• হোম
  • সারা দেশ
  •   কুড়িগ্রাম ও লামায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

কুড়িগ্রাম ও লামায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম ও লামা (বান্দরবান) সংবাদদাতা | তারিখ: ০৮-০৭-২০১২

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
ত্রাণ পেয়ে খুশি কুড়িগ্রামের চেরাগের আলগা চরের বন্যাপীড়িত মানুষেরা

ত্রাণ পেয়ে খুশি কুড়িগ্রামের চেরাগের আলগা চরের বন্যাপীড়িত মানুষেরা

ছবি: প্রথম আলো

প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বান্দরবানের লামা উপজেলায় ও শুক্রবার কুড়িগ্রামের পাঁচটি দুর্গম চরে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লামার পৌর এলাকায় বন্ধুসভার সদস্যদের সহযোগিতায় বন্যপীড়িত অন্তত ২০০ জনের হাতে মসুর ডাল, সয়াবিন তেল, চিড়া, চিনি ও মুড়ি তুলে দেওয়া হয়।
ত্রাণসামগ্রী হাতে পেয়ে টিঅ্যান্ডটিপাড়ার সর্দার মো. অজিউল্লাহ মাঝি বলেন, ‘আমাদের এই এলাকা গত ২৬ ও ২৭ জুন বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়।
আদিবাসী ফুমং মার্মা বলেন, ‘বন্যার পর এলাকার মানুষ অনেক কষ্ট করছে। মানুষের দিন কাটছে দুঃখ-কষ্টে। আমরা এই ত্রাণ পেয়ে অন্তত দুবেলা হলেও পেট ভরে খেতে পারব।’
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহামঞ্চদ ইসমাইল। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. আজিজুর রহমান, বান্দরবান উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক ক্যসামং মার্মা, প্রথম আলোর বান্দরবান প্রতিনিধি বুদ্ধজ্যোতি চাকমা, ছোট নুনারবিল পাড়াপ্রধান মংএনু কারবারী, বান্দরবান বন্ধুসভার পার্থ প্রতিম, হেলাল মাহমুদ, সূচনা, লাকি, লিমন, পিংকি প্রমুখ।
এদিকে, শুক্রবার কুড়িগ্রাম বন্ধুসভার সদস্যরা ব্রহ্মপুত্র নদের গুজিমারী, বতুয়াতলি, দই খাওয়া, পূর্ব দই খাওয়া ও চেরাগের আলগা চরের অন্তত ৪০০ পরিবারের সদস্যদের চাল, আলু, খাবার স্যালাইন ও পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান, সদস্য পলাশ, সাহানা, কুমকুম, লতিফ ও প্রথম আলোর কুড়িগ্রামের নিজস্ব প্রতিবেদক সফি খান।
ত্রাণসামগ্রী নিয়ে সকাল আটটার দিকে কুড়িগ্রামের মোগলবাসা ফেরিঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চড়ে যাত্রা শুরু হয়। বেলা ১১টার দিকে ত্রাণবাহী নৌকা পৌঁছায় ভারতের সীমান্তসংলগ্ন পূর্ব দই খাওয়া চরে। এখনো নিচু এলাকার বাড়িগুলো থেকে পানি নেমে যায়নি। পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে চলছে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন।
ত্রাণসামগ্রী হাতে পেয়ে পূর্ব দই খাওয়ার চরের ইব্রাহীম (৩৫) নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘ভাই গো, জমিত যা আছিল সব শ্যাষ। আপনাগের এগুলা কামে নাগব।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
আপনার মতামত দিন