কালের পুরাণ
এরশাদের দিল্লি মিশন ও ক্ষমতার খোয়াব
বাংলাদেশের সাবেক সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে যে বিরল সংবর্ধনা ও সম্মান পেয়েছেন, তা কূটনৈতিক আচারে কতটা স্বাভাবিক, সে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। একজন সাবেক কূটনীতিক, যিনি গত শতকের আটের দশকে নয়াদিল্লিতে হাইকমিশনার ছিলেন, বলেছেন—ক্ষমতায় থাকতেও ভারত সরকার এরশাদকে এতটা খাতির করেনি।
তাহলে ক্ষমতাচ্যুতির ২২ বছর পর ভারত কেন এই সাবেক স্বৈরশাসককে রাজসম্মান দিল? বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশটি শেষ পর্যন্ত একজন পরিত্যক্ত স্বৈরশাসককে সাদরে বরণ করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক শক্তিকে কী বার্তা দিল? এরশাদের এই সফরটি যে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র সৈয়দ আকবরউদ্দিনের ভাষায় শুধু ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও বহুদলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কের অংশ’ ছিল না, তা নিশ্চিত করে বলা যায়।
নয়াদিল্লিতে এরশাদকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এটি তাঁর ব্যক্তিগত সফর ছিল কি না? জবাবে তিনি বলেছেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময়ই তাঁকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন দিল্লির আগ্রহে খালেদা জিয়ার আগেই এরশাদ ভারতে গেলেন।
এরশাদের সফর নিয়ে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলে অনেক জল্পনা চলছে। বিএনপির নেতারা যদিও মুখে বলছেন, এরশাদের এ সফরকে তাঁরা খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চান না। সাম্প্রতিক কালে তাঁদের কথায় সে রকমটি মনে হয় না। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ভারত সরকারের আস্থা লাভে পরোক্ষে নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে জানা যায়। গত মে মাসে ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি ঢাকায় সংক্ষিপ্ত সফরে এসে অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন।
সে সময় তাঁর একটি মন্তব্যে বিএনপির নেতা এবং সমর্থক বুদ্ধিজীবীরা বেশ উৎসাহিত হয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ভারত বাংলাদেশের দলবিশেষের সঙ্গে নয়, বরং সব দলের সঙ্গেই সুসম্পর্ক রাখতে আগ্রহী। গত এক বছরেও বিএনপি যে ভারতের আস্থা অর্জনে সফল হয়নি, এরশাদের দিল্লি সফরই তার প্রমাণ। এর আগে ২০১০ সালে তিনি ভারতে গিয়েছিলেন সে দেশের জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। এরশাদ ওই কলেজেরই একজন সাবেক প্রশিক্ষণার্থী, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যখন সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে, তখন তিনি ওই কলেজে প্রশিক্ষণে ছিলেন। সেখান থেকে ফিরে এসে তিনি পদোন্নতি পান এবং উপপ্রধান সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন।
ভারতের নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগসহ অসাম্প্রদায়িক শক্তি ক্ষমতায় থাকলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যেমন জোরদার হবে, তেমনি তাদের নিরাপত্তাস্বার্থ সুরক্ষা হবে। আর আওয়ামী লীগবিরোধী শক্তি ক্ষমতায় এলে আবার উত্তর-পূর্ব ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি আশকারা পাবে এবং পাকিস্তানের সমর্থনে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটবে।
কিন্তু হঠাৎ করে দিল্লির কাছে মহাজোটের জুনিয়র শরিক এরশাদের গুরুত্ব কেন বাড়ল? এরশাদ নিজেই বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে তাঁর আদর্শগত ফারাক নেই (দেখুন ভারতীয় সাংবাদিক কুমকুম চাড্ডাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার, যা ইংরেজি দৈনিক ইনডিপেনডেন্ট-এর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে)। ভারতের ধারণা, ক্ষমতার সাড়ে তিন বছরের মাথায় এসে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা অনেক কমে গেছে। আগামী নির্বাচনে দলটির ক্ষমতায় আসার নিয়েও তারা সংশয়মুক্ত নয়। সাম্প্রতিক কালে এরশাদের দুই নেত্রীবিরোধী বক্তৃতা-বিবৃতিও নয়াদিল্লিকে কিছুটা ভাবিয়ে তুলেছে বলে কূটনৈতিক মহল মনে করে। ‘দুই নেত্রীবিরোধী বক্তৃতা-বিবৃতি’ কিংবা শেখ হাসিনার সঙ্গে এরশাদের দূরত্বে আওয়ামী লীগই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের এই ধারণা হয়তো পুরোপুরি অমূলক নয়।
তাই বলে গণতান্ত্রিক ভারত একজন পরিত্যক্ত স্বৈরাচারকে নিয়ে মাতামাতি করবে? প্রায় এক দশক ধরে যে ব্যক্তি বাংলাদেশের জনগণের ওপর জবরদস্তির শাসন চাপিয়ে দেন, সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে উসকে দেন এবং রাষ্ট্রধর্ম করে সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করেন। এরশাদ এখন গণতন্ত্রের জন্য যতই মায়াকান্না করুন না কেন, তাঁর শাসনামলটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্ধকারময়। ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জন্য যদি বিএনপি-জামায়াত জোট দায়ী হয়ে থাকে, নব্বইয়ের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার দায়ও এই ব্যক্তি এড়াতে পারেন না।
এরশাদকে নিয়ে ভারতের অতি-উৎসাহ বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট কাটাতে কতটা সহায়ক হবে কিংবা ভারতের স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত হবে, সে ব্যাপারে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলে যথেষ্ট সংশয় আছে। বন্ধুপ্রতিম দেশটি এই পতিত শাসকের অপকীর্তি ভুলে গেলেও বাংলাদেশের মানুষ ভুলতে পারেনি, বিশেষ করে যে প্রজন্ম গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাঁকে হটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। ভারত যদি বাংলাদেশে সত্যিই গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক শক্তির মঙ্গল চায়, তাদের উচিত প্রতিশ্রুতিগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, অবিলম্বে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সই এবং প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ, সীমান্ত হত্যাসহ যেসব বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষের উদ্বেগ আছে তা দূর করা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অধিক সহায়তা দেওয়া।
নয়াদিল্লিতে অবস্থানকালে এরশাদ ভারতের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা করেছেন, যিনি বরাবরই বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং দিল্লিতে বাংলাদেশ সম্পর্কে সবচেয়ে অভিজ্ঞ রাজনীতিক। এরশাদ বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশঙ্কর মেননের সঙ্গে। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিশেষ করে আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পররাষ্ট্রসচিব রঞ্জন মাথাই তাঁর সম্মানে নৈশভোজ দিয়েছেন। দিল্লির গণমাধ্যমও গুরুত্ব দিয়ে তাঁর সফরের খবর প্রচার করেছে।
এরশাদ দিল্লিতে গিয়ে নিজেকে দেশের ‘সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব’ বলে দাবি করেছেন, যার কোনো ভিত্তি নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি কোনোভাবেই শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়ার বিকল্প নন। গত নির্বাচনে তাঁর দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্য করে জাতীয় পার্টি ২৫টি আসন পেলেও ভোট পেয়েছে মাত্র ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে বিএনপি ৩০টি আসন পেলেও ভোট পেয়েছে ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ। আওয়ামী লীগ পেয়েছে ৪৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। ( সূত্র: নির্বাচন কমিশন)। গত চারটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ভোট বাড়া-কমার মধ্যে থাকলেও জাতীয় পার্টির ভোট পড়তির দিকে। ১৯৯১ সালে দলটি যেখানে ১১ শতাংশ ভোট পেয়েছিল, ২০০৮ সালে পেয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।
এরশাদ বরাবরই রাজনৈতিক দ্বিচারিতাকে নীতি হিসেবে নিয়েছেন এবং যখন যার সঙ্গে থাকা সুবিধা, তার সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। ১৯৯৬ সালে কোনো দলই যখন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হয়, তখন খালেদা জিয়া জাতীয় পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে তাঁর সমঝোতা হয়নি। দলের তৎকালীন মহাসচিব আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করেন এবং মন্ত্রী হন। জেল থেকে বেরিয়ে এসে এরশাদ মঞ্জুকে মন্ত্রিত্ব ছাড়ার নির্দেশ দিলেও তিনি তা মানেননি। ফলে জাতীয় পার্টি বিভক্ত হয়ে পড়ে। মঞ্জুর নেতৃত্বে একাংশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকে, এরশাদের নেতৃত্বে অপরাংশ বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে জোট বাঁধে। আবার ২০০৬ সালে এই সাবেক সেনাশাসক আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দুই দলের সঙ্গেই দর-কষাকষি চালান। সেই সময় তাঁর বাড়িতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বৈঠকও করেছিলেন। কিন্তু এরশাদ পল্টন ময়দানে শেখ হাসিনার জনসভায় হাজির হয়ে মহাজোটের শরিক হন। বিনিময়ে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে তিনি অন্তত ছয় মাসের জন্য রাষ্ট্রপতি করার ওয়াদা আদায় করে নিয়েছিলেন। ২০০৭ সালে নির্বাচন না হওয়ায় তাঁর রাষ্ট্রপতি হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এমনকি বিশেষ দূতও হতে পারেননি।
সেই অপূর্ণ খোয়াব পূরণের জন্যই কি এখন এরশাদের এত দৌড়ঝাঁপ?
নয়াদিল্লি থেকে গণমাধ্যমে যেসব তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে, তাতে এ কথা বিশ্বাস করার কারণ নেই যে এরশাদের সফরটি নিছক কূটনৈতিক বা শুভেচ্ছা সফর ছিল। ঢাকায় নেমে এরশাদ তাঁর দিল্লি সফরকে অত্যন্ত সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেছেন। দেশের রাজনীতি, আগামী নির্বাচন ইত্যাদি সম্পর্কে তিনি যেসব মন্তব্য করেছেন, তাতে বাস্তবতা থাকুক আর না-ই থাকুক, একধরনের আত্মপ্রসাদ আছে। ঢাকায় ফিরে এরশাদ আগামী নির্বাচন এককভাবে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর হিসাব হলো, সেই নির্বাচনে যদি বিএনপি আসে, তারা ৩০ শতাংশ ভোট পাবে। আওয়ামী লীগের বাঁধা ৩০ শতাংশ ভোট আছে। বাকি ৪০ ভাগ ভোট জাতীয় পার্টি পাবে। আর যদি বিএনপি নির্বাচনে না আসে, তাদের সব ভোট জাতীয় পার্টির বাক্সে পড়বে। এরশাদ মনে করেন, সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হলেও তাঁর দল ৪০-৫০টি আসন পাবে, এমনকি সেই আসনসংখ্যা ৬০টিও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তিনি হবেন ‘কিং মেকার’।
এই সাবেক সামরিক শাসক ও তাঁর দলের অন্য নেতারা মনে করেন, বিএনপিকে বাইরে রেখে নির্বাচন হলে তাঁরা বিরোধী দলে বসবেন না। সরকার গঠন করবেন। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর যদি আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে বসে, তাতে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং পরবর্তী নির্বাচনে আবার দলটি ক্ষমতায় আসতে পারবে। অন্যদিকে খালেদা জিয়া একটি নির্বাচন থেকে বাইরে থাকলে তাঁর দল নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তখন তিনিই হবেন জাতীয়তাবাদী শক্তির একমাত্র ধারক-বাহক।
এখানে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ১৯৮৬ সালে বিএনপিকে বাইরে রেখে এরশাদ যে নির্বাচন করেছিলেন, তাতে খালেদা জিয়ার রাজনীতি শেষ হয়ে যায়নি, বরং চার বছরের মাথায় তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। সেবার আওয়ামী লীগ এরশাদের ফাঁদে পা দিয়ে ভুল করেছিল।
দেশের মানুষের প্রতি এরশাদের ন্যূনতম আস্থা থাকলে নির্বাচন নিয়ে এসব আবোলতাবোল কথা তিনি বলতে পারতেন না। দুর্ভাগ্য, আমাদের দুই শীর্ষ নেত্রীও নির্বাচন কাছে এলেই পরিত্যক্ত স্বৈরাচার ও মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে টানাটানি শুরু করেন। আবার কেউ ওয়াশিংটন, কেউ নয়াদিল্লি, কেউ বা ইসলামাবাদের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কিন্তু নির্বাচনের প্রধান যে নিয়ামক শক্তি, দেশের সাধারণ মানুষ তথা ভোটারদের কথা তাঁরা কতটা ভাবেন, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net







Khondker S Hasan
২০১২.০৮.২৫ ০২:২৯Rajiv Das/Canada
২০১২.০৮.২৫ ০২:৪৩Mithu Hossain
২০১২.০৮.২৫ ০৩:০৫Muzibur rahman
২০১২.০৮.২৫ ০৬:৫৭anowar ullah chowdhury
২০১২.০৮.২৫ ০৭:০০Dr. Muhammad Fakhrul Islam Babu
২০১২.০৮.২৫ ০৭:২৫mnh riad
২০১২.০৮.২৫ ০৭:৪০১] বিএনপি পাবে ৬০-৬৫ শতাংশ ভোট
২] আওয়ামীলিগ পাবে ২০-২৫ শতাংশ ভোট
৩] জামাত পাবে ৩-৬ শতাংশ ভোট
৪] জাতিয় পাটি ২-৪ শতাংশ ভোট
আমার পরিসংখানটা লেখকের মতোই অনুমান করে লেখা
ABDUL MAJID QUAZI
২০১২.০৮.২৫ ০৭:৪২Dr. Muhammad Fakhrul Islam Babu
২০১২.০৮.২৫ ০৮:০১Raihanul Islam
২০১২.০৮.২৫ ০৮:২৩Belal Uddin Chowdhury
২০১২.০৮.২৫ ০৮:২৪IQBAL HUSSAIN
২০১২.০৮.২৫ ০৮:২৯mithu
২০১২.০৮.২৫ ০৮:৪৮Md Yusuf Khalil
২০১২.০৮.২৫ ০৯:১২Mehir Kumar Mondal
২০১২.০৮.২৫ ০৯:৩৯amjad khan
২০১২.০৮.২৫ ০৯:৪৬Md. Rezaul Islam Khan
২০১২.০৮.২৫ ০৯:৫১What a biased and balandish column you have written claiming youself a so called analyst, Bard and Journalist. Keeping India in a safe side though they are playing game with the democracy of my country, you have criticized, Ershad, Khaleda Zia, Jammat etc.
Fahim
২০১২.০৮.২৫ ১০:০১sumon
২০১২.০৮.২৫ ১০:০২Mr. Arshad Ullah
২০১২.০৮.২৫ ১০:৩০Shovon
২০১২.০৮.২৫ ১০:৪১Ruhul Amin
২০১২.০৮.২৫ ১১:১৪BNP: 40% +
A L : 20% +
Jamat: 8% +
Ershat: 3% +
Indp. : 1%
Other +ve : 2%
Other -ve : 2/3 seats
This is my assesment Mr. Shorab. Indian medicine will be thrown Bay of Bengal. Wonderful export from India.
From my own research, most of the sylhety people who are living in uk are now supporting Ershad.
Insallah Ershad will form the new goverment on the next election.
Nasim Hasan
২০১২.০৮.২৫ ১১:৩৫Md.Syful Islam
২০১২.০৮.২৫ ১১:৫৩Belal Uddin
২০১২.০৮.২৫ ১১:৫৫aslam
২০১২.০৮.২৫ ১২:২৩Md. Shohagh Ahmed
২০১২.০৮.২৫ ১২:৪০mahfuza bulbul
২০১২.০৮.২৫ ১৩:১২Ayaz Ahmed
২০১২.০৮.২৫ ১৩:১৭Kishor Ahmed
২০১২.০৮.২৫ ১৩:২৪Mustafiz Rahman
২০১২.০৮.২৫ ১৪:৫৫Mustafiz Rahman
২০১২.০৮.২৫ ১৫:০৩Md Abdul Hakim
২০১২.০৮.২৫ ১৫:০৫Rohul Amin Faisal
২০১২.০৮.২৫ ১৫:৪৯Rohul Amin Faisal
২০১২.০৮.২৫ ১৫:৫৫বি এন পি = ৪০ - ৫০%
আ`লীগ = ২৫ - ৩০ %
জামাত = ২০ - ২৫ %
জাপা = ৫ - ১০ %
অন্যান্য = ২ - ৪ %
Mahmood Hussain
২০১২.০৮.২৫ ১৬:০৩ahmed
২০১২.০৮.২৫ ১৭:১২ibne mizan
২০১২.০৮.২৫ ১৯:৩১Mohd Elias Khan
২০১২.০৮.২৫ ২০:৩০Md. Helal Uddin
২০১২.০৮.২৫ ২১:২২Engineer Noor Hossain
২০১২.০৮.২৫ ২১:৩১ibne mizan
২০১২.০৮.২৫ ২২:০২বিএনপিঃ ৩০%
আওয়ামী লীগঃ ৩৫%
জামাতঃ ৭%
জাতীয় পার্টিঃ ৫%
সতন্ত্রঃ ৫%
নিরপেক্ষ ভোটঃ ১৮%
হিসেব করলে দেখা যায় যে, বিএনপি জামাত জোট পাবে প্রায় ৩৭%। অথচ, আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টিকে নিয়ে পাবে ৪০% ভোট। কিন্তু বাধ সাধবে নিরপেক্ষ ১৮% ভোট। এরা এবার কিন্তু আওয়ামী লীগ কে দিবে না। কারন, বাংলাদেশের ইতিহাস বলে দিতেছে যে, নিরপেক্ষ ভোটার রা বর্তমান সরকার কে ভোট দেয় না। এ ভোট অবশ্যই পাবে বিএনপি। সে হিসেবে বিএনপি'ট ভোট হবে ৩৭ যোগ ১৮। সব মিলিয়ে বিএনপি পাবে ৫৫% ভোট।
সুতরাং যে বিচারেই হিক, আওয়ামী লীগের জেতার কোনো লক্ষণ আপাততঃ নেই।
Mamunur Rahman Khan
২০১২.০৮.২৬ ০০:২৩