কালের পুরাণ

এরশাদের দিল্লি মিশন ও ক্ষমতার খোয়াব

সোহরাব হাসান | তারিখ: ২৫-০৮-২০১২

  • ৫১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

বাংলাদেশের সাবেক সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে যে বিরল সংবর্ধনা ও সম্মান পেয়েছেন, তা কূটনৈতিক আচারে কতটা স্বাভাবিক, সে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। একজন সাবেক কূটনীতিক, যিনি গত শতকের আটের দশকে নয়াদিল্লিতে হাইকমিশনার ছিলেন, বলেছেন—ক্ষমতায় থাকতেও ভারত সরকার এরশাদকে এতটা খাতির করেনি।
তাহলে ক্ষমতাচ্যুতির ২২ বছর পর ভারত কেন এই সাবেক স্বৈরশাসককে রাজসম্মান দিল? বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশটি শেষ পর্যন্ত একজন পরিত্যক্ত স্বৈরশাসককে সাদরে বরণ করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক শক্তিকে কী বার্তা দিল? এরশাদের এই সফরটি যে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র সৈয়দ আকবরউদ্দিনের ভাষায় শুধু ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও বহুদলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কের অংশ’ ছিল না, তা নিশ্চিত করে বলা যায়।
নয়াদিল্লিতে এরশাদকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এটি তাঁর ব্যক্তিগত সফর ছিল কি না? জবাবে তিনি বলেছেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময়ই তাঁকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন দিল্লির আগ্রহে খালেদা জিয়ার আগেই এরশাদ ভারতে গেলেন।
এরশাদের সফর নিয়ে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলে অনেক জল্পনা চলছে। বিএনপির নেতারা যদিও মুখে বলছেন, এরশাদের এ সফরকে তাঁরা খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চান না। সাম্প্রতিক কালে তাঁদের কথায় সে রকমটি মনে হয় না। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ভারত সরকারের আস্থা লাভে পরোক্ষে নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে জানা যায়। গত মে মাসে ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি ঢাকায় সংক্ষিপ্ত সফরে এসে অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন।
সে সময় তাঁর একটি মন্তব্যে বিএনপির নেতা এবং সমর্থক বুদ্ধিজীবীরা বেশ উৎসাহিত হয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ভারত বাংলাদেশের দলবিশেষের সঙ্গে নয়, বরং সব দলের সঙ্গেই সুসম্পর্ক রাখতে আগ্রহী। গত এক বছরেও বিএনপি যে ভারতের আস্থা অর্জনে সফল হয়নি, এরশাদের দিল্লি সফরই তার প্রমাণ। এর আগে ২০১০ সালে তিনি ভারতে গিয়েছিলেন সে দেশের জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। এরশাদ ওই কলেজেরই একজন সাবেক প্রশিক্ষণার্থী, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যখন সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে, তখন তিনি ওই কলেজে প্রশিক্ষণে ছিলেন। সেখান থেকে ফিরে এসে তিনি পদোন্নতি পান এবং উপপ্রধান সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন।
ভারতের নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগসহ অসাম্প্রদায়িক শক্তি ক্ষমতায় থাকলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যেমন জোরদার হবে, তেমনি তাদের নিরাপত্তাস্বার্থ সুরক্ষা হবে। আর আওয়ামী লীগবিরোধী শক্তি ক্ষমতায় এলে আবার উত্তর-পূর্ব ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি আশকারা পাবে এবং পাকিস্তানের সমর্থনে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটবে।
কিন্তু হঠাৎ করে দিল্লির কাছে মহাজোটের জুনিয়র শরিক এরশাদের গুরুত্ব কেন বাড়ল? এরশাদ নিজেই বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে তাঁর আদর্শগত ফারাক নেই (দেখুন ভারতীয় সাংবাদিক কুমকুম চাড্ডাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার, যা ইংরেজি দৈনিক ইনডিপেনডেন্ট-এর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে)। ভারতের ধারণা, ক্ষমতার সাড়ে তিন বছরের মাথায় এসে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা অনেক কমে গেছে। আগামী নির্বাচনে দলটির ক্ষমতায় আসার নিয়েও তারা সংশয়মুক্ত নয়। সাম্প্রতিক কালে এরশাদের দুই নেত্রীবিরোধী বক্তৃতা-বিবৃতিও নয়াদিল্লিকে কিছুটা ভাবিয়ে তুলেছে বলে কূটনৈতিক মহল মনে করে। ‘দুই নেত্রীবিরোধী বক্তৃতা-বিবৃতি’ কিংবা শেখ হাসিনার সঙ্গে এরশাদের দূরত্বে আওয়ামী লীগই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের এই ধারণা হয়তো পুরোপুরি অমূলক নয়।
তাই বলে গণতান্ত্রিক ভারত একজন পরিত্যক্ত স্বৈরাচারকে নিয়ে মাতামাতি করবে? প্রায় এক দশক ধরে যে ব্যক্তি বাংলাদেশের জনগণের ওপর জবরদস্তির শাসন চাপিয়ে দেন, সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে উসকে দেন এবং রাষ্ট্রধর্ম করে সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করেন। এরশাদ এখন গণতন্ত্রের জন্য যতই মায়াকান্না করুন না কেন, তাঁর শাসনামলটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্ধকারময়। ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জন্য যদি বিএনপি-জামায়াত জোট দায়ী হয়ে থাকে, নব্বইয়ের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার দায়ও এই ব্যক্তি এড়াতে পারেন না।
এরশাদকে নিয়ে ভারতের অতি-উৎসাহ বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট কাটাতে কতটা সহায়ক হবে কিংবা ভারতের স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত হবে, সে ব্যাপারে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলে যথেষ্ট সংশয় আছে। বন্ধুপ্রতিম দেশটি এই পতিত শাসকের অপকীর্তি ভুলে গেলেও বাংলাদেশের মানুষ ভুলতে পারেনি, বিশেষ করে যে প্রজন্ম গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাঁকে হটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। ভারত যদি বাংলাদেশে সত্যিই গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক শক্তির মঙ্গল চায়, তাদের উচিত প্রতিশ্রুতিগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, অবিলম্বে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সই এবং প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ, সীমান্ত হত্যাসহ যেসব বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষের উদ্বেগ আছে তা দূর করা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অধিক সহায়তা দেওয়া।
নয়াদিল্লিতে অবস্থানকালে এরশাদ ভারতের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা করেছেন, যিনি বরাবরই বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং দিল্লিতে বাংলাদেশ সম্পর্কে সবচেয়ে অভিজ্ঞ রাজনীতিক। এরশাদ বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশঙ্কর মেননের সঙ্গে। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিশেষ করে আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পররাষ্ট্রসচিব রঞ্জন মাথাই তাঁর সম্মানে নৈশভোজ দিয়েছেন। দিল্লির গণমাধ্যমও গুরুত্ব দিয়ে তাঁর সফরের খবর প্রচার করেছে।
এরশাদ দিল্লিতে গিয়ে নিজেকে দেশের ‘সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব’ বলে দাবি করেছেন, যার কোনো ভিত্তি নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি কোনোভাবেই শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়ার বিকল্প নন। গত নির্বাচনে তাঁর দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্য করে জাতীয় পার্টি ২৫টি আসন পেলেও ভোট পেয়েছে মাত্র ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে বিএনপি ৩০টি আসন পেলেও ভোট পেয়েছে ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ। আওয়ামী লীগ পেয়েছে ৪৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। ( সূত্র: নির্বাচন কমিশন)। গত চারটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ভোট বাড়া-কমার মধ্যে থাকলেও জাতীয় পার্টির ভোট পড়তির দিকে। ১৯৯১ সালে দলটি যেখানে ১১ শতাংশ ভোট পেয়েছিল, ২০০৮ সালে পেয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।
এরশাদ বরাবরই রাজনৈতিক দ্বিচারিতাকে নীতি হিসেবে নিয়েছেন এবং যখন যার সঙ্গে থাকা সুবিধা, তার সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। ১৯৯৬ সালে কোনো দলই যখন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হয়, তখন খালেদা জিয়া জাতীয় পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে তাঁর সমঝোতা হয়নি। দলের তৎকালীন মহাসচিব আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করেন এবং মন্ত্রী হন। জেল থেকে বেরিয়ে এসে এরশাদ মঞ্জুকে মন্ত্রিত্ব ছাড়ার নির্দেশ দিলেও তিনি তা মানেননি। ফলে জাতীয় পার্টি বিভক্ত হয়ে পড়ে। মঞ্জুর নেতৃত্বে একাংশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকে, এরশাদের নেতৃত্বে অপরাংশ বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে জোট বাঁধে। আবার ২০০৬ সালে এই সাবেক সেনাশাসক আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দুই দলের সঙ্গেই দর-কষাকষি চালান। সেই সময় তাঁর বাড়িতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বৈঠকও করেছিলেন। কিন্তু এরশাদ পল্টন ময়দানে শেখ হাসিনার জনসভায় হাজির হয়ে মহাজোটের শরিক হন। বিনিময়ে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে তিনি অন্তত ছয় মাসের জন্য রাষ্ট্রপতি করার ওয়াদা আদায় করে নিয়েছিলেন। ২০০৭ সালে নির্বাচন না হওয়ায় তাঁর রাষ্ট্রপতি হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এমনকি বিশেষ দূতও হতে পারেননি।
সেই অপূর্ণ খোয়াব পূরণের জন্যই কি এখন এরশাদের এত দৌড়ঝাঁপ?
নয়াদিল্লি থেকে গণমাধ্যমে যেসব তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে, তাতে এ কথা বিশ্বাস করার কারণ নেই যে এরশাদের সফরটি নিছক কূটনৈতিক বা শুভেচ্ছা সফর ছিল। ঢাকায় নেমে এরশাদ তাঁর দিল্লি সফরকে অত্যন্ত সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেছেন। দেশের রাজনীতি, আগামী নির্বাচন ইত্যাদি সম্পর্কে তিনি যেসব মন্তব্য করেছেন, তাতে বাস্তবতা থাকুক আর না-ই থাকুক, একধরনের আত্মপ্রসাদ আছে। ঢাকায় ফিরে এরশাদ আগামী নির্বাচন এককভাবে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর হিসাব হলো, সেই নির্বাচনে যদি বিএনপি আসে, তারা ৩০ শতাংশ ভোট পাবে। আওয়ামী লীগের বাঁধা ৩০ শতাংশ ভোট আছে। বাকি ৪০ ভাগ ভোট জাতীয় পার্টি পাবে। আর যদি বিএনপি নির্বাচনে না আসে, তাদের সব ভোট জাতীয় পার্টির বাক্সে পড়বে। এরশাদ মনে করেন, সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হলেও তাঁর দল ৪০-৫০টি আসন পাবে, এমনকি সেই আসনসংখ্যা ৬০টিও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তিনি হবেন ‘কিং মেকার’।
এই সাবেক সামরিক শাসক ও তাঁর দলের অন্য নেতারা মনে করেন, বিএনপিকে বাইরে রেখে নির্বাচন হলে তাঁরা বিরোধী দলে বসবেন না। সরকার গঠন করবেন। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর যদি আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে বসে, তাতে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং পরবর্তী নির্বাচনে আবার দলটি ক্ষমতায় আসতে পারবে। অন্যদিকে খালেদা জিয়া একটি নির্বাচন থেকে বাইরে থাকলে তাঁর দল নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তখন তিনিই হবেন জাতীয়তাবাদী শক্তির একমাত্র ধারক-বাহক।
এখানে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ১৯৮৬ সালে বিএনপিকে বাইরে রেখে এরশাদ যে নির্বাচন করেছিলেন, তাতে খালেদা জিয়ার রাজনীতি শেষ হয়ে যায়নি, বরং চার বছরের মাথায় তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। সেবার আওয়ামী লীগ এরশাদের ফাঁদে পা দিয়ে ভুল করেছিল।
দেশের মানুষের প্রতি এরশাদের ন্যূনতম আস্থা থাকলে নির্বাচন নিয়ে এসব আবোলতাবোল কথা তিনি বলতে পারতেন না। দুর্ভাগ্য, আমাদের দুই শীর্ষ নেত্রীও নির্বাচন কাছে এলেই পরিত্যক্ত স্বৈরাচার ও মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে টানাটানি শুরু করেন। আবার কেউ ওয়াশিংটন, কেউ নয়াদিল্লি, কেউ বা ইসলামাবাদের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কিন্তু নির্বাচনের প্রধান যে নিয়ামক শক্তি, দেশের সাধারণ মানুষ তথা ভোটারদের কথা তাঁরা কতটা ভাবেন, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।
 সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Khondker S Hasan

Khondker S Hasan

২০১২.০৮.২৫ ০২:২৯
Earshed is still a key person in BD politics.

Rajiv Das/Canada

Rajiv Das/Canada

২০১২.০৮.২৫ ০২:৪৩
আপনারা যেভাবেই বেয়াক্কা করেন না কেন এরসাদ এর শাসনকাল আওয়ামী লীগ ও BNP এর শাসনকালের চাইতে উন্নয়নের মাপকাতি তে এরসাদের শাসনকাল উত্তম ছিল।

Mithu Hossain

Mithu Hossain

২০১২.০৮.২৫ ০৩:০৫
MR Hasan Its an excellent & meaningful information which should be remembered by all Bangladeshi people but unfortunately NO POLITICAL LEADERS OR NO ONE FROM BANGLADESH REMEMBER IT...Politicians are getting crazy for power only....It seems to me no political leader is doing politics for the Nation or For the Country at all...Sad but damn true...

Muzibur rahman

Muzibur rahman

২০১২.০৮.২৫ ০৬:৫৭
Nice report of Suhrab Hasan, but few points I am not agree with him on my fair judgement.

anowar ullah chowdhury

anowar ullah chowdhury

২০১২.০৮.২৫ ০৭:০০
ভারতের কাছে এরশাদ এত গুরূত্ব পূর্ন হওয়ার একমাত্র কারণ হলো আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগ এর সাথে থাকা।
২০১২.০৮.২৫ ০৭:০৪
সোহরাব হাসান , আপনার এ লেখার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বলছি, আপনার সব কথার সাথে একমত হওয়া গেল না। বাংলাদেশের মত একটা ক্ষুদ্র দেশের জন্য পার্লামেন্টারী শাসন ব্যবস্থা যে কতটা অযেৌক্তিক, তা বার বার প্রমাণিত হয়েছে। অথচ এই দুই নেত্রী একজোট হয়ে কেবলমাত্র এরশাদকে ঠেকাবার জন্য তখন এই পচা , বাতিল বড়িটা গিলেছিলেন ।

Dr. Muhammad Fakhrul Islam Babu

Dr. Muhammad Fakhrul Islam Babu

২০১২.০৮.২৫ ০৭:২৫
This writing you can write to Mr. Ershad directly. Why in news paper? You have any personal fact with him?

mnh riad

mnh riad

২০১২.০৮.২৫ ০৭:৪০
আর এরশাদকে সেই দরনের খোয়াব দেখাইতেছে সেখ হাসিনা সরকার, আসলে পুরো দাবার চালটা কিন্তু সেখ হাসিনাই দিতেছে,তবে সফল হতে পারবেনা, সব দলের অংশ গহনে আগামী নিরবাচন হবে এবং যার পরিসংখান হবে নিমনরুপ,
১] বিএনপি পাবে ৬০-৬৫ শতাংশ ভোট
২] আওয়ামীলিগ পাবে ২০-২৫ শতাংশ ভোট
৩] জামাত পাবে ৩-৬ শতাংশ ভোট
৪] জাতিয় পাটি ২-৪ শতাংশ ভোট
আমার পরিসংখানটা লেখকের মতোই অনুমান করে লেখা

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.০৮.২৫ ০৭:৪২
দুই নেতৃর প্রতি মানুস যেভাবে বিশ্বাস হারিয়েছে-তৃতীয় শক্তি হিসাবে এরশাদের আবির্ভাব অসম্ভব কিছু নয়।

Dr. Muhammad Fakhrul Islam Babu

Dr. Muhammad Fakhrul Islam Babu

২০১২.০৮.২৫ ০৮:০১
I mean for our rapid development we need a leader like Mahtir Muhammad of Malaysia.

Raihanul Islam

Raihanul Islam

২০১২.০৮.২৫ ০৮:২৩
ভারত যখন আমাদের দেশের রাজনীতিকদের রাজসমমান দেয় তাহলে ধরে নিতে হবে এর পিছনে কোন উদ্দেশ্য আছে। আর আমাদের এরশাদ সাহেব উনি কখন কিভাবে পলটি দেন তার কোন নিদিষট সময় নেই। সকালে এক কথা দুপুরে এক কথা আর রাতে এক কথা।

Belal Uddin Chowdhury

Belal Uddin Chowdhury

২০১২.০৮.২৫ ০৮:২৪
Please think all around before writing . Not only bad things about Ershad.

IQBAL HUSSAIN

IQBAL HUSSAIN

২০১২.০৮.২৫ ০৮:২৯
Mr. Sohrab Hassan, Which party do you support???

mithu

mithu

২০১২.০৮.২৫ ০৮:৪৮
আমাদের দুই শীর্ষ নেত্রীও জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কাছে এলেই, কেউ ওয়াশিংটন, কেউ নয়াদিল্লি, কেউ বা ইসলামাবাদের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কিন্তু নির্বাচনের সময় এরশাদ শুধু নির্বাচনের প্রধান যে নিয়ামক শক্তি, দেশের সাধারণ মানুষ তথা ভোটারদের দিকে তাকিয়ে থাকেন। তাইত ভোট দেব এরশাদ কাকা কে,এ দেশের সাধারণ মানুষ এখনতমায় চায়

Md Yusuf Khalil

Md Yusuf Khalil

২০১২.০৮.২৫ ০৯:১২
জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে না লেখলে প্রথম আলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেটের ভাত হজম হয় না

Mehir Kumar Mondal

Mehir Kumar Mondal

২০১২.০৮.২৫ ০৯:৩৯
একজন প্রথম আলোর কর্মকর্তা- কর্মচারীদের বিরুদ্ধে লিখলেন। তাহলে তিনি কেন প্রথম আলো পড়ছেন?

amjad khan

amjad khan

২০১২.০৮.২৫ ০৯:৪৬
এরশাদ সাহেব একজন স্বৈরশাসক,ভারত পূজারী,দ্বিচারিতা। অতএব,জনগণ হুশিয়ার,তার পিছে দোড়াবেন না।
২০১২.০৮.২৫ ০৯:৪৯
মোটেই একমত হতে পারলাম না। আপনি অন্ধ ভাবে এই লেখা লিখেছেন - এছাড়া এই লেখার কোন মানে খুজে পেলাম না। আপনি লিখেছেন এরশাদ এখন গণতন্ত্রের জন্য যতই মায়াকান্না করুন না কেন, তাঁর শাসনামলটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্ধকারময়। @@@ আসলেই কি তাই ?

Md. Rezaul Islam Khan

Md. Rezaul Islam Khan

২০১২.০৮.২৫ ০৯:৫১
Dear Shorab Hosain
What a biased and balandish column you have written claiming youself a so called analyst, Bard and Journalist. Keeping India in a safe side though they are playing game with the democracy of my country, you have criticized, Ershad, Khaleda Zia, Jammat etc.

Fahim

Fahim

২০১২.০৮.২৫ ১০:০১
If i had to vote, i would vote for Ershad instead of AL or BNP. Most of the development our nation saw was in his era. One most significant action he took was banning student politics. AL and BNP just manipulated students to get into power, and removing Ershad from his power. If Ershad does not come on power in our next election, BNP will. And that will be the end of 'Shonar Bangla'.

sumon

sumon

২০১২.০৮.২৫ ১০:০২
Mr.Sohrab, with due respect O wanna seek your attention to the comments made by the readers..it shows how wrong your observation is....Ershad is better than Hasina, Khaleda....Go Ershad Go...

Mr. Arshad Ullah

Mr. Arshad Ullah

২০১২.০৮.২৫ ১০:৩০
সোহরাব হাসানের প্রতিবেদনটি পড়লাম! তিনি এতবড় একটি লেখায় পরবর্তী সরকার কে হলে দেশের জন্য মঙ্গল হবে কিছুই উল্লেখ করেন নি! সমগ্র লেখাটিতে তিনি এরশাদের চৌদ্দ গোষ্ঠি উদ্ধার করেছেন। এমনতর প্রতিবেদন উদ্দেশ্য বিহীন যাতে কোন পন্থা দেখাতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। এরশাদ জেনারেল ছিলেন ডিক্টেটর ছিলেন সে কথা আমরা জানি। কিন্তু তিনি যদি জনগণের রায়ে জয়লাভ করে দেশের প্রধানমন্ত্রি হোন তখনও কি তিনি ডিক্টেটর থাকবেন? জনগণের রায়ের মূল্যায়ন করুণ। দেশের বর্তমান পরিস্থিতে একজন উপযুক্ত লোককে আমরা চাই। আমরা এমন একজনকে চাই যিনি চোরি চামারি, ঘুষ দুর্ণীতি উচ্ছেদের প্রতিজ্ঞা নিয়ে আসবেন!

Shovon

Shovon

২০১২.০৮.২৫ ১০:৪১
Report টি পড়ি মনে হল, লেখকের বাক্তিগত মতামত। Validity খুব কম। উনি যে ভোটের % দিয়েছেন তাতে কোন validity নেই। কারণ বাংলাদেশে parliament এর সিট উপর সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও জনপ্রিয়তা নির্ভর করে। আর গনতন্ত্র আর একনায়কতন্ত্রের সুফল লেখক নিশ্চয় জানেন। আমাদের পাশের দেশ মিয়ানমার এ সামরিক শাসক আসে কিন্তু দুর্নীতিতে তারা কখনো চাম্পিয়ন হয়নি। আর ক্ষমতার খোয়াব এরশাদ আর চেয়ে আমাদের দুই নেত্রীর বেশি তাই তারা তো এরশাদের কাছে বারবার ধরনা দেয়। এরশাদ কিন্তু তাদের কাছে যায় না।

Ruhul Amin

Ruhul Amin

২০১২.০৮.২৫ ১১:১৪
Next election if under caretaker govt., result will be as follows :
BNP: 40% +
A L : 20% +
Jamat: 8% +
Ershat: 3% +
Indp. : 1%
Other +ve : 2%
Other -ve : 2/3 seats

This is my assesment Mr. Shorab. Indian medicine will be thrown Bay of Bengal. Wonderful export from India.
২০১২.০৮.২৫ ১১:১৭
তাই বলে গণতান্ত্রিক ভারত একজন পরিত্যক্ত স্বৈরাচারকে নিয়ে মাতামাতি করবে? প্রায় এক দশক ধরে যে ব্যক্তি বাংলাদেশের জনগণের ওপর জবরদস্তির শাসন চাপিয়ে দেন, সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে উসকে দেন এবং রাষ্ট্রধর্ম করে সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করেন।.............. সোহরাব সাহেব এতো আক্রোশ কেন?? এরশাদ ভাল নয়, জবরদস্তি করে ক্ষমতায় এসেছিল- সবই মানলাম কিন্তু বলবেন কি হাসিনা-খালেদার জবরদস্তি কি এরশাদকেও ছাড়িয়ে যায়না? এখনকার যে গণতন্ত্র তা-কি এরশাদের চেয়ে ভাল না খারাপ? এরশাদ অবশ্যই খারাপ করেছিল যেমনটা করেছিল জিয়া এবং আরেকটু এগিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু। এটাতো আমাদের অস্থির বাঙ্গালি মানসিকতারই প্রমাণ। এখানে শুধু এরশাদকে দোষ না দিয়ে কপাল পাল্টানোর কথা বলেন কাজে দিবে। এরশাদ অন্তত জামাতের চেয়ে খারাপ নয়.............।
২০১২.০৮.২৫ ১১:২১
I will visit Bangladesh from London during next election just to cast my vote to Ershad.
From my own research, most of the sylhety people who are living in uk are now supporting Ershad.
Insallah Ershad will form the new goverment on the next election.

Nasim Hasan

Nasim Hasan

২০১২.০৮.২৫ ১১:৩৫
This article is one sided and reasonably partial. ...................................................
২০১২.০৮.২৫ ১১:৫০
ওয়াশিংটন নয়াদিল্লি কিংবা ইসলামাবাদের চাইতেও বাংলাদেশের মানুষের দেওয়া মুল্যবান ভোট যদি সরকার নির্বাচনের ব্যপারে কার্যকরী ভুমিকা পালন করে তাহলে এরশাদ সাহেবকে নয়াদিল্লিতে ডেকে নিয়ে শাসানো বা খাতির করা কোন কাজে আসবে বলে মনে হয় না।

Md.Syful Islam

Md.Syful Islam

২০১২.০৮.২৫ ১১:৫৩
Thanks to Mr.Sorrab Hossain for writing an excellent feature. But I am not agreed to his some point of view. I think Ershad is not worthless for Bangladshi politics. He is now a still key fracture to form govt. The general people of Bangladesh lost their faith on both major parties. Basically the young generation kept faith the commitment of A L but they did nothing for young generation and unemployment people. In addition, the farmers through the country have already been empty vessel. On the contrary, the general public did not forget about the thrilling and reckless activities and extremely corruption of Tareque Zia, Coko,Almamun and others. But Ershad did better something like infrastructure and industrial development of Bangladesh. The farmers got something during his ruling period. So, Ershad would be a truly fracture to form government.

Belal Uddin

Belal Uddin

২০১২.০৮.২৫ ১১:৫৫
বাংলাদেশে এক সরকার কখনো বার বার আসেনি আর আসার সম্ভাবনা ও কম,তাই হয়তো ভারতকে এরশাদ সাহেব বুজাতে ছাইতেছেন যে, বি এন পি নয় আমাকে বিকল্প হিসাবে বিবেচনায় রাখুন সুখ দুঃখে বি এন পির চেয়ে বেশি কাছে পাবেন,ভারত ও তাই মনে করেন তাই হয়তো ভারতের কাছে এরশাদ সাহেবের এত কদর । তা কি আদো সম্ভব?

aslam

aslam

২০১২.০৮.২৫ ১২:২৩
সেনাশাসক/স্বৈরশাসকরাই দেশটাকে ভালভাবে চালিয়েছিল। জিয়া, মইন, এরশাদের মধ্যে শেষ দুজন জীবিত আছেন। তাদেরকে ভরসা করা যায়।

Md. Shohagh Ahmed

Md. Shohagh Ahmed

২০১২.০৮.২৫ ১২:৪০
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জনগণের একঘেয়েমি ভাব চলে এসেছে। এমতাবস্থায়, যদি জাতীয় পার্টির মতো কোন তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব ঘটে তবে জনগণ তাকে সাদরেই গ্রহন করবে। যদি এরশাদ ক্ষমতায় আসে তবে সে যত চেষ্টাই করুক না কেন আগের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবে না। বরং আমি মনে করি, সে তার অতীত অভীজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশটাকে সুপথে পরিচালিত করার চেষ্টা করবে।
২০১২.০৮.২৫ ১২:৫১
গত কুড়ি বছরের গণতান্ত্রিক শাসনামলে এদেশবাসী রাজনৈতিক নোংরামি ছাড়া খুব বেশি ইতিবাচক কিছু দেখেনি। আমরা আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। রাজনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনের জন্য হলেও এরশাদের তথা জাতীয় পার্টির শক্তিশালী হওয়া উচিত। এখন সচেতন নতুন প্রজন্ম এরশাদকে নিয়ে ভাবছে।

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.০৮.২৫ ১৩:১২
ক্ষমতার খোয়াব কে দেখে না ? আমাদের দেশে ক্ষমতার খোয়াবই একজনকে রাজনীতিতে টেনে আনে। ছাত্র শিক্ষক রাজনীতির মূলেও রয়েছে ক্ষমতার খোয়াব। তো , একবার ক্ষমতার আস্বাদ প্রাপ্ত এরশাদের ক্ষমতার খোয়াব না দেখাটাই অস্বাভাবিক।

Ayaz Ahmed

Ayaz Ahmed

২০১২.০৮.২৫ ১৩:১৭
লেখা পড়ে মনে হলো- আওয়ামীলীগের কট্টর সমর্থকের নিজেদেরই প্রতি সতর্কমূলক বানী।
২০১২.০৮.২৫ ১৩:২৩
এরশাদ গত নির্বাচনেও বিশ্বাশঘাতকতা করেছে।

Kishor Ahmed

Kishor Ahmed

২০১২.০৮.২৫ ১৩:২৪
১৯৯১ এর পর থেকে দুই নেত্রীর গণতান্ত্রতিক সরকার দেশ শাসন করছে এবং তার উপকারিতা আমারা সাধারণ জনগন হারে হারে বুঝতে পারছি ।

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.০৮.২৫ ১৪:৫৫
ক্ষমতার খোয়াব বাসতবায়িত করতে এই পতিত স্বৈরাচারের বাংলাদেশের জনগণের সমর্থন দরকার হবে না, দেখা যাক দিললীর কথিত সমর্থন নিয়ে রাজনীতির আগাছা এরশাদ তার খোয়াব পুরন করতে পারেন কিনা ।

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.০৮.২৫ ১৫:০৩
দেশের জনগণের শক্তিকে পাশ কাটিয়ে কোন বিদেশী শক্তির সমর্থন নিয়ে ক্ষমতার খোয়াব দেখতে শুরু করা কেবল রাজনীতির আগাছাদের দ্বারাই সমভব । আর দেশের রাজনীতির আগাছা হলো এই পতিত স্বৈরাচার ।

Md Abdul Hakim

Md Abdul Hakim

২০১২.০৮.২৫ ১৫:০৫
এই মানুষটিকে নিয়ে কোন মন্তব্য করা উচিত নয়।
২০১২.০৮.২৫ ১৫:৪৬
১৯৮৬ সালে বিএনপিকে বাইরে রেখে এরশাদ যে নির্বাচন করেছিলেন, তাতে খালেদা জিয়ার রাজনীতি শেষ হয়ে যায়নি, বরং চার বছরের মাথায় তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। Do you think history will repeat itself?

Rohul Amin Faisal

Rohul Amin Faisal

২০১২.০৮.২৫ ১৫:৪৯
এরশাদের রুপটা আসলে পারদের মত তা ধরাও যায়না ছোয়াও যায়না।

Rohul Amin Faisal

Rohul Amin Faisal

২০১২.০৮.২৫ ১৫:৫৫
আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য জনমত জরিপ। ২০১৩ ইং
বি এন পি = ৪০ - ৫০%
আ`লীগ = ২৫ - ৩০ %
জামাত = ২০ - ২৫ %
জাপা = ৫ - ১০ %
অন্যান্য = ২ - ৪ %

Mahmood Hussain

Mahmood Hussain

২০১২.০৮.২৫ ১৬:০৩
এরশাদ বাংলাদেশের রাজনীতির ব্যয়িত শক্তি। অথচ দ্বিধাহীনভাবে বলা যায় প্রশাসন চালাতে স্বাধীনতাত্তোর যা কিছু পেশাদারিত্ব দেখেছি, তা ওই এরশাদ আমলেই। তার দক্ষতাও অপর দুই নেত্রীর চে ' ঢের বেশী; বহির্বিশ্বেও গ্রহণযোগ্যতা আছে ভালো রকমের। কিন্তু নিজস্ব চরিত্রের দোদুল্যমানতা, রাজনীতিকে সন্ত্রাসীকরণ, অবলীলায় মিথ্যাচার প্রভৃতি এরশাদকে জনমানসে একটি সন্দেহজনক রাজনীতিকে পরিণত করেছে। কিন্তু এই মূহুর্তে তাকে নিয়ে ভারতের অতি আগ্রহ শেখ হাসিনার প্রতি ভারতের অনুগ্রহ-ক্ষয়প্রসুত বলে যারা ভাবেন নিতান্তই অর্বাচীন তারা। আসলে তাকে নিয়ে খেলা হচ্ছে যাতে করে বিএনপি-র অংশগ্রহণ ছাড়া যদি নির্বাচন করতেই হয়, তাহলে ওটাকে যেন রাজনৈতিক বৈধতা দেওয়া যায়।

ahmed

ahmed

২০১২.০৮.২৫ ১৭:১২
আশা করি Mr. Sohrab আপনি আপনার answer পেয়ে গেছেন। In future you will mind it when you write an aritle regarding Mr. Earshad.

ibne mizan

ibne mizan

২০১২.০৮.২৫ ১৯:৩১
নুর হোসেন ও ডাঃ মিলনের রক্তের দাগ এখনো শুকোয় নি। যে আওয়ামী লীগ আজ এরশাদকে তাদের বন্ধু ভাবছে, সে আওয়ামী লীগের ই বহু নেতা কর্মী কে মেরেছে এ এরশাদ।

Mohd Elias Khan

Mohd Elias Khan

২০১২.০৮.২৫ ২০:৩০
বুঝতে পারলাম না সাধারন জনগণ ছাড়া অন্যরা কেন এরশাদ সাহেবকে এতো ভয় পায়।

Md. Helal Uddin

Md. Helal Uddin

২০১২.০৮.২৫ ২১:২২
Earshad is a good politician

Engineer Noor Hossain

Engineer Noor Hossain

২০১২.০৮.২৫ ২১:৩১
গত কুড়ি বছরের গণতান্ত্রিক শাসনামলে এদেশবাসী রাজনৈতিক নোংরামি ছাড়া খুব বেশি ইতিবাচক কিছু দেখেনি। আমরা আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। রাজনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনের জন্য হলেও এরশাদের তথা জাতীয় পার্টির শক্তিশালী হওয়া উচিত। এখন সচেতন নতুন প্রজন্ম এরশাদকে নিয়ে ভাবছে।

ibne mizan

ibne mizan

২০১২.০৮.২৫ ২২:০২
আগামী নির্বাচনের ফলাফলঃ
বিএনপিঃ ৩০%
আওয়ামী লীগঃ ৩৫%
জামাতঃ ৭%
জাতীয় পার্টিঃ ৫%
সতন্ত্রঃ ৫%
নিরপেক্ষ ভোটঃ ১৮%
হিসেব করলে দেখা যায় যে, বিএনপি জামাত জোট পাবে প্রায় ৩৭%। অথচ, আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টিকে নিয়ে পাবে ৪০% ভোট। কিন্তু বাধ সাধবে নিরপেক্ষ ১৮% ভোট। এরা এবার কিন্তু আওয়ামী লীগ কে দিবে না। কারন, বাংলাদেশের ইতিহাস বলে দিতেছে যে, নিরপেক্ষ ভোটার রা বর্তমান সরকার কে ভোট দেয় না। এ ভোট অবশ্যই পাবে বিএনপি। সে হিসেবে বিএনপি'ট ভোট হবে ৩৭ যোগ ১৮। সব মিলিয়ে বিএনপি পাবে ৫৫% ভোট।
সুতরাং যে বিচারেই হিক, আওয়ামী লীগের জেতার কোনো লক্ষণ আপাততঃ নেই।

Mamunur Rahman Khan

Mamunur Rahman Khan

২০১২.০৮.২৬ ০০:২৩
দুই নেত্রীকেই এদেশের মানুষ দুই দুইবার করে ক্ষমতায় বসিয়ে তার ফলাফল হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। যদি আগামীতে এরশাদ ক্ষমতায় এসেই যায় (কল্পনা করে নিচ্ছি) তাহলে আপনার বিশেষ কোন ক্ষতির কারন আছে কি? যদি না থাকে তাহলে এসব আজাইরা প্যাচাল বাদ দেন।