ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রদল কর্মীদের বেধড়ক পিটিয়েছে ছাত্রলীগ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | তারিখ: ১১-০৯-২০১২

  • ৮৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর এলাকায় গতকাল দুপুরে ছাত্রদলের এক কর্মীকে এলোপাতাড়ি লাথি মারেন ছ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর এলাকায় গতকাল দুপুরে ছাত্রদলের এক কর্মীকে এলোপাতাড়ি লাথি মারেন ছাত্রলীগের কর্মীরা

ছবি: প্রথম আলো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গতকাল সোমবার জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন কর্মীকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বেধড়ক পিটিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ বর্জন করেছেন ছাত্রদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির নেতারা।
বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিচার দাবি করেছে ছাত্রদল। পুলিশের সামনে হামলা হলেও তারা নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত না করলে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছে তারা।
ছাত্রদলের আহত কর্মীরা হলেন: আব্বাস আলী, সোহাগ খান, রুহুল আমিন, মিজানুর রহমান, মাহমুদুল হক, আবু বকর সিদ্দিকী, মাহফুজুর রহমান, রওনাকুল ইসলাম ও সাফায়েত হোসেন। তাঁদের কয়েকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ ঘটনায় ছাত্রদলের তিনজনকে আটক করেছে শাহবাগ থানার পুলিশ। তাঁরা হলেন: রাশেদুজ্জামান, মিরাজ ও আল আমিন। শহীদ মিনার এলাকা থেকে আটক হওয়া এই তিনজনই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
গত রোববার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির ১০ জন নেতার একটি তালিকা পাঠায় ছাত্রদল। এরপর গতকাল বেলা দুইটায় সৌজন্য সাক্ষাতের সময় দেন উপাচার্য।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদলের নেতারা উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে আসবেন—এ খবর পাওয়ার পর সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা মধুর ক্যানটিনে জড়ো হন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রলীগের কয়েক শ নেতা-কর্মী অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে মল চত্বরে। এ সময় সেখানে ছাত্রদলের কর্মীদের মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। কয়েকজন কর্মীকে নিচে ফেলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন, কবি জসীমউদ্দীন হল ছাত্রলীগের কর্মী মেহেদী, মাস্টারদা সূর্য সেন হলের আবদুল বাতেন, সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের তানভীর ও নয়ন, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের বিপ্লব প্রমুখ হামলা ও মারধরে অংশ নেন।
ছাত্রদলের কর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হামলার খবর পেয়ে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা ছাত্রদলের নেতারা আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেননি। তাঁরা ক্যাম্পাসসংলগ্ন হাইকোর্টের সামনে থেকেই ফিরে যান। বিকেলে তাঁরা জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগেই ছাত্রদলের নেতা-কর্মী যাঁরা ক্যাম্পাসে ক্লাস ও পরীক্ষা দেওয়ার জন্য গিয়েছিলেন, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের ওপর অতর্কিতে হামলা করেন। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৫০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তিনি ছাত্রলীগ ও উপাচার্যের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ ভঙ্গ করার অভিযোগ এনে সৌজন্য সাক্ষাৎ বর্জনের ঘোষণা দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও ছাত্রদলের নেতাদের সাক্ষাৎ করার জন্য ডেকেছি। কিন্তু নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়ার পরও তারা আসেনি।’ ঘটনা তদন্তে শিগগিরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান তিনি।
হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আশপাশে অছাত্রদের নিয়ে জড়ো হচ্ছিল। ঘটনার সঙ্গে কর্মী পর্যায়ের কেউ জড়িত থাকতে পারে।’
পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ প্রসঙ্গে ওই সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালন করা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (টহল) শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কোনো ঘটনা ঘটলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো কিছু করা যায় না। নির্দেশনা না থাকায় পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারেনি।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Riasat

Riasat

২০১২.০৯.১১ ০২:৫৩
প্রধানমন্ত্রী কি এখন বিকৃত ছাত্রলীগ দেখতে পাননা?
নাকি বুয়েট বিক্রিত হয়নি বলে ক্ষোভ?

Zakir Bipul

Zakir Bipul

২০১২.০৯.১১ ০৩:০২
কীভাবে কঠোর হতে হয় আমাদের জানা আছে - নমুনা# ১

তপ্তকাঞ্চন

তপ্তকাঞ্চন

২০১২.০৯.১১ ০৩:০৪
হামলাকারীরা (ছাত্রলীগ নেতাকর্মী) খালেদা জিয়ার সুনজরে পরে আগামীতে ছাত্রদলের কেন্দ্রিয় কমিটিতে থাকতে চায় তাই মারদাঙ্গা রুপে।

Apu kowsar

Apu kowsar

২০১২.০৯.১১ ০৩:০৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-ছাত্রলীগ যা করে---দেখলে যে কেউই মুখ ফিরিয়ে নেবে, ভাববে এখানে বুঝি সবসময় এগুলোই হয় ! ছাত্রদল-ছাত্রলীগ সবময়ই সাধারন ছাত্রদের সাকসেসটা কে মাটি করে দেয়। সুচনা-থেকেই সব সরকারের কালো-অসুভ হাত ছিলো এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর--- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পান সাধারন ছাত্ররা শুরু থেকেই এই কালো থাবা এরিয়ে সাকসেসের চুড়ায় আড়োহন করেছে, তাই সবার পতি আমার এক্টাই কথা চলার পথে ময়লা-আবরজনা থাক্লে যেমন এরিয়ে চলতে হয়, আসুন আমরাও ছাত্রশিবীর-ছাত্রদল-ছাত্রলীগ কে এরিয়ে চলি,কারন এদের এরিয়ে চললে, কেমপাস এ যাই হোক না কেন আপনি ভালভাবে লেখাপড়া সেশ করতে পারবেন।
২০১২.০৯.১১ ০৩:১৬
In our country politics are now great corporate business(corruption+murder+Forcefull donation collection+comission extc..).Chattraleeg+chattradal both are attacking force of AL+BNP.We will see more attact + counter attack in coming future.Bcz big corporate business persons used them & will use more in coming future.Please avoide these business persons.

তানভীর আলাদিন সরব

তানভীর আলাদিন সরব

২০১২.০৯.১১ ০৩:৫৫
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির শান্তিপুর্ন সহাবাস্থন করতে হবে।

masud rana

masud rana

২০১২.০৯.১১ ০৪:১৭
বাংলাদেশে নতুন কিচু নয়

Syed (Sydney)

Syed (Sydney)

২০১২.০৯.১১ ০৫:৪৬
Student politics needs to be root out from Bangladesh.

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৯.১১ ০৬:৩৪
দেখুন ! `সুশাসন'-এর কি অদ্ভুত নমুনা ! ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যাবে উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে, সেখানে ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা ছাত্রদলের ছেলেদের মারধর করলো। শাহবাগ থানার পুলিশ মারধরকারীদের গ্রেফতার করলো না, গ্রেফতার করলো, যারা মার খেলো, সেই ছাত্রদলের তিনজনকে। ওদিকে আবার তারা বলছে, `বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কোনো ঘটনা ঘটলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো কিছু করা যায় না। নির্দেশনা না থাকায় পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারেনি।'

আরিপ হোসেন

আরিপ হোসেন

২০১২.০৯.১১ ০৭:০৪
ছাত্রদলের কর্মীরা মার খায় আবার তারাই গ্রেপ্তার হয় বাহ ! কি চমতকার।

md mohsin

md mohsin

২০১২.০৯.১১ ০৭:২৫
Nothing goes unpaid in this world.What chatro legue is doing now will get the return @ many fold in next time,They have forgotten that after day there is always night.

Md.Ali Ashraf

Md.Ali Ashraf

২০১২.০৯.১১ ০৭:৫২
যারা প্রধানমন্ত্রীর সম্মেলন গিয়ে ফাও খাওয়ার জন্য হোটেল ভাংচুর করে তাদের কাছে এর চেয়ে আর বেশি কিছু আশা করা যায়না । কারন দলটি ‍তো আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দল।

Rabbani Chowdhury

Rabbani Chowdhury

২০১২.০৯.১১ ০৭:৫৭
বিষয়গুলি নুতন নয়, তবুও আমাদের ভাবায় সরকার কি ভাবে আশা করে যে, পরের মেয়াদে আবারো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে !!

Tarif

Tarif

২০১২.০৯.১১ ০৮:০৬
Time to bring this Govt. down. Let's do it.
C'mon people WE CAN DO IT.

Farhan

Farhan

২০১২.০৯.১১ ০৮:১৩
"কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে শুধুমাত্র ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন পড়তে পারবে" এমন একটা আইন পাস করলে খুবই ভালো হয়। এখন যেমন ছাত্রলীগ! তাহলে অন্তত ভিন্নমত প্রকাশকারী ছাত্রছাত্রীরা মার খাওয়ার হাত থেকে বেঁচে যাবে। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরাও (যারা কারও সাতেও নেই পাঁচেও নেই) বেঁচে যাবে সিট নিয়ে হয়রানি থেকে, চাঁদে চাঁদে চাঁদা দেয়া থেকে।
আওয়ামীলীগ ও এর ছাত্র সংগঠন "ছাত্রলীগ" পেয়েছেটাকি? যা ইচ্ছা তা-ই করবে? পুলিশ উল্টো এদের হাতে নির্যাতনের শিকার যারা তাদেরকে গ্রেফতার করবে? এর কি কোন প্রতিকার নেই?

তালুকদার

তালুকদার

২০১২.০৯.১১ ০৮:১৭
আমি মনে করি সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এই ছাত্রলীগের ছেলেরাই দায়ী!ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাই!এখানে চাঁদাবাজি,মস্তানি,এমনকি ছিনতাইয়ের কাজও চলে!আর এখানকার শিক্ষকেরাও কিভাবে রাজনীতি করেন?আর তাই এর শিক্ষারমান নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে!

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.০৯.১১ ০৮:৩৯
ছাত্রলীগের এই ছাত্ররা পুলিশে চাকরি পাবার যোগ্যতা প্রমাণ করলো , আর কিছু না।

shawon

shawon

২০১২.০৯.১১ ০৯:০৫
দেশে কি কোন আইন নাই??? এরা কি ছাত্র?? না কি ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসী!!!!

Md. Abdullah Al Mamun

Md. Abdullah Al Mamun

২০১২.০৯.১১ ০৯:০৫
সাংবাদিক ভাই লাইভ ছবি উঠিয়ে জনগন & সরকার কে দেখালেন, এখন সরকার কি দেখাবেন সেটা দেখার বিষয় সকলের।

তালুকদার

তালুকদার

২০১২.০৯.১১ ০৯:২৬
আওয়ামীলীগের পতন মনে হয় ঘনিয়ে এসেছে তাই আমরা শিক্ষা প্রতিষ্টানে নানান ধরনের অনিয়ম/কুনিয়ম দেখতে পাচ্ছি!শিক্ষা প্রতিষ্টানে কিভাবে শিক্ষকেরা রাজনীতি করেন?তাদের নিজের ইচ্ছামত প্রতিষ্টান চালান!সরকারী দলের ছাত্ররা অন্য দলের ছাত্রদেরকে তাদের ন্যায্য অধিকারটুকুও করতে দিচ্ছেনা!আমরা ইদানিং লক্ষ্য করেছি যে,বুয়েটে যে কান্ডকারখানা হয়েছে তা তো ভিসির জন্যই হয়েছে!এই লোকটা সাধারন ছাত্রছাত্রীদেরকে যেভাবে ভুগিয়েছেন তা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজির হয়ে থাকবে!উনিও সরকারী দলের রাজনীতি করেন আর আর তারচেয়ে বড় কথা উনার বাড়ি ....গঞ্জে,তাই উনি এতদিন বেশ বহাল তবিয়তেই বুয়েটে নিজের রাজত্ব চালাচ্ছেন!
আর ছাত্রলীগ হচ্ছে আওয়ামীলীগের জন্য এক গলার কাঁটা! সরকার হয়তো চেস্টা করছেন এদের সামলাতে কিন্তু কেন যে ব্যর্থ্ হচ্ছেন সেটাই এখন ভাববার বিষয়!তাই সরকারের উচিত হবে এই ছাত্রলীগকে না সামলালে আওয়ামীলীগের উপর মানুষের যা আস্তা আছে তাও বিলীন হয়ে যাবে!
আওয়ামীলীগ যদি গণতন্ত্রকে বিশ্বাসই করে আর এর চর্চা করতে চায়/করে তাহলে আমরা এইসব কি দেখছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে?এগুলিকি আপনাদের গনতন্ত্রের নমুনা?আপনারা আবার বিরোধীদলকে গনত্রান্তিক দল বলেন না! আমি তো মনে করি বর্তমান বিরোধীদল আপনাদের চাইতেই অনেক ভাল ও সহিষ্ণু! তারা এখনো যে আপনাদের মত জ্বালাও পোড়াও ও লাগাতার হরতাল অবরোধ যে দেয়নি সেজন্য তারা জনগনের বেশ সহানুভূতিও পেয়েছে!তাই,আপনাদেরকে বলতে চাই যে সামনে আসছে সাধারন নির্বাচন আপনাদেরকে যদি নির্বাচনে জিততে হয় তাহলে আপনাদের উচিত হবে দেশের সমস্ত রাজনৈতিক/অরাজনৈতিক অবৈধ কার্যকলাপ কঠোর হস্তে দমন করা ও দেশবাসীকে জানিয়ে দেওয়া যে বঙ্গবন্ধুর সোনার বংলা এখনো সোনার বাংলাই আছে।আমরা দেশবাসিও চাই দেশে একটি ভাল সরকার সুপ্রতিস্তিত হউক আর সেটি যে কোন রাজনৈতিক দল থেকেই সরকার গঠন করুক না কেন!

A. M. Zubair

A. M. Zubair

২০১২.০৯.১১ ০৯:৩৭
এরাই একদিন পুলিশে ঢুকবে এবং এভাবেই লাফাবে। অসুস্থ মন মানসিকতা।

Quazi Zaman

Quazi Zaman

২০১২.০৯.১১ ০৯:৪০
Why Student-Politics is not banned in Bangladesh? BD has been awarded the CRUELiest-Student-Politics championship in the world. Shame! Shame! Shame! on Student-Politics. Everybody please help banning student politics in BD because No civilized country in the universe has such Student Politics.

২০১২.০৯.১১ ০৯:৪২
স্যার ক্ষমতা কয় প্রকার, কেন জাননা, না স্যার বলেন, শোন ক্ষমতা হচ্ছে দুই প্রকার ১। ক্ষমতার সদ্ব্যবহার ২। ক্ষমতার অপব্যবহার। ঠিক আছে স্যার তাহলে ছাত্রলীগ যা করল, ওহ সেটা , সেটা তো হল ক্ষমতার অপব্যবহার। স্যার তাহলে প্রধানমন্ত্রী কিছু বলছে না কেন। কি যে বল তারা তো শেখ হাসিনার সোনার ছেলে। দুরতুরি স্যার এইটা ক্যামনে সোনার ছেলের কাজ হইল এইটা কয়লা ছেলের কাজ।

Mohammed Zahurul Hoque

Mohammed Zahurul Hoque

২০১২.০৯.১১ ০৯:৪৩
ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সরদার । অই সব সোনার ছেলেদর সামনে কি খালি হাতে কেউ যায় !! যুগ পাল্টে দিয়েছেন আমাদের মহামাণ্য প্রধান মন্ত্রী । যেমন কুকুর তেমন মুগুর না মারতে পারলে ওখানে আর যাওয়ার দরকার নেই বাছাধনেরা। বদলে যাও বদলিয়ে দাও .. . পড়নি?

MD.SHAHAJAHAN

MD.SHAHAJAHAN

২০১২.০৯.১১ ০৯:৪৩
This is really bad news for our nation.We see the parasitism of Bangladesh Chartaleague. They are the up coming leader of Bangladseh. May be law in-force agencies are too much happy for this action. The university authority also happy------too much happy- we seems to see their face--------

Arup Das (Oronno)

Arup Das (Oronno)

২০১২.০৯.১১ ০৯:৪৩
চিন্তা করা যায়! এরা কি ছাত্র না অন্য কিছু।একটা ছাত্র এভাবে একটা ছাত্র কে পেটায়!!তাও আবার তারা দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র।এদের থেকে ভবিষ্যতে আমরা ভাল কিছু আশা করতে পারি না।এদের মাঝেই লুকিয়ে আছে আগামী দিনের দুর্নীতিবাজ,অযোগ্য রাজনীতিবীদ।এরাই হয়ত আমাদের আগামী দিনের পথ দেখাবেন।তাহলে বোঝাই যাছে তারা আমাদের কি বা কত সুন্দর পথ দেখাবেন!!!!!!!!!!!!!

২০১২.০৯.১১ ০৯:৫০
কঠোর হবার নমুনা.. গণতানন্ত্রিক দেশের নমুনা..

amjad khan

amjad khan

২০১২.০৯.১১ ১০:০০
এরাই সোনার ছেলে।অনেক ছাত্র গুম,হত্যা,খুন হলো- কার বিচার কে করলো?

Selim Saroar

Selim Saroar

২০১২.০৯.১১ ১০:০৪
প্রধানমন্ত্রীর অপদার্থ ছাত্র সংগঠন এবং খালেদা জিয়ার ছাত্র সংগঠনএর জন্ম হয়েছে মারামারি, কপাকুপি, টেন্ডারবাজি,অশ্লীলতার জন্যে। এখন একদল মারবে আরেক দল মার খাবে, নাটকের পরবর্তী দৃশ্সে দেখা যাবে যারা এখন মার খাচ্ছে তারাই দিগুন উত্সাহে প্রথম দলকে মার দিচ্ছে । সুতরাং শোধবোধ। এইটা তেমন কোনও গুরুত্তপূর্ণ খবর না । সংবাদের রিপোর্ট করা আমাদের সাংবাদিক ভাইদের চাকরি । তাদের চাকরির খাতিরেই রিপোর্ট গুলি করতে হয়। বরং এর দুই সংগঠন যদি মারামারি না করত, একদল আরেকদলকে মিষ্টি খাওয়াত তাহলে সেইটা খবর হতে পারতো।
২০১২.০৯.১১ ১০:০৭
কে কোন দলের তা মুখ্য বিষয় নয়্। এরা যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হয়। তা হলে এটা খুবই লজ্জার বিষয়। এ লজ্জা রাখি কোথায়?

Mohammad Nuruddin Jahangir

Mohammad Nuruddin Jahangir

২০১২.০৯.১১ ১০:১২
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘুমাচ্চেন তাই বিচার পাবেনা এখন । ভাল হয় অপেক্ষা কর বৎসরা তোমাদের দল ক্ষমতায় আসলে তাদেরকেও বেধড়ক পিটাতে পারবে। এই হল আমাদের দেশের রাজনিতি।

Farhan Fardin

Farhan Fardin

২০১২.০৯.১১ ১০:১২
আওয়ামী সরকার দারুন খুশী!!
নিজেরা নিজেরা ইলেকশন যখন করবে, তখন এই সব ছাত্র নাম ধারী পান্ডাদের ভীশন কাজে লাগবে.....................

২০১২.০৯.১১ ১০:২৭
No use of demanding punishment of Chatra League now. When you Chatra Dal will be in power, beat Chatra League double times what they did to you.

Advocate Mohammad Hasan Al Shaif

Advocate Mohammad Hasan Al Shaif

২০১২.০৯.১১ ১০:৩১
লীগের লোকজন মনে হয় জীবন্ত মানুষের উপর লাফাতে খুব আনন্দ পায়।

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.০৯.১১ ১০:৩৩
বাহ্ ! এযে দেখি মারদাঙ্গা ছবির দৃশ্যকেও ছাড়িয়ে যায় ! অ্যাকশন ধর্মী চরিত্রে অভিনয় করার জন্য হলিউড, বলিউড থেকে এদের কবে ডাক আসবে তাই ভাবছি !

Md. Anwarul Islam

Md. Anwarul Islam

২০১২.০৯.১১ ১০:৩৫
খুব ভাল খবর, লগি বৈঠার দিন তো এসে গেলো। একটু প্রাকটিস লাগবে না!

Md. Amran Hussain Bhuiyan

Md. Amran Hussain Bhuiyan

২০১২.০৯.১১ ১০:৩৬
ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল ছাত্রদের মহাত্বকেই নষ্ট করে দিয়েছে। কাজেই মারামারি করে মরুক, কিছু খারাপ মানুষ কমবে। আমাদের কোনো মাথা-ব্যাথা নেই।

Ariful Islam

Ariful Islam

২০১২.০৯.১১ ১০:৩৭
থু থু ফেলতে ইচ্ছে করে

Md.Shajidul Islam

Md.Shajidul Islam

২০১২.০৯.১১ ১০:৪৪
ভিসি মহদয় যদি নিরাপওা দিতে না পারেন তা হলে ওদের ডাকেন কেন ?

২০১২.০৯.১১ ১০:৫৯
হয়ত একদিন এমনও দেখব যে, ছাত্রদলও এভাবে ছাত্রলীগের উপর চড়াও হচ্ছে।

Ayaz Ahmed

Ayaz Ahmed

২০১২.০৯.১১ ১১:০৩
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাএ শুনলে আগে মানুষ ইজ্জত করত আর এখন এদের আতংকের চোখে দেখে। এদের আর এখন কোনই ইজ্জত নাই।

Rehana Parvin

Rehana Parvin

২০১২.০৯.১১ ১১:০৯
আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সত্যিকার রক্তপাত চান। তাই বুয়েটের ছাত্রছাত্রীদের প্রতীকী রক্তপাত তার পছন্দ হয়। তাকে খুশি করতেই হয়ত ছাত্রলীগের এই আয়োজন।

সফিকুল ইসলাম সুমন

সফিকুল ইসলাম সুমন

২০১২.০৯.১১ ১১:১২
প্রথমআলো সহ জাতীয় দৈনিকগুলোর প্রথমপাতায় এ আমানবিক ও নৃশংস ছবিটি ছাপা হয়েছে-তাই এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা, তাছাড়া আমাদের মতো সাধারন পাঠকদের সস্তা মন্তব্য এরকম স্পর্শকাতর বিষয়ে কোন প্রভাব ফেলবে না- যাদের মন্তব্যে কাজ হবে তাদের কাউকেই এ বিষয়ে কিছু বলতে শোনা যাবে না হয়ত ।

Faruk Hossain

Faruk Hossain

২০১২.০৯.১১ ১১:১৬
আমাদের দেশের শ্রেষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এইসব ঘটনা দেখে সত্যি লজ্জা হয়।
২০১২.০৯.১১ ১১:২০
এরা কি মানুষ !!! দেশে কি কোন আইন নাই??? এরা কি ছাত্র??? নিজকে এদেশের নাগরিক ভাবতে ঘেন্না করছে ।

imtiaz ahmed chowdhury

imtiaz ahmed chowdhury

২০১২.০৯.১১ ১১:২১
এই দল বা লিগ এর ছেলেদের বাবা মা নেই ???? লেখাপড়া করা বাদ দিয়ে এ ওকে পিটায় ও একে মারে ।

২০১২.০৯.১১ ১১:২২
দিনে দিনে বহু বারিয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ ............কিন্তু সেটা কবে জানিনা ।জাগো জনতা জাগো ।।।।

Md.Shajidul Islam

Md.Shajidul Islam

২০১২.০৯.১১ ১১:২২
ইতিহাসের পুনারাবরতন.

Md. Saiful Islam

Md. Saiful Islam

২০১২.০৯.১১ ১১:২৪
ছাত্র দলের ভীরু আর কাপুরুষ নেতাকর্মীদের এরকম মারই খাওয়া উচিৎ। রুখে দাড়াতে না পারলে এই ভাবে পরে পরে মার খাওয়াই উত্তম । ঢাবিতে ছাত্রদল নামক একটা দল আছে সেটা অবশেসে জানা গেল!!!

alamin

alamin

২০১২.০৯.১১ ১১:২৯
এবার কার বিরুদ্দে কঠোর হবেন মাননীয় পরধানমন্তরি !!!!

Shafiq Islam

Shafiq Islam

২০১২.০৯.১১ ১১:৩২
Prime Minister said she will make record. She will come to state Power in 2nd. time. This is an example she will apply this process by her golden boy Chatro League during the Election period. So no need any caretaker govt.

imtiaz ahmed chowdhury

imtiaz ahmed chowdhury

২০১২.০৯.১১ ১১:৩৫
করুক , যতো ইচছা মারামারি করুক । লেখাপড়া করার জোননো ইসকুল কলেজে যেয়ে যারা মারামারি দল লিগ করে তারা যেনো সবাই এই মারামারি করেই মরে । আমরা একটু শান্তি পাই । ভাবতেও অবাক লাগে এদের কি বাবা মা নেই । আর থাক্তলেও ঐ বাবা মা রা কেমন ? আসলেই জান্তে ইচছা করে ।

Md.Ibrahim

Md.Ibrahim

২০১২.০৯.১১ ১১:৩৮
শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয় সারা দেশেই ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের তান্ডব চলছে..!

Ehsan Ullah

Ehsan Ullah

২০১২.০৯.১১ ১১:৪০
প্রধানমন্ত্রী কি ছাত্রলীগের সাথে কঠোর হতে জানেন না ?

Md. Solaiman

Md. Solaiman

২০১২.০৯.১১ ১১:৫০
আমার কাছে সবচেয়ে যে বিষয়টি নাড়া দিয়েছে তাহল, একটি ছাত্রকে যে যেভাবে পারছে খালি হাতে, হেলমেট দিয়ে বা অন্য কোন বস্তু দিয়ে সাপ মারার মত মারলো এটা একটা দেশের সর্বচ্চ বিদ্যাপিঠের ছাত্রদের কাছ থেকে কাম্য নয়। আর আমার সাংবাদিক বন্ধুরা মৌমাছির মত পেশাগত দায়িত্বের সুবাদে তার পিছু পিছু দৌড়াচ্ছে এক্সক্লুসিভ মূহুত্বের আশায়। হায় মানবতা হায় মানবাধিকার। এই সব দৃশ্য মানুষের সয়ে গেছে এর আগেও দেখেছি লগি বৌঠার মিছিলে মৃত মানুষের বুকের উপরে উঠে লাফাতে এখনকার ছবিটি অবশ্য মৃত নয় জীবিত মানুষের উপরে লাফাচ্ছে এই যা পার্থক্য।

Mizan

Mizan

২০১২.০৯.১১ ১১:৫০
এরা কি মানুস !!!
এরা মানুস হয় কি করে ??
এরা ই হবে পরবরতি নেতা !!
এরা ই চালাবে বাংলাদেশ !!
ওহ খোদা !!!!!

KHUKU Bhojon Bilas Gali Green Road

KHUKU Bhojon Bilas Gali Green Road

২০১২.০৯.১১ ১১:৫২
ধিক ধিক ধিক ... ছি: ছি: ছি:

Md. Saiful Islam

Md. Saiful Islam

২০১২.০৯.১১ ১১:৫৬
এরা নাকি জিয়ার সৈনিক। এদের জিজ্ঞেস করলে জিয়ার ১৯ দফার ৫ টাও একসাথে বলতে পারবে না...।।ছাত্রদলের যত হাংকি পাংকি শুধু শিবিরের সাথে !!!!! এর পরও ছাত্রদলের যদি শিক্ষা হয় তবে ভাল ।

Joynal Abeden

Joynal Abeden

২০১২.০৯.১১ ১১:৫৯
এটা হলো আওয়ামী লীগের একক নির্বাচন করার মোহড়া মাএ ! সামনে কত কিছু বাকি আছে.....।

Masud Rana

Masud Rana

২০১২.০৯.১১ ১২:০১
লীগ/দল একে অন্যকে মেরে সাফ করলেই ভাল, সাধারন ছাত্র ছাত্রী রা একটু আরামে পড়াশুনা করতে পারবে।এদের কারো জন্যই আমাদের সহমর্মিতা দেখান উচিত নয়। আজ লীগ মারছে কাল দল মারবে।

Richard Gregory Gomes

Richard Gregory Gomes

২০১২.০৯.১১ ১২:০৩
Mohan Bongobondhu, mohan Tajuddin, Nazrul, Tofael, Jillur er Chatro League k chalera aj kolushito korche.... Hon Sheikh Hasina oder k thaman...

সফিকুল ইসলাম সুমন

সফিকুল ইসলাম সুমন

২০১২.০৯.১১ ১২:০৪
সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে সবিনয় আর্জি- ক্ষমতা, ছাত্রলীগ, ছাত্রদল বিবেচনায় না নিয়ে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা চিন্তা করে হলেও এই জরুরী সমস্যার আশু সমাধান প্রয়োজন।

Babul Nokrek

Babul Nokrek

২০১২.০৯.১১ ১২:১৮
এমন ছাত্ররাজনীতির কি প্রয়োজন আছে আর? কী অবদান রাখছে এই ছাত্র নামধারী নেতারা? ছাত্র রাজনীতি শিক্ষাঙ্গনে নিষিদ্ধ করে দেয়া উচিত।

Mashudul Hassan Chowdhury

Mashudul Hassan Chowdhury

২০১২.০৯.১১ ১২:২৯
প্রথম আলোকে ধন্যবাদ নাম, পদবি এবং হল সহ ছাত্রদের তথ্য দেয়ার জন্য।...

Ruksana Shirin

Ruksana Shirin

২০১২.০৯.১১ ১৩:১৩
This incident is blessing for BNP and Chatra Dal in two ways. First they are getting sympathy from all quarter of people. And secondly it is justified when they wud beat Chatra League in more brutal way. We all can see the opposite scenario very soon.

Mokaddesur Rahman

Mokaddesur Rahman

২০১২.০৯.১১ ১৩:২৩
আমাদের দেশে রাজনীতির ধারাটাই এই যে, কেউ প্রতিপক্ষের হাতে 'মার' খেলে সে বড় নেতা বনে যায়। আর আমাদের মত আমজনতার সহানুভূতিও ঐ মার খাওয়া নেতার উপরেই গিয়ে পড়ে। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী কোনো প্রথম সারির নেতা ছিলেন না। বলা যায় দলীয় রাজনীতিতে তিনি অনেকটা মধ্যম সারিতে অবস্থান করতেন। রাজনীতিবিদ হিসেবেও তাঁর ভাবমূর্তি খুব ক্লিন ছিল না। অথচ বেচারা 'গুম' হয়ে জনগণের কি সিমপ্যাথিটাই না পেলেন! পেশিশক্তির রাজনীতি করেও অনুরূপ সিমপ্যাথি পেয়েছিলেন বিএনপিরই আরেক নেতা জয়নাল আবেদীন ফারুক- পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের হাতে ধোলাই খেয়ে। এই ধারা ছাত্ররাজনীতির ক্ষেত্রে আরো বেশি মাত্রায় সক্রিয়। শিক্ষাজীবনে প্রগতিশীল বাম ধারার রাজনীতি করতে গিয়েও এটি লক্ষ্য করেছি। ক্যাম্পাসে একটা কথা প্রায়ই শুনতাম, যে যত বেশি মার খায় সে নাকি তত বড় নেতা! অবশ্য আমি নিজে কোনোদিন মার খাইনি, যদিও পার্টিতে আমার অবস্থান উপেক্ষণীয় ছিল না।

যা হোক, কথা হচ্ছে, ছাত্রদল আজ ছাত্রলীগের হাতে মার খেয়েছে বলে তারা কি ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে গেছে? আমরা ভুলে যাচ্ছি কেন যে, এই ছাত্রদলও অতীতে একইভাবে ছাত্রলীগ ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের উপর চড়াও হয়েছে। ক্যাম্পাসে রাজনীতি এখন পুরোপুরি ক্যাডারনির্ভর। সেখানে ছাত্রদল ছাত্রলীগ বলে আলাদা কিছু নেই। ছাত্ররাজনীতির এই চলমান সংকটের গভীরে না গিয়ে আমরা কেবল একপেশে দৃষ্টিকোণ থেকে ক্রমাগত ছাত্রলীগকে দোষারোপ করে যাচ্ছি, যা মোটেই সঙ্গত নয়। সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার না করতে পারলে আমাদের ছাত্ররাজনীতি তথা জাতীয় রাজনীতির সমস্যা বাড়বে বৈ কমবে না।

২০১২.০৯.১১ ১৩:২৩
আবার তারাই গ্রেপ্তার হয় বাহ ! দেখুন ! `সুশাসন'-এর কি অদ্ভুত নমুনা !

Hossain Ahamed

Hossain Ahamed

২০১২.০৯.১১ ১৩:২৪
সন্ত্রাস লিগ তাদের নিজের দলের নেতাদের হাত পায়ের রগ কেটে দিতে খুন করতে পারে, আর বি এন পি তো বিরুদি দল তাদের উপর তো এমনটা করতেই পারে।

Md.Rashed Alam

Md.Rashed Alam

২০১২.০৯.১১ ১৩:২৬
প্রধানমন্ত্রীর ভাষন কোথায় গেলো ? বুয়েটের শিক্ষকদের তো আদপ কায়দা শেখালেন, এখন নিজে কিছু শিখেন । সেদিন তো খুব বড় গলা করলেন , জাতি এখন নিঃশ্চই আশা করবে ছাত্রলীগদের যারা বেয়াদপ বানিয়েছে তাদের ছাত্রলীগ চড় মারবে , আর চড় কারগালে পরবে যে ছাত্রদের একটা লাশের বদলা দশটা লাশের রাজনীতি শিক্ষা দেয় তার গালে না কি ? আমরা সেদিনের অপেক্ষায় আছি , ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল কে যারা বেয়াদপ বানিয়েছে তাদের কবে চড় মারা হবে , কাজেই সাবধান দুই নেত্রী ।
বুয়েটে দুই চোরের পক্ষনিতে প্রধানমন্ত্রী আদব কায়দার যে বর্ননা দিলেন , ইনশল্লাহ আপনার উপর তা একদিন না একদিন প্রয়োগ হবেই ।

Ahsan Al

Ahsan Al

২০১২.০৯.১১ ১৩:৩২
ডিজিটাল পেটানো। আর শুধুমাত্র এক বছর, তারপর ডিজিটাল মার খওয়া।

Md. Ohidul Islam

Md. Ohidul Islam

২০১২.০৯.১১ ১৪:০০
আমার প্রাণের ক্যাম্পাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজ ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীদের তান্ডেব রক্তাক্ত। খুবই কষ্ট হয়। সময় হয়েছে এবার, এদের দেখলেই বলতে হবে "তুই সন্ত্রাসী"।
২০১২.০৯.১১ ১৪:০৫
ঠিক এই ভাবে আমাদেরকে ছাত্রদলের ছেলেরা আমাদেরকে পিটিয়েছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে , কারণ আমরা ছাত্র ইউনিয়ন করতাম। শেষ পযন্ত জোর করে তারা আমাদেরকে ছাত্রদলের কমী বানিয়েছিল। নিয়তি

Mostafizar

Mostafizar

২০১২.০৯.১১ ১৪:৩১
এ ঘটনায় ছাত্রদলের তিনজনকে আটক করেছে শাহবাগ থানার পুলিশ- Is this a printing blunder? As per the news BCL beat JCD, so why police nabbed JCD activists?

koushik

koushik

২০১২.০৯.১১ ১৪:৩২
'এ ঘটনায় ছাত্রদলের তিনজনকে আটক করেছে শাহবাগ থানার পুলিশ। তাঁরা হলেন: রাশেদুজ্জামান, মিরাজ ও আল আমিন। শহীদ মিনার এলাকা থেকে আটক হওয়া এই তিনজনই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।'...... ।। হা হা হা.।

monir

monir

২০১২.০৯.১১ ১৪:৩৯
নোংরা ছাত্র রাজনীতি বন্ধ কর।

Mokaddesur Rahman

Mokaddesur Rahman

২০১২.০৯.১১ ১৪:৫২
কথা হচ্ছে, ছাত্রদল আজ ছাত্রলীগের হাতে মার খেয়েছে বলে তারা কি ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে গেছে? আমরা ভুলে যাচ্ছি কেন যে, এই ছাত্রদলও অতীতে একইভাবে ছাত্রলীগ ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের উপর চড়াও হয়েছে।

বাবুল করিম

বাবুল করিম

২০১২.০৯.১১ ১৬:০৯
ছবিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করছে।

হেলাল

হেলাল

২০১২.০৯.১১ ১৬:২২
@কোহিনূর সুলতানা শিউলী
আপনার মন্তব্যগুলি পক্ষপাতিত্ব! আর বর্তমান ছাত্রলীগ যা করছে তা ছাত্রদলের ছেলেরাও তা করেনি,বুঝলেন?কেন আপনি নিরপেক্ষ মন্তব্য করতে পারেন না?
আপনি কি আওয়ামীলীগের সমর্থক নাকি?এটা কি ধরনের সমর্থক?অন্যায়কেও পরোক্ষভাবে সমর্থন দেওয়া !আপনি যে দেশের একজন শিক্ষিতা নাগরিক সেটার কি মুল্য
রইলো ?যারা অন্যায় করবে তাদের বিরুদ্ধে তো প্রতিবাদ করতে হবে?সে যে রাজনৈতিক দলই হউক।

abhi

abhi

২০১২.০৯.১১ ১৭:১২
we have no hope as young generation . God save us from this dilemma

Faisalur Rahman

Faisalur Rahman

২০১২.০৯.১১ ১৭:২৩
Shame.....

shawon

shawon

২০১২.০৯.১১ ১৭:২৬
শিউলী আক্তার আপনি নিজেই তো আপনার সংকীর্ন মনমানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি, অতীতে ছাত্রদলের ভুলের কারণেই তো জনগন আপনাদের মতো ছাত্রলীগদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছিলো, আপনারাও তো একই ভুল করলেন, আপনি ছাত্রলীগ করেন বলেই কি ছাত্রলীগের অন্যায় কাজ কে সমর্থন দিতে হবে?
২০১২.০৯.১১ ২১:৩১
বি. এ. ফেল আর অষ্টম শ্রেণী পাশের কাছে এর বেশি আমরা আর কি আশা করতে পারি ?????

Jewel

Jewel

২০১২.০৯.১১ ২২:৪২
সাবাশ ছাত্রলীগ! এ সকল (অ)ছাত্রলীগদের দিয়ে দেশের কিছু হয় না কে বলল ! বাংলা ছিনেমায় এদের অনায়াসে ফাইট ডিরেক্টর হিসেবে ব্যবহার করা যায়!

abul fajol

abul fajol

২০১২.০৯.১১ ২৩:১০
Kohinur Sultana Shiulee,are you preparing yourself to get nominaton in the next election from AL?