শিরোনাম:

পুঁজিবাজারে আজ লেনদেন হচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক ও অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ৩১-০৭-২০১২

  • ১০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

দেশের পুঁজিবাজারে আজ মঙ্গলবার লেনদেন হবে না। গতকাল সোমবার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) সার্ভারে সৃষ্ট কারিগরি ত্রুটির পুরোপুরি সমাধান না হওয়ায় আজ ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে কোনো লেনদেন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জের (এসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে এ কথা নিশ্চিত করেছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদ সকাল ১০টায় উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সভায় বসে। সভায় আজ লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি আল মারুফ খান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘সিএসইর বোর্ড সভায় সদস্য ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে ট্রেড সার্ভারে লগ ইন করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। গতকালের লেনদেন নিষ্পত্তি না হওয়ায় সিএসই কর্তৃপক্ষ আজকের লেনদেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোশাররফ এম হোসেন বেলা সোয়া ১১টার দিকে সাংবাদিকদের জানান, সিডিবিএলের সার্ভারে কারিগরি সমস্যার কারণে গতকালের বিক্রয় করা শেয়ার ব্রোকারের ক্লিয়ারিং হিসাবে জমা করা সম্ভব হয়নি। আর এ কারণে সিডিবিএলের পক্ষ থেকে আজকের লেনদেন বন্ধ রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সকালে ডিএসইর বোর্ড সভায় লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে এসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, সকালে সিডিবিএল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সার্ভারে সমস্যার বিষয়টি কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে। সিডিবিএলের কারিগরি দল এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গতকাল সোমবার রাতে সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম এইচ সামাদ প্রথম আলো ডটকমকে বলেছিলেন, সিডিবিএলের সার্ভারে সমস্যার কারণে ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে গতকালের বিক্রয় করা শেয়ার দিনের লেনদেন শেষে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারের ক্লিয়ারিং হিসাবে জমা করা সম্ভব হয়নি।
তবে, এই সমস্যা সমাধানে সিঙ্গাপুর ও মুম্বাইয়ের কারিগরি সহায়তা নিয়ে সিডিবিএলের কারিগরি দল কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

msnrajon

msnrajon

২০১২.০৭.৩১ ১১:০৪
চরম অব্যবস্হাপনা, দুর্ণীতি চলছে সি ডি বি এল এবং বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে। ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার করা হয়নি কেন ? ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার থাকলে কোনদিনই এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। নাকি সার্ভার ইচ্ছে করে ডাউন করে নিজেদের ইচ্ছেমত হিসেব নিকেষ করে নেওয়া হচ্ছে । তথ্য প্রযুক্তি এখন এমন কোন অন্ধকার যুগে নেই যে সার্ভার ডাউন হলে কাজ-কর্ম বন্ধ করে রাখতে হবে।

Rana khan

Rana khan

২০১২.০৭.৩১ ১১:৪১
এই সরকারের পুরটা সময় সার্ভার বন্ধ থাকলে ভাল হত।

MOHIN UDDIN

MOHIN UDDIN

২০১২.০৭.৩১ ১১:৫৩
দাল মে কুছ কালা হায় ।

Arifur Rahaman Choudhury

Arifur Rahaman Choudhury

২০১২.০৭.৩১ ১২:২৪
ভাল হয়েছে !! :)

Maniruzzaman

Maniruzzaman

২০১২.০৭.৩১ ১২:৫৩
এই সরকারের পুরটা সময় সার্ভার বন্ধ থাকলে ভাল হত।
২০১২.০৭.৩১ ১৩:০৪
সার্ভারও শেয়ার বাজারের এই নির্লজ্জ অধঃপতনে লজ্জিত, ক্লান্ত আর হতাশ।

shuvonabil

shuvonabil

২০১২.০৭.৩১ ১৩:০৭
Wow we are living in digital Bangladesh

বেলাল রাব্বানী

বেলাল রাব্বানী

২০১২.০৭.৩১ ১৩:২৬
আমার সার্ভার অনেক ভাল কাজ করছে। কেন সার্ভার বন্ধ থাকবে? এখানে সরকারের কি দুষ?

Mrinal Kanti Deb

Mrinal Kanti Deb

২০১২.০৭.৩১ ১৩:৫২
When all the drama will stop in our capital market? One type of Looting, Hijacking is going on for more than one & half years. We have not seen any strong real action against the manupulator & irregularities. We would like to see all the culprit in the court of Judgement.

M Hossain

M Hossain

২০১২.০৭.৩১ ১৩:৫৪
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার মূলতঃ উচ্চবিত্তদের সময় কাটানো এবং তাদের একটা সাইড ইনকামের উৎস বলেই সবাই জানে। এই বাজারে নিম্নবিত্তদেরকে ডেকে নিয়ে আসাটা অন্যায় হয়েছে। তারা এটাকে তাদের আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে ধরে নিয়েছে বলে আজ এই বিপত্তি। কিছু কিছু উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এই বাজারকে তাদের অনৈতিক লুটপাটের ক্ষেত্র বানিয়ে নিম্নবিত্ত বিনিয়োগকারীদের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে। বাংলাদেশের শেয়ার বাজার অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা রাখছে বলে কিছু লোক প্রচার করছে। প্রাইমারী মার্কেটে আইপিও ছেড়ে কিছু উদ্যোক্তা তাদের প্রতিষ্ঠানের পুঁজি বাড়িয়েছেন ঠিকই। কিন্তু, শেয়ারবাজার চাঙ্গা হওয়ার সুযোগে আবার তারা উদ্যোক্তার শেয়ার উচ্চমূল্যে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। বাংলাদেশের সেকেন্ডারি মার্কেটে সক্রিয়ভাবে লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০০-২৫০টির বেশী নয়। এই স্বল্প সংখ্যক তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজার দেশের মূল অর্থনীতির উপর সামান্যই প্রভাব ফেলতে পারে। বাজারের মুনাফা এক পকেট থেকে আরেকজনের পকেটে স্থানান্তরিত হয়। এই মুনাফা প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের ব্যক্তিগত পকেটে গেলেও শিল্প প্রতিষ্ঠানের পুঁজি বৃদ্ধি ঘটেনা। পুনঃবিনিয়োগ না হয়ে এই মুনাফার টাকা অপ্রয়োজনীয় এবং অনুতপাদনশীল খাতে ব্যয়িত হয়। ফলে, অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি ঘটে। এমতাবস্থায়, যারা পূঁজিবাজারের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় তারা বাজারে অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হয়ে থাকে। এ খেলা বেশীদিন চলতে দেয়া ঠিক নয়।