মুক্তিযোদ্ধা শাফায়াত জামিল আর নেই
বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) শাফায়াত জামিল বীর বিক্রম গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি... রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। খবর বাসসের।
শাফায়াত জামিলের ছোট ভাই সাদাকাত জামিল জানান, রাত দুইটা ১০ মিনিটে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, উত্তরার বাড়িতে জামিলের বুকে ব্যথা হওয়ায় তাঁকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তাঁর অবস্থার অবনতি হলে মাঝপথে তাঁকে অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হয়।
জামিল ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা নেতৃস্থানীয় বাঙালি সামরিক কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন।
তিনি স্ত্রী ও তিন ছেলে রেখে গেছেন। ছেলেদের মধ্যে দুজন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তাঁর ছোট ছেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর।
জামিলের প্রথম জানাজা উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের কাছে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর মরদেহ ঢাকা সেনানিবাসে নেওয়া হয়। সেখানে আল্লাহু মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তাঁকে বনানীর কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ২৬ মার্চ কাল রাতে তাদের কুখ্যাত অপারেশন সার্চলাইট অভিযান শুরু করলে জামিল চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের (ডাকনাম বেবি টাইগারস) বাঙালি সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকদের নিয়ে বিদ্রোহ করেন। তিনি অক্টোবরের ১০ তারিখ পর্যন্ত ১১ নম্বর সেক্টরে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। পরে তিনি সিলেট সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
স্বাধীনতার পর জামিল লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পান এবং বীর বিক্রম উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সেনা অভ্যুত্থানে তিনি ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফকে সহায়তা করেন এবং খন্দকার মোশতাক আহমদের শাসনের বিরুদ্ধে বঙ্গভবনের দিকে অগ্রসর হন। ৭ নভেম্বর তাঁর প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং খালেদ মোশাররফ নিহত হন। কর্নেল জামিল গ্রেপ্তার হন এবং তাঁকে অবসরে পাঠানো হয়।
জামিল সাবেক সরকারি কর্মকর্তা এ এইচ করিমুল্লাহর ছেলে।
শাফায়াত জামিল ১৯৪০ সালের ১ মার্চ জন্ম নেন। তিনি ঢাকা কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কাবুলের পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে শিক্ষাগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালে তিনি পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কমিশন্ড লাভ করেন।







dr kaes
২০১২.০৮.১১ ১৫:৪৭উনি সাধারন মুক্তি যোদ্ধাদের প্রতি অনেক সহানুভূতিশীল ছিলেন। রঙাগণে শত্রুর মেশিনগানের সামনে যখন সাধারন মুক্তিযোদ্ধারা নির্বিচারে শহীদ হত উনি এ সকল দৃশ্য দেখে শিশুর মতো কাঁদতেন।
Syed Kamrul Huq
২০১২.০৮.১১ ১৬:১০
২০১২.০৮.১১ ১৬:১৯তালুকদার
২০১২.০৮.১১ ১৬:৩০Shafiqul Islam
২০১২.০৮.১১ ১৬:৪১S. Arefin
২০১২.০৮.১১ ১৮:১১Muzibur rahman
২০১২.০৮.১১ ২০:১৬Mustafiz Rahman
২০১২.০৮.১১ ২১:২১Ajabul Morfud
২০১২.০৮.১১ ২২:৫৭