দূরদেশ

পদ্মা সেতুর অর্থায়ন

আলী রীয়াজ | তারিখ: ১৬-০৭-২০১২

  • ৪২ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

নিজেদের অর্থেই পদ্মা সেতু তৈরি করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর তার সম্ভাব্যতার বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন রকম কথাবার্তা শোনা গেছে এবং যাচ্ছে। অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত বলেছেন, বাংলাদেশ তার নিজস্ব সম্পদ থেকে এ রকম তিনটি সেতু তৈরি করতে পারে। তিনি বলেছেন, দেশের অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালোটাকাসহ অন্যান্য উৎস ব্যবহার করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের প্রযুক্তি আছে, বিশেষজ্ঞ আছে এবং সামর্থ্য আছে এমন প্রকল্প নির্মাণের।’ দেশের বিমা কোম্পানিগুলোর লাইফ ফান্ডের অলস ১১ হাজার কোটি টাকা এই সেতু নির্মাণে বিনিয়োগ করা সম্ভব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)। বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) এই প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে খবরে প্রকাশ। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা তাঁদের বেতনের কিছু অংশ দেবেন বলে ইউনিয়নের নেতারা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এসব থেকে অনেকের মনে এ রকম ধারণা জন্মাচ্ছে যে অর্থায়ন কোনো বড় রকমের বাধা নয়। এ ধরনের নির্মাণকাজের বিষয়ে অভিজ্ঞ একজন প্রকৌশলী আইনুন নিশাতের বক্তব্য হলো: ‘এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিতে পারেন এমন বিশেষজ্ঞের অভাব নেই এ দেশে। কিন্তু আমাদের ঘাটতি রয়েছে অর্থে ও প্রযুক্তিতে। প্রযুক্তির বিষয়টি ঠিকাদারের মাথাব্যথা। সরকারের উচিত হবে সম্পূর্ণ অর্থ জোগাড়ের দিকে মনোযোগ দেওয়া। অর্থের সংস্থান হলেই কেবল নির্মাণকাজের ব্যাপারে অগ্রসর হওয়া।
অর্থায়নের বিষয়টি বোঝার জন্য প্রথমে মনে করা দরকার আসলে কী পরিমাণ অর্থ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ কথা এখন সবারই জানা যে পদ্মা সেতুতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৯০ কোটি ডলার। ১২০ কোটি ডলার দেওয়ার কথা ছিল বিশ্বব্যাংকের। এ ছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) দেওয়ার কথা ছিল ৬১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) দেওয়ার কথা ছিল ৪০ কোটি মার্কিন ডলার, আর ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) দেওয়ার কথা ছিল ১৪ কোটি মার্কিন ডলার। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়ার কথা। প্রকল্প থেকে বিশ্বব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ইতিমধ্যে সরে দাঁড়িয়েছে। জাইকার অবস্থান এখনো সুস্পষ্ট নয়। ফলে অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, নিজস্ব তহবিল থেকে সেতু করতে হলে এর পুরোটাই সরকারকে দেশের ভেতর থেকে সংস্থান করতে হবে। মনে রাখা দরকার, এখন যে ব্যয়ভার ধরা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে এমন সম্ভাবনা কম। কেননা এ প্রকল্পের পরিকল্পনা পর্যায়ে এই ব্যয়ভার কয়েক দফায় পুনর্বিন্যস্ত করতে হয়েছে। এ প্রকল্পের প্রথম ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৪০ কোটি ডলার। ২০০৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৪৭ কোটি ২৭ লাখ ডলারে প্রথম প্রকল্পটি অনুমোদন করেছিল। ২০০৯ সালের অক্টোবরে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ১৯০ কোটি মার্কিন ডলার। ডিসেম্বরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত পদ্মা সেতুর অর্থায়নবিষয়ক আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, এ ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় হবে ২৪০ কোটি মার্কিন ডলার। প্রধানমন্ত্রী তার ১০ দিনের মধ্যেই জানান, সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ২৬০ কোটি মার্কিন ডলার। এখন তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯০ কোটি ডলারে।
যেকোনো প্রকল্প তার পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়নে যেতে যেতে ব্যয়ের পরিমাণ বাড়ে। পদ্মা সেতু তার ব্যতিক্রম হয়নি। তদুপরি একে আরও বেশি ব্যবহারোপযোগী করতে, সাধারণ মানুষের জন্য আরও বেশি সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করতে ব্যয় বাড়ানোর দরকার হয়েছে বলে অনুমান করতে পারি। এই বৃদ্ধি নিয়ে কোনো রকম প্রশ্ন ওঠেনি; তা থেকে এ-ও ধরে নিতে পারি যে স্বাভাবিক কারণেই সম্ভাব্য ব্যয়ের পরিমাণ বেড়েছে। নির্মাণকাজ শুরু হলে, বিশ্ববাজারে নির্মাণসামগ্রী বা জ্বালানির দাম বাড়লে ব্যয়ও বাড়বে—এমন অনুমান ভিত্তিহীন নয়। ফলে যেখান থেকেই অর্থ সংগ্রহ করা হোক, সেখান থেকে এই বাড়তি ব্যয় নির্বাহ করা যাবে—তা নিশ্চিত করাও জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বিষয়ে যে পরিকল্পনা দিয়েছেন, তাতে অর্থায়নের কয়েকটি উৎসের কথা বলা হয়েছে। যেমন, উন্নয়ন বাজেট থেকে টাকা নেওয়া। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘চলতি বাজেটে ৫৫ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দ আছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং এখান থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারি। উন্নয়ন বাজেটের এত বড় অংশ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে ব্যয় করলে অন্যান্য দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তার বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না, সেটা অবশ্যই বিবেচ্য। বাংলাদেশের উন্নয়ন বাজেটের একটা বড় অংশ যেহেতু অবকাঠামো খাতে ব্যয় হয়, সেহেতু এর এত বড় অংশ সরিয়ে নিলে তার পরিণাম দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক হবে না। ২০১২-১৩-এর উন্নয়ন বাজেটের বড় খাতগুলোর মধ্যে আছে বিদ্যুৎ, সড়ক, রেলওয়ে, কৃষি, পানিসম্পদ উন্নয়নের মতো খাত, যেগুলো সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতিদিনের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কোনো বিবেচনায়ই এসব খাতে ব্যয় হ্রাসের সিদ্ধান্ত খুব ইতিবাচক বলে মনে করার কারণ নেই।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় যেমন বলেছেন, ঠিক একইভাবে সংসদের স্পিকার, জেলা প্রশাসকেরা, এমনকি নাগরিকদের কোনো কোনো অংশ বলছেন, অর্থায়নের একটা বড় উপায় হলো সারচার্জ আরোপ করা। এ ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের প্রতি কলের ওপর সারচার্জের কথা সবচেয়ে সহজ বলে মনে করে অনেকে এ প্রস্তাবটা হাজির করেছেন। সারচার্জের বিষয়টি নিয়ে সবার মতামতের একটা অন্যতম কারণ হলো, এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা। রেল-বাস-লঞ্চের টিকিট, সিনেমার টিকিট এবং জমির নিবন্ধীকরণে সারচার্জ আরোপ করে বঙ্গবন্ধু সেতুর জন্য ৫০৮ কোটি টাকা সংগৃহীত হয়েছিল ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৪, ছয় বছর ধরে। এতে করে অনেকের ধারণা যে এই পদক্ষেপ নেওয়া সহজ। বঙ্গবন্ধু সেতুর জন্য অর্থের প্রয়োজন ছিল অনেক কম, তা সত্ত্বেও ছয় বছর ধরে এই ভার বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে বইতে হয়েছে। এর একটা বড় অংশ মধ্যবিত্তদের কাছ থেকে এসেছে বললে অতিরঞ্জন হবে না। সাধারণভাবে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় যে হারে বাড়ছে, তার সঙ্গে এই নতুন সারচার্জ একটা বোঝা হয়ে উঠবে, যার ভার আগের মতোই মধ্যবিত্তের কাঁধেই চাপবে।
এই পটভূমিকায় ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) আয়োজিত এক সেমিনারে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ পরামর্শ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও কৃষি খাতে ভর্তুকি ‘একটু কাটছাঁট’ করে বছরে তিন-চার হাজার কোটি টাকার সংস্থান করে তা পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যয় করার জন্য। তদুপরি তাঁর আশাবাদ, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে বন্ড ছেড়ে অনায়াসে পাঁচ-ছয় হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা যাবে।’ কৃষি খাতে ভর্তুকি হ্রাস করলে তার চাপ, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কতটা ব্যাপক হবে, তা নিশ্চয় সবাই অনুমান করতে পারেন। প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০১০ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘গ্রামের ৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। প্রায় ৩০ শতাংশ পরিবার শুধু কৃষির আয়ের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে’ (প্রথম আলো, ১৩ জুলাই ২০১২)। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য যেসব সরকারি বন্ড এখন বাজারে আছে, সেগুলো হলো ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট। এ মাসের গোড়ায় এই বন্ডগুলো কেনার শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এগুলোর অতীত পারফরম্যান্স থেকে এ ধরনের বন্ডের সম্ভাবনার ধারণা করা যেতে পারে। আমার জানামতে, এগুলো প্রবাসীদের কাছ থেকে খুব বেশি অর্থ আনতে পারেনি।
আরেকটি উৎসের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় তুলে ধরেছেন তা হলো সার্বভৌম বন্ড। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিশ্ববাজারে ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের “সভরেন বন্ড” ছেড়েও অর্থ সংগ্রহ করা হবে।’ ৭৫০ মিলিয়ন অর্থাৎ ৭৫ কোটি ডলার—সভরেন বন্ডের এই পরিমাণ দেখে অনেকের ধারণা হতে পারে যে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এ ধরনের বন্ড বিক্রির কাজটি খুব সহজ এবং এভাবে অর্থ তুলতে পারলে বাংলাদেশকে আর কোনো বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হবে না। সভরেন বন্ড ছেড়ে বিশ্ববাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি সরকার কিন্তু এই প্রথমবারের মতো বলল তা নয়, ২০১০ সালের শেষ থেকেই সরকার এ বিষয়ে বিবেচনা শুরু করে। কারণ, পদ্মা সেতু নয়, বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি মেটানো। বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির পেছনে সরকারের কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্পকে অনেকাংশেই দায়ী করা হয়ে থাকে। এই ঘাটতি মেটানোর জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বন্ড ছাড়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এ বছরের গোড়ায় সাত সদস্যের একটি কমিটি নিয়োগ করে, যাঁরা এপ্রিলে তাঁদের প্রতিবেদনে বন্ড ছাড়ার পক্ষে মত দেন, তবে এর বিভিন্ন রকমের ঝুঁকির কথাও মনে করিয়ে দেন। শেষাবধি মে মাসে সরকার এ সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে। ওই সময় একটি সংবাদপত্রের কাছে সরকারি কর্মকর্তারা বলেন, ঝুঁকি বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য তাঁদের কাছে নেই। ওই সময় বিআইডিএসের মহাপরিচালক এম কে মুজেরি বলেছিলেন, দেশের অর্থনৈতিক সূচকগুলো এ ধরনের বন্ড ছাড়ার অনুকূল নয়। কোনো কোনো মহল, বিশেষ করে বিদেশি ব্যাংকের প্রতিনিধিরা বন্ড ছড়ার অনুকূলেই মত দেন।
এ ধরনের বন্ড বিক্রির সুফল-কুফল বোঝার জন্য গ্রিসবিষয়ক গত কয়েক মাসের খবরই যথেষ্ট, স্পেনের খবর যাঁরা রাখেন, তাঁরাও বলতে পারবেন। কিন্তু বিষয়টি আরও সহজ ও বোধগম্য করে লিখেছেন মোশাহিদা সুলতানা ঋতু। তাঁর এ লেখাটি বন্ড নিয়ে সরকারি বিবেচনার সময়ে লেখা (‘সার্বভৌম বন্ড: ঝুঁকি ও সম্ভাব্য পরিণতি বিশ্লেষণ’, মোশাহিদা সুলতানা, বিডিনিউজ২৪ডট কম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২)। সেখানে পদ্মা সেতুর অর্থায়নের উল্লেখ আছে। পদ্মা সেতুর অর্থায়নের প্রেক্ষাপটে যাঁরা, বিশেষ করে বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ যেসব ব্যক্তি, একে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের বিপরীতে একটি সমাধান হিসেবে ভাবছেন, তাঁদের জন্য মোশাহিদা সুলতানা ঋতুর লেখার প্রাসঙ্গিক একটা বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। ‘বন্ড বিক্রি করার সময় শর্ত লেখা না থাকলেও নিয়মিত বৈদেশিক মুদ্রায় উচ্চ সুদে নেওয়া ঋণের সুদাসল পরিশোধের চাপ এবং ক্রেডিট রেটিংয়ের ওঠানামা—সেই একই শর্ত পূরণের ক্ষেত্রই তৈরি করবে। যেমন, ঋণের টাকায় বাংলাদেশ যদি এমন কোনো প্রজেক্ট হাতে নেয়, যার থেকে আয় সরকারি কোষাগারে জমা হতে সময় লাগবে পাঁচ বছর, তখন বাংলাদেশের জন্য এই টাকা প্রথম বছর থেকে নিয়মিত পরিশোধ কঠিন হয়ে পড়বে এবং তখন অন্য খাতে ব্যয় কমিয়ে সেই টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই সমস্যাকে বলা হয় ম্যাচিউরিটি মিসম্যাচ অর্থাৎ ম্যাচিউরিটির সময়ের ভিন্নতার কারণে উদ্ভূত ঝুঁকি। আবার সার্বভৌম বন্ড বিক্রির সঙ্গে সঙ্গে এর চাহিদা ধরে রাখার জন্য সরকারকে জনকল্যাণমূলক খাতে ব্যয় কমিয়ে সেই অর্থ লাভজনক খাতে ব্যয় করতে হবে। এ কারণেই দেখা গেছে, আর্জেন্টিনা ও গ্রিস সরকারকে খরচ কমাতে গিয়ে বেসরকারীকরণ ও জনকল্যাণমূলক খাতে ব্যয় কমাতে বাধ্য করা হয়েছে। এ রকম পরিস্থিতিতে হয়তো পড়তে চায়নি গ্রিস বা আর্জেন্টিনা। কিন্তু বাস্তবতা এমন পর্যায়ে গেছে যে ঋণের বোঝা সামলাতে না পেরে এর দায় জনগণের ওপরই পড়েছে। কাজেই পরিণতির দিক থেকে বিশ্বব্যাংকের শর্ত আর বন্ড কিনলে বাজার ধরে রাখার শর্তের মধ্যে আসলে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। খোলা চোখে মনে হতে পারে বিশ্বব্যাংকের বিকল্প সার্বভৌম বন্ড। কিন্তু বাস্তবে উভয়ের শর্ত একই।’ বাংলাদেশের জন্য এ ধরনের বন্ড বিক্রি করে ভবিষ্যৎ বন্ধক রাখার সিদ্ধান্ত কতটা সমীচীন, কতটা দূরদর্শী, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মতামত জানা খুবই দরকার।
দেশের ভেতর থেকে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে যেসব আলোচনা হচ্ছে, তার কয়েকটি প্রস্তাব বিষয়ে এযাবৎ তথ্যাদির ভিত্তিতে তৈরি এই রচনার লক্ষ্য, এ বিষয়ে আরও আলোচনার সূত্রপাত করা। রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেক ধরনের কথাই বলা হচ্ছে। এসব আলোচনা অর্থনীতিবিদদের সমর্থন পাবে কি না, তা আদৌ বাস্তবায়ন সম্ভব কি না—এ বিষয়ে আরও অনেকের মতো আমারও কৌতূহল রয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের কথাবার্তায় এমন ধারণা তৈরি হচ্ছে যে যেনতেনভাবে এখন এই প্রকল্পে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। কিন্তু এযাবৎ পাওয়া প্রস্তাবের সবগুলোই দাবি করে আরও তথ্য ও আলোচনা। অর্থায়ন বিষয়ে সরকার ও তার সমর্থকদের আলোচনার উদ্দেশ্য যদি হয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতির প্রশ্নকে এড়িয়ে যাওয়া, তবে এ নিয়ে বাক্যবিস্তার নিরর্থক। কেননা, অর্থায়ন যেখান থেকেই হোক না কেন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই হবে।

ইলিনয়, ১২ জুলাই ২০১২
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Kuddush

Kuddush

২০১২.০৭.১৬ ০৩:০৮
আমি ১ টাকাও দিব না, কারণ কষ্টের টাকা দিব আমি, আর ১০% কইরা তারা ভাগ করব না তার নিশ্চয়তা কি?
২০১২.০৭.১৬ ০৩:৩৩
Perfect and unbiased analysis. Thank you very much.

Forhad Ahmed

Forhad Ahmed

২০১২.০৭.১৬ ০৪:৩৬
I dont understand why this Bridge is so important. I read few articles about the finance of the bridge, it seems very risky. Government is very much in a hurry. We want Padma bridge but not creating a financial crisis around the country. Personally I think, first government should focus on securing the basic needs of common people. Health, Education, Electricity, Foods with reasonable price and A secured life.
২০১২.০৭.১৬ ০৬:১২
A correction: Dr. Ainul Neshat is a water resource engineer/professor, he is not a construction expert or engineer. I believe this is ignorance of the reporter. For information you will not find a single engineer in BD who ever have an experience to execute even 1/100 th. of such massive project. If any body claim, that will be big lie.

Mohamed S Rahman

Mohamed S Rahman

২০১২.০৭.১৬ ০৬:৩০
আমি যুক্তরাষ্ট্রে থাকি। বিশ্বব্যাংক যদি টাকা না দেয়, পদ্মাসেতুর কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য যত ধরনের সহযোগীতা লাগবে করে যাব। আমি আমার একমাসের বেতন দিয়ে সাহায্য করব। অনেকের সাথে এ বিষয়ে ব্যক্তিগত আলাপ আলোচনায় যা বুঝতে পেরেছি আমার মত বহুলোক আছেন যারা সাহায্যের জন্য তৈরী, অপেক্ষা শুধু ডাকের, বাংলাদেশের প্রশাসন ও সেতু কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আহ্বানের অপেক্ষায়। প্রয়োজনে এখানে অর্থ সংগ্রহের জন্য পাবলিক সাহায্য সংগ্রহ কমিটি গঠন করা যায়(সরকারী আম্লাদের সমন্বয়ে নয়) আমি একজন প্রবাসী বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা। জীবনের শেষ কটাদিন না হয় আবার দেশের জন্য উতসর্গ করে দেব ।

Tauhidun

Tauhidun

২০১২.০৭.১৬ ০৬:৩৪
আজকের সরকার পরধান ও তার মন্তিরিরা যে PADMA BRIDGE ptoject টা কে লেজেগোবরে করে ফেলেছেন তাতে আর কোনই সনদেহ নাই। লেখক এক যাগায় লিখেছেন যে Soverign Bond চালুর ব্যাপারে Economist দের মতামত নেয়া উচিৎ, আমাদের P.M. এবং তার wise ministers দের কথা বারতা শুনে মনে হয়, যেন তারা আওয়ামি জোশেই সব করে ফেলতে পারবেন ! Economist দের, Experts দের পরামরশো নেবার কোনই দরকার নেই। বরতোমান ministry তে যে বেশ কয় জন ছাগল বিশেষগ্য আছেন তা আর বলার অপেখখা রাখেনা। তাদের গুরু নিজেও একজন সবজান্তা। দেশের এই 'দুরনিতিবাজ ' নাম কুড়ানোর জন্য এই সব পন্ডিতরাই দায়ি ।

Dr.M.Hoque

Dr.M.Hoque

২০১২.০৭.১৬ ০৭:০৮
My unqualified suggestions to the Prime Minister please face the reality not emotions of the nation. Please take a real program to finance to build Padma Bridge. It is not only the questions of dignity for you and your Government but a great necessity for economic development of the Country also. I like to suggest you to turn this Padma Bridge as a business venture and sell 50% of the share of this venture to the public. There are so many Bangladeshi nationals are living in abroad they have money and love for their Country they are waiting for long time for such an opportunity to invest in Bangladesh to change the face of Bangladesh by investing their hard earned money within the definite and secured projects which is Padma Bridge. Please think about my impossible dream but I must say that “Unity is strength". Our Nation is once again united to prove that if the other Nations can do we must do too. This is a new opportunity for us to prove that we are not a nation of yes minister. We are a nation of freedom fighters. Our nationhood is not a gift from Pakistani murderers. We had to fight with the Pakistanis trained armies. We killed then. We have defeated the Pakistani armies and their supporters within Bangladesh. We are not a nation of cowered we are a nation of heroes. Joy Bangla Joy Bangobondhu.

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৭.১৬ ০৭:১৯
`---অর্থায়ন বিষয়ে সরকার ও তার সমর্থকদের আলোচনার উদ্দেশ্য যদি হয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতির প্রশ্নকে এড়িয়ে যাওয়া, তবে এ নিয়ে বাক্যবিস্তার নিরর্থক। কেননা, অর্থায়ন যেখান থেকেই হোক না কেন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই হবে।'

chowdhury abdul halim

chowdhury abdul halim

২০১২.০৭.১৬ ০৭:৪২
rehearsal for 'lutpat' of at least 100crore taka is being taken

Muzibur rahman

Muzibur rahman

২০১২.০৭.১৬ ০৭:৪২
Who else will write to convince to people Our Government didn't do any corruption rather all the fault goes to WB. We are sick of listening rented intellectuals convincing stories. Where they were hyden before cancellation of WB loan . Please show the allegation of WB,let the peole judge who is right?

Md. Sayed

Md. Sayed

২০১২.০৭.১৬ ০৭:৫২
নিজেদের অপকরম এর বঝা দেশের গরিব মানুশ বহন করবে কেন? উন্নয়ন বাজেট কমালে গরিব মানুশ খতিগ্রস্ত হয়।
২০১২.০৭.১৬ ০৭:৫৫
Useless article.

Md. Sayed

Md. Sayed

২০১২.০৭.১৬ ০৮:০১
দেশের মানুশের কাছ থেকে সারচারজ ভাল কথা। সাংসদ, মন্ত্রি তাদের বেতন কম গ্রহন করলে ত অনেক টাকা আশে।

MD.SHAFIUL AZAM

MD.SHAFIUL AZAM

২০১২.০৭.১৬ ০৯:১৮
আমি কোন টাকা দিবনা । এতে যদি আমাকে দেশ থেকে বের করে দয়া হই হোক ? এক আবুল এই তো পারে এই রকম ১০ তা পদ্মা সেতু বানাতে । অনেক হইছে আর না ।

Mohiuddin KIbria

Mohiuddin KIbria

২০১২.০৭.১৬ ০৯:৪৩
We don't need Padma Bridge by giving guarantee of our beloved country's sovereignty. It will create a new way to sell it in near future. We want a judicial inquiry on Padma Bridge issue. It is better for Hasina to do it within her period. Otherwise .............. .

Shawkat Hossain Mollah

Shawkat Hossain Mollah

২০১২.০৭.১৬ ০৯:৫৮
Padma bridge is very important for well communication in our country, no doubt just like Jamuna bridge. So please don't argue and come on all brilliants to solve the problem & to construct the bridge. The country will be rich.

Latif chowdhury

Latif chowdhury

২০১২.০৭.১৬ ১০:০২
এক আবুল ো তার সহযোগিদের জন্য আজ এ অবস্থা তাদের বিশ্ব ব্যাংকের কাছে না হউক জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে তা হলে আমিো আমার একদিনের বেতন দিয়ে দিব। তার সাথে আর কোন দূর্নীতি হবে না এ অং্গীকার সরকারকে দিতে হবে।

Enamul Kabir

Enamul Kabir

২০১২.০৭.১৬ ১০:১৫
আমাদেরকে কেনো এই মুহূর্তেই পদ্মা সেতু বানাতে হবে? যেকোন কারণেই হোক, বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন বাতিল করেছে। এডিবি’ও বিশ্বব্যাংকের পদাংক অনুসরণ করেছে। জাইকা’র অবস্থান এখনোও স্পষ্ট নয়। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে আমরা দ্বিধাগ্রস্থ। সরকারের উচিৎ বিষয়টি রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে বরং সার্বিকভাবে অর্থনৈতিকি এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া। পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন অপশন যাচাই করা এবং অবশ্যই অবশ্যই এ সংক্রান্ত দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত শেষ হবার পর নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া। এবং আপাতত পদ্মা সেতু নিয়ে সরকারি লোকজনের গলাবাজি বন্ধ রাখা এবং ব্যাপক গ্রাউন্ড ওয়ার্ক করা। প্রয়োজনে আরও সময় নিক সরকার। পদ্মা সেতু নিয়ে আমাদের তাড়না আছে কিন্তু তাড়াহুড়া নেই

Md. Labib Billah

Md. Labib Billah

২০১২.০৭.১৬ ১০:১৮
an article made by order...I think it wont work...
২০১২.০৭.১৬ ১০:১৮
এখন বিশ্ব ব্যাংক ও বিভিন্ন দাতা গোষ্ঠী ছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরী করবে সরকার। কিন্তু আর কোন দিন কি তাদের কাছে হাত পাতবেনা। এই আওয়ামীলীগ সরকারের দূর্নীতির জন্য তাদের কাছে নত স্বীকার করতে হবে।

A. M. Zubair

A. M. Zubair

২০১২.০৭.১৬ ১০:২৪
আমি কোন টাকা দিব না, কারণ কষ্টের টাকা দিব আমি, আর ১০% কইরা তারা ভাগ করব না তার নিশ্চয়তা কি? এটা আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া জুলুম ছাড়া কিছু না। যদি দুর্নীতি না হওয়ার নিশ্চয়তা পাই (সম্ভব কি করে ?) তবে বেতনের অর্ধেকও দিতে রাজি।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.০৭.১৬ ১০:২৪
সব ধোকা বাজি ।

Easin

Easin

২০১২.০৭.১৬ ১০:২৫
আবুলের অপকরমের দায়ভার আমি নেব কেন? ১ পয়সা দেবনা।

Farhan Fardin

Farhan Fardin

২০১২.০৭.১৬ ১০:৫৩
টাকা দিতাম কিন্তু এই সরকারকে মোটেই দিব না ...........
এমনিতেই এই টাকা খাওয়া সরকার দেশের শেয়ার বাজারের ৮০ হাজার কোটি টাকা খেয়েফেলেছে..............
শেয়ালের কাছে মুরগী বাগী আর কি!!!!!!!!!!!!!

Zahirul Alam

Zahirul Alam

২০১২.০৭.১৬ ১১:০০
সর্বনাশা পদ্মা নদী!!!!!!!!!

Mokaddesur Rahman

Mokaddesur Rahman

২০১২.০৭.১৬ ১১:০২
যেখানে সেতুর জন্য এখনও কোনো অর্থই ছাড় করা হয়নি, সেখানে দুর্নীতির প্রশ্নই তো উঠে না। কাজেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রসঙ্গ এখানে অবান্তর। সোজা কথা, বিশ্বব্যাংক আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

Mahmud

Mahmud

২০১২.০৭.১৬ ১১:০৩
মৌলিক কিছু নাই।

Jakir Hossain (Rajib)

Jakir Hossain (Rajib)

২০১২.০৭.১৬ ১১:০৭
পদ্মা সেতু তৈরি করতে বাংলার জনগন পুর্ণ শহায়তা করবে তার আগে বলেন বিশ্ব ব্যাংক আমাদেরকে চোর বলল সেটা আগে প্রমান করতে হবে সরকারকে
বিশ্ব ব্যাংকের টাকা না পেতেই খাওয়ার জন্য খাওয়ানো শেষ আর পাবলিকের টাকা তো জবাবদিহিতা নেই তাহলে তো আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে খাবে।

TARIN WAHAB

TARIN WAHAB

২০১২.০৭.১৬ ১১:১১
আমি নাহয় আমার এক মাসের বেতন দিলাম কিন্তু আমার টাকা যে আবুল রা মেরে খাবে না তার গেরান্টি কি ??? তাই আগে আবুল দের বিচার হোক , তারপর টাকা দেবার কথা ভাববো !!

Mominul Islam

Mominul Islam

২০১২.০৭.১৬ ১১:১৭
এই সরকারের পরিচালকদের মন মানুষিকতা খুবই ছোট । দেশ পরিচালানার জন্য যে উদার মন দরকার তা তাদের অন্তরে নেই। উদারতা ছাড়া জাতিকে তারা এক করতে পারবেনা আর দেশের মানুষের তারা সহযোগিতাও পাবেনা। এনারা অহংকারি ভাষায় জনগনের সাথে কথা বলে, অথচ তাদের উচিত ছিলো বিনয়ী হওয়া। টাকা আসলে কোন ব্যাপার না।
২০১২.০৭.১৬ ১১:১৭
আশলে নিরবাচনের জনৈই সব । এ পরজন্ত উললেখজগগো তেমন কিসুই নেই দেখানর, তাই তরিঘরি করে কিছু করার চেষটা

karim uddin

karim uddin

২০১২.০৭.১৬ ১১:১৮
Why we will pay this corrupt government? First we like to see what happend in S.N.C LAVALIN.

Md.Habibur Rahman khan

Md.Habibur Rahman khan

২০১২.০৭.১৬ ১১:৩২
প্রথম অ।লোর প্রতি অনুরোধ "পদ্মা সেতু নিয়ে বর্তমানে অ।মাদের করণীয " একিট গোলটেবিল বৈঠকের ব্যাবস্থা করা ।

Abu Hena

Abu Hena

২০১২.০৭.১৬ ১১:৫৩
Very Matured article. Those who has confusion about the fund sourcing for Padma Bridge this article will help them a lot.

Selim Saroar

Selim Saroar

২০১২.০৭.১৬ ১১:৫৯
BNP is telling that raising fund for next election not for Padma bridge. May be or not.............

A.W.Haq

A.W.Haq

২০১২.০৭.১৬ ১২:০৪
এক অসাধু আবুলকে সরকার ও হাসিনার এত ভয় কেন ?

সফিকুল ইসলাম সুমন

সফিকুল ইসলাম সুমন

২০১২.০৭.১৬ ১২:১৩
দেশের ভেতরে এবং বাহিরে অনেকেই যার যার অবস্থান থেকে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন (যদিও সেই অনুযায়ী দুর্ণীতির সুরহা হউক এই ব্যারটা তেমনভাবে লক্ষ করা যাচ্ছেনা) বিষয়টা অবশ্যই প্রশংসার দাবী রাখে, কিন্তু আপনার আমার এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার অর্থটা কার হাতে দিবেন এবং সেটা যে সঠিক কাজে ব্যায় হবে সেটার নিশ্চয়তা কে দেবে ?

saimon

saimon

২০১২.০৭.১৬ ১৩:৫৮
আমি গরিব মানুষ , তাই কুনো টাকা দিতে পারবনা ।

Dewan Iftekhar Hossain

Dewan Iftekhar Hossain

২০১২.০৭.১৬ ১৪:২১
আমার মনে হয়, কাল টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দিলে অনেক বড় অঙ্ক উঠে আসবে। এই সেতু নিয়ে যে ধরনের আলচনা-সমালচনা চলছে, তাতে সরকারের উচিৎ অতি দ্রুত অর্থ সংগ্রহ করে সেতুর কাজ শুরু করা। এটা দেশের এবং দলের ভাবমূর্তি পূনরগঠনে সরকারের জন্য একটা বড় সুযোগ।

Md. Shamsuddoha Tapos

Md. Shamsuddoha Tapos

২০১২.০৭.১৬ ১৫:৪৭
সততা, জবাবদিহিতা আর সচ্চহতা জদি সরকার এর ভেতর থাকে তবে সেতু নিরমান ১০০ % possible.

arman

arman

২০১২.০৭.১৬ ২০:১৬
@Mohamed S Rahman কে বলছিঃ দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত টেলিভিশন আর খবরের কাগজে শুধু পদ্মা সেতুর “থ্রীডি গ্রাফিক্স” দেখে আসছি আমরা সাধারন জনগন। নির্বাচনের আগ পর্যন্ত না হয় দেখব। যে দলই সরকার গঠন করুক তখন তারা পূনয়ার সময় হাতে নিয়ে সেতু নির্মানে অগ্রসন হবে।

Tauhidun

Tauhidun

২০১২.০৭.১৬ ২২:২৪
I want to Give Hasina another chance, but she must clean the garbage from her stable immediately and make the W.B. Report public sooner than later.