গৃহিণীকে বেতন দেবেন স্বামীরা
ঘরের কাজগুলো সারা দিন ধরে যিনি করেন, তাঁকে বলা হয় গৃহিণী। কখনো স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির আপত্তি, কখনো বা সন্তান—এসব কারণেই শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও চাকরি করা হয়ে ওঠে না তাঁদের অনেকেরই। তাই তাঁরা গৃহিণী পরিচয়েই থেকে যান। সারা দিন দুই হাতে সামলান ঘরসংসারের সব কাজ।
ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয় (ডব্লিউসিডি) এবার সেই সব গৃহিণীকে নিয়ে নতুন করে ভাবছেন। তাঁদের সারা দিনের কাজকে আর্থিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব করেছে মন্ত্রণালয়। আর এই আর্থিক স্বীকৃতি দিতে হবে তাঁদের স্বামীদেরই। কারণ, গৃহিণীদের সারা দিনের কাজকর্মের একটা বড় সুফল ভোগ করেন স্বামীরাই। নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সরকারের কাছে দেওয়া প্রস্তাবে বলেছে, সংসারের কাজের জন্য আয়ের একটা অংশ প্রতি মাসে স্ত্রীকে দিতে বাধ্য থাকবেন স্বামীরা। গৃহিণীদের আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য এটা দরকার বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়। সরকারও এ প্রস্তাব নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে।
ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী কৃষ্ণা তিরাথ পিটিআইকে জানান, তাঁর মন্ত্রণালয় সম্প্রতি নারীদের ওপর একটি জরিপ চালিয়েছে। এতে দেখা গেছে, কী করেন—এই প্রশ্নের উত্তরে বেশির ভাগ গৃহিণীই বলেছেন, তাঁরা কিছুই করেন না। কারণ, এ উত্তরে তাঁদের অন্য কিছু বলার নেই। অথচ এই গৃহিণীরাই দিনরাত সংসারের সব কাজ করে যান। সংসারের সবার প্রয়োজন মেটাতে উদয়াস্ত পরিশ্রম করেন। এ কারণে গৃহিণীদের এসব কাজের আর্থিক মূল্য দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। এতে করে নারীদের সামাজিক ক্ষমতায়ন বাড়বে।
মন্ত্রী কৃষ্ণা তিরাথ জানান, ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) সঙ্গে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মন্ত্রীদের বৈঠক হবে। বৈঠকে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান কৃষ্ণা তিরাথ। তিনি বলেন, গৃহিণীদের ঘরের কাজের অবশ্যই অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু এ কাজকে আর্থিকভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। যদি সন্তানকে যত্নের জন্য কোনো ক্রেইশে (কর্মজীবী নারীদের সন্তানকে পালনকারী প্রতিষ্ঠান) পাঠানো হতো, তাহলে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হতো। যদি বাইরের কেউ রান্না করত বা বাজার করত, তাহলেও অর্থ ব্যয় করতে হতো। কিন্তু একজন গৃহিণী এসব কাজই করেন। তাঁর কাজের কোনো আর্থিক মূল্যায়ন হয় না। মন্ত্রী কৃষ্ণা তিরাথ বলেন, যদি গৃহিণীদের কাজ আর্থিকভাবে স্বীকৃত হয়, তাহলে দেশের মোট জিডিপিতে এর একটা উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে। এতে করে দেশে বেকারত্বের প্রকৃত হার কত, তাও জানা সম্ভব হবে।







sohelarman
২০১২.০৯.০৯ ১৯:৩৯sohelarman
২০১২.০৯.০৯ ১৯:৪১Khondakar Nazre Mowla
২০১২.০৯.০৯ ১৯:৪৫Iftekhar
২০১২.০৯.০৯ ১৯:৪৬JONY
২০১২.০৯.০৯ ১৯:৪৭Anwar Kamal
২০১২.০৯.০৯ ২০:০৩Iahtiak
২০১২.০৯.০৯ ২০:০৩Prabir Paul
২০১২.০৯.০৯ ২০:০৮Prabir Paul
২০১২.০৯.০৯ ২০:১১Iqbal Mahmud Chowdhury
২০১২.০৯.০৯ ২০:২১
২০১২.০৯.০৯ ২০:২৩Sadeque
২০১২.০৯.০৯ ২০:২৪tapan
২০১২.০৯.০৯ ২০:২৯Saddam Hossain
২০১২.০৯.০৯ ২১:০১Md. Rabiul Islam
২০১২.০৯.০৯ ২১:০২Bodrul Alam
২০১২.০৯.০৯ ২১:১১G. Rahman
২০১২.০৯.০৯ ২১:৩৮ANAYET HOSSAIN
২০১২.০৯.০৯ ২১:৫৫শুধু স্ত্রীকে বেতন দিলে চলবে না সন্তানদেরও দিতে হবে এবং তা হবে নিদৃষ্ট বয়স পর্যন্ত।
SR Taufiq
২০১২.০৯.০৯ ২২:১৬Imran Hossain
২০১২.০৯.০৯ ২২:২১SAYED CHOWDHURY
২০১২.০৯.০৯ ২২:২২Imran Hossain
২০১২.০৯.০৯ ২২:২৪mosharref
২০১২.০৯.০৯ ২২:২৬shamsulbasunia
২০১২.০৯.০৯ ২৩:০৬mizanur
২০১২.০৯.০৯ ২৩:১৫Dr. A.K.M. Ataul Ghani
২০১২.০৯.০৯ ২৩:১৫zahid
২০১২.০৯.০৯ ২৩:৩২Raihanul Islam
২০১২.০৯.০৯ ২৩:৩৭Md. Abdul Wahid
২০১২.০৯.০৯ ২৩:৫৯Md. Shahidul Islam
২০১২.০৯.১০ ০০:০৬ভারত সরকার কি চায়? স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আর্থিক বিবেচনায় যারা নিতে চায় তাদের নিজেদের কি সংসার নাই, তারা কি ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ নয়?