এইউডব্লিউ-প্রথম আলো বৃত্তি পেলেন ১০ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | তারিখ: ১১-০৯-২০১২

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা দিতে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (এইউডব্লিউ) ও প্রথম আলো যৌথভাবে ১০

মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা দিতে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (এইউডব্লিউ) ও প্রথম আলো যৌথভাবে ১০ শিক্ষার্থীকে ‘ফার্স্ট ইন দ্য ফ্যামিলি’ বৃত্তি দেয়। গতকাল চট্টগ্রামে এইউডব্লিউ ক্যাম্পাসে সনদ হাতে অতিথিদের সঙ্গে ১০ শিক্ষার্থী

ছবি: প্রথম আলো

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন-প্রথম আলো ‘ফার্স্ট ইন দ্য ফ্যামিলি (পরিবারে প্রথম)’ বৃত্তি পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ কৃতী শিক্ষার্থী। গতকাল সোমবার এই বৃত্তি দেওয়া হয়।
প্রথম আলোর সঙ্গে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন যৌথভাবে প্রথমবারের মতো চালু করেছে এ বৃত্তি কার্যক্রম। এর মাধ্যমে একটি পরিবারের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশকারী প্রথম মেয়ে-সন্তানকে মেধা ও আর্থিক অবস্থান (দরিদ্র) বিবেচনা করে উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন: ঢাকার সিনথিয়া খোন্দকার, চাঁদপুরের আকলিমা চৌধুরী, শেরপুরের নূর-ই-জান্নাত, নেত্রকোনার তাসলিমা খাতুন, ঢাকার শারমিন আক্তার, যশোরের মেরিনা আফরিন, কুমিল্লার মৌসুমি আলম, ঝালকাঠির সাদিয়া ইসলাম এবং চট্টগ্রামের শারমিন আক্তার ও বিবি জয়নাব।
বৃত্তি প্রদান উপলক্ষে চট্টগ্রামে অবস্থিত এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (এইউডব্লিউ) ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শিরীন শারমিন চৌধুরী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নারীবিষয়ক বিশেষ দূত মেলান ভারভিয়্যর, এইউডব্লিউর উপাচার্য ফাহিমা আজিজ ও প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রোকেয়া আফজাল রহমান।
প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, ‘ছয় মাস ধরে আলোচনার পর আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রথম আলোয় প্রচারণার পর সারা দেশ থেকে প্রায় তিন শ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্য থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১০ জনকে বাছাই করেছে। এসব শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুরোপুরিভাবে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে। আর প্রথম আলো তাঁদেরকে প্রতি মাসে কিছু আর্থিক সহায়তা দেবে।’ তিনি বলেন, ‘এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। আশা করছি, এ বৃত্তি শিক্ষার্থীদের উচ্চতর শিক্ষায় সহায়তা করবে।’
রোকেয়া আফজাল রহমান বলেন, ‘আমি যতবারই এখানে আসি, ততবারই উদ্দীপ্ত হই। কারণ, এখানে নানা দেশের মেয়েরা মিলে একটি পরিবার। তারা নিজেদের সমস্যার কথা খোলাখুলি বলার সুযোগ পায় এবং এর সমাধানের উপায় খুঁজে বের করতে পারে।’
পরে অতিথিরা ১০ শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির সনদ তুলে দেন।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
আপনার মতামত দিন