শিরোনাম:

নির্দলীয় সরকার নিয়ে রূপরেখা দেবে না বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৮-০৮-২০১২

  • ১৫ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

নির্দলীয় সরকারের কাঠামো নিয়ে নতুন করে কোনো রূপরেখা দেবে না বিএনপি। বাতিল হওয়া ত্রয়োদশ সংশোধনীর আলোকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে বিএনপির আগের দাবিই চূড়ান্ত। গত রোববার রাতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা এ তথ্য জানান।
বৈঠকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, শুধু তা নিয়ে বিএনপি আলোচনা বা সংলাপে বসতে অথবা সরকার চাইলে এ ব্যাপারে দলটি প্রস্তাব দেবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। নির্দলীয় সরকারের সর্বশেষ যে কাঠামো ছিল, তাতে কোনো পরিবর্তন এনে রূপরেখা দাঁড় না করাতে বৈঠক থেকে দলীয় নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। বৈঠকে বলা হয়, বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করার চেষ্টা সফল হবে না। এ বিষয়ে বিচলিত না হতে সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের জানানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। স্থায়ী কমিটির বেশির ভাগ সদস্য এতে উপস্থিত ছিলেন। সূত্রমতে, খালেদা জিয়া গতকাল রাতে ১৮ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করেন।
রোববারের বৈঠকে বলা হয়, নির্দলীয় সরকারের রূপরেখা নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য সঠিক। এ ক্ষেত্রে স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের বক্তব্য সঠিক নয়। বৈঠকে দলীয় চেয়ারপারসন মন্তব্য করেন, নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এ নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন ধরনের মত সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। এ ধরনের স্ববিরোধী বক্তব্য দেওয়া ঠিক নয়।
জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ত্রয়োদশ সংশোধনী ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আলোকে নির্দলীয় সরকার হতে হবে। এ ব্যাপারে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা একমত। নতুন রূপরেখার প্রয়োজন নেই। শুধু প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
আপাতত কঠোর আন্দোলন নয়: স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আপাতত কঠোর আন্দোলনে না যাওয়ার ব্যাপারে মতৈক্য হয়েছে। জনমত গঠন ও জনসংযোগের ওপর গুরুত্ব দিতে কর্মসূচি নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়। আজ ১৮ দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠকে কর্মসূচি চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিএনপির এক নেতা বলেন, খালেদা জিয়া, তাঁর দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানের বিরুদ্ধে সরকার পক্ষের নানা অপপ্রচার চলছে। বঙ্গবন্ধু পরিবারের দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ করে এর পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

২০১২.০৮.২৮ ০৫:২৪
" নতুন রূপরেখার প্রয়োজন নেই। শুধু প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।" ------ সঠিক সিদ্ধান্ত ।

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৮.২৮ ০৬:২৯
নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে জনমত গঠনের আর কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না, কেননা দেশের সকল শ্রেণীর মানুষই মনে করে আমাদের দেশে প্রভাবমুক্তভাবে একটা সর্বাঙ্গ-সুন্দর জাতীয় নির্বাচন উপহার কোন দলীয় সরকার এ-যাবত দিতে পারেনি আর নিকট-ভবিষ্যতে পারবেও না ; এটা কেবলমাত্র একটা নির্দলীয় সরকারের পক্ষেই সম্ভব।
এখন শুধুমাত্র নির্বাচন উপলক্ষে সরকারের দলীয় সিদ্ধান্তের সাথে দ্বিমত পোষণকারী ছোট-বড় সকল দলকে এক করে একসাথে আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়া ছাড়া আর কোন পথ নেই। আর যেসব দল সত্যিকার-অর্থে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে একটা স্থিতিশীল নির্বাচন-ব্যাবস্থা কামনা করে, তাদের অন্য মতাদর্শগত ফারাকের বিষয়টা এ মূহুর্তে ঝেড়ে ফেলে একাট্টা হওয়া উচিত বলেই আমরা আমজনতা মনে করি।

আ.ন.ম. আফজাল হোসেন

আ.ন.ম. আফজাল হোসেন

২০১২.০৮.২৮ ০৮:০৭
১৮ আর ১৪ এগুলো গনিতের সংখ্যা মাত্র। মুল কথা আওয়ামীলীগ-বিএনপি- আগামী নির্বাচন নিয়ে যদি দেশবাসীকে কোন সংঘাতের মধ্যে ঠেলে দেয় তবে এর পরিনতি দু'দলের জন্যই ভাল হবেনা। ১/ ১১ জন্য যেমন তারা দায়ী ছিল আবারো তারা দায়ী থাকবেন। আর আমরা আগামীত এই দু'দলের কাউকে ক্ষতায় দেখতে চাই না। কেউ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে চায় না। সোনার বাংলা গড়ার জন্য সোনার মানুষ চাই। তা দু' দলেই নেই। এখন দরকার ১/ ১১ এর মত ১০ বছর মেয়াদী একটি আর্মি সমর্থিত সরকার।

২০১২.০৮.২৮ ১০:১১
election without caretaker government will bring more chaos, disorder, political and economic dangers to the country. so we want a fair election under caretaker govt to save our nation. We dont want any election under any political party whether it is BNP or Awamilaegue.

Selim Saroar

Selim Saroar

২০১২.০৮.২৮ ১০:২৪
পাচ বচর পর পর একই নাটক

Rajib Hasan

Rajib Hasan

২০১২.০৮.২৮ ১০:৩৩
বাতিল হওয়া ত্রয়োদশ সংশোধনীর আলোকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে বিএনপির আগের দাবির কোন ভিত্বতি নাই । নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, শুধু তা নিয়ে বিএনপি আলোচনা বা সংলাপের কি দরকার ? তারা তো খুব ভাল করেই জানে কারন গত নিরবাচনে তারা কাকে বসিয়েছিল ? তারেক কে দেশে আসার রাসতা থিক করতেই এতো কাহিনি তাই না ?

M A Ghani Sarker

M A Ghani Sarker

২০১২.০৮.২৮ ১০:৪১
ঘোষণা মোতাবেক হরতাল বা অসহযোগ আন্দোলনের মত কোন কঠোর কর্মসূচী না দেওয়ায়, বি এন পির মাননীয় চেয়ার পারসন এবং অন্যান্য নেত্রী বর্গকে অভিনন্দন। এতে দেশের এবং বি এন পির উভয়েরই স্বার্থ সংরক্ষিত হয়েছে।

Mohsin

Mohsin

২০১২.০৮.২৮ ১০:৫৩
দাবি একটা থাকাই ভাল। তবে সংসদে গিয়ে এই দাবি উপস্থাপন করলে মনে হয় ভাল হতো।

শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ

শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ

২০১২.০৮.২৮ ১১:২৪
We are very disappointed regarding holding system of our National Election.
২০১২.০৮.২৮ ১১:৪২
Why need bring here Tareq and Arafat matter?The are almost destroyed the BNP.Now whats the important matter presently should have talk regarding this subject.

s.nahar bithi

s.nahar bithi

২০১২.০৮.২৮ ১২:৪৬
র্নিদলীয় অসআয়ী সরকারের অধীনে নির্বাচন হতেই হবে কোন বিকল্প নাই ।

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.০৮.২৮ ১২:৫২
খুবই সঠিক সিদ্ধান্ত । জনতার দাবীর সাথে মিল আছে ।
২০১২.০৮.২৮ ১৬:০৭
দেশের প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক লোই একজন ভোটার, আর ভোটার হলেই সে ভোট দিবে, আর যদি ভোটই দেয়, তাহরে কাউকে না কাউকে ভোট দিবে, সুতরাং বুঝা যাচ্ছে, সে কারো না কারো সমর্থক, এখন সেটি হতে পারে আউমিলীগ কিংবা বিএনপি অথবা অন্যকোন দলের লোক কে। সুতরাং নিদলীয় কোন লোক দেশে আছে কিনা, কিংবা সাংবিধানিক ভাষায় নির্দলীয় বলে কোন শব্দ আছে কিনা। এযে রাজনীতি করার নতুন মাধ্যম। আর যদি নিদলীয় লোকই চান তাহলে এত এত দলের কি দরকার। সব দল ভেঙ্গে দিন। তখন এমনিতেই দেশ নির্দলীয় হয়ে যাবে। যেমন সৌদি আরব।
২০১২.০৮.২৮ ১৬:০৮
আপনারা দলের নেতা নেত্রী হয়ে যদি নির্দলীয় সরকারের জন্য আন্দোলন করেন, তবে দল করার দরকার কি। নির্দলীয় লোক হলেই পারেন।

Prabir Paul

Prabir Paul

২০১২.০৮.২৮ ২১:৩৫
বি,এন,পি নিজেই জানে না এখনো সে কি চায় - তাই দাবি থাকলেও রুপরেখা নেই ।