শিরোনাম:

গৃহিণীকে বেতন দেবেন স্বামীরা

অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ০৯-০৯-২০১২

  • ৩২ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

ঘরের কাজগুলো সারা দিন ধরে যিনি করেন, তাঁকে বলা হয় গৃহিণী। কখনো স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির আপত্তি, কখনো বা সন্তান—এসব কারণেই শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও চাকরি করা হয়ে ওঠে না তাঁদের অনেকেরই। তাই তাঁরা গৃহিণী পরিচয়েই থেকে যান। সারা দিন দুই হাতে সামলান ঘরসংসারের সব কাজ।
ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয় (ডব্লিউসিডি) এবার সেই সব গৃহিণীকে নিয়ে নতুন করে ভাবছেন। তাঁদের সারা দিনের কাজকে আর্থিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব করেছে মন্ত্রণালয়। আর এই আর্থিক স্বীকৃতি দিতে হবে তাঁদের স্বামীদেরই। কারণ, গৃহিণীদের সারা দিনের কাজকর্মের একটা বড় সুফল ভোগ করেন স্বামীরাই। নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সরকারের কাছে দেওয়া প্রস্তাবে বলেছে, সংসারের কাজের জন্য আয়ের একটা অংশ প্রতি মাসে স্ত্রীকে দিতে বাধ্য থাকবেন স্বামীরা। গৃহিণীদের আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য এটা দরকার বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়। সরকারও এ প্রস্তাব নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে।
ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী কৃষ্ণা তিরাথ পিটিআইকে জানান, তাঁর মন্ত্রণালয় সম্প্রতি নারীদের ওপর একটি জরিপ চালিয়েছে। এতে দেখা গেছে, কী করেন—এই প্রশ্নের উত্তরে বেশির ভাগ গৃহিণীই বলেছেন, তাঁরা কিছুই করেন না। কারণ, এ উত্তরে তাঁদের অন্য কিছু বলার নেই। অথচ এই গৃহিণীরাই দিনরাত সংসারের সব কাজ করে যান। সংসারের সবার প্রয়োজন মেটাতে উদয়াস্ত পরিশ্রম করেন। এ কারণে গৃহিণীদের এসব কাজের আর্থিক মূল্য দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। এতে করে নারীদের সামাজিক ক্ষমতায়ন বাড়বে।
মন্ত্রী কৃষ্ণা তিরাথ জানান, ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) সঙ্গে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মন্ত্রীদের বৈঠক হবে। বৈঠকে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান কৃষ্ণা তিরাথ। তিনি বলেন, গৃহিণীদের ঘরের কাজের অবশ্যই অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু এ কাজকে আর্থিকভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। যদি সন্তানকে যত্নের জন্য কোনো ক্রেইশে (কর্মজীবী নারীদের সন্তানকে পালনকারী প্রতিষ্ঠান) পাঠানো হতো, তাহলে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হতো। যদি বাইরের কেউ রান্না করত বা বাজার করত, তাহলেও অর্থ ব্যয় করতে হতো। কিন্তু একজন গৃহিণী এসব কাজই করেন। তাঁর কাজের কোনো আর্থিক মূল্যায়ন হয় না। মন্ত্রী কৃষ্ণা তিরাথ বলেন, যদি গৃহিণীদের কাজ আর্থিকভাবে স্বীকৃত হয়, তাহলে দেশের মোট জিডিপিতে এর একটা উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে। এতে করে দেশে বেকারত্বের প্রকৃত হার কত, তাও জানা সম্ভব হবে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

sohelarman

sohelarman

২০১২.০৯.০৯ ১৯:৩৯
Ofcourse

sohelarman

sohelarman

২০১২.০৯.০৯ ১৯:৪১
নাদিলে কি আর হবে,

Khondakar Nazre Mowla

Khondakar Nazre Mowla

২০১২.০৯.০৯ ১৯:৪৫
খুব ভালো হবে মনে করি। স্বামির আয়ের ২০ বা ২৫ ভাগ স্ত্রি কে দেয়া যেতে পারে। স্বামি হিসাবে স্ত্রি অন্যান্য হক তো অবশ্যই তিনি পালন করবেন যা বেতনের সাথে সংযুক্ত করা যাবে না।

Iftekhar

Iftekhar

২০১২.০৯.০৯ ১৯:৪৬
গৃহিণীদের সারা দিনের কাজকর্মের একটা বড় সুফল ভোগ করেন স্বামীরাই, আর স্বামীদের কাজকর্মের সুফল কে ভোগ করেন ?

JONY

JONY

২০১২.০৯.০৯ ১৯:৪৭
তার মানে হল সন্তানরা েখন মায়ের ভালবাসা টাকা দিয়ে কিনে নিবে ।

Anwar Kamal

Anwar Kamal

২০১২.০৯.০৯ ২০:০৩
The contribution of wives to the family can not be measured in terms of money.By the by it is compensation or salary.

Iahtiak

Iahtiak

২০১২.০৯.০৯ ২০:০৩
তাহলে সন্তানের প্রতি বাবার স্নেহ ভালবাসার মূল্য কে দিবে? আসলে সমাজে আর একটা বিশৃঙ্খলা তৈরীর চেষ্টা। এমনিতেই নারীদের পক্ষে অনেক আইন তৈরী হয়েছে যার সবচেয়ে বেশী অপব্যবহার হয় আর নতুনভাবে এটা হলে এরও অপব্যবহার শুরু হবে সন্দেহ নেই।

Prabir Paul

Prabir Paul

২০১২.০৯.০৯ ২০:০৮
সত্য কথা ঘরের কাজের অবশ্যই অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে ।

Prabir Paul

Prabir Paul

২০১২.০৯.০৯ ২০:১১
সত্য কথা ঘরের কাজের অবশ্যই অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে । কিন্তু কি মানদন্ডে বিচার করবেন আপনি যে গ্রিহিনী ঘরের কাজগুলো একা একাই করেছে । নীম্নবিত্ত বা দরিদ্র পরিবার হলে সম্ভব সহজ ভাবেই যাচাই করা কারন বাসায় বুয়া রাখার সুযোগ নেই হয়তো তাদের । অন্যদের অনেক স্ত্রীর জন্যই তো ঘরের কাজের মাত্রাটা খুবি লঘু মানের (বিষেশ করে আমাদের শোকেস এ রাখা গ্রিহিনীরা) । বুয়া বা বুয়ারা ঘরের সব কাজ করছে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আর গ্রিহ শিক্ষক করছেন বাচ্চাদের পড়াশোনা করানোর দায়িত্বটা তাও পারিশ্রমিকের বিনিময়ে । এসকল ক্ষেত্রে স্বামীদের বউ পালাতো হাতী পালার মতোই । সেখানে স্বামীরা কি রিটারন পাবে এ সমস্ত বাড়তি সংসার খরচের অরধেকটা স্ত্রীদের বা সরকারের থেকে ? সুতরাং এমন কোন আইন নয় যেখানে সুবিচার করা দুরহ । তার থেকে বরং সক্রিয় চেষ্টা করুন কিভাবে নারীকে সত্যিকার পথে উপারজনক্ষম করে তুলতে পারেন অদুর ভবিষ্যতের মধ্যেই । দেশের অরধেক উপারজনক্ষম লোকদের ব্রিহদাংশই যদি অনুৎপাদনশীল থাকে তাহলে সেটা জাতীয় ক্ষতি বৈকি । চেষ্টা করুন মধ্য ও উত্তর ইউরোপের মতো সামাজিক মুল্যবোধ গড়ে তুলতে সেখানে প্রত্যেকেই অনুভব করবে তার সামাজিক ও অরথনৈতিক দায়বদ্ধতা নিজের সংসার ও দেশের কাছে ।
২০১২.০৯.০৯ ২০:১৫
that means rich man's wife = heavy salary :D.... all the girls will run after finding rich husband not good job :).... lucky girls..

Iqbal Mahmud Chowdhury

Iqbal Mahmud Chowdhury

২০১২.০৯.০৯ ২০:২১
Well.........maintain Islamic rule is proper solution of this problem......

২০১২.০৯.০৯ ২০:২৩
পাগলের সিদান্ত। ঘরের কাজ করবে নিজের বউ তার জন্য স্বামীকে টাকা খরচ করতে হবে! বাচ্চা পালনের জন্যও ! পুরুষের আতত হত্যা করার রাসতা বানাচছে। আসলে মহিলারা যাতে পুরুষের নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরাতে পারে সেই ব্যবসথা পাক্কা করছে। স্বামীস্ত্রীসমপরক বলতে কিছুই থাকবে না। তাছাড়া মহিলারা তো সবাই কম বেশি পাগল। বেত্ন দিয়েই যদি ঘরের কাজ এবং বাচ্চা পালনের মত কাজ স্ত্রীকে দিয়ে করাতে হয় তাহলে আমার স্ত্রীকে আমি এখনই বাড়ি ছাড়া করবো। ঘরের কাজ করেই কি ভাত পাওয়া যায় ? ওরা কাজের নষটই বেশি করে। তালাকের সংখ্যা বেড়ে যাবে। যত সব পাগলের কান্ড।

Sadeque

Sadeque

২০১২.০৯.০৯ ২০:২৪
যতসব পাগলামী চিন্তা ভাবনা।

tapan

tapan

২০১২.০৯.০৯ ২০:২৯
খুব একটা সুফল বয়ে আনবে বলে মনে হয় না, কারণ গৃহিণীরা সারা দিন যে কাজ করেন তা একান্ত নিজের ভেবেই করেন নিজের সংসার, সন্তান, স্বামী, আর অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় স্বামী যা আয় করেন তা সমস্ত গৃহিণীর হাতেই তুলে দিয়ে ধন্য হন এবং নিজের হাত খরছের টাকা গৃহিণীর কাছ থেকে চেয়ে নেন। সুতরাং স্বামীর আয়ের কোন অবশিষ্ট অংশ কয়জন স্বামী গৃহিণীর হাতে তুলে দিতে পারবেন সেটি সময় বলে দিবে।
২০১২.০৯.০৯ ২০:৫২
ভাবনাটা নিতান্তই অমূলক। স্বামী উপার্জন করেন কেন, কাদের জন্যে? স্ত্রী যদি বেতনের বিনিময়ে কাজ করেন, তবে তো স্বামী-স্ত্রীর সমান দায়িত্ব, মর্যাদা, ভোগ-উপভোগ, ভালোবাসা ইত্যাদির কোন ব্যবহার ও প্রয়োজন থাকে না। অর্থের বিনিময়ে স্বামী যে কোন প্রতিষ্ঠান ও কর্মচারীর কাছ থেকে এমন সেবা পেতে পাবেন। স্ত্রী না হলে তো সন্তান উৎপাদনের প্রশ্নই অবান্তর। সন্তানাদি কি শুধুই স্বামীর ইচ্ছা-আগ্রহের ফলশ্র“তি? পরিবারে স্ত্রীর দায়িত্ব যদি অর্থের বিনিময়ে ক্রয় করতে হয়, তাহলে স্ত্রীর কি প্রয়োজন বা তাকে কেন্দ্র করে এত বিশাল ব্যয়ভার ও মহাযজ্ঞের আয়োজন করে সারাজীবন মাথার ঘাম পায়ে ঝরিয়ে উপার্জন করার দরকার কি? আসলে এসব অবান্তর চিন্তা যাদের মাথায় আসে তারা হাজার হাজার বছরের ভারতীয় সামাজিক ও পারিবারিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সরল-সহজ সুখী জীবনযাপনের সুস্থ ধারাকে ধ্বংস করে দিয়ে ইতিহাসে নিজেদের নাম লেখানোর নতুন এক পন্থা আবিস্কার করতে উদ্দত হয়েছেন। এ সমাজে এগুলো মস্তিষ্ক বিকৃতির সামিল।

Saddam Hossain

Saddam Hossain

২০১২.০৯.০৯ ২১:০১
গৃহিণীদের সারা দিনের কাজকর্মের একটা বড় সুফল ভোগ করেন স্বামীরাই, আর স্বামীদের কাজকর্মের সুফল কে ভোগ করেন ?

Md. Rabiul Islam

Md. Rabiul Islam

২০১২.০৯.০৯ ২১:০২
গুড, ভালো উদ্দ্যোগ। তাহলেতো মা-বাবাকেও বেতন দিতে হবে আর বৌকে যে বেতন দেওয়া হবে, তা থেকেই বৌকে কাপড়-চোপর, খাওয়া-দাওয়া, বাড়ি ভাড়া (বাড়িটা স্বামীর নিজের হলেও, তারতো নয়) খরচ চালাতে হবে। রাবিশ!!! সম্পর্কগুলোকে কমার্শিয়াল করতে চায়অ এসব পরিবার ব্যবস্থা ধ্বংসের উদ্দ্যোগ।

Bodrul Alam

Bodrul Alam

২০১২.০৯.০৯ ২১:১১
if a husband works in a house, would he get the remuneration?

G. Rahman

G. Rahman

২০১২.০৯.০৯ ২১:৩৮
The best deeds, proactive emotions & perfect relations are replacing rapidly by bad ones everywhere. Everything is becoming meaningless & ultra commercial. Very bad........and very sad as well!!! A peaceful, passionate and contradiction free society is possible only by obeying the God, not by manmade fallacies.

ANAYET HOSSAIN

ANAYET HOSSAIN

২০১২.০৯.০৯ ২১:৫৫
আমাদের সরকার যদি স্ত্রী, সন্তান দের বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা এবং বেকার দের চাকুরীওয়ালা স্ত্রী দেওয়ার ব্যবস্থা করে তাহলে ভাল হয়!!

শুধু স্ত্রীকে বেতন দিলে চলবে না সন্তানদেরও দিতে হবে এবং তা হবে নিদৃষ্ট বয়স পর্যন্ত।

SR Taufiq

SR Taufiq

২০১২.০৯.০৯ ২২:১৬
আমার বউ করমজীবি। বাড়ির সমসত খরচ আমার উপর। বাড়ির কাজও আমি করি। বউ টুক্টাক করে। আমি বললাম আমি যেহেতু বাড়ির কাজ সবই করি তাহলে আমারে তোমার বেতনের টাকা সব তুলে দাও সে রাজি না!বাড়ির কাজের লোক হয়েও আমি অতিষঠ!

Imran Hossain

Imran Hossain

২০১২.০৯.০৯ ২২:২১
বৌকে বেতন দেওয়ার আগে মাকে দেওয়ার ব্যাবস্থা করা দরকার বলে আমি মনে করি।

SAYED CHOWDHURY

SAYED CHOWDHURY

২০১২.০৯.০৯ ২২:২২
প্রতিটি কাজেরই স্বীকৃতি থাকা প্রয়োজন । আমাদের ধারনা পাল্টাতে হবে । যদি মেয়েদের গৃহিনীকে পেশার মর্যাদা দেওয়া যায় তবে তা অবশ্যই সামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা পালন করবে । এ বিষয়ে আমার একটি লেখা পড়ুন বদলে যাও বদলে দাও ব্লগে । আশা করি লেখাটা গৃহিণীদের প্রতি দৃষ্টি কোন পাল্টে দেবে ।লিংক: http://www.bodlejaobodledao.com/archives/20391

Imran Hossain

Imran Hossain

২০১২.০৯.০৯ ২২:২৪
বৌয়ের চেয়ে মায়ের অধিকার সবচাইতে বেশি, আজও অনেক মা আছেন যাদের সন্তান মাছ মাংশ খায় আর মা অনাহারে ভোগে। তাদের কে না দিয়ে বৌকে দেওয়া কতটা ঠিক?

mosharref

mosharref

২০১২.০৯.০৯ ২২:২৬
এই গুলি ডিভোরস মহিলাদের আইডিয়া। আথবা স্বমী থেকে আলাদা থাকার পাইতা্রা,আথবা , তারা পুরুষ বিদব্বেসি । বানান ভুলের জন্য সরি

shamsulbasunia

shamsulbasunia

২০১২.০৯.০৯ ২৩:০৬
It is a matter of experiment I think.House-wives are not neglected-beings; so government may promulgate new rule for them so that they can be empowered financially. Society like Bangladesh may or may not be ready to accept this idea with out sending it to the table of debate. But we should change our mind-set considering the house-wives as our important part to the family and the society. They must be honored and empowered financially.

mizanur

mizanur

২০১২.০৯.০৯ ২৩:১৫
এই ধরনের চিন্তা গৃহিণীদের জন্য অপমানজনক

Dr. A.K.M. Ataul Ghani

Dr. A.K.M. Ataul Ghani

২০১২.০৯.০৯ ২৩:১৫
সব সম্পর্ক কি র টাকা দিয়ে কেনা জায়???

zahid

zahid

২০১২.০৯.০৯ ২৩:৩২
WHO EARN MONEY, SO NOW MAN CAN STAY HOME AND WOMEN CAN GO FOR EARN MONEY.

Raihanul Islam

Raihanul Islam

২০১২.০৯.০৯ ২৩:৩৭
@mosharref তুমি আমাদের মনের কথা বলেছে। ধন্যবাদ। দেশের ২ নারীর ক্ষমতায়নে আমরা দিশেহারা। দেশের সকল নারীর যদি ক্ষমতায়ন হয় তাহলে অবসথা কি যে হবে আললাহই জানেন।

Md. Abdul Wahid

Md. Abdul Wahid

২০১২.০৯.০৯ ২৩:৫৯
যত্তসব আউল-ফাউল চিন্তা ভাবনা। ওদের কি খেয়েদেয়ে আর কি কোন কাজ নেই। ওরা প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্বে যুদ্ধ ঘোষনা করতে চাচ্ছে, আর প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে আজ পর্যন্ত কোন কিছু স্থায়ী হয়নি।

Md. Shahidul Islam

Md. Shahidul Islam

২০১২.০৯.১০ ০০:০৬
সংসারের কাজের জন্য আয়ের একটা অংশ প্রতি মাসে স্ত্রীকে দিতে বাধ্য থাকবেন স্বামীরা। গৃহিণীদের আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য এটা দরকার বলে মনে করছে ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ভালকথা তাহলে যেসব মহিলারা যোগ্যতার অভাবে চাকরী পান না কিন্তু আজীবন স্বামীর কাছ থেকে সামাজিক, আর্থিক সকল সুবিধা ভোগ করে আসছেন তাদের ক্ষেত্রে কি সিদ্ধান্ত হবে ? তাছাড়া স্বামীর নিকট হতে বেতনভোগী স্ত্রীরা কি তাদের শপিং এর খরচ নিজেরাই বহন করবেন?
ভারত সরকার কি চায়? স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আর্থিক বিবেচনায় যারা নিতে চায় তাদের নিজেদের কি সংসার নাই, তারা কি ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ নয়?