পদ্মা সেতু প্রকল্প

অর্থায়নের তিন বিকল্প নিয়ে এগোচ্ছে সরকার

আনোয়ার হোসেন | তারিখ: ০৫-০৭-২০১২

  • ২৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণ বাতিলের পর সরকার এখন তিনটি বিকল্প নিয়ে এগোচ্ছে। এগুলো হচ্ছে: দেশীয় অর্থায়নে কাজ শুরু করা, জাপানি সংস্থা জাইকা ও ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) ইতিবাচক অবস্থা ধরে রেখে তাদের কাছ থেকে আরও বেশি ঋণ পাওয়া এবং মালয়েশিয়ার প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখা। তবে কোনো বিকল্পই চূড়ান্ত বা নিশ্চিত মনে করতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
গতকাল বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রয়োজনে নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করা হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকেও পদ্মা সেতুর জন্য ব্যয়ের কথা বলেছেন তিনি।
এদিকে, মালয়েশিয়া গত ২৮ জুন পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নে চূড়ান্ত চুক্তির একটি খসড়া দিয়েছে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে। এই খসড়া নিয়ে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় কিংবা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কেউ পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারছে না। তাই আলোচনার জন্য ৬ জুলাই সেতু বিভাগের একটি প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়া যাচ্ছে।
পদ্মা সেতুর বিষয়ে সরকারের কোনো মন্ত্রী বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি এখন আর মুখ খুলছেন না। এ বিষয়ে যত্রতত্র বক্তৃতা-বিবৃতি না দেওয়ার জন্য নির্দেশনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দপ্তরে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে জাইকা ও আইডিবির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি দেশীয় অর্থ দিয়ে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করার ইচ্ছার কথাও জানান। অবশ্য অর্থ মন্ত্রণালয় ও ইআরডি এখনো বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করার পক্ষে। গত মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী বিবিসিকে বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রেসিডেন্টকে তিনি চিঠি লিখবেন।
জানতে চাইলে সেতু বিভাগের সচিব খোন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘অনেক বিষয়েই আলোচনা হচ্ছে। তবে এখনই কিছু বলা যাবে না। এখনো কোনো আকার আসেনি। এলে জানতে পারবেন।’
জাইকার ঢাকা কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি এখন বাংলাদেশ-জাপান সরকারের উচ্চপর্যায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আলোচনা ও সিদ্ধান্ত যা আসবে, তা ওপর থেকেই আসবে।
সূত্রমতে, চলতি বাজেটে রাখা থোক বরাদ্দ থেকে পদ্মা সেতুর জন্য বরাদ্দের ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী। নিজেদের অর্থে কাজ শুরু করে এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে বন্ড ছেড়ে অর্থ সংগ্রহ করা যায় কি না, সে বিষয়েও তাগিদ দেন তিনি। চলতি বাজেটে প্রায় চার হাজার ৭০০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সেতু বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, ইতিমধ্যে সেতু বিভাগকে পদ্মা সেতু প্রকল্পে কাজ শুরু করতে হলে চলতি অর্থবছরে কী পরিমাণ অর্থ লাগতে পারে, সেই হিসাব তৈরি করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বলা হয়েছে। তিন বা পাঁচ বছরের মধ্যে পদ্মা সেতু করতে হলে কোন অর্থবছরে কী পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দরকার, এর একটি আর্থিক বিশ্লেষণ তৈরি করছে সেতু বিভাগ।
মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে গত ১০ এপ্রিল পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে সমঝোতা স্মারকে সই হয়েছিল। পদ্মা সেতু প্রকল্পের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, মালয়েশিয়ার দেওয়া খসড়া অনুযায়ী চুক্তিতে সে দেশের সরকারের সম্পৃক্ততা কম। সে জন্য খসড়ার ওপর আস্থা রাখতে পারছে না সরকার। মালয়েশিয়া সরকার সেতু নির্মাণে পুরো দায়িত্ব না নিয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও আর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছে।
এ ছাড়া মালয়েশিয়া প্রকল্পের জন্য কোন কোন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে, তা নিশ্চিত করেনি এবং যেসব উৎস থেকে অর্থ আসবে, তার অনুমতিপত্রও দেয়নি। সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া সেতু নির্মাণের পর ৪০ বছর নিজের মালিকানায় নিয়ে টোল আদায় করার প্রস্তাব দিয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Titon

Titon

২০১২.০৭.০৫ ০৩:১৯
আমরা পরিবার পরিজন ছেরে হাজার হাজার মাইল দুরথেকে রেমিটেনস পাঠাই , আর সরকার এখন আমাদের টাকায় মজামারতে চায় ?

Mohammad Iqbal Kabir

Mohammad Iqbal Kabir

২০১২.০৭.০৫ ০৩:৪৪
PM YOU SHOULD START FIRT.

Soumik Zaman

Soumik Zaman

২০১২.০৭.০৫ ০৩:৫৭
হে হে হে !!! এসব কি বললেন প্রধানমন্ত্রী?

Mohammed Khan

Mohammed Khan

২০১২.০৭.০৫ ০৪:৫৪
শুধু দরকার যোগ্য মানুষটিকে যোগ্য স্থানে বসান। দেশে দেশী ও প্রবাসীদের টাকায় একটা নয় দশটারও অধিক এই ধরনের প্রজেক্ট করা যাবে। চাই রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শীতা।

Chowdhury

Chowdhury

২০১২.০৭.০৫ ০৫:৪৯
পদ্মা সেতু প্রকল্প বাসতবায়ন সরকার এনারবিদের উপর ছেড়ে দিতে পারে। পদ্মা সেতু প্রকল্পকে একটা কোঃ করে প্রবাসীদের কাছে শেয়ার বেচতে পারে। প্রবাসীরা দেশের প্রতি অবদান রাখতে চায়, সুযোগ তৈরী করে দেওয়া সরকারের দায়িতব।

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৭.০৫ ০৬:৩৩
মালয়েশিয়া বা অন্য কোন দেশের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করায় তো এমন দোষের কিছু দেখছি না, তবে টোল আদায় তাদের অধীনে হওয়া যুক্তিযুক্ত নয়।

s

s

২০১২.০৭.০৫ ০৭:৩৫
কোন দরকার নাই। সেতু আমরাই বানাব আজ হোক কাল হোক। আর কারোও দ্বারে নই।

syed Kamal mohammad Mukul

syed Kamal mohammad Mukul

২০১২.০৭.০৫ ০৭:৪২
Corrupted govt should not talk more .

David Raton Halder

David Raton Halder

২০১২.০৭.০৫ ০৯:১৯
Honorable Prime Minister, How long we will wait for this Padma Bride!!!

Redoan Riad

Redoan Riad

২০১২.০৭.০৫ ০৯:২০
by any means, we want to see the bridge within this govt's tenure.

Ashik Imran

Ashik Imran

২০১২.০৭.০৫ ০৯:৫০
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সত্য হোক বা না হোক, আমাদের দেশের মানুষ বিশ্বাস করে দেশে সকল জায়গায় অন্তত শতকরা ৯০ ভাগ জায়গায় কোন না কোন ভাবে দুর্নীতি আছে।

Mohiuddin Maswood

Mohiuddin Maswood

২০১২.০৭.০৫ ১০:৪৪
শুধু দুর্নীতি বন্ধ করুন প্রতি বৎসর একটা করে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করা যাবে।

Nasim Hasan

Nasim Hasan

২০১২.০৭.০৫ ১০:৫০
যে ভাবেই হোক, পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করতে হবে। নইলে সামনের নির্বাচনের বিশাল ব্যয় এর টাকাটা আসবে কথা থেকে।

hafez sharif

hafez sharif

২০১২.০৭.০৫ ১১:০১
নিজস্ব অর্থায়নে কাজ শুরু করে দাতাদের সাথে জোরালো ভাবে আলোচনা চালিয়ে যাওয়াই মনে হয় সঠিক হবে।

Monir

Monir

২০১২.০৭.০৫ ১১:১৯
See we are 16Cr+/- people. if every one pay TK50/month then one yr later it will be $120Cr. Why World bank?? but who will confirm to protect corruption? only the wearer knows where the shoe pins are. Neither BNP nor AWL are capable to do so....it's our bad luck. but we deserve to implement padma bridge by self costing.
২০১২.০৭.০৫ ১১:২২
public suffering increases .

Golam Wadud

Golam Wadud

২০১২.০৭.০৫ ১১:৫১
উচ্চ হারে ঋণ নিয়ে হয়তো পদ্মা সেতু হতে পারে কিন্তু তার মাশুল এদেশের জনগনকে যুগ যুগ ধরে দিতে হবে। এক্ষেত্রে আওয়ামিলীগের কোন সমস্যা আছে বলে মনে হয় না।

alamin

alamin

২০১২.০৭.০৫ ১২:০১
শেয়ার বাজার থেকে যারা টাকা লুট করেছে সরকার তাদের টাকা আটকিয়া সেই টাকা দিয়া সেতু করতে পারে এবং সেতুর নাম হবে ""দুর্নীতি মুক্ত বাংলার জনগনের সেতু""

Lama Chowdhury of Golmunda Chowdhury Estate

Lama Chowdhury of Golmunda Chowdhury Estate

২০১২.০৭.০৫ ১২:১১
বা বেস বেস বেস ।

Kamal

Kamal

২০১২.০৭.০৫ ১২:১৭
জাপানি সংস্থা জাইকা ও ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) র দিকেই নজর দেয়া উচিত। japan For Technology and Consultancy. দেশের ভেতর থেকে যত বেশি সমভব টাকা যোগার করার দরকার। যে সুধ বিদেশিদের দেয়া হবে লোন বাবদ
তার চেয়ে বেশি দেশের বিনিয়গকারিদের offer করা হউক । আর Bond Declare করা হউক ৬ -৮- ১০ -১২ বছর মেয়াদি ।
যত long Term bond হবে , সুদের হার তত বেশি হবে। এবং এতেই সবচেয়ে attractive Offer দেয়া হউক । দেখেন
Bridge হয় কিনা । Only One Condition you have to ensure NO CORRUPTION on the project.

Prof. Bijon B. Sarma

Prof. Bijon B. Sarma

২০১২.০৭.০৫ ১২:৪৩
পদ্মা সেতু সম্বন্ধে আমার একটি সোজা বুদ্ধির কথা আছে । যে সুবিধা এখনও গড়েই ওঠে নি তা নিয়ে কিন্তু মানুষের কোন কষ্ট নেই, তবে আশা থাকতে পারে । পদ্মা সেতূ হলে মাল চলাচলের সুবিধা অবশ্যই হবে, কিন্তু এখনই সে জন্য মানুষের মনে কোন ক্ষোভ নেই, কারন এখন তারা এ বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় অভ্যস্ত । তাদের সমস্যা মানুষের যাতায়াত নিয়ে । ফেরীতে যেতে কি কষ্ট বিশেষত যান জটের কারনে তা সবাই জানে । মানুষ অনেক আগেই দৌলতদিয়া পাটুরিয়ায় সেতু চেয়েছিল । সেটা তখন শুরু করা হলে এতদিনে তা শেষ হয়ে যেত, আর মানুষ তার সুফল ভোগ করতো । তার বদলে সরকার চাইলো বিরাট বাজেটের বিরাট কাজ । এর কারন আমরা সবাই জানি । যাই হোক, সেটা হয়নি, কেন হয় নি তা আমরা ভালো জানি না । তবে এটা বুঝি, সরকার আরও প্রাজ্ঞতা নিয়ে এগুলে সেতূ হতো, বর্তমান সমস্যা হতো না । এখনও সরকার এসব বিষয়ে যা বলে চলেছে তার মাঝে বিজ্ঞতার পরিচয় তেমন নেই ।

এটা ত সবাই বোঝে, বিশ্বব্যাঙ্ক থেকে ঋন নিতে হলে তাদের কথা মতই চলতে হবে । বিশ্ব ব্যাঙ্কে দুর্নীতি আছে এটা পুরানো কথা, সবারই জানা । সেটা যদি এতই অপছন্দ তাহলে তাদের কাছে ঋনের জন্য যাওয়া কেন ? বলা হচ্ছে, তারা কোন কোন কোম্পানীর জন্য সুপারিশ করেছে । এটা তারা করতেই পারে, তারা বিভিন্ন কোম্পানী দিয়ে কাজ করায়, এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা তো থাকবে, উপদেশ দেবার অধিকার ও তাদের থাকবে । আর তাদের সেসব কথা না শোনায় তারা ঋন বাতিল করেছে, এমন কথাও তো তারা বলে নি, বা তা প্রমান করাও যাবে না । তারা বলেছে দুর্নীতির কথা । তাদের নিয়মে ঘূষ চাইলেই তা দু্নীতি । কেউ তেমন কথা না বললে তাদের নাম তারা নিজেদের ডাইরীতে লিখে রেখেছে এটা আমরা বিশ্বাস করি না। তবে, আর্থিক লেন দেন হয়েছে কি না বোঝা যাচ্ছে না । ব্যাঙ্ক টাকা না দিলেও ঠিকাদার কোম্পানী নিজেদের তহবিল থেকে দিতে পারে । এ ব্যপারটা জানা যাচ্ছে না । তবে, এই ব্যাপারে কথা ওঠার পরে মন্ত্রীত্ব বদল করায়, সারা দেশ তো বটেই, বিশ্ব ব্যাঙ্ক ও হয়তো ধরে নিয়েছে, মন্ত্রির সংশ্লিষ্টতা আছে, তাই সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে । যদি ধরে নেয়া হয়, কোন আর্থিক লেনদেন না পাওয়ায় সরকার ঐটিকে (ঘুষ চাওয়াকে) বাংলা দেশের নিয়ম অনুযায়ী দুর্নীতি মনে করে নি, তাহলে মন্ত্রিত্ব বদলের জন্য সরকার এই সময়টা বেছে নিলো কেন ? এখানে সরকারের বিজ্ঞতার কোন পরিচয় পাওয়া যায় না ।

পদ্মা সেতুর যে পরিকল্পনা আমরা টেলিভিশন এ দেখি, তা সত্যি হলে, এটি পরিত্যাক্ত হলে বাংলাদেশের জন্য ভালো ও হতে পারে । বাংলাদেশের ভূনিম্নস্থ স্তর তেমন শক্ত নয় এবং তাতে অনেক ফাটল দেখা দিয়েছে । দুটি বাসের এবং একটি ট্রেনের লাইন এক পয়েন্ট এ নেয়াতে এবং এই কারনে তার উচচতা বেড়ে যাওয়ায় ভূস্তরে ফাটল ধরার সম্ভাবনা আরো বেড়ে যাওয়ার কথা । তার বদলে রেল লাইন আর বাস লাইন দূরে দূরে করা হলে উচচতা কম হতো এবং ভূস্তর নিরাপদ থাকতো । বঙ্গ বন্ধু সেতুতে রেল লাইন যোগ করার পরিনাম আমাদের জানা আছে ।

নাই বা হলো আপাতত পদ্মা সেতূ । মানুষের চলাচলের কষ্ট কমাতে সরকার ব্যবস্থা নিলেই তো মানুষ খুশী হবে । সরকার চেষ্টা করলে মাত্র কয়েক মাসে পাটুরিয়া দৌলত দিয়ার মাঝে একটা ভাসমান সেতূ তৈরী করে উত্তর দক্ষিন যাতায়াত একেবারে সহজ করে দিতে পারে ।

তবে, আমাদের কথা সরকার কানে নেবে, এমনটা আমরা আশা করি না, আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা তা বলে না । আমাদের শুধু ভয়, এই ভেবে যে,এই সরকার যে ভাবে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে তাতে আগামী নির্বাচনে তাদের পরাজয় হলে, যারা এই সরকারকে আন্তরিক ভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে, পরবর্তী সরকারের হাতে তাদের কি দূরবস্থা হবে । “মনে পড়ে খুলনার এরশাদ সরকারের কথা, মনে পড়ে তার অবিস্মরনীয় বাক্য – তোর কি হবে রে, কালিয়া “ । ধন্যবাদ ।

Md.Habibur Rahman khan

Md.Habibur Rahman khan

২০১২.০৭.০৫ ১২:৪৫
সরকারের উচিত বিশ্বব্যাংক এর অভিযোগ অনুযায়ী দুর্নীতি যে হয়নি তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে বিশ্ব ব্যাংক এমনকি সারা বিশ্বকে অ।স্থায় ফিরিয়ে অ।না । সত্যি বলতে কি কোনো দলকেই দেশের মানুষেরই এপর্যন্ত অ।স্থা অর্জন করতে পারে নাই ।

abeer

abeer

২০১২.০৭.০৫ ১২:৪৫
If Bd Army take the charge for the management of financial side in building the Padma bridge, I personally will donate 25,000 taka for the project.

MD. MAROF HOSSAIN

MD. MAROF HOSSAIN

২০১২.০৭.০৬ ১০:০৩
পদ্মা সেতুর দুনির্তির বেপারে আমাদের দেশের তথাকথিত সুশিল বুদ্ধিজীবিগন একতরফাভাবে সরকারকে দোষারুপ করছে যা উচিত বলে মনে হয় না । বলতে গেলে বিশ্ব ব্যাংকের নির্দেশে যোগাযোগ মন্ত্রী , সেতু সচিব, ও প্রকল্প পরিচালকেক অপসারণ করার পরও আচমকা ঋণ চুক্তি বাতিল করা, উদ্দেশ্য প্রনোদিত । যদি সরকার বিশ্ব ব্যাংকের সব শর্ত মেনে নিত বা এখনো নেয় তবে বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা সার্বভোমত্ব হারাবে । বিশ্ব ব্যাংকের উচিত একটি দেশের অভ্যন্তরিন বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা । তারা যদি সত্যিকারের সাহায্যকারি সংস্হা হয়ে থাকে তাহলে তেদর সিদ্ধান্ত পুর্নবিবেচনা করবে আর য়দি উদ্দেশ্য হয় একক আদিপত্ব বিস্তার করা তাহলে বিশ্ববাসী একদিন সোচ্চার হবে এটাই নিশ্চিত, এটাই বাস্তব ।