শিরোনাম:

তদন্ত প্রতিবেদনে তথ্য, মামলার প্রস্তুতি দুদকের

৩০০০ কোটি টাকা সরিয়েছেন ডেসটিনির পরিচালকেরা

অনিকা ফারজানা | তারিখ: ২৬-০৭-২০১২

  • ৭৫ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সোয়া তিন হাজার কোটি টাকা নিজেদের নামে তুলে নিয়েছেন ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিস্তারিত তদন্ত শেষে তিন হাজার ২১৮ কোটি ৩৮ লাখ ২১ হাজার ৩৭৫ টাকা দুর্নীতি ও প্রতারণার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তরের প্রমাণ পেয়েছে।
গতকাল বুধবার কমিশনে জমা দেওয়া চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য রয়েছে। মূলত ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড এবং ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের মাধ্যমে আদায় করা অর্থই ছিল ডেসটিনি গ্রুপের মূলধনের মূল উৎস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি না মেনে ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির এক হাজার ১১১ কোটি ৭৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮৭৫ টাকা ঋণ, লভ্যাংশ ও কমিশন আকারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ এবং নিজেদের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে লেনদেন করে ডেসটিনি গ্রুপের পরিচালকেরা মানি লন্ডারিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
এ ছাড়া ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের জন্য সংগ্রহ করা দুই হাজার ৩৩৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে মাত্র ২২৯ কোটি ১০ লাখ দুই হাজার টাকার দালিলিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাকি দুই হাজার ১০৬ কোটি ৬৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা। তাঁরা এ অর্থ বেতন-ভাতা, সম্মানী, লভ্যাংশ, বিশেষ ভাতা বা কমিশন আকারে নিয়েছেন। সব মিলিয়ে তাঁরা নিয়েছেন তিন হাজার ২১৮ কোটি ৩৮ লাখ ২১ হাজার ৩৭৫ টাকা। তদন্তের সময় জব্দ করা ডেসটিনির নথিপত্র থেকে দেখা গেছে, ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের গোল্ডেন প্যাকেজ, প্রিমিয়ার প্যাকেজ, ক্ল্যাসিক প্যাকেজ, সিলভার প্যাকেজ, সুপার সিলভার প্যাকেজ ও সুপার গোল্ড প্যাকেজসহ ২৬ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮৩টি প্যাকেজে পাঁচ কোটি ৪৮ হাজার ৮৫টি গাছ বিক্রি করা হয়েছে। এর মধ্যে আট লাখ ৪৯ হাজার ৪৬৪টি গাছের ক্ষেত্রে সনদ দেওয়া হয়েছে। বাকি গাছের কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি।
যদিও তদন্তের সময় ট্রি প্ল্যান্টেশনের পক্ষ থেকে ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৮০টি গাছ লাগানোর দাবি করা হয়েছে, যার বিক্রীত মূল্য ২৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ১৬ হাজার টাকা বলে হিসাবে দেখানো হয়েছে। তার পরও জনগণের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ হয় দুই হাজার ৩৬ কোটি ৭৬ লাখ ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজস্ব প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেকার এক ভুয়া চুক্তি অনুযায়ী ট্রি প্ল্যান্টেশনের কমিশন বাবদ ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড এক হাজার ৩৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ৮৭ হাজার ৬৪০ টাকা সরিয়ে নিয়েছে। ভুয়া খরচ হিসেবে দেখানো হয়েছে ২১৪ কোটি ৯৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই ট্রি প্ল্যান্টেশন থেকে কোনো ধরনের লাভ না হওয়া সত্ত্বেও লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছে ছয় কোটি ৬০ লাখ টাকা, যার পুরোটাই পরিচালকদের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে গেছে। আর ট্রি প্ল্যান্টেশনের নামে ব্যাংকের স্থিতি হিসাবে রয়েছে মাত্র ১০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
ট্রি প্ল্যান্টেশনের মাধ্যমে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার জন্য দুদক যাঁদের অভিযুক্ত করেছে তাঁরা হলেন, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড ও ট্রি প্ল্যান্টেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট ও ট্রি প্ল্যান্টেশনের চেয়ারম্যান এম হারুন অর রশিদ, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন এবং পরিচালক মোহাম্মদ গোফরানুল হক, মোহাম্মদ সাইদ উর রহমান, মো. মেজবাহউদ্দিন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ, ফারাহ দীবা, জামসেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়ুবুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদক।
অন্যদিকে ডেসটিনি মাল্টিপারপাসের হিসাব থেকে ২৭০ কোটি ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৮২৪ টাকা ঋণ হিসেবে ১৪টি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করা হয়েছে। ডায়মন্ড বিল্ডার্স লিমিটেডের ৮৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ দেখানো হলেও বাস্তবে ওই প্রতিষ্ঠানে মাত্র নয় কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫ টাকা বিনিয়োগের দালিলিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। একইভাবে কোনো ধরনের লাভ না হওয়া সত্ত্বেও ডায়মন্ড বিল্ডার্স থেকে ৬৮ কোটি ৮৭ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা লভ্যাংশ তুলে নিয়েছেন পরিচালকেরা। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের অনিয়ম করে শুধু ২০০৯ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ১৪৭ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা লভ্যাংশ নিয়েছেন তাঁরা।
জনগণের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের জন্য ১১ লাখ ৯৭ হাজার ৩১৬টি শেয়ার সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ১৩ হাজার ৬৫টি শেয়ার সার্টিফিকেট ইস্যু করেছে। বাকি ১১ লাখ ৭১ লাখ ১৮৬টি শেয়ার ইস্যু না করেই জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন পরিচালকেরা। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের ব্যাংক হিসাবে ও নগদ তহবিলে মাত্র এক কোটির কিছুর বেশি টাকা অবশিষ্ট রয়েছে।
অন্যদিকে ২০০৯-১০ বছর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ৭৩৩ কোটি ৩১ লাখ ২৯ হাজার ৬৪৩ টাকা কমিশন হিসেবে সরিয়ে নিয়েছে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের পরিচালকেরা। এ ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন: রফিকুল আমীন, মোহাম্মদ হোসেন, মোহাম্মদ গোফরানুল হক, সাইদ উর রহমান, মেজবাহউদ্দিন স্বপন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ, ফারাহ দীবা, জামসেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়ুবুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক দিদারুল আলম, সম্পাদক জাকির হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আজাদ রহমান, কোষাধ্যক্ষ আকবর হোসেন, সদস্য আবুল কালাম আজাদ, শিরীন আক্তার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মুজিবুর রহমান, সুমন আলী খান ও সাইদুল ইসলাম খান।
ব্যক্তি হিসোবে টাকা: তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এম হারুন অর রশিদের ব্যাংক হিসাবে পাঁচ কোটি ৮৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, রকিফুল আমীন ও ফারাহ দীবার ব্যাংক হিসাবে আট কোটি ৩৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকা, মোহাম্মদ হোসেনের হিসাবে এক কোটি ২৪ লাখ, মোহাম্মদ গোফরানুল হকের হিসাবে দুই কোটি ৫০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, মো. সাইদুর রহমানের হিসাবে ছয় কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, মো. মেসবাহ উদ্দিনের হিসাবে তিন কোটি ৬৪ লাখ ২১ হাজার টাকা, শেখ তৈয়ুবুর রহমান ও সেলিনা রহমানের ব্যাংক হিসাবে ছয় কোটি ৮৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেনের ব্যাংক হিসাবে ৪৫ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, মো. ইরফান আহমেদ সানীর হিসাবে ৩৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস ও মিতু রানী বিশ্বাসের ব্যাংক হিসাবে ৩২ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা রয়েছে।
এ ছাড়া তাঁদের সবার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে ঋণ, লভ্যাংশ ও কমিশন হিসাবে এক হাজার ১৭৮ কোটি ৬১ লাখ ২৩ হাজার ২৪ টাকা অবৈধ উপায়ে স্থানান্তরের প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Zaman Ibne Hanif

Zaman Ibne Hanif

২০১২.০৭.২৬ ০২:৩৫
রফিকুল আমিন কত কি জানেন তা কাছের লোক ছাড়া জানেনা । ডান্ডা দেন, ঠান্ডা মাথায় সব বলে দেবেনে ।

Md. Aminul Islam Opu

Md. Aminul Islam Opu

২০১২.০৭.২৬ ০৩:৩৮
এরা তো সব রাঘব বোয়াল। এদের বিরুদ্ধে কি সরকার কোন ব্যবস্থা নেবে?

Mahbubul Hoque

Mahbubul Hoque

২০১২.০৭.২৬ ০৫:১২
ব্যবসা কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি তা ডেসটিনি গ্রুপ বুঝিয়ে দিল!

Abm Asaduzzaman

Abm Asaduzzaman

২০১২.০৭.২৬ ০৫:৩১
এই ডেসটিনি কে নিষিদ্ধ করে এদের সবাইকে শাস্তি দেয়া হউক। দেশের এই দুর্দীনে তারা টাকা পাচার করে বিদেশে। এমন শাস্তি দেয়া হউক যেন সারাজীবন আর কোন মাল্টিপারপাস কোম্পানি এরকম না করতে পারে।

sheikh shohel

sheikh shohel

২০১২.০৭.২৬ ০৫:৪৫
ডেসটিনির চাপাবাজরা এখনো চাপাবাজি করেই যাচ্ছে। আমার মতে যারা এখনো মানুষকে ধোকা দিচ্ছে ডেসটিনির কথা বলে বলে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক।

nadimul karim

nadimul karim

২০১২.০৭.২৬ ০৭:০২
এখন কি বসে থাকার সম্য় আসে ? Destiny-r গরহকরা েখন চামরা সিলে ফেলবে । রাফিকুল আমিন সহ সকল বাট পারদের । জাগ Destiny-r বনন্ডহুরা জাগ। আর সময় নসট করা ঠিক হবেনা। আমাদের রক্ত পানি করা টাকা খেয়ে এই রক্ত চউসারা পালিয়ে জাবে । আমি আমর টাকা ফেরত চাই । আর আজকে কান দ রসি আর কনদিন কন বাটপারের ফাদে পা দেবনা। আমি আমার টাকা ফেরত চাই ।আসা করি সরকার আমাদের টাকা ফেরতের বাবসথা করবে।

Rajib Hasan

Rajib Hasan

২০১২.০৭.২৬ ০৭:৪৯
ডেসটিনির পরিচালকেরা ৩০০০ কোটি টাকা সরিয়েছেন আর আপনারা চেয়ে চেয়ে দেখলেন ? কেউ বুঝতে পারলেন না ? আজব আমরা , আজব আমাদের দেশ ।

f.net

f.net

২০১২.০৭.২৬ ০৮:০৬
আহারে টাকা কোটি কোটি.........

Eyaqub

Eyaqub

২০১২.০৭.২৬ ০৮:২১
ওদেরকে ফাসিতে ঝুলানো উচিত!!!!!!!!!

Md Arifuzzaman

Md Arifuzzaman

২০১২.০৭.২৬ ০৮:২৪
The most striking feature of this report is That destiny offered a plenty of package to convince different categories customer and , of course, attract them too companies stability. Basically my concern is that what will happen for those who only invested money to get bigger amount after a certain period of time whether they will get back their hardly earned money or not. Who will answer such type of quires that are heavily burning their soul.

দেলোয়ার হোসেন

দেলোয়ার হোসেন

২০১২.০৭.২৬ ০৮:৩৭
*ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন * এ বিনিয়োগকৃত আমার ২০০০০ হাজার টাকার কি হবে?
সরকারের কাছে আমাদের বিনীত আবেদন, ডেসটিনিতে বিনিয়োগকৃত আমাদের লাখ লাখ আমানতকারীর আমানত ফিরিয়ে দিবার ব্যবস্থা করে দিন।

Mazedul Hoque

Mazedul Hoque

২০১২.০৭.২৬ ০৮:৪৩
এম হারুন অর রশিদের ব্যাংক হিসাবে পাঁচ কোটি ৮৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, রকিফুল আমীন ও ফারাহ দীবার ব্যাংক হিসাবে আট কোটি ৩৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকা, মোহাম্মদ হোসেনের হিসাবে এক কোটি ২৪ লাখ, মোহাম্মদ গোফরানুল হকের হিসাবে দুই কোটি ৫০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, মো. সাইদুর রহমানের হিসাবে ছয় কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, মো. মেসবাহ উদ্দিনের হিসাবে তিন কোটি ৬৪ লাখ ২১ হাজার টাকা, শেখ তৈয়ুবুর রহমান ও সেলিনা রহমানের ব্যাংক হিসাবে ছয় কোটি ৮৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেনের ব্যাংক হিসাবে ৪৫ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, মো. ইরফান আহমেদ সানীর হিসাবে ৩৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস ও মিতু রানী বিশ্বাসের ব্যাংক হিসাবে ৩২ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা রয়েছে।

Selim Saroar

Selim Saroar

২০১২.০৭.২৬ ০৮:৪৪
what the problem with ACC? Destiny earn this money not in Dark ? where was ACC? Where was Government? How Destiny become giant day by day?
২০১২.০৭.২৬ ০৮:৫৩
ডেসটিনির চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ফাসি চাই.

Meer Hossain

Meer Hossain

২০১২.০৭.২৬ ০৯:০৪
We expect the govt. go to the heardline for corrupted people and refound the money.....

পঙ্কজ নাথ Pankaj Nath

পঙ্কজ নাথ Pankaj Nath

২০১২.০৭.২৬ ০৯:০৭
কী ভয়াবহ ব্যাপার!! এত সব গুরুতর অভিযোগের পরও ডেসটিনি তাদের মালিকানাধীন টিভি চ্যানেল ও দৈনিক পত্রিকায় নিজেদের সাফাই গাইছে। সাধারণ মানুষের টাকা-পয়সা রক্ষায় দ্রুত এর সমাধান করা উচিত। পদ্মা সেতুর কথা বলে সাধারণ জনগণের ঘাড় মটকাবার কথা বলছে সরকার অথচ এসব চরম দুর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কেন নিচ্ছে না?

প্রকৌশলী মো. মিনহাজুল ইসলাম

প্রকৌশলী মো. মিনহাজুল ইসলাম

২০১২.০৭.২৬ ০৯:১৫
ডেসটিনির মতন আরও ভূয়া মাল্টিলেভেল বিসনেসকারী আছে যারা হুযুকে বাঙ্গালী দের ধোকা দিয়ে টাকা মেরে দিচ্ছে! আমাদেরও লোভ সামলানো দরকার, কেও একটু চাপা মেরে টাকা বড়লোক হবার কথা বললেই আর হুশ থাকে না! সরকারের উচিত এই সব ভন্ড কোম্পানী কে লাইসেন্স না দেয়া।

Md Jamal Hossain

Md Jamal Hossain

২০১২.০৭.২৬ ০৯:২০
Please arrest all the culprits and recover the money from those cheaters.

Rohan Issan

Rohan Issan

২০১২.০৭.২৬ ০৯:২০
সততার বুলি দিয়ে ভবিষ্যতের মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়ে যারা সাধারন মানুষের টাকা নিয়ে এই রকম ছিনিমিনি খেলতে পারে, সরকারের উচিৎ এই কর্মকান্ডের সাথে জড়িত সবাইকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এই রকম দূঃসাহস করতে না পারে৤

শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ

শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ

২০১২.০৭.২৬ ০৯:২১
Government should take necessary action & must be stop they are working.
২০১২.০৭.২৬ ০৯:৩৭
ডেসটিনি গ্রুপকে এদেশে "গ্রুপ" হতে সহায়তা করেছে যে সরকারী প্রতিষ্ঠান, তাদের কি কোন দায়-দায়িত্ব নেই ? এদের মত একটা নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের লেন-দেন ব্যাংক মাধ্যম ছাড়া সম্ভব নয় । তাহলে এত টাকা সরানোর বিষয়ে যে ব্যাংক সহায়তা করেছে একই অপরাধে সে কেন অভিযুক্ত হবে না ? অতএব, আমরা মনে করি , যদি সংশ্লিষ্ট সবাই দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করেন, তাহলে জড়িত সবার শাস্তি আইনের মাধ্যমে নিশ্চিতের পাশাপাশি এসব অর্থ যথাস্থানে ফিরে আসবে । আমরা সে অপেক্ষাতেই রইলাম ।

Tarique Bin Shahid

Tarique Bin Shahid

২০১২.০৭.২৬ ০৯:৪২
Though this is shame that government checked after passed 12 years of destiny & only for government general people are lost their money !!!
Now they should save this money & return any how

monir

monir

২০১২.০৭.২৬ ০৯:৫১
এমএলএম ব্যবসার মূল টার্গেটই থাকে বেকার যুবক ও ছাত্রদের দিকে। আইন বহির্ভূতভাবে সারাদেশে প্রায় ৭০টি কোম্পানি এমএলএম ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সরকার এক্ষেত্রে নিশ্চুপ। সরকার বরং এমএলএম ব্যবসাকে বৈধতা দেয়ার জন্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেছে এবং তা সংসদে যেকোন সময় পাশ করা হবে। যেখানে ভারত, চীন, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পোল্যান্ড, সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ প্রায় ৫২টি দেশে এমএলএম ব্যবসা নিষিদ্ধ! আইনের খসড়ায় প্রতারণা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি রাখা হয়েছে মাত্র পাঁচ বছরের কারাদন্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা। হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা দেয়া তো প্রতারকদের জন্য বিশেষ অসুবিধে হওয়ার কথা না। দারুণ হাস্যকর আইন। প্রতারণার মাধ্যমে হাজার কোটি টাকা আয় করে যদি নির্বিঘ্নে তা ভোগ করা যায় তবে অন্যান্য প্রতারক গোষ্ঠীও নিত্যনতুন প্রতারণার জাল তৈরি করবে। সুতরাং, সরকারের উচিত হবে দ্রুত প্রতারকদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। এমএলএম বৈধতা দেয়ার এ অবৈধ আইনের খসড়া বাতিল করে দরিদ্র জনগণের কষ্টার্জিত উপার্জন নিয়ে প্রতারণার পথ বন্ধ করা।

A.K. Azad

A.K. Azad

২০১২.০৭.২৬ ০৯:৫৭
জরুরীভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
২০১২.০৭.২৬ ১০:০৫
Destiny is a chit company.

Nurul Huda

Nurul Huda

২০১২.০৭.২৬ ১০:০৬
Arrest them as soon as possible, recover that money, and put them in Jail.
২০১২.০৭.২৬ ১০:০৮
গরীবের আর কত ক্ষতি করবে! তোমাদের নিপাত হউক এটাই মোর কাম্য...

amjad khan

amjad khan

২০১২.০৭.২৬ ১০:১২
বেকার ও সাধারন লোকগুলো কোথায় যাবে ?
২০১২.০৭.২৬ ১০:২৪
The government should take proper step to protect this type of devil work.

Md. Nurul Islam

Md. Nurul Islam

২০১২.০৭.২৬ ১০:২৫
Please return the money of poor investors.

Bayezid Hossain

Bayezid Hossain

২০১২.০৭.২৬ ১০:২৫
২০১২ সালের মধ্যে দেশ থেকে বেকারত্ব দুর করতে গিয়ে নিজেরাই এখন দুর হবার জোগাড় !!! একেই বলে লোম বাছতে কম্বল উজাড়...।

Sharif Uddin Ahmed

Sharif Uddin Ahmed

২০১২.০৭.২৬ ১০:২৬
সহজ, সরল, বোকা আর অতি লোভী লোকগুলোই এদের ব্যবসার পুঁজি!

Jahangir Hossain

Jahangir Hossain

২০১২.০৭.২৬ ১০:৩০
একমাত্র বাংলাদেশেই সম্ভব যারা দুর্নীতি বা ক্রাইম করবে তারাই এসব অপরাধ থেকে বাচাঁর জন্য ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া প্রিন্টস মিডিয়া খুলে বসবে যেন, এদের দুর্নীতি সরকারের কোন গোয়েন্দা সংস্থা সহজেই খোঁজ করার সাহস না পায়।

Shakhawat Hossain

Shakhawat Hossain

২০১২.০৭.২৬ ১০:৩৫
যাদেরকে সহজ, সরল, বোকা বলা হচ্ছে তারা আসলে একটু বেশি চালাক, কথায় আছে না বেশি চালাকের গলায় দড়ি !

AMIR HOSSAIN

AMIR HOSSAIN

২০১২.০৭.২৬ ১০:৩৭
লেখক কে ধন্যবাদ । লেখাটি সাহসের সাথে পরকাশ করার জন্য ।

২০১২.০৭.২৬ ১০:৪২
সরকার চুপ কেন

আলী আহাম্মেদ ( সুমন )

আলী আহাম্মেদ ( সুমন )

২০১২.০৭.২৬ ১০:৪২
ডেসটিনি রোগীদের মাথায় কি কিছু ঢুকতেছে ? না আবার বলবে ভুয়া রিপোর্ট ভুয়া তদন্ত।

Mohammad Jabul Hossen

Mohammad Jabul Hossen

২০১২.০৭.২৬ ১০:৪৮
Most wanted criminal of this country. Among all one is Major General. Shame Mr. Major. How Mr. Harun will demand for justice of war criminal of this country? All are busy to be a billionare. No honesty, no dignity, no patriotism. No justice for them, just hang up into death.

Mohammad Jabul Hossen

Mohammad Jabul Hossen

২০১২.০৭.২৬ ১০:৫১
If any lawyer support them to get bail they also be a criminal for this country.
২০১২.০৭.২৬ ১০:৫৩
এর আগে শুনেছিলাম ৫০০০ হাজার কোটি টাকা। এখন বলছেন ৩০০০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু তিন মাস ধরে সরকারের পক্ষ থেকে কোন দুর্নীতির কথা জানা যায়না। তবে যে ব্যাক্তি নিজের স্বার্থের কারনে সারা জাতিকে বিভ্রান্ত করে তার একদিন জবাব দিতেই হবে। সেদিনের অপেক্ষায় থাকুন ।

Murad

Murad

২০১২.০৭.২৬ ১১:০১
টাকাগুলি উদধার করে আমানতকারিদের হাতে ফিরিয়ে দিন, তারপর তাদের সাজা দিন।...

MD IMRUL HASAN

MD IMRUL HASAN

২০১২.০৭.২৬ ১১:০৬
এখন গ্রাহকদের টাকা কি ফেরত পাওয়া যাবে ? সরকার কি ব্যবস্থা নিবেন ?

সব্যসাচী

সব্যসাচী

২০১২.০৭.২৬ ১১:১৬
এই চিটারদের কি শাস্তি হলে ভালো হয় চিন্তা করে দেখছি, যদিও তাদের কোনো শাস্তিই হবে না।

MMR Sarker Miraj

MMR Sarker Miraj

২০১২.০৭.২৬ ১১:২৩
অতি মুনাফা লোভী মানুষেরাই এদেরকে এমন সুযোগ করে দিয়েছে। আমাদেরও লোভ সামলানো দরকার।...

Arifur Rahman

Arifur Rahman

২০১২.০৭.২৬ ১১:৩৫
6 months gone and still they are PREPARING!!!!! Band destiny now.

Eyaqub

Eyaqub

২০১২.০৭.২৬ ১১:৪১
চোরের দল, এদেরকে দেশ থেকে বিতাড়ন করুন!

monir

monir

২০১২.০৭.২৬ ১১:৫৩
গলাবাজি ও বাটপারী করে এই দুনিয়ার আদালতে পার পেয়ে গেলেও ঐ দুনিয়ার আদালতে পার পাবেন না কারন এমএলএম নামক এই প্রতিষ্ঠান গুলোতে লগ্নিকৃত রয়েছে অসংখ্য ভাগ্যাহত বেকার যুবকের টাকা আর তাদের দীঘ'শ্বাস, যাদের বড়লোক হওয়ার মিথ্যে স্বপ্ন দেখিয়ে এমএলএম নামক এই প্রতিষ্ঠান গুলোতে ঢুকানো হয়েছে।

Rohan Issan

Rohan Issan

২০১২.০৭.২৬ ১১:৫৯
অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর মত আমাদের বাংলাদেশেও এম এল এম ব্যবসা চিরতরে আইন করে বন্ধ করা উচিত৤ যাতে করে ভবিষ্যতে কেই এই রকম কাজ করার দুঃসাহস না পায়৤

ali

ali

২০১২.০৭.২৬ ১২:০৭
ডেসটিনির পরিচালকেরা প্রকৃত দেশপ্রেমিক

Mujeeb

Mujeeb

২০১২.০৭.২৬ ১২:১৯
Destiny owners looted money to their Bank A/C but if we remember other news we read our top citizens looted money and deposited to other country tax free A/C. Now really a big issue who are going to take some sort of actions. Nobody other than one more 1/11 Heroes. May Allah help us help our poor investors who are cheated by briches.

tea leaf

tea leaf

২০১২.০৭.২৬ ১২:২১
বিনা পরিশ্রমে কোটি কোটি টাকা, আহরে কেন যে ডেসটিনির পরিচালক হয়লাম না।

Golam Mostofa

Golam Mostofa

২০১২.০৭.২৬ ১২:৩৩
Why thay are not arrested yet?

Hotobak Bashar

Hotobak Bashar

২০১২.০৭.২৬ ১২:৪১
আগে জাইনলে ডেসটিনি নাইমের আরেইকডা কুমপানি খুইল্লা বইতাম। কত টাহা হ্যারা নেইয়া গেল চাইয়া চাইয়্যা খালি দ্যাখতাইছি। ইচ্ছা লয় ওগোরকে ইস্টি বানাই.....বাড়িতে নেমন্তন দেইয়া না খাওইয়া বহাইয়্যা রাহি.......

Shohag Ahmed

Shohag Ahmed

২০১২.০৭.২৬ ১২:৪১
Govt. should ban this institute and take action against Director council of Destiny.

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.০৭.২৬ ১২:৪২
এদের বিচার হবে কি ? দেশে টাকা গুলি ফেরৎ আসবে কি ?

M.R KARIM

M.R KARIM

২০১২.০৭.২৬ ১২:৫৩
ডেসটিনিকে নিয়ে আমার বলার কিছু ছিল না, না গো ।

Md. S.K.Nasim

Md. S.K.Nasim

২০১২.০৭.২৬ ১২:৫৪
Mr. Rafiqul Amin present at night program " MLM GIJJASHA" at his so-called own channel Baishakhi TV. How funny with the country man ? Now sometimes looks him at Channel 24. This is a big gang who will destroy the poor people back bone as well as harmful for the country. Please band this type of subversive activities. Dudak has found a lot of corruption where the directors of Destiny is involved actively & passively.Now is the right time to stop it.

asraful alom

asraful alom

২০১২.০৭.২৬ ১২:৫৬
বিশেষ ভাবে অনুরোধ সরকারের কাছে এম এল এম কম্পানি গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য। করান এরা অনেক মানুষকে ফকির করে ছাড়ল । যার যত টাকা পড়ে আছে না পেলে হয়ত জীবন ধারন কঠিণ হয়ে পড়বে অনেক মানুষের। ডেসটিনির পর ইন্টারনেট ক্লিক এর কম্পানি গুলো এরকমই হয়রানীতে ফেলেছে। প্লিজ ব্যবস্থা নেন।

সুমন আহাদ

সুমন আহাদ

২০১২.০৭.২৬ ১২:৫৮
ট্রি প্লান্টেশনের কথা বলে যে টাকা নিয়েছে তা ফেরত দেয়া হোক ।

মঈন উদ্দিন

মঈন উদ্দিন

২০১২.০৭.২৬ ১৩:০০
আমার তো এটা বোধগম্য নয় যে, এখনো ডেস্টিনির বাটপাররা দিব্যি ঘুড়ে বেরাচ্ছে !! অবিলম্বে এসব বাটপারদের গ্রেফতার করে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া উচিৎ ।

A. R. M. Shamsur Rahman

A. R. M. Shamsur Rahman

২০১২.০৭.২৬ ১৩:০৯
ধাপ্পাবাজী কি সব সময় ফলপ্রসু হয়?

Md. S.K.Nasim

Md. S.K.Nasim

২০১২.০৭.২৬ ১৪:০৩
Now public demand to return back their money which have taken in favor of Multipurpose cooperative society & Tree plantation. For the sake of mass public interest hoping government should do this smoothly.

M.A. Jibon khan

M.A. Jibon khan

২০১২.০৭.২৬ ১৪:২৪
ডেসটিনির গ্রাহকেদর স্বার্থ রক্ষার জন্য কিছু হৃদয়বান পত্রিকা এবং ব্যাক্তিরা এত বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন গত ৩ মাস যাবত ! কিন্তু ডেসটিনির প্রকৃত গ্রাহকদের পক্ষথেকে ডেসটিনির বিপক্ষে কোন স্লোগান দিতে দেখছিনা বিষয় টা রহস্যময়।

Tuhin

Tuhin

২০১২.০৭.২৬ ১৪:৩১
রফিকুল আমীন, মোহাম্মদ হোসেন, মোহাম্মদ গোফরানুল হক, সাইদ উর রহমান, মেজবাহউদ্দিন স্বপন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ, ফারাহ দীবা, জামসেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়ুবুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক দিদারুল আলম, সম্পাদক জাকির হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আজাদ রহমান, কোষাধ্যক্ষ আকবর হোসেন, সদস্য আবুল কালাম আজাদ, শিরীন আক্তার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মুজিবুর রহমান, সুমন আলী খান ও সাইদুল ইসলাম খান।

এরা সবাই দেশপ্রেমিক, দেশের সম্মান রাখতে এরা কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন !! এটা একমাত্র আওয়ামী লীগ আমলেই সম্ভব। আমাদের সেই সাহস আছে!

SR Taufiq

SR Taufiq

২০১২.০৭.২৬ ১৪:৩৪
এ ভাবেই সাধারন মানুষের টাকা লুটে সমাজে কিছু মানুষ প্রতিষিঠত হয়।

Ratan Adhikary Ratul

Ratan Adhikary Ratul

২০১২.০৭.২৬ ১৪:৩৯
আমি দেখে অবাক হই যে, এখন ও এই প্রতিষ্ঠানটি training প্রোগ্রাম এর নামে প্রতিদিন গ্রাহক এর নিকট থেকে হাজার হাজার টাকা তুলে নিছে ।এই টাকা কোন হিসাবে জমা হয়। আমার পরিচিত যত লোক ডেসটিনি করে তাদের কাওকেই সফল হইতে দেখিনি । এক বন্ধু ভারসিটির গুরুত্বপূর্ণ দুই বছর সময় নষ্ট করেছে ওই কোম্পানির পিছনে ছুটে । কিন্তু ফলাফল শুননো এমন করে হাজারো তরুণ এই অলীক স্বাপ্নের পিছনে ঘুরছে । যে স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থাকবে । এতদিন পরে সরকার এর টনক নড়েছে । দেখা যাক সরকার কি বাবস্থা নেয় ।

Mohiuddin Maswood

Mohiuddin Maswood

২০১২.০৭.২৬ ১৪:৪৩
এর সম্পূর্ণ দায় অর্থমন্ত্রক এবং সরকারের প্রত্যেটি সংশ্লিষ্ট বিভাগ মন্ত্রনালয়। এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকও তার দায় এড়াতে পারবে না। সেই সময় দেশের প্রায় প্রতিটি মানুষই নিশ্চিত ছিলেন এই চোরেরা টাকা সরাবেই, কিন্তু সবকিছু জানার পরেও সরকারি মহলের ঘুম ভাঙাতে পারেনি কেই। সুতরাং এখন আমরা বলতেই পারি ডেসটিনিরা আবুল হোসেনের মতোই দেশপ্রেমিক। ওখানে অবশ্য একজন বীর বিক্রম আছেন। এবার বীর বিক্রমে সাধারণ মানূষের অর্থ পাচার হয়ে গেল। অসাধারণ বীরত্ব বটে।

Akhteruzzaman Kujan

Akhteruzzaman Kujan

২০১২.০৭.২৬ ১৫:২৫
এখান থেকে সরকার কত পেয়েছে ?

S.M. Alamin Hossain

S.M. Alamin Hossain

২০১২.০৭.২৬ ১৫:৩৪
Govt of Bangladesh and other related peoples are still sleeping and will be so on. From whom we would ask some true action regarding that??? Helpless Nation....
২০১২.০৭.২৬ ১৬:০৮
অপরাধ তা যত গুরুতরই হোক না কেন, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ বিশ্বের সকল আইনেই আছে বলে আমি আমার ক্ষুদ্রজ্ঞানে জানি (ভুল হলে সংশোধন করে দেবেন)। কিন্তু একমাত্র ডেসটিনির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয় বলে মনে হচ্ছে। কারণ, এরা কিছু বললেই " চোরের মায়ের বড় গলা"। আপনারা তো সমাজের সচেতন মানুষ...

mahmud hasan

mahmud hasan

২০১২.০৭.২৬ ১৬:১৮
কোন কিছুর সম্পর্কে ভাল ভাবে না জেনে মন্তব্য করা টি নয়। আমার মনে হয় ডেসটিনি সম্পর্কে আমরা ভালভাবে জেনে তার পর মন্তব্য করি। অন্যের কথায় বিশ্বাস করে মন্তব্য করা টিক নয়। তার দেয়া তথ্য ভূলও হতে পারে।

MD. EHSAN TAHMID KHAN

MD. EHSAN TAHMID KHAN

২০১২.০৭.২৬ ১৬:২২
কথার চোটে পাশে দাড়ানো যায় না ! আজকে এই খবরে ডেসটিনির পক্ষে কার কথা নেই কেন ??

Aurko

Aurko

২০১২.০৭.২৬ ১৭:২৬
ডেসটিনি শুধু ট্রি প্ল্যান্টেশন আর মাল্টিপারপাসের শেয়ার বিক্রি করেই তো আর এতো টাকা কামাই নি। এছাড়াও বিল্ডিং প্যাকেজ, ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল প্যাকেজ, আর তথাকথিত পিভি বা পয়েন্ট কার্ড বিক্রি করে প্রচুর টাকা কামাইছে। অথচ আজ পর্যন্ত কোন ইন্ডাস্ট্রি বা ডেসটিনি টাওয়ার দাঁড় করাতে পারেনি বা ইচ্ছাও করেনি। কিছুদিন আগে জানলাম আবাসিক প্রকল্প বা রিয়েল এস্টেট নামে আবারও একটি বিনিয়োগ প্রকল্প শুরু করছে ডেসটিনি। না জানি আরও কতো কোটি টাকা এবার সংগ্রহ করবে ডেসটিনি!!! এছাড়াও ডেসটিনি ডোরা, আরডিসি ইত্যাদি প্রকল্পের নামে অবুঝ কর্মীদের কাছ থেকে আরও কয়েক কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। ডেসটিনির ভিতর এতো অস্বাভাবিক পরিমাণ শাখা প্রশাখা রয়েছে যে সত্যিই কোন সাধারণ মানুষ বা কোন সংস্থার পক্ষে এগুলো বোঝা বা জানা প্রায় অসম্ভব। এগুলো ব্যতিত ডেসটিনির তথাকথিত পিএসডি বা ডায়মন্ড গণ সাধারণ মানুষের মাঝে তাদের ইমেজ ব্যবহার করে অনেক অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে যার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আমার কাছে আছে। আমরা সাধারণ জনগণ আশা করি যে ডেসটিনির এইসব বিভ্রান্তিমূলক প্রকল্প বা সিস্টেমের প্রকৃত চেহারা উদঘাটনে সরকার ও অন্যান্য মিডিয়া যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন।

Golam Nabi Khan

Golam Nabi Khan

২০১২.০৭.২৬ ১৮:০৮
সামনের বছর আবুলকে একুশে পদক দেয়া হোক.....!!!!!

A. M RANA

A. M RANA

২০১২.০৭.২৬ ২৩:০৪
I hope that our govt. will take action against them.