রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অব্যবহূত জমির বাণিজ্যিক ব্যবহার হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৫-০৭-২০১২

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পকারখানার আওতাধীন অব্যবহূত জমি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের বিষয়ে কাজ শুরু করেছে বেসরকারীকরণ কমিশন।
এই লক্ষ্যে এখন সরকারি নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে। এই নীতি তৈরির জন্য গঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম সভা গতকাল বুধবার বেসরকারীকরণ কমিশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান।
বৈঠক শেষে বেসরকারীকরণ কমিশনের চেয়ারম্যান মির্জা আবদুল জলিল সাংবাদিকদের বলেন, কমিশনের উদ্যোগে এরই মধ্যে যে জরিপ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন শিল্পকারখানায় প্রায় এক হাজার ২৮৮ একর জমি অব্যবহূত রয়েছে। এসব জমি বাণিজ্যিকভাবে বরাদ্দ দেওয়া হলে এই খাত থেকে প্রতিবছর সরকারের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা আয় হবে।
মির্জা আবদুল জলিল আরও বলেন, অব্যবহূত জমি শুধু শিল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার ব্যাপারে কমিটি একমত হয়েছে। আর এ জন্য জমিগুলোর ক্রয়মূল্য ও বর্তমান বাজারমূল্য কত তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
কমিশন সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি করপোরেশন ও বোর্ডের আওতাধীন প্রায় ৩৭টি শিল্পকারখানায় এক হাজার ২৮৮ একর জমি অব্যবহূত রয়েছে। এসব জমি সরকার বাণিজ্যিকভাবে দীর্ঘ মেয়াদে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মধ্যে বরাদ্দ দিতে আগ্রহী। কত বছরের জন্য, কত দামে এসব জমি বরাদ্দ দেওয়া হবে—এর পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরি করবে কমিটি।
তবে প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বেসরকারীকরণ কমিশনের সদস্যরা মনে করছেন, অব্যবহূত জমির মধ্য থেকে একেকটি শিল্পের জন্য পাঁচ একর করে বরাদ্দ দেওয়া হলে প্রায় ২৫৭টি নতুন শিল্প গড়ে উঠতে পারে।
কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারীকরণের ক্ষেত্রে শুধু ততটুকু জমিই বিক্রি করা হবে, যা শিল্পটির জন্য ব্যবহূত হয়েছে। ওই শিল্প এলাকায় অব্যবহূত যেসব জমি থাকবে, তা দীর্ঘ মেয়াদে বাণিজ্যিকভাবে নতুন শিল্প তৈরির জন্য ইজারা দেওয়া হবে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
আপনার মতামত দিন