কেলেঙ্কারির পর হ্যারি আফগানিস্তানে
সম্প্রতি নগ্ন ছবি প্রকাশ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোচনার পর ব্রিটেনের প্রিন্স হ্যারিকে আফগানিস্তানে মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির হেলমান্দ প্রদেশে থাকা প্রধান ব্রিটিশ ঘাঁটি—ক্যাম্প বেশনে পৌঁছান তিনি। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ খবর জানিয়েছে।
২৭ বছর বয়সী হ্যারি রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকারীদের সারিতে থাকা তৃতীয় ব্যক্তি। আফগানিস্তানে তাঁকে তালেবানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযানগুলোতে অংশ নিতে হবে। তিনি অ্যাপাচি হেলিক্টারের পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে ২০০৭ সালের দিকে আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে মোতায়েন করা হয়েছিল হ্যারিকে। সেখানে ১০ সপ্তাহ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে ঘটনাটি ফাঁস হলে ব্রিটেনে ফিরিয়ে নেওয়া হয় তাঁকে।
বিবিসির খবরে বলা হয়, সামরিক বাহিনীতে ক্যাপ্টেন ওয়েলসখ্যাত হ্যারি আর্মি এয়ার কোরের তিন নম্বর রেজিমেন্টের ৬৬২ স্কোয়াড্রনের অংশ হিসেবে কাজ করবেন। এ ব্যাপারে রয়্যাল নেভি ক্যাপ্টেন জক গর্ডন বলেন, বিভিন্ন অভিযানে সম্মুখ সারির বিমানচালক হিসেবে ক্যাপ্টেন ওয়েলসের পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে। আফগানিস্তানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন। তিনি বলেন, ‘কষ্টসাধ্য এবং চাহিদাসম্পন্ন একটি দায়িত্ব পালন করবেন হ্যারি। আমি আশা করি তিনি নিজ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যৌথবাহিনীর পদাতিক সেনাদের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ারও সুযোগ পাবেন।’
চাচা প্রিন্স অ্যান্ড্রুর পর প্রিন্স হ্যারিই হবেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী। অ্যান্ড্রু ফকল্যান্ড যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ মাসের কঠোর প্রশিক্ষণের পর অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের পাইলট হিসেবে নিয়োগ পান হ্যারি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাস শহরের একটি হোটেলের কক্ষে খোলামেলাভাবে তোলা তাঁর ছবি প্রকাশিত হয় ইন্টারনেটে। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ ছবি নিয়ে হইচই পড়ে যায়। প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশ রাজপরিবার ওই ছবি প্রকাশ না করতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানায়। বিশ্লেষকদের ধারণা, ছবি প্রকাশের ঘটনার পর হ্যারির ভাবমূর্তি উদ্ধার করতেই তাঁকে আফগানিস্তানে পাঠানো হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য
- ২০১২.০৯.০৭ ২১:২৮
- This family is the great economic burden for UK but unfortunately faithful royal British citizens are happy to pay off as they know this position of UK would no longer be achieved if this family nonsense did not make us victims. It is important for British colonial countries to boycott them.






