শিরোনাম:

বুয়েট সংকট: উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতিকে বাদ দিয়ে আজ বৈঠক ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দিকে সবাই তাকিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৬-০৭-২০১২

  • ৩৭ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

বুয়েট সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলোচনার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু বুয়েট শিক্ষক সমিতি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, উপাচার্যের সঙ্গে শিক্ষকেরা আলোচনা করবেন না। আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই প্রতিপক্ষ উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতিকে বাদ দিয়ে সভা ডেকেছে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, দুজন সাবেক উপাচার্য ও স্বনামধন্য কয়েকজন শিক্ষককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আন্দোলনকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানিয়েছেন, এ দুই ব্যক্তির অপসারণ ছাড়া আন্দোলন থামবে না। এ দাবিতে তাঁরা রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. জিল্লুর রহমানের কাছে গতকাল রোববার স্মারকলিপি দিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল প্রথম আলোকে বলেছেন, আলোচনা ছাড়া সরকারের হাতে আর কোনো শক্তি নেই। এর মাধ্যমে সংকট নিরসন হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষক সমিতির নেতাদের ডাকা হচ্ছে না কেন—জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘তাঁদের সঙ্গে আগেও কথা হয়েছে। তা ছাড়া একবার তাঁরা সময় দিয়ে বৈঠকে আসেননি। যেহেতু তাঁরা আসবেন না, তাই দাওয়াত করে শিক্ষকদের বিব্রত করতে চাই না।’
তবে বুয়েট পরিবারের সদস্যদের প্রায় সবাই সংকট নিরসনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দিকে চেয়ে আছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী গতকাল জানান, পরিস্থিতি যে রূপ ধারণ করেছে, তাতে সাধারণ আলোচনায় সংকট নিরসন হবে না।
বুয়েট প্রশাসনের পক্ষ নিয়ে কিছু শিক্ষক, ছাত্রলীগ-সমর্থক শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ মাঠে নামায় আন্দোলনকারীরা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তাঁরা অভিযোগ করেছেন, আন্দোলন থেকে বিরত থাকতে তাঁদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যের বিরুদ্ধে ১৬টি অনিয়মের অভিযোগ তুলে কয়েক মাস ধরেই বুয়েটের শিক্ষক সমিতি আন্দোলন করছে। যদিও উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য দুজনই তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও বুয়েটের শিক্ষক ম. তামিম বলেন, ‘এখন আর অভিযোগ প্রমাণ হওয়া বা না হওয়ার বিষয় নেই। যেখানে প্রায় ৯৫ ভাগ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী অনাস্থা দেখিয়েছেন, সেখানে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যের জন্য সম্মানজনক হলো, নিজ থেকেই পদত্যাগ করে চলে যাওয়া।’
গত ৭ এপ্রিল থেকে শিক্ষক সমিতি কর্মবিরতি শুরু করে। লাগাতার ২৮ দিন কর্মবিরতির পর ৪ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকেরা ৫ মে থেকে আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। গত ৯ জুন সমিতির সভায় ৩০ জুনের মধ্যে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এর মধ্যে তাঁরা পদত্যাগ না করায় ৭ জুলাই থেকে প্রতীকী কর্মবিরতি চলতে থাকে। ১৪ জুলাই থেকে তাঁরা লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা দেন।
এরই মধ্যে ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আকস্মিকভাবে ১১ জুলাই থেকে ৪৪ দিনের জন্য বুয়েট বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর শিক্ষক সমিতি পদত্যাগ শব্দটি বাদ দিয়ে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। ১১ জুলাই থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে তাঁরা লাগাতার অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গতকাল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যানারে রাষ্ট্রপতির বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়। বেলা ১১টার কিছু পর অবস্থান ধর্মঘটস্থল থেকে বিশাল মিছিল বের হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে দিয়ে মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠের কাছে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। সেখানে হাত তুলে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী আন্দোলন অব্যাহত রাখার শপথ করেন।
পরে শিক্ষক সমিতির সভাপতি মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে গিয়ে স্মারকলিপি দিয়ে আসে।
আশরাফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদের কাছে তাঁরা স্মারকলিপি দিয়ে আসেন। পরে আন্দোলনকারীরা আবার বুয়েটের প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন।
বুয়েটের অধ্যাপক সারোয়ার জাহান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখন দায়িত্ব সরকারের ঘাড়ে। আশা করি, আন্দোলনের বিষয়টি অনুধাবন করে সরকার উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যকে বিদায় করবে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নামকরা শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এখন ‘পয়েন্ট অব নো রিটার্নে’ চলে গেছেন, সেখানে এই দুজনের বিদায় ছাড়া সমস্যার সমাধান হবে না।
তবে উপাচার্য নজরুল ইসলাম ও সহ-উপাচার্য হাবিবুর রহমান দুজনই পৃথকভাবে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা পদত্যাগ করবেন না। উপাচার্য বলেন, ‘নিজ থেকে কেন পদত্যাগ করব? আমি কোনো অন্যায় বা অনিয়ম করিনি। তবে রাষ্ট্রপতি যা সিদ্ধান্ত দেবেন, তা মেনে নেব।’
সহ-উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষক হিসেবে কোনো অনৈতিক দাবির কাছে মাথা নত করব না।’
এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য বলেন, সাংঘর্ষিক অবস্থা এড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
একাধিক শিক্ষক গতকালও বলেন, প্রথমে তাঁদের অভিযোগ ছিল সহ-উপাচার্যকে নিয়ে। বুয়েটের ঐতিহ্য হলো, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া। কিন্তু সহ-উপাচার্য হাবিবুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয় ৫৯ জনকে ডিঙিয়ে। নিয়োগ পাওয়ার পর সহ-উপাচার্য নানাভাবে দলীয়করণ শুরু করেন। তাঁকে নিয়োগ না দিলে এবং দাবির মুখে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি এত দূর গড়াত না। পরবর্তী সময়ে দেখা গেল, যাঁর নিয়োগ শিক্ষকেরা মেনে নেননি, তিনিই নেপথ্যে থেকে মূলত বিশ্ববিদ্যালয় চালাচ্ছেন।
শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ আতাউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বিবেকবান, কারও ভয়ে ভীত নই। যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার এই দুজনকে না সরাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে শিক্ষকেরা গণপদত্যাগ করবেন।’
আন্দোলনকারীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে (এই ভবনের দোতলায় উপাচার্যের কার্যালয়) কর্মসূচি পালন করছেন। এই অবস্থায় উপাচার্য গতকাল প্রশাসনিক ভবনের কার্যালয়ে যাননি। তিনি ক্যাম্পাসের ভেতরে নিজ বাসায় অফিসের কাজ করেছেন। জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, ‘এখানে বসেই আমি বেশি কাজ করি।’ তবে সহ-উপাচার্য অফিসেই কাজ করেছেন।
এদিকে প্রশাসনের পক্ষ নিয়ে কয়েকজন শিক্ষক এবং কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থী গত শনিবার থেকে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যের পক্ষ নিয়ে কর্মসূচি পালন করছেন। বুয়েট শিক্ষক-ছাত্র-কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য ফোরামের ব্যানারে গতকাল বিকেলে বুয়েট ক্যাফেটেরিয়ার সামনে সমাবেশ ও পরে মৌন মিছিল করেন তাঁরা। উপাচার্য সমর্থকদের এই কর্মসূচির পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছেন ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মী। গতকাল বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতাকেও দেখা গেছে। উল্লেখ্য, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কমিটি নেই।
কয়েকজন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানান, আন্দোলনে যোগ না দেওয়ার জন্য শনিবার থেকে তাঁদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অনেকের বাসায় গিয়ে কিংবা মুঠোফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, ক্যাম্পাসে অবস্থান করে লাগাতার কর্মসূচি পালন করায় নানা অপপ্রচারও চালানো হচ্ছে। তবে তাঁরা বলছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা কর্মসূচি থেকে ফিরে যাবেন না। হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষকেরা চালকদের ভয় দেখিয়ে গাড়ি চালাতে বলেছেন। হুমকি তো তাঁরাই দিচ্ছেন।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১২.০৭.১৬ ০৩:৩২
শুধু এ দুজনের দিকে তাকিয়ে না থেকে বিকল্প চিন্তা ভাবনার ও প্রয়োজন আছে বৈকি !

Buddizibi

Buddizibi

২০১২.০৭.১৬ ০৪:৩৯
আরও কত কোটি অনিয়ম যে হবে !!! এইবার দেশ টিকবে তো????????

Masum Alam

Masum Alam

২০১২.০৭.১৬ ০৫:০৬
মাননিয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, একে একে সবইতো ধ্বংস হয়ে যাচ্চে। দয়া করে দেশের সবচেয়ে সুনাম ধন্য বিদ্যাপিঠটিকে বাচান। সব জায়গায় রাজনিতি মানায়না। একঘুয়েমি ছেড়ে সরকারকে দলিয় বিবেচনার বাহিরে বেরিয়ে আসতে হবে। মনে রাখতে হবে শেষ চেষ্টআ করেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে ক্ষমতায় রাখা যায়নি।

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৭.১৬ ০৫:৩২
দলীয়করণের বিষময় ফল।

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৭.১৬ ০৫:৪৫
আন্দোলনকারীদের অভিযোগের মধ্যে দু'টো তো ১০০ % প্রমানিত, আর তা হ'ল- (এক) ৫৯ জন সিনিয়র শিক্ষককে ডিঙিয়ে উপ-উপাচার্যকে ঐ পদে বসানো হয়েছে, আর (দুই) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মধ্যে একটা, অর্থাত্‌ ফেল করা দুজন ছাত্রলীগ কর্মীকে ঘষামাজা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাশ করানো হয়েছে, এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তে প্রমানিত হয়েছে।

Tanvir

Tanvir

২০১২.০৭.১৬ ০৬:৩১
In any civilized country, these two characters (VC and Por-VC) would have resigned by now. They have no shame, majority of the faculty and students want them gone and they are waiting for PM and Presedent's verdict. Why? How would they run the institution if the govt. keeps them there? They lost the credibility as the PM and President did to run our country and it really does not matter what Hasina and Zillur say on this matter. The people do not like stupids.

Arifur Rahman

Arifur Rahman

২০১২.০৭.১৬ ০৬:৪০
Why is these two person are so shameless???

Abul Hasan

Abul Hasan

২০১২.০৭.১৬ ০৬:৫৫
মাছের পচন শুরু মাথা থেকে আর দেশের বা জাতির পচন শুরু হয় শিক্ষাবিদ বা বুদ্ধিজীবি নষ্ট হলে | রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীকে সব সমস্যার সমাধান করতে হলে এতবড়ো প্রশাসনিক চানেল এর দরকার কি ?

Ashik Imran

Ashik Imran

২০১২.০৭.১৬ ০৭:০৪
I was a student of DMC, I support the Buetians in this case........ we should have done similar type pf protests on various occassions..... Ours is a democratic country, and doing a protest is not only the right of the political parties...... it can also be done by the general people against corrupted authority ...

nadimul karim

nadimul karim

২০১২.০৭.১৬ ০৭:৩৫
"মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল প্রথম আলোকে বলেছেন, আলোচনা ছাড়া সরকারের হাতে আর কোনো শক্তি নেই।""হা সরকারের হাতে আর কোনো শক্তি নেই, তা হলে খমতা সেরে দিন । অনন বেলায় ত থিকি সক্তি থাকে। জত সব অকরমা ,মিথ্যা বাদি কুথাকার। এক জনের জনন গুটা পরতিসথান ধনশের মুখে অথচ দেশের PM,president-এর কিসুই করার নেই । এটা নিতান্তই হাসসকর । আসলে আমাদের সরকার কি চা্য তাই বুঝা দা্য । তারা দেশের কন ভালটা করসে বা কন ভালটা করতে চা্য তাই জনগন জান্তে চা্য । এমসি কলেজ হসটেল পুরাল ছাতরলিগ অথচ আজ পরজন্ত কাউকে তারা গরেপত্যার করলনা । আসলে এর দা্য সরকার এরাতে পারেনা । পরখক ভাবে এসব সন্তরাসি করম কানডের ভার সরকার কেই নিতে হবে । আজ জডি শিবিরের কেউ কলেজ পুরাত তবে পুরআ জামাত-শিবিরকে আমরা নিশিদ্দ করতাম। কিন্তু এখন ছাতরলিগ কে কে নিশিদ্দ করবে ? হাসিনা সরকার আসলে সন্তরাসি কে লালন করে । ছাতরলিগ নামক আদরসহিন সংগথন কে পরসর্য় দে্য । এর দা্য সরকার কনভাবেই এরাতে পারেনা।

Shafiq  Bhuiyan

Shafiq Bhuiyan

২০১২.০৭.১৬ ০৭:৩৬
শিক্ষামন্ত্রী কিভাবে এরকম কথা বলেন বোঝা কঠিন আর সরকার বুয়েটের এই দুজনকে রক্ষার জন্য এত মরিয়া বোধগম্য নয়। এতে সরকারের ক্ষতই বেশী হচ্ছে।

MD. AL-AMIN

MD. AL-AMIN

২০১২.০৭.১৬ ০৭:৪০
Everything is possible if it is Bangladesh !!!!!! If someone kick out them than they will get out ....... Otherwise they will try to stay until ..... Last second of life.

Shihab

Shihab

২০১২.০৭.১৬ ০৮:১৩
কোন লাভ হবে বলে আমার মনে হয় না। খুব বড় জোর জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনরাবৃত্তি হতে পারে। সবাই নিশ্চয় খেয়াল করছেন জাহাঙ্গীর নগর আবারো অশান্ত। কেন? দেশের সব মানুষ বোকা নয়।

MD.SHAFIUL AZAM

MD.SHAFIUL AZAM

২০১২.০৭.১৬ ০৮:৫৩
দেশের সর্বচ বিদ্যা পাঠে যা শুরু হইছে তা দেখে তো অন্য বিশ্ববিদ্যালয় যেন আন্দোলন শুরু করে না দেই ।
২০১২.০৭.১৬ ০৮:৫৪
আমরা বুয়েট এর এই অস্থিতিশীল অবস্থা নিয়ে খুবই উদ্দিগ্ন। এই অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টির পিছনে স্বাধীনতা বিরোধীদের সরাসরি হাত রয়েছে ।আমি শিক্ষকদের কে বলব আপনারা অবিলম্বে ক্লাসে যোগ দিন। আপনারা জাতিকে ভুল বার্তা দিবেন না ।এতে করে জাতি হিসেবে আমরা লক্ষ থেকে বিচ্যুত হব ।

Akas

Akas

২০১২.০৭.১৬ ০৯:১৭
সরকার এদের দু'জনকে রক্ষার জন্য এত মরিয়া কেন, সেটা আমারও প্রশ্ন?

Shamsunnahar Runu

Shamsunnahar Runu

২০১২.০৭.১৬ ০৯:৫১
অনার্স এবং মাস্টার্স দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করায় আমি বুয়েটের পড়াশুনার মানের সাথে অন্য শিক্ষা প্রতিঠানের মানের পার্থক্য বুঝতে পেরেছি । শিক্ষকেদর ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা দেয়ার আন্তরিকতার কোন ত্র“টি পাইনি, পাইনি শিক্ষকদের ভিতরে কোন গাম্ভীর্যময় অহমিকা । স্যারদের পেয়েছি খুবই বন্ধুসুলভ এবং সহজ সরল । তারা যে এ ধরনের একটি আন্দোলন করছে তাতে আমরা অনুমান করতে পারছি খুব রড় ধরনের কোন অনিয়ম হচেছ । আমি এই অন্দেলনে সমর্থন জানাচিছ । আশা করি দ্রুত এই সংকট কাটবে।

তন্ময়

তন্ময়

২০১২.০৭.১৬ ০৯:৫১
আজ যা হবে -
১। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগী শিক্ষকদের বলবেন পদত্যাগ পত্র প্রত্যাহার করুন।
২। স্যাররা বলবেন ভিসি-প্রো ভিসি না সরলে প্রত্যাহার করব না ।
তারপর মিডিয়াকে শিক্ষামন্ত্রী বলবেন আলোচনা শুরু হয়েছে । আলোচনার মাধ্যমেই এর সমাধান হবে।মাঝখানে ক্ষতিগ্রস্ত হব আমরা।যেখানে সবাই এই ২ জনের বিরুদ্ধে তাতে আলোচনা করে সময় নষ্ট করার কারণ কি ?

Mahbubul Hoque

Mahbubul Hoque

২০১২.০৭.১৬ ১০:০২
অফিসের বড় কর্মকর্তা জুনিয়র অফিসারকে বলছেনঃ কাজ ফেলে হা করে কোথায় তাকিয়ে আছেন?
জুনিয়র অফিসারঃ স্যার বঙ্গভবন আর গণভবনের দিকে।

অাকাশ চৌধুরী

অাকাশ চৌধুরী

২০১২.০৭.১৬ ১০:১৪
‘শিক্ষক হিসেবে কোনো অনৈতিক দাবির কাছে মাথা নত করব না।’- মাননীয় সহ-উপাচার্যের এ মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বলতে চাই, উপাচার্য কিংবা সহ-উপাচার্য পদে যখন কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়, তখন ব্যক্তিগত বা দলগত স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গীন কল্যাণের জন্য কাজ করাই একমাত্র নৈতিক দায়িত্ব হয়ে উঠে। যেখানে উপাচার্য এবং সহ-উপাচার্যের প্রতি প্রায় ৯৫ ভাগ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী অনাস্থা দেখিয়েছেন, সেখানে প্রশ্ন জাগে তারা তাদের পদে অাসীন থাকার জন্য যে নুন্যতম সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতাটুকু প্রয়োজন তা রাখেন কি না? বরংচ, তাদের একরৈখিক মনোভাব বুয়েটের অচলাবস্থা অারো দীর্ঘতর করছে। মাননীয় উপাচার্য এবং সহ-উপাচার্যের প্রতি সবিনয় অনুরোধ থাকলো, বৃহত্তর মঙ্গলের কথা চিন্তা করে তারা যেন সসম্মানে পদত্যাগ করে বুয়েটকে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নিয়ে যান।

তন্ময়

তন্ময়

২০১২.০৭.১৬ ১০:২৬
আজ যা হবে -
১। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগী শিক্ষকদের বলবেন পদত্যাগ পত্র প্রত্যাহার করুন।
২। স্যাররা বলবেন ভিসি-প্রো ভিসি না সরলে প্রত্যাহার করব না ।
তারপর মিডিয়াকে শিক্ষামন্ত্রী বলবেন আলোচনা শুরু হয়েছে । আলোচনার মাধ্যমেই এর সমাধান হবে।মাঝখানে ক্ষতিগ্রস্ত হব আমরা।যেখানে সবাই এই ২ জনের বিরুদ্ধে তাতে আলোচনা করে সময় নষ্ট করার কারণ কি ?
২০১২.০৭.১৬ ১০:৪৩
we should think what is happening . it is like virus . may spread. we want nice and strict solution. what is the link of students with vc and pro- vc. students should study to be wealth of the nation. teacher and student politics shld be banned for ever, there is no such incident in India. it,s shame for us. god save our honor .thnx

Md. Amranur Reza Khan

Md. Amranur Reza Khan

২০১২.০৭.১৬ ১১:০৭
Why Government wanna to hold this two teachers-------??????
Please leave us from your( Govt) ill politics----

Mokaddesur Rahman

Mokaddesur Rahman

২০১২.০৭.১৬ ১১:০৭
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দিকে সবাই তাকিয়ে আছেন! কেন? উনাদের চেহারা কি বেশি সুন্দর?

amjad khan

amjad khan

২০১২.০৭.১৬ ১১:০৯
যে লাউ, সে কদু। শিক্ষক, শিক্ষার্থী,শিক্ষার পরিবেশ যদি এই হয়,জাতীর লজ্জা রাখবো কোথায়?

Md Abdur Rahim

Md Abdur Rahim

২০১২.০৭.১৬ ১১:১০
জনাব আবুল হাসান সাহেবকে সাধুবাদ জানাই | সমস্যা থাকলে সমাধান আছে | শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করাই শ্রেয় |

Sultana

Sultana

২০১২.০৭.১৬ ১১:১৩
how it is possible to be so shameless??Please VC and ProVC resign plz plz.U were BUET student,BUET teacher.How you destroy our loving BUET?how? How u pamper those cadres?In BUET everything was so well ruled,u 2 people ruined a lot of things.Plz go now,plz.

সফিকুল ইসলাম সুমন

সফিকুল ইসলাম সুমন

২০১২.০৭.১৬ ১১:১৪
আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি দিলেন রাষ্ট্রপতিকে, উপাচার্য দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রীর সাথে-সংকট নিরসনে সবাই যখন রাষ্ট্রপতি আর প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে ঠিক সেই সময় শিক্ষামন্ত্রী বৈঠক ডেকেছেন দু-পক্ষকে বাদ দিয়ে, বিষয়টিকে সরকার খুব একটা গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে বলে মনে হয়না। তাছাড়া দুজন শিক্ষকের কারনে যখন দিনের পর দিন শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে তখন (আরো দলীয় শিক্ষক থাকতে) তাদেরকে বহাল রাখতে সরকার এত আন্তরিক কেন?

Nashid Qurishy

Nashid Qurishy

২০১২.০৭.১৬ ১১:১৫
""২০১২.০৭.১৬ ০৮:৫৪
আমরা বুয়েট এর এই অস্থিতিশীল অবস্থা নিয়ে খুবই উদ্দিগ্ন। এই অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টির পিছনে স্বাধীনতা বিরোধীদের সরাসরি হাত রয়েছে ।"""
I don't know who wrote this,but HA HA HA HA ...joke of the day!!!

উল্লাস জায়েদ

উল্লাস জায়েদ

২০১২.০৭.১৬ ১১:১৭
ভিকারুন্নিসার হোস্নে আরার জন্য যেভাবে সরকার মরিয়া ছিল, একি ভাবে গোপাল্গঞ্জের ভিসির জন্য মরিয়া হয়েছে। বুয়েটের ৯৫% শিক্ষক যেখানে পদত্যাগ চাচ্ছেন, সেখানে বুয়েটকে দেড়মাস ছুটি দিয়ে সমস্যা সমাধান করতে চাচ্ছেন কেন? সরকারের ভয় কিসে? এই ভিসি- প্রভিসি পালটে নুতুন কাউকে দিন, প্রো-আওয়ামী ঘরনার শিক্ষকের অভাব নেই বুয়েটে।

Masud Rana Akanda

Masud Rana Akanda

২০১২.০৭.১৬ ১১:২৭
নিয়ম নীতিমালা ডাষ্টবিনে রেখে কি ভাল কিছু আশা করা যায় ?

reaz

reaz

২০১২.০৭.১৬ ১১:২৯
ক্ষমতা যেখানে মূখ্য সেখানে একজন রাজনীতিবিদ আর একজন শিক্ষিত লোকের মধ্যে পার্থক্য কোথায় ?

Mohammed Anwer

Mohammed Anwer

২০১২.০৭.১৬ ১১:৪৯
VC Prof S. M. Nazrul Islam is my teacher, and Pro VC Prof. Habibur Rahman is my batch mate; and I am also a former teacher of BUET. The VC and Pro VC seem to have a very strange logic: We won't go. If the Honorable Chancellor tells us 'You go', we go. Will that be an honorable exit?

Amit Kumar

Amit Kumar

২০১২.০৭.১৬ ১২:৪৬
গত ৭ এপ্রিল থেকে শিক্ষক সমিতি কর্মবিরতি শুরু করে। লাগাতার ২৮ দিন কর্মবিরতির পর ৪ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকেরা ৫ মে থেকে আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করেন...উনি প্রায়ই এমন আশ্বাস দেন ..

Aga Khan Sohel

Aga Khan Sohel

২০১২.০৭.১৬ ১৩:২০
রাজনৈতিক ভাবে নিয়োগ দেয়া লোক বেহায়া হবে তাই সাভাবিক- কঠোর ভাবে প্রতিরোধ করা হোক এদের।

Ashikur Rahman

Ashikur Rahman

২০১২.০৭.১৬ ১৭:০৬
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দিকে সবাই তাকিয়ে যে, তারা এগুলো কি করেছ ?

md.rafiqul islam

md.rafiqul islam

২০১২.০৭.১৬ ২২:০২
I support the Buetians in this case....