পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সরকারের দূরত্ব বাড়ছে

রাহীদ এজাজ | তারিখ: ২৮-০৮-২০১২

  • ৩৩ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

সুশাসন প্রশ্নে সরকারের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর দূরত্ব বাড়ছে। গ্রামীণ ব্যাংকের অধ্যাদেশ পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর সঙ্গে এ দূরত্ব আরও বেড়েছে। এ ছাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী, তিন পার্বত্য জেলার অধিবাসীদের প্রশ্নে সরকারের অবস্থানও পশ্চিমা উন্নয়ন-সহযোগীদের অসন্তুষ্ট করছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সরকারের সর্বশেষ পদক্ষেপে উদ্বেগ জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ১৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লিখেছিলেন। গত রোববার এ বিষয়ে প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। ঢাকায় কর্মরত একাধিক ইইউ দেশের কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগে সরকারের নিযুক্ত চেয়ারম্যানকে বেশি ক্ষমতা দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁরা শঙ্কিত। এ প্রেক্ষাপটে সরকারের কাছে ১৪ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বেগ জানিয়েছে ইইউর দুই প্রভাবশালী সদস্য জার্মানি ও ফ্রান্স।
সম্প্রতি লন্ডন সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গ্রামীণ ব্যাংকের পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় ফেরার পর জনসমক্ষে দেওয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনার বক্তব্যে সরকার অসন্তুষ্ট। বিশেষ করে টিকফা চুক্তি, শ্রমিকনেতা আমিনুল হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে তাঁর বক্তব্য-বিবৃতিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের পাশাপাশি সম্প্রতি ঢাকা সফরের সময় জার্মান প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিয়ান ভুল্ফ গণতন্ত্র ও সুশাসনে অগ্রগতির ওপর গুরুত্ব দেন। আওয়ামী লীগের ক্ষমতা গ্রহণের পর গণতন্ত্র ও সুশাসনে অগ্রগতির পাশাপাশি সন্ত্রাস ও দুর্নীতি দমনে কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউভুক্ত দেশগুলো। কিন্তু এ বিষয়গুলোতে তেমন অগ্রগতি হয়নি বলে মনে করছে তারা। বরং গ্রামীণ ব্যাংকের পাশাপাশি আদিবাসী ও রোহিঙ্গা প্রশ্নে সরকারের অবস্থান উন্নয়ন-সহযোগীদের কাছে নেতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।
উদ্বেগ জানিয়ে জার্মানি ও ফ্রান্সের চিঠি: গ্রামীণ ব্যাংকের নতুন এমডি নিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে সরকারের নিযুক্ত চেয়ারম্যানের। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মতো জার্মানি ও ফ্রান্স আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের উদ্বেগ জানিয়েছে। ১৪ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে ই-মেইল করে ইইউর প্রভাবশালী দুই দেশের ঢাকার দূতাবাস যৌথভাবে তাদের সরকারের অবস্থান জানায়।
জানতে চাইলে ইউরোপের এক কূটনীতিক গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে জানান, উদ্যোগটি এ দুই দেশের হলেও এতে সমর্থন আছে সংস্থার অন্য সদস্যদের। সরকারকে দেওয়া চিঠিতে দেশ দুটি বলেছে, গ্রামীণ ব্যাংককে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ তাদের বিচলিত করেছে। এ প্রতিষ্ঠানটির মালিক দরিদ্র জনগোষ্ঠী। তাই ব্যাংকের মূল অংশীদারদের ভূমিকা অক্ষুণ্ন রাখা জরুরি।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ভিনসেন্ট ফ্লোরিয়ানি প্যারিসে এক বিবৃতিতে বলেছেন, এমডি নিয়োগে সরকারের নিযুক্ত গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্তে ফ্রান্স উদ্বিগ্ন। গ্রামীণ ব্যাংকের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখার পাশাপাশি এমডি নিয়োগের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাটা জরুরি।
গ্রামীণ ব্যাংক ও রোহিঙ্গা প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের মনোভাব: সম্প্রতি লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যান্ড্রু মিশেল। আলোচনায় উঠে আসে গ্রামীণ ব্যাংক এবং মিয়ানমারের জাতিগত সংঘাত থেকে প্রাণে বাঁচা রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গ। মিশেল গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সরকারের পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢুকতে না দেওয়ায় শঙ্কা প্রকাশ করেন। বৈশ্বিক ক্ষুধা ও দারিদ্র্যবিষয়ক আলোচনায় যোগ দিতে ১২ আগস্ট তিন দিনের সফরে লন্ডন যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোহিঙ্গার বিষয়টি মানবিক দিক থেকে বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়ে ঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট গিবসন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এম জিয়াউদ্দিনকে চিঠি লেখেন। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার দিন অর্থাৎ ১৪ আগস্ট এ চিঠিটি পাঠানো হয়। গিবসন লিখেছেন, রোহিঙ্গাদের প্রশ্নে ইইউর অনুসৃত নীতি অনুসরণ করে যুক্তরাজ্য। অর্থাৎ মানবিক সাহায্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রয়োজনে আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাবে যুক্তরাজ্যের সমর্থন রয়েছে। এ কাজে সহায়তার জন্য বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করে যুক্তরাজ্য।
এনজিও কার্যক্রম প্রসঙ্গে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ: রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার নামে বিতর্কিত ভূমিকার জন্য সরকার সম্প্রতি সীমান্তবিহীন চিকিৎসক দল (এমএসএফ), অ্যাকশন কন্ত লা ফেইম এবং মুসলিম এইড ইউকে নামের তিনটি এনজিওর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। নিষিদ্ধ ওই তিন এনজিওর নিবন্ধনের মেয়াদ প্রায় দুই বছর আগে উত্তীর্ণ হয়ে যায়। তবে নিয়মানুযায়ী নিবন্ধনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করার কথা থাকলেও এ রীতি ওই তিন এনজিও অনুসরণ করেনি।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ভিনসেন্ট ফ্লোরিয়ানি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে তিন এনজিওর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার নিন্দা জানিয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে তিন এনজিওর কার্যক্রম বন্ধে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তাঁর দেশের পক্ষে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

msu shimul

msu shimul

২০১২.০৮.২৮ ০২:৪২
আওয়ামী লীগের ক্ষমতা গ্রহণের পর গণতন্ত্র ও সুশাসনে অগ্রগতির পাশাপাশি সন্ত্রাস ও দুর্নীতি দমনে কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউভুক্ত দেশগুলো। কিন্তু এ বিষয়গুলোতে তেমন অগ্রগতি হয়নি বলে মনে করছে তারা।
absolutely right.

MUHAMMAD

MUHAMMAD

২০১২.০৮.২৮ ০৩:৪৪
আর আরব দেশগুলো বহু আগে থেকেই এ সরকারের সাথে নেই। ফলে সেখানে আর বাংলাদেশি জনশক্তি রফতানি হচেছ না। আমার মনে হয় কারন আমরা সবাই জানি। তবে সরকারের টনক নড়ার কোন আলামত দেখা যাচেছ না।

Shafiq  Bhuiyan

Shafiq Bhuiyan

২০১২.০৮.২৮ ০৩:৫৫
অপরিপক্ক রাজনৈতিক জ্ঞান, বালসুলভ ব্যাক্তিগত আক্রোষ আর ক্শতার অন্ধ দম্ভ এই সরকারকে পৃথিবীর কাছে আরো জঘন্যভাবে হেয় প্রতিপন্ন করবে। সামনে আরো খারাপ দিন আসতে পারে।

Mohammed

Mohammed

২০১২.০৮.২৮ ০৪:৩০
ষাঁড় ও মোরগের যুদ্ধ

মিতা

মিতা

২০১২.০৮.২৮ ০৫:০৪
দরত্ব বাড়লেও চিন্তা নেই আমরা ১০০% স্বনির্ভর ! আমাদেরকে আর ওদের কাছে যেতে হবে না, প্রধানমন্ত্রী যেমন বলেন বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে ফিরে আসবে । কারন বাংলাদেশ ছাড়া আর কোন দেশ নেই বিশ্বব্যাংক থেকে ঋন নেওয়ার ।

Muzibur rahman

Muzibur rahman

২০১২.০৮.২৮ ০৫:৩৭
PM& FM(foreign minister),do not got statesman quality at present. New genation politicians emeging from Kyzza tantro,Diplomacy/foreign policy,what are those !!!!!! unknown to them. When Bango bandhu returned from Pakistan,he took prime ministership, and given foreign minisership to Dr.Kamal who also in pakistan during war. War time leader Tajuddin gave message to Bango bandhu, FM should be from war heroes to satisfy allies of liberatin war. When bango bandhu died ,he was unprotected by allie intelligence,cos they were confused ,whoes friends is bagladesh govt. in power. Foreign policy of developing countries is very important,which gives stong back up to rise in a globalised world.

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৮.২৮ ০৭:৪২
`নীতি' ও `কূটনীতি'- এ দু'টোই একটা দেশ পরিচালনার অপরিহার্য অংশ হলেও বর্তমান বিশ্ব-ব্যাবস্থায় যেটা অধিক প্রয়োজন, তা সম্ভবতঃ কূটনীতি।
আমাদের দেশ স্বাধীনতার পর থেকে নানা বাধাবিপত্তি, ঘাত-প্রতিঘাত সত্ত্বেও যতদূর এগিয়েছে, তাতে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজমান থাকলে, বাইরের রাষ্ট্র-সম্প্রদায়ের খবরদারীকে, কিছূটা হলেও, অবজ্ঞা করা যেতো। কিন্তু বিভিন্ন সময়ের সরকারগুলোর ক্ষমতা আকড়ে ধরে রাখার মানসিকতার কারণে কখনোই কোন বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তর জাতীয় মতৈক্য প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি, আর দেশও আন্তর্জাতিকভাবে যথেষ্ট সম্মান অর্জন এবং জাতীয়ভাবে আশানুরূপ উন্নতি লাভ করতে পারেনি।
বর্তমান সরকার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর মানুষ আশা করেছিল, এবার একটা কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন হবে, অর্থাত্‌ দেশের উন্নয়নের জন্য যা যা করণীয়, তা এরা করবে। কিন্তু জনমানুষের সেই আকাঙ্খায় ছাইভষ্ম ঢেলে দিয়ে প্রথমেই যে অপকর্মটা তারা করেছে, তা হ'ল আদালতের দোহাই দিয়ে ব্যাপক জন-সমাদৃত নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রথা বাতিল। আমরা আমজনতা মনে করি, এটা করা হয়েছে, জনগণের ক্ষমতা অর্থাত্‌ ভোটাধিকারের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলার ফলশ্রুতিতে এবং ভবিষ্যতে জনগণের সত্যিকারের ভোটাধিকার ব্যতীতই `নীলনকসা'-র নির্বাচন করার মাধ্যমে ক্ষমতাকে স্থায়ী করার মানসে।
তাছাড়া গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মুহম্মদ ইউনুস প্রশ্নে এ সরকারের কার্যক্রমও দেশে ও বিদেশে যথেষ্ট হতাশার সৃষ্টি করেছে। অনেক জ্বলন্ত সমস্যা, যেমন- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির কারণে মানুষের দিশেহারা অবস্থা ইত্যাদি দেশে বিরাজমান থাকা সত্ত্বেও সেদিকে খেয়াল না দিয়ে অহেতুক ড. ইউনুস প্রশ্নে তারা সময় ও শক্তির অপচয় করছে, যার কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আমাদের দেশের পদ্মাসেতুসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতিবাচকভাবে সাড়া দিয়েছে ও দিচ্ছে। সবদিক বিবেচনায় দেশের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার অনেকটা বিপন্ন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কও যথেষ্ট হুমকিগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।
আমরা আমজনতা মনে করি, সরকারের উচিত বর্তমান শ্বাসরুদ্ধকর ঘোর-আবিষ্ট অবস্থা থেকে সরে এসে দেশের গণতন্ত্র ও অন্যান্য সকল দিকে `নীতি'-র মানদন্ডে ইতিবাচক কার্যক্রম গ্রহণ করা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নত করার জন্য `কূটনীতি'-সম্মত বাস্তব কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা। আর এগুলো করতে না পারলে আগামীতে এ সরকারকে দেশে অস্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে অবস্থার মধ্যে পড়ার সমূহ আশঙ্কা মোকাবেলা করা ছাড়া গতি দেখি না।

S. M. Abdul Haque

S. M. Abdul Haque

২০১২.০৮.২৮ ০৮:০৫
Only Dr. Yunus can save this if he loves his motherland but not present Gov.

Shammi

Shammi

২০১২.০৮.২৮ ০৮:১২
Are western World any better? Where is their humanity stands when they invade other countries and create riots, killing innocent people in Pakistan in the excuse of terrorist using drone, force our Government to sell gas to India, helping people like Younis when his Gramin bank made so many people become poor, killing innocent people in Vietnam, threw nuclear bomb in Japan and so on.......

আ.ন.ম. আফজাল হোসেন

আ.ন.ম. আফজাল হোসেন

২০১২.০৮.২৮ ০৮:১৮
গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সরকারের টানা পোড়েন সত্যি আমাদের সাধারণ জনগণের জন্য এক চরম দূর্ভাগ্য। আজ বিশ্বের অনেক দেশের সাথে আমাদের সন্পর্ক নিম্ন গতির। হিলারীকে কি ভাবে যেতে হলো দেশ থেকে। আমাদের তৈরী পোষাক শিল্প এখন হুমকীর মুখে। পদ্মা সেতু এখন অনিশ্চিত। প্রবাসীদের রেমিটেন্স এখন নিম্নগামী সব মিলিয়ে হাসিনা সরকারকে আর একবার ভাবা উচিত গ্রামীণ ব্যাংক ইস্যু নিয়ে। বর্তমান সরকার আমাদের কোথায় নিয়ে যেতে চায়। আমাদের তা বোধগম্য নয়। আগামি দিন গুলো অন্ধকার!!!!!!!! @আফজাল-

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.০৮.২৮ ০৯:৩৮
ফালতু কাজে মনোনিবেশ করে আওয়ামীলীগ সব অর্জন হারাতে বসেছে। তোষামোদ কারি, হঠকারিরা তাতে ইন্দন দিচ্ছে লুটপাটের পথ পরিস্কার করে অবাধ লুটপাট চালানোর স্বার্থে। হাসিনা তোষামোদে বিগলিত হয়ে পথভ্রষ্ট ] পায়ে কুড়াল মারার মত ফালতু কিছু কাজ করে বিপদ ডেকে এনেছেন নিজ দলের জন্য এমন কি দেশের জন্য।

syed Kamal mohammad Mukul

syed Kamal mohammad Mukul

২০১২.০৮.২৮ ০৯:৪৩
S. M. Abdul Haque @ you are right 100%!

A.W.Haq

A.W.Haq

২০১২.০৮.২৮ ১০:০৪
ভারত পাশে থাকলে হাসিনার আর কারোও দরকার নেই !

Sezan

Sezan

২০১২.০৮.২৮ ১০:০৫
No problem we are going only very close to India.

nazrul manik

nazrul manik

২০১২.০৮.২৮ ১০:০৭
আমাদের বর্তমান সারকার চাচ্ছে বিরুধিদের আন্দলোনে নামিয়ে দেশে আরজগাতা সৃষ্টি করে দেশকে ধংশের দিকে নিয়ে যেতে চাই।

Raju(Jhalakathi,Barisal)

Raju(Jhalakathi,Barisal)

২০১২.০৮.২৮ ১০:১১
ভাইরে এই দেশ টা হল আজব দেশ ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

Raju(Jhalakathi,Barisal)

Raju(Jhalakathi,Barisal)

২০১২.০৮.২৮ ১০:১২
আজব দেশের আজব নাগরিক আমরা ,

Enamul Kabir

Enamul Kabir

২০১২.০৮.২৮ ১০:১৩
গ্রামীণ ব্যাংক ইস্যুতে সরকারের সাথে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপীয় দেশগুলোর টানাপোড়েন কাম্য নয় মোটেও।

nazrul manik

nazrul manik

২০১২.০৮.২৮ ১০:৩৬
সরকারকে দেশে অস্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে অবস্থার মধ্যে পড়ার সমূহ আশঙ্কা মোকাবেলা করা ছাড়া গতি দেখি না।

Mokaddesur Rahman

Mokaddesur Rahman

২০১২.০৮.২৮ ১১:০৪
একটা বিষয় আমাদের মনে রাখা দরকার। সেটি হল, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে 'সুসম্পর্ক' নিয়ে ভাবতে গেলে কিন্তু আমাদের স্বাধীনতা আসত না। মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাদে অন্যসব বৃহৎ শক্তির কী ভূমিকা ছিল, তা আমাদের মনে আছে। বঙ্গোপসাগরে মার্কিন সপ্তম নৌবহর প্রেরণের কথা বাঙালি জাতি কখনোই ভুলে যাবে না। পশ্চিমা বিশ্বের (বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের) যাবতীয় বৈরী প্রচেষ্টা সত্ত্বেও জাতির জনকের নেতৃত্বে পরাশক্তির প্রবল বাধাকে জয় করে আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলাম। বৃহৎ শক্তির অপচেষ্টা আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারেনি। কাজেই এখন কেন আমরা পশ্চিমাদের সঙ্গে কথিত সুসম্পর্কের দোহাই দিয়ে আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপোস করব? তারা কি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করার নিশ্চয়তা দিয়েছে? পদ্মা সেতুতে অর্থায়নের মূলা ঝুলিয়ে ঠিকই তো কে আমাদের মন্ত্রী থাকবেন আর কে থাকবেন না, সেসব বিষয়ে খবরদারি করছে। আমরা আশা করব, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার পরাশক্তির রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাবে। তাঁর নেতৃত্বেই আমরা আগামী দিনগুলোতে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করা এক বাংলাদেশকে দেখতে পাব। এর জন্য প্রয়োজন সমালোচনা নয়, সমর্থন।

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.০৮.২৮ ১১:২৪
পশ্চিমা দেশ গুলোর সাথে সরকারের দূরত্ব বাড়লে চিন্তার কী ? পাশে বৃহৎ রাষ্ট্র বন্ধু প্রতিম প্রতিবেশি ভারত আছে না ?

ZIA HAQ

ZIA HAQ

২০১২.০৮.২৮ ১১:৪০
এ সরকার তো কাউকে পরোয়া করে না। সমস্যা কি? (বুঝবে সময় হলে- কতো ধানে কতো চাল)

Ahsan Al

Ahsan Al

২০১২.০৮.২৮ ১১:৫৪
ভেনেজুয়েলা বা কিউবা খুব শক্তিধর দেশ না হলেও, তারা পশ্চিমা দেশগুলোকে পাততা দেয় না, কারন তারা সব সময়ই স্বীয় জাতীয়তার উপর অগ্রাধিকার দিতে পছন্দ করে। ফলে সাধারন জনগন ও সরকারের পক্কে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে কি হচছে ?

Md Chowdhury Murad

Md Chowdhury Murad

২০১২.০৮.২৮ ১১:৫৪
What happend ?If Bangladesh govement took loan according to contract pay also interest so why need worry ?We are the poor country so no rich country without profite love us to help.We should remember this.We should trying to best to stand ourself and go on.You can see china now on which possition?They are also was poor too so if they can why we can't ?
২০১২.০৮.২৮ ১২:৩১
হায়রে পাশ্চাত্য দেশ এখন এ সমস্ত দেশের সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখতেও আমাদের মত দেশের অনেক মন্ত্রির চাকুরী চলে যাবে, চাকুরী চলে যাবে। হায়রে পাশ্চাত্য সম্পর্ক। হায়রে হায়রে সম্পর্ক।
২০১২.০৮.২৮ ১২:৩৯
তারা ঋনের মূলা ঝুলিয়ে রেখে বলবে, মন্ত্রি বদলিয়ে দাও। তারপর একই মূলা ঝুলিয়ে রেখে বলবে প্রধান মন্ত্রী পরিবর্তন করে দাও। আর জনগন যে ভোট দিয়ে প্রধান মন্ত্রীকে রায় দিল, তাও বদলে যাবে, একই মূলা ঝুলিয়ে রেখে। মূলা পাগল বাঙ্গালী। এখন আবার নোবেল পাগল হয়ে যাচ্ছে, ভয়টা.আসল এখানেই.............

Forhad

Forhad

২০১২.০৮.২৮ ১২:৪৬
তখন বুঝবে যখন পোশাক শিলপো মুখ থুবরে পরবে। আর মামলা মনএি হাজির হবেন নিত্য নতুন বাণী নিয়ে !!

শাহ এন. খাঁন

শাহ এন. খাঁন

২০১২.০৮.২৮ ১৬:০৯
"..পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সরকারের দূরত্ব বাড়ছে, আমি মনে করি ভালো লক্ষণ.কারণ পশ্চিমা দেশগুলোর যখন চায়'না অন্য দেশের ভালো চায়'না. তারা চায় তাদের গোলামী করুক.........আমি সরকার কে বলবো প্রতিটি কাজ করার আগে এদিক ঐদিক ভালো করে দেখে বলার জন্য এবং করার জন্য ( জনগণ সাথে আছে.

Mohammed Khan

Mohammed Khan

২০১২.০৮.২৮ ১৭:০৪
ইউরোপ বা আমেরিকানদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের যাওয়া ঠিক হবে না। এই সব দেশের চামচা সকল তৃতীয় বিশ্বেই ছিল, আছে ও থাকবে। নচেৎ আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া বা ইরানের মত অবস্থা হবে।

Saif Islam Tipu

Saif Islam Tipu

২০১২.০৮.২৮ ১৮:২০
Kohinur Sultana Shiuli & Jara Poshchimader tulodhuna korchen; dashotto korte apnader kemon lage? Jokhon India-ke transit dite giye Bangladesher nodite badh dey, tokhon BSF border e hotta kore, nengta kore torture kore! Tipaimukhe badh dekhe apnara ahladito; aro ahladito hindi serial dekhe! Othocho Bangladesher kono channel India-te broadcast hoy na! India-r shamne gele mathata eto jhuke ashe keno bhai? Ektu bujhiye bolben plz?

Saif Islam Tipu

Saif Islam Tipu

২০১২.০৮.২৮ ১৮:২৫
Those who tell, Grameen Bank make poor people poorer, do you have any idea on this?

Sardar Younus

Sardar Younus

২০১২.০৮.২৮ ১৯:১১
আমরা সবাই পশ্চিমা দেশ বলে নাক শিটকাই অথচ তলে তলে আবার ওই পশ্চিমা দেশেই যাওয়ার জন্যে চেষ্টা করি। জাপান, দক্ষিন কোরিয়া, ভারত সহ অন্যান্য সব উন্নত দেশ পশ্চিমা দেশগুলোর সুসম্পর্ক রেখে চলছে। তাদের তো ক্ষতি হচ্ছে না। এই দেশ থেকে আমেরিকার কি নেয়ার আছে ? কোথায় এত হীরা-মতি, সোনা-রুপা ছড়ায়া-ছিটায়া রইছে যে তারা এসে লুটে নিয়ে যাবে ? আমরা পুরা জাতি যদি একত্র থাকি, আমরা নিজেরাই যদি নিজেদের ঘরের বেড়া কেটে না রাখি তাইলে বাইরে থেকে কেউ আমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না।

mahamud

mahamud

২০১২.০৮.২৮ ২২:৫৭
শাহ এন. খাঁন (আবুতোরাব,মিরসরাই)@পশ্চিমা দেশ গুলি যদি garments নেওয়া বনদ করে দেয় তবে আর শাহগিরি করা লাগবে না।