শিরোনাম:

এইচএসবিসি নিয়ে মার্কিন সিনেট কমিটির প্রতিবেদন

ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএলের মাধ্যমে জঙ্গি অর্থায়ন!

মো. ফারুক হোসেন | তারিখ: ১৮-০৭-২০১২

  • ৩২ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

অর্থের অবৈধ লেনদেন ও সন্ত্রাসবাদে অর্থের জোগানে সহযোগিতা দেওয়ার মতো অপরাধের সঙ্গে বাংলাদেশের দুটি ব্যাংকের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্যাংক দুটি হলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ও সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল)। অপরাধমূলক এ ধরনের কাজে তাদের সহযোগিতা করেছে অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক ব্যাংক হংকং সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন বা এইচএসবিসি। এই ব্যাংকের দুর্বল নিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাংক দুটি এ কাজ করতে পেরেছে বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র।
মেক্সিকোর মাদক ব্যবসার অবৈধ অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থবাজারে প্রবেশের ঘটনা অনুসন্ধানে গঠিত মার্কিন সিনেটের একটি উপকমিটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত সোমবার প্রতিবেদন দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটে এ প্রতিবেদন নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা ছিল।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের আল রাজি ব্যাংক, বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংক ও সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে অবৈধ লেনদেন পরিচালনার পথ করে দিয়েছে এইচএসবিসি। এইচএসবিসির যুক্তরাষ্ট্র শাখা (এইচবিইউএস) এ ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করেছে। সৌদি আরব ও বাংলাদেশের এ তিনটি ব্যাংকের সঙ্গে আল-কায়েদাসহ অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীর সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সন্দেহের তালিকাভুক্ত এ ধরনের কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে বিধিনিষেধ থাকলেও এইচএসবিসির যুক্তরাষ্ট্র শাখা তা মানেনি।
মার্কিন সিনেট উপকমিটির প্রতিবেদনমতে, এইচএসবিসি ব্যাংকে হিসাব খোলার জন্য বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংক প্রথম আবেদন করে ২০০০ সালে। এখন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এইচএসবিসির ২৪টি শাখায় ইসলামী ব্যাংকের হিসাব আছে। এইচএসবিসির যুক্তরাষ্ট্র শাখায় ইসলামী ব্যাংক মার্কিন ডলারের হিসাব খোলে ২০০০ সালে এবং ভারত ও পাকিস্তানে এইচএসবিসির শাখায় মার্কিন ডলারের ক্লিয়ারিং হিসাব খোলা হয় ২০০৬ সালে। এরপর ২০০৭ সালে এইচএসবিসি যুক্তরাষ্ট্রের (এইচবিইউএস) সিঙ্গাপুর শাখা বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংককে সরাসরি মার্কিন ডলার, ডলারের ট্রাভেলার চেক ও পে-অর্ডার সরবরাহের জন্য একটি হিসাব খোলার অনুমতি চায়।
ইসলামী ব্যাংকের জন্য এই হিসাব খোলার অনুমতি চাওয়ার পরপরই অর্থের অবৈধ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রশ্ন ওঠে। প্রতিবেদনে এর ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এ প্রশ্ন শুধু এই জন্য নয় যে, বিশ্বের অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশের একটি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক এবং এখানে অর্থ পাচারের বড় ধরনের ঝুঁকি আছে। বরং এই জন্য যে, এই ইসলামী ব্যাংকের ৩৭ শতাংশ মালিকানা আছে সৌদি আরবের আল রাজি ব্যাংকের হাতে। সৌদি এই ব্যাংকটি অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরও ২০০৭ সালের শেষের দিকে ইসলামী ব্যাংকের জন্য ওই হিসাব খোলার অনুমতি দেয় এইচএসবিসি।
মার্কিন সিনেট কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এসব ঘটনার প্রায় এক বছর আগে এইচএসবিসির আর্থিক গোয়েন্দা গ্রুপের (এফআইজি) প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সন্ত্রাসী বোমা হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবির প্রধান শায়খ আবদুর রহমান এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড বাংলা ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকে একটি হিসাব আছে আবদুর রহমানের।
এফআইজির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংকের দুটি শাখা ‘সন্দেহজনক লেনদেন’ করছে বলে জানতে পেরেছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ জন্য ২০ জন কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসলামী ব্যাংককে নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামী ব্যাংক পাঁচজন কর্মীকে বরখাস্ত এবং অপর ১৫ কর্মীকে সতর্ক করে দেয়। এ ছাড়া জঙ্গি কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের দায়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংককে জরিমানা করেছে বলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের খবর থেকে জানা গেছে। উল্লেখ্য, প্রথম আলোতে এ-সংক্রান্ত একাধিক প্রতিবেদন সে সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
মার্কিন সিনেট উপকমিটির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ আছে, বাংলাদেশের আরেকটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের মতো কর্মকাণ্ডের তথ্য আছে। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক (শুরুতে এই ব্যাংকের নাম ছিল সোস্যাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক) নামের এই ব্যাংকের সঙ্গে সৌদিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল রিলিফ অর্গানাইজেশনের (আইআইআরও) অংশীদারির সম্পর্ক আছে। আইআইআরওর দুটি শাখা এবং তাদের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের অভিযোগ আছে। আইআইআরও মার্কিন তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান, যাদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে মার্কিন নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে।
এইচএসবিসির ২০০৯ সালের এফআইজি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক—এ দুই ব্যাংকেই আইআইআরওর হিসাব ছিল। তবে ২০০৮ সালে স্থানীয় একটি পত্রিকার খবরে জানানো হয়, ২০০৬ সালে মার্কিন প্রশাসনের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে আইআইআরওর হিসাব জব্দ করে ইসলামী ব্যাংক। তবে কবে ওই হিসাব খোলা হয়েছিল এবং জব্দ করা ছাড়া আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কি না এবং ওই সব হিসাবে ঠিক কী পরিমাণ অর্থ ছিল, তা এফআইজির প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
মার্কিন সিনেটের উপকমিটিকে ইসলামী ব্যাংক নিশ্চিত করেছে, তাদের ব্যাংকে আইআইআরওর দুটি হিসাব ছিল এবং তা খোলা হয় ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে। তবে ২০০৬ সালে আইআইআরওকে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করার পর ইসলামী ব্যাংক ওই হিসাব দুটি জব্দ করে এবং তা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবহিত করে। ইসলামী ব্যাংকের বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১০ সালে তারা ওই জব্দ করা হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করে।
এফআইজির ২০০৩ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ২০০২ সালে হতাহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে করা মামলায় অভিযুক্তের তালিকায় আইআইআরওর নাম আছে। এ ছাড়া ১৯৯৮ সালে আফ্রিকার দুটি দেশে মার্কিন দূতাবাসে বোমা হামলার ঘটনায় আইআইআরও মূল অভিযুক্ত। ১৯৯৩ সালে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে বোমা হামলার ঘটনায় অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগও আছে তাদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া ১৯৯০-এর দশকে ফিলিপাইনে আইআইআরওর শাখার প্রধান ছিলেন আল-কায়েদার প্রয়াত নেতা ওসামা বিন লাদেনের বোনের স্বামী মোহাম্মাদ জামাল খলিফা। ফিলিপাইন সরকার আইআইআরওর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনেছে।
আহমেদ আকবর সোবহান প্রসঙ্গ: সিনেট উপকমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন আহমেদ আকবর সোবহান। তিনি শাহ আলম নামে পরিচিত। প্রাথমিকভাবে এই ব্যাংকে শাহ আলম এবং তাঁর ছেলের শেয়ার ছিল ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ২০০৬ সাল থেকে শাহ আলম এবং তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, জালিয়াতি, কর ফাঁকিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা শুরু হয়। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শাহ আলম এবং তাঁর ছেলে ২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যে পালিয়ে যান। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তাঁর আট বছরের কারাদণ্ড হয়।
মার্কিন সিনেট কমিটির প্রতিবেদনে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত লাজনাত আল-বির ইসলামিয়া নামের সংস্থাটির কার্যালয় আছে সৌদি আরব ও পাকিস্তানে। মার্কিন সরকার মনে করে, এই সংস্থা গঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল সৌদি আরব থেকে তহবিল সংগ্রহ করে মুজাহিদদের দেওয়া এবং আফগানিস্তানে লড়াই করা। সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আছে এই সংস্থার বিরুদ্ধে। এক দশক ধরে দাতাদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে গোপনে আল-কায়েদাকে আর্থিক ও রসদ সহায়তার দায়ে ২০০২ সালে অভিযুক্ত হন সংস্থাটির পরিচালক এনাম আরনাউত। এই প্রতিষ্ঠানও সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের অংশীদার।
সিনেট উপকমিটির প্রতিবেদনে সবশেষে বলা হয়, দীর্ঘ চিঠি চালাচালি শেষে চলতি বছরের মে মাসে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছেদ করে এইচএসবিসি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Md. Farid

Md. Farid

২০১২.০৭.১৮ ০১:০৯
Brand new Propaganda Against Bangladeshi Banking sector.USA! only because of Dr Younus They canceled Padma bridge loan,Human right watch is shouting to us to close RAB,US ambassador Majina saying they wont buy Bangladeshi product....last of all Conspiracy with Islami Bank.They are portraying our peaceful religion as a terrorist religion.All the pious Muslims should be always beware of this kind of propaganda
২০১২.০৭.১৮ ০৬:৫১
মওদুদীর বস্তা পচাঁ মতবাদের একনিষ্ট পৃষ্ঠপোষক এবং রাজাকারদের দ্বারা পরিচালিত এই ব্যাংক । এদের কাছ থেকে সততা আশা করা যায়না।
২০১২.০৭.১৮ ০৭:৪৬
Bangladesh bank should perform their proper duties to eradicate the unfairness of other banks.

২০১২.০৭.১৮ ০৯:২২
Be careful, RUBBISH COMMENTS CAN REMOVE ISLAMI BANK'S MONEY FROM PADHMA BRIDGE PROJECT.

Eyaqub

Eyaqub

২০১২.০৭.১৮ ০৯:২৯
মুসলিম আর terrorist একই , এই ধরনাটিই আমেরিকা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু আমরা এখনও আমরা বানানো report
নিয়ে হইচই করি!

Zahirul Alam

Zahirul Alam

২০১২.০৭.১৮ ০৯:৪০
ধর্মকে ভিত্তি করে যে সব প্রতিষ্ঠান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছে তার প্রতিটিই দূর্নীতিগ্রস্থ ও প্রতারক। তাদের ভিত্তিই হলো সাধারণ মানুষের ধর্মানুভূতি পুঁজি করে ব্যবসা করবে। সরকারের উচিত এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন না দেওয়া এবং বর্তমানে যে কয়টি আছে সেগুলোকে কঠোর নজরদারীতে রাখা।

Babul Chandra 74

Babul Chandra 74

২০১২.০৭.১৮ ০৯:৪৭
ব্যাংকিং ব্যবসার সাথে ইসলাম নামটি জুড়ে তাহারা কায়দায় ফায়দা লুটছে ! এরা ব্যবসায়ি এটাই এদের পরিচয় । @ Md. Abdullahel Farid২০১২.০৭.১৮ ০১:০৯ আপনি মুসলমানদের সাথে ব্যবসায়িদের জরাতে চাইছেন কোন যুক্তিতে ? ইসলাম মানেই শান্তি আর ব্যবসায়িরা যা করছে তাহা অশান্তি ! তারা ইসলামের নাম ভাংগিয়ে চলছে ।

Md.Radowan

Md.Radowan

২০১২.০৭.১৮ ০৯:৫২
USA find problem...Afganistan, Pakistan, Iran, Sadia Arabia,..now see Bangladesh!

Mahbub Manik(Chourhash,Kushtia)

Mahbub Manik(Chourhash,Kushtia)

২০১২.০৭.১৮ ১০:০০
বাংলাদেশের অর্থনিতি অনেকটাই ইসলামী ব্যাংক এর অস্তিত্বের উপর নির্ভরশীল, গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনিতি ধ্বংসের চক্রান্ত করা হচ্ছে। সাবধান

Hossain Joki

Hossain Joki

২০১২.০৭.১৮ ১০:০১
@Md. Abdullahel Farid: Thank you very much. 100% agreed.

Mahbub Manik(Chourhash,Kushtia)

Mahbub Manik(Chourhash,Kushtia)

২০১২.০৭.১৮ ১০:০৪
বাংলাদেশের অর্থনিতি অনেকটাই ইসলামী ব্যাংক এর অস্তিত্বের উপর নির্ভরশীল, গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনিতি ধ্বংসের চক্রান্ত করা হচ্ছে। সাবধান

k.m imam hossain

k.m imam hossain

২০১২.০৭.১৮ ১০:২১
সরকারের উিচত ইসলামী ব্যাংক বন্ধ করা

saky

saky

২০১২.০৭.১৮ ১০:২১
এটা একটা ষড়যন্ত।
২০১২.০৭.১৮ ১০:৫২
যুক্তরাষ্ট্রের এসব ফালতু চিন্তায় কান দিলে পৃথিবীর মানুষ সমস্যা-ই পড়বে।

Monir Chowdhury

Monir Chowdhury

২০১২.০৭.১৮ ১০:৫৩
যুক্তরাষ্ট্রের এসব ফালতু চিন্তায় কান দিলে পৃথিবীর মানুষ সমস্যা-ই পড়বে।

mithun

mithun

২০১২.০৭.১৮ ১১:০৬
No Bangladeshi Bank can do terrorism operation.

Abul Hasan

Abul Hasan

২০১২.০৭.১৮ ১১:১৩
মার্কিন সিনেটের প্রতিবেদন অতএব ভুল হবার কোনো কারণ নেই । ব্যাঙ্ক দুটির বিরুদ্ধে আনীত প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই পূর্বক আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বাঞ্চনীয় |
২০১২.০৭.১৮ ১১:১৭
অন্যসব মিডিয়াতে এইস. এস.বিসির নাম প্রথমে দিয়ে শিরোনাম করলেও প্রথম আলো করেনি।

Md Chowdhury Murad

Md Chowdhury Murad

২০১২.০৭.১৮ ১১:২৪
To Goverment,Kindly strongly attention on this issue and do properly investigate.save our counrty from JONGI activity.
২০১২.০৭.১৮ ১১:৪১
@ Mahbub Manik(Chourhash,Kushtia)
. . . Fun of the year.

Partho Das

Partho Das

২০১২.০৭.১৮ ১২:১০
আমাদের দেশ একটি ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ । তাই যে কোন ধরণের প্রতিষ্ঠানে চাকুরী পাওয়া সব ধর্মের লোকের মৌলিক অধিকার। তাই আমি আশা করি কতৃপক্ষ যেন বিষয়টি নজর দেয়।

Rohul Amin Sarkar Faisal

Rohul Amin Sarkar Faisal

২০১২.০৭.১৮ ১২:৫০
ইরাক, আফগানের পর এবার বাংলাদেশের পালা !
২০১২.০৭.১৮ ১৩:৩৬
Do not trust whatever us senate says.

Mahbub Manik(Chourhash,Kushtia)

Mahbub Manik(Chourhash,Kushtia)

২০১২.০৭.১৮ ১৪:০১
২০১২.০৭.১৮ ১১:৪১
ভাই লুকিয়ে কথা বলেন কেন? বর্তমানে অপ্রিয় সত্য কথা কৌতুকের মতোই মনে হয়।
২০১২.০৭.১৮ ১৪:০৮
আ মে রি কা র এ ই অ ভি যো গ হা স্য কর ।

himel masud

himel masud

২০১২.০৭.১৮ ১৪:২৪
অর্থায়ন না অর্থ লেনদেন ? কোনটি তা পরিষ্কার হওয়া উচিৎ। দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ব্যাপারে কোন প্রশ্ন হবে না।

SHOVON

SHOVON

২০১২.০৭.১৮ ১৪:৫২
NO DOUBT, IT IS AMERICAN CONSPIRACY , ISLAMI BANK IS NOT ONLY A BANK BUT ALSO A LEADING COMMERCIAL BANK OF BANGLADESH WHICH RECEAVING ALMOST 30% FOREIGNREMITTANCE OF THE COUNTRY.ECONOMY OF BANGLADESH IS HIGHLY DEPENDENT ON IT.SO NO ILLIGAL ALIGATION AGAINST IT.

Abu Saleh

Abu Saleh

২০১২.০৭.১৮ ১৪:৫৮
মার্কিন সিনেটের প্রতিবেদন অতএব ভুল হবার কোনো কারণ নেই । ব্যাঙ্ক দুটির বিরুদ্ধে আনীত প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই পূর্বক আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বাঞ্চনীয় |
Abul Hasan
২০১২.০৭.১৮ ১১:১৩
ভাইজান আপনার সাথে আমি একমত হতে পারলাম না। আমার একটা প্রশ্নঃ মার্কিন সিনেটর উনার প্রতিবেদন ভুল না হবার কারণ যদি একটু বলতেন খুশি হতাম। আর আমাদের পদ্মা সেতু নিয়া বিশ্ব ব্যাংকের যে প্রতিবেদন তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্ণগোচর হচ্ছেনা আমার বুঝে আসছে না।

Sahed

Sahed

২০১২.০৭.১৮ ১৫:১২
অন্যসব মিডিয়াতে HSBC নাম প্রথমে দিয়ে শিরোনাম করলেও প্রথম আলো করেনি।

Abir Babu

Abir Babu

২০১২.০৭.১৮ ১৫:৫৩
@ Babul Chandra 74: আপনি ইসলাম সম্পর্কে কতটুকু জানেন তা জানি না......... জেনে রাখুন ইসলাম সুদকে করেছে হারাম এবং ব্যবসাকে করেছে হালাল।

২০১২.০৭.১৮ ১৬:০১
আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমে এসেছে মেক্সিকোর ড্রাগ কার্টেলের মানি লন্ডারিং কেসে HSBC প্রধানকে মার্কিন কংগ্রেস তলব করেছে, আর প্রথম আলো হেডিং করেছে ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএলের মাধ্যমে জঙ্গি অর্থায়ন!

Ronju Khan

Ronju Khan

২০১২.০৭.১৮ ১৬:৩৫
যারা সুদকে মুনাফা বলে চালায়ে দেয় তাদের থেকে..... আর কে আছে।