র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলন

হিউম্যান রাইটসের প্রতিবেদন মনগড়া ও উদ্দেশ্যমূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৫-০৭-২০১২

  • ১১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

নিউইয়র্কভিত্তিক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে র‌্যাব। গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ র‌্যাবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে র‌্যাব ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করে।
গতকালই সকালে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সংবাদ সম্মেলনে ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিকেলে সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিক্রিয়া জানায় র‌্যাব।
সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এম সোহায়েল বলেন, ‘এ মনগড়া প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করছে র‌্যাব। দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং অপরাধী ও জঙ্গিবাদ উৎসাহিত করতে দেশের কিছু ভুঁইফোড় মানবাধিকার সংগঠনের সহায়তায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এ ধরনের উদ্দেশ্যমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।’
এম সোহায়েল বলেন, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, বিডিআর বিদ্রোহে জড়িত সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের হেফাজতে থাকা অবস্থায় নির্যাতন করেছে র‌্যাব। কিন্তু বিডিআর বিদ্রোহের মামলার তদন্তভার র‌্যাবের ওপর ছিল না। তাই বিডিআর বিদ্রোহের কোনো সন্দেহভাজন ও অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য র‌্যাবের কোনো বক্তব্যও নেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করেন এম সোহায়েল।
এম সোহায়েল মন্তব্য করেন, ‘স্বাধীন-সার্বভৌম দেশে বিদেশি সংস্থার এভাবে কথা বলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রাথমিকভাবে আমরা প্রতিবাদ জানালাম। এরপর লিখিতভাবে প্রতিবাদ জানাব। যদি প্রয়োজন হয় তবে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
র‌্যাবের মধ্যে থাকা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বিষয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে নানা অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ সম্পর্কে এম সোহায়েল বলেন, ‘তাহলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী কী? বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার অভিজ্ঞতা নিয়েই আমরা র‌্যাবে কাজ করছি। এ ধরনের অভিযোগের কোনো ভিত্তিই নেই।’
সোহায়েল বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‌্যাব যে কাজ করেছে, এ নজির পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই। অল্প সময়ে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাফল্যের কারণে র‌্যাব জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। অপরদিকে জঙ্গি, অস্ত্র ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষকেরা ভীত এবং ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাঁরাই জনগণের কাছে র‌্যাবের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য ক্রমাগতভাবে চেষ্টায় লিপ্ত।’
ক্রসফায়ারের বিষয়ে সোহায়েল বলেন, ‘আইনবহির্ভূতভাবে কাউকে হত্যা করার এখতিয়ার কারও নেই।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।

২০১২.০৭.০৫ ০৩:৫০
প্রতিবেদনটি মনগড়া বা উদ্দেশ্যমুলক যাই হোকনা কেন র্যাবকে সচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার আওতায় রাখতে পারলে এমন প্রশ্ন এড়ানো সম্ভব ।

KHONDOKAR

KHONDOKAR

২০১২.০৭.০৫ ০৪:৫৬
আপনাদের ক্রস ফায়ারের গল্প খুব ভালো গল্প , প্রতিবার পরে খুব আনন্দ পাই.

Mohammed Khan

Mohammed Khan

২০১২.০৭.০৫ ০৫:০২
প্রতিটি হত্যার সুষ্ঠ বিচার বিভাগীয় তদন্ত হলে কেউই প্রশ্ন তুলতে পারবে না। হচ্ছে কি?

Masum Alam

Masum Alam

২০১২.০৭.০৫ ০৮:১২
এম সোহায়েল সাহেব এতো ক্কেপে যাচ্চেন কেনো ? সরকার দলিয় লোকের মতো কথা বলছেন।

Mahmudur Rahman

Mahmudur Rahman

২০১২.০৭.০৫ ০৯:৫২
হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে বলছি, বড় বেশী বাড়াবাড়ি হয়ে গেল। আমাদের দেশের মানবাধিকার নিয়ে আপনাদের এত মাথাব্যাথ্যা অথচ জঙ্গিবাদের নামে আপনারা সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ লোকের প্রান নিচ্ছেন, সম্পদ লুট করছেন এতেকরে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে না। ধিক্কার আপনাদের। আর ধন্যবাদ জানাই র‌্যাব এর মিডিয়া পরিচালক কমান্ডার সোহাইল হোসেনকে। র‌্যাব এদেশে আছে, থাকবে।

Engr. Abdul Matin Miazi

Engr. Abdul Matin Miazi

২০১২.০৭.০৫ ০৯:৫৮
We are proud of our RAB.

Rubel Mollah

Rubel Mollah

২০১২.০৭.০৫ ১২:০২
এই সকল মানবধিকার কর্মিদের আমাদের দেশে ঢুকতে দেয়া ঠিকনয় কারন এরা আমাদের ভাল চায়না । আমেরিকা জখন হাজার হাজার নিরহ মানুষ হত্যা করে তখন এরা মুখে কুলুপ দিয়ে থাকে আর আমরা জখন কোন ডাকাত কিংবা সন্ত্রাসি কে ক্রোসফায়ারে মরতে দেখি তখন তাদের খুব মায়া লাগে আর ওই সকল সন্ত্রাসির পক্ষে কথা বলে ।

s

s

২০১২.০৭.০৫ ১৩:৩৬
RAB should stay. RAB never killed a person who does not have more than one criminal case. We will not able to go out if RAB is not there in field.

Rubayet Hossain

Rubayet Hossain

২০১২.০৭.০৫ ১৮:২২
আমরা প্রায় দাবি করি আমরা সভ্য সমাজের মানুষ। সভ্য সমাজে এ রকম দিনে দুপুরে মানুষ মেরে পরে এটাকে বন্ধুক যুদ্ধ বলে চালিয়ে দেয়া হয় না। আইনের ভাষায় প্রত্যেক নাগরিকের আইনে সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। র‌্যাবের ক্রসফায়ারে এ পর্যন্ত যত গুলো মানুষ মারা গিয়েছে তার শতকরা ৫০% নিরীহ বা ইনোসেন্ট লোক। যদি একজন নিরীহ লোকও র‌্যাবের এই ক্রসফায়ারে মারা যায়, তাহলে এর দায় ভার কে নিবে? বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে র‌্যাবের ক্রসফায়ার বন্ধের কথা বলেছিলেন। কিন্তু তারা ক্ষমতায় আসার পর র‌্যাবের এই কার্যক্রম কে আরো সমর্থন দিতে থাকে। কারণ আসলেই সরকার সেনাবাহিনী ও র‌্যাবের কার্যক্রমকে চ্যালেন্জ করতে ভয় পায়।

Hossain Joki

Hossain Joki

২০১২.০৭.০৫ ২০:০৯
এসব সঙ্ঘটনকে সবার বর্জন করা উচিৎ। এদের কথা মত চললে দেশ সোমালিয়া হতে বেশি সময় লাগবে না। RAB জন্নে আমরা একটু শান্তিতে আছি সেটা ওই বেটাদের সইছে না। আমরা যত খারাপ থাকব, আমাদের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যত খারাপ হবে তত তারা এখানে মাতবরি করতে পারবে। এরা চায় এদেশে ঝামেলা লেগে থাকুক।

ayub

ayub

২০১২.০৭.০৬ ০১:০১
We neither like to speak the truth nor hear the truth