিষয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে, অনেক লেখালেখি হয়েছে, অনেকে অনেক রকম মত ও মতবাদ দিয়েছেন, কিন্তু একটা বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন যে, আমাদের এ-পরিবেশ, এ ধরিত্রীকে মানুষ তথা জীব-জগতের জন্য বাসযোগ্য রাখার নিমিত্তে পরিবেশ-বান্ধব জ্বালানী বা শক্তির উদ্ভাবন ছাড়া গত্যন্তর নেই। বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় দেখা গেছে যে, এখন পর্যন্ত সৌর-শক্তি ও বায়ু-বিদ্যুতই (বায়ুকল বা windmill-এর মাধ্যমে উতপাদিত বিদ্যুৎ) পরিবেশ-বান্ধব জ্বালানী বা শক্তি। জল-বিদ্যুতকে যদিও অনেক সময় পরিবেশ-বান্ধব মনে করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ-ক্ষেত্রে বিস্তীর্ণ এলাকার ভূ-প্রকৃতিগত পরিবর্তন এবং পরিবেশ-বিপর্যয়ের আশঙ্কা থেকেই যায়। কিন্তু সৌর-শক্তি ও বায়ু-বিদ্যুৎ উৎপাদন বর্তমান সময় পর্যন্ত লাভজনক নয়- তা ঠিক, কিন্তু বিজ্ঞানীদের গবেষণায় অদূর-ভবিষ্যতে এটা লাভজনক হয়ে দেখা দেবে এবং শক্তির আরও নূতন নূতন পরিবেশ-বান্ধব উৎসের খোজ মানুষ পাবে- এ আশা রাখি।

Dr.Baul

Dr.Baul

২০১২.০৯.১২ ১২:৪৪
It's a good sign for our world. God save our Earth

alamgir kabir

alamgir kabir

২০১২.০৯.১২ ১৬:১২
আমাদের দেশে এই প্রযুক্তি প্রসারিত হোক।

nazib

nazib

২০১২.০৯.১২ ১৬:২২
এটা করা উচিত।আমার বিশ্বাস এটা সম্ভব।

jamal ahmed

jamal ahmed

২০১২.০৯.১২ ১৭:১৬
আমি জারমানিতে থাকি আমি জতটুকু জানি জারমানিতে বায়ু বিদ্দুত দিয়ে তাদের চাহিদা মিটিয়ে পারস্যবরতি দেসে বিকরি করে
এবং এটা আমাদের দেসেও সমভব মুননি সাহা একটি পরতিবেদন দেখিয়ে ছিলেন

mukul

mukul

২০১২.০৯.১২ ২০:৩১
অসাধারণ !!!