নির্জনে নির্ভাবনায়

ফেরদৌস ফয়সাল | তারিখ: ৩১-০৭-২০১২

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
  • ফয়’স লেক রিসোর্ট

    ফয়’স লেক রিসোর্ট

  • নাজিমগড় রিসোর্ট

    নাজিমগড় রিসোর্ট

  • মারমেইড ইকো রিসোর্টের খাবার

    মারমেইড ইকো রিসোর্টের খাবার

ঈদের ছুটি কাজে লাগিয়ে শহরের কোলাহল ছেড়ে নিকটজনদের নিয়ে কোনো জায়গায় বেড়িয়ে আসতে পারেন কোনো একটি রিসোর্টে। বেশির ভাগ রিসোর্টের ভেতরে সুইমিংপুল, জিম, হেলথ ক্লাব, বেকারি ও ইনডোর-আউটডোর গেমসের ব্যবস্থা রয়েছে। কক্ষগুলোতে এসি, টিভি, ইন্টারকম টেলিকম সুবিধা, ফ্রিজসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হয়। নির্জন জায়গায় সঙ্গীসহ আপনি। থাকা, খাওয়া ও বেড়ানোর নানা ঝামেলা নেই। সবকিছুরই ব্যবস্থা করে দেবে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ।
বাইরে বেশ ছিমছাম, ভেতরটা বিলাসবহুল ও মানসম্মত।

রিসোর্টে থাকা-খাওয়ার খরচ আলোচনা সাপেক্ষে। দেখুন দেশের নানা স্থানের কয়েকটি রিসোর্টের খোঁজ।

নাজিমগড় রিসোর্ট
সিলেট শহর প্রান্তে পাহাড়ের পাদদেশে ছয় একর জায়গা নিয়ে নাজিমগড় রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। রিসোর্টের অতিথিদের জন্য আশপাশে বেড়ানোর ব্যবস্থাও আছে। বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ আছে এখানে, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের খাবার পাবেন। ফোন: ০১৭৩০৭১২৬০০
ওয়েব: www.nazimgarh.com

মারমেইড ইকো রিসোর্ট
কক্সবাজার, হিমছড়ি আর ইনানি বিচের মাঝামাঝি প্যাঁচার দ্বীপে এর অবস্থান। রোমাঞ্চপ্রিয় ব্যক্তিরা কক্সবাজার থেকে সাগর ধরে হেঁটে গেলে ঘণ্টা দুইয়ের মধ্যে পৌঁছে যাবেন। সিএনজিতেও যাওয়া যায়। পানির ওপর বাঁশের কুঁড়েতে থাকার ব্যবস্থা আছে। দুপুর বা রাতে সি-ফুড, ইউরোপীয়, ক্যারিবীয় ও দেশি খাবার পাবেন। যোগাযোগ: ০১৮৪১৪১৬৪৬৪-৯
ওয়েব: www.mermaidecoresort.com

হিল সাইড রিসোর্ট
বান্দরবান জেলা থেকে চার কিলোমিটার দূরে চিম্বুক সড়কের মিলনছড়িতে আছে হিল সাইড রিসোর্ট। এখানে থাকার জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি মনোরম কটেজ ঘর ও ডরমিটরি। রয়েছে বম ঘর, মারমা ঘর ও বাঁশের তৈরি ঘর। ফোন: ৯৮৬২২০৫
ওয়েব: www.guidetours.com

যমুনা রিসোর্ট
বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতুর কাছে যমুনা নদীর কোল ঘেঁষে পূর্ব পাশে এ রিসোর্ট। রুম সংখ্যা ১১০। রিসোর্টের ভেতরে রেস্টুরেন্টের ধারণক্ষমতা ১৫০ জন। ফোন: ০১৭১৪৪০৪৯০২।
ওয়েব: www.jamunaresort.com

পদ্মা রিসোর্ট
মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানায় পদ্মা নদীর চরে এ রিসোর্ট। ২৫টি ঘর রয়েছে। ১৫৫ জন ধারণক্ষমতার একটি রেস্তোরাঁও রয়েছে। বনভোজন বা পার্টিতে আয়োজকেরা চাইলে নিজেরাই রান্না করতে পারেন। ফোন ০১৭১২১৭০৩৩০
ওয়েব: www.padmaresort.net

ফয়’স লেক রিসোর্ট
ঢাকার ফ্যান্টাসি কিংডমের ভেতরে ওয়াটার পার্কের পাশে আটলান্টা রিসোর্ট। চট্টগ্রামে ফয়’স লেকের ভেতরে রয়েছে কনকর্ডের তৈরি ফয়’স লেক রিসোর্ট। ২০ মিনিটের হ্রদযাত্রা শেষে পৌঁছাবেন এ রিসোর্টে। এর পাশে রয়েছে ওয়াটার পার্ক। ফোন: ০১৯১৩৫৩১৪৮৩
ওয়েব: www.fantasy-kingdom.net.bd

অবকাশ পর্যটন লিমিটেডের রিসোর্ট
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে সেন্ট মার্টিন রিসোর্ট, নিঝুম দ্বীপে নিঝুম রিসোর্ট এবং কক্সবাজারের রামুতে তাদের তৈরি রিসোর্ট রয়েছে। ফোন: ৮৩৫৮৪৮৫
ওয়েব: www.abakashparjatan.com

অরুণিমা
নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার মধুমতীর তীরে পানিপাড়া গ্রামে গড়ে উঠেছে অরুণিমা কান্ট্রিসাইড রিসোর্ট। হ্রদে বেড়ানোর জন্য রয়েছে ছোট-বড় ডিঙি। ফোন: ০১৭১৬৪৩১২১০
ওয়েব: www.arunimacountryside.com

এলেঙ্গা রিসোর্ট
টাঙ্গাইল শহর থেকে সাত কিলোমিটার উত্তরে এলেঙ্গায় গড়ে উঠেছে এ রিসোর্ট। আছে রেস্তোরাঁসহ নানা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। নৌভ্রমণের জন্য রয়েছে ট্রলার, দেশি নৌকা ও স্পিডবোট।
ফোন: ০১৭১৩৩৮১০২৬
ই-মেইল: info@elengaresort.com

নক্ষত্রবাড়ি
অভিনেতা ও নির্মাতা তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াত গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ি এলাকায় গড়ে তুলেছেন এ রিসোর্ট। প্রায় ১০ বিঘা জমির ওপর ‘নক্ষত্রবাড়ি’। বিশাল দিঘি, দিঘিতে শানবাঁধানো ঘাট, কৃত্রিম ঝরনা, সুইমিং পুল, দোলনা, শালবন সবই আছে এখানে। ফোন: ০১৮১৮৪৪৮৩২৯
ওয়েব: www.nokkhottrobari.com.bd

শ্রীমঙ্গলের টি রিসোর্ট
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে চার কিলোমিটার দূরত্বে কমলগঞ্জ রোডে বাংলাদেশ টি বোর্ডের টি রিসোর্ট অবস্থিত। মূলত পুরোনো একটি ব্রিটিশ বাংলোকে রিসোর্টে রূপান্তরিত করা হয়েছে। রয়েছে টেনিস কোর্ট।
ফোন: ০১৭১২০৭১৫০২

রয়েল রিসোর্ট ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল
জমিদারবাড়িতে থাকতে চাইলে যেতে পারেন রয়েল রিসোর্টে। এটি আসলে নবাব নওয়াব আলীর প্রাসাদ। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় যেতে হবে। তারপর টাঙ্গাইল-জামালপুর সড়কে ৫০ কিলোমিটার এগোলে রয়েল রিসোর্ট। ফোন: ০১৭৪৯৪১৯৯৪০

পাকশী রিসোর্ট (ঈশ্বরদী, পাবনা)
যমুনা সেতু থেকে এক ঘণ্টার পথ পাকশী রিসোর্ট। পদ্মা নদীর পাড়ে ৩৬ বিঘা জমির ওপর এ রিসোর্ট। পাবনা, কুষ্টিয়া ও নাটোর শহর থেকে রিসোর্ট আধ ঘণ্টার পথ। ফোন: ০১৭৩০৭০৬২৫১
ওয়েব: www.pakshiresort.net

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
আপনার মতামত দিন