দুই বাজারে আবার হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১২-০৯-২০১২

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

দেশের পুঁজিবাজারে গতকাল মঙ্গলবার মোট লেনদেন আবার এক হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন (ডিএসই) পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল ৯৩৯ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর আগে গত ১৮ এপ্রিল ৯৯১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। এ হিসাবে গতকালের লেনদেন গত প্রায় পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৯৫ কোটি টাকার।
ডিএসই ও সিএসই মিলিয়ে গতকাল দেশের পুঁজিবাজারে মোট এক হাজার ৩৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই মূল্যসূচক বেড়েছে। ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ৫৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৪১৩ পয়েন্টে। ডিএসইতে গতকাল ২৭০টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৮টিরই দাম বেড়েছে, কমেছে ৬৬টির আর অপরিবর্তি ছিল ১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো: তিতাস গ্যাস, ইউনাইটেড এয়ার, বিএসসিসিএল, সায়হাম কটন, ইউনিক হোটেল, কেয়া কসমেটিকস, যমুনা অয়েল, আরএন স্পিনিং, এমআই সিমেন্ট ও আমরা টেকনোলজিস।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ১৩১ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ৩৩৬ পয়েন্ট। সিএসইতে গতকাল ১৯৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ১৩১টির, কমেছে ৫৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভাির্সিটির অধ্যাপক মোহাম্মদ মুসা প্রথম আলোকে বলেন, লেনদেন বাড়ার বিষয়টি বাজারের জন্য ইতিবাচক। সামনে সরকারি বেশ কিছু কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা আসছে। এর ফলে ওই সব কোম্পানির লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। এটা সার্বিক লেনদেনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে হঠাৎ করে বিশেষ কিছু কোম্পানির দাম অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় লেনদেনে প্রভাব পড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন মোহাম্মদ মুসা। এটা বাজারের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করেন তিনি। কেননা, একটি চক্র এসব কোম্পানি নিয়ে কারসাজির আশ্রয় নিতে পারে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
আপনার মতামত দিন