শিরোনাম:

  • হোম
  • প্রথম পাতা
  •   আম-বাণিজ্যের জন্য ছাত্রলীগকে ফুটপাত বরাদ্দ দিল ডিসিসি

আম-বাণিজ্যের জন্য ছাত্রলীগকে ফুটপাত বরাদ্দ দিল ডিসিসি

শরিফুল হাসান | তারিখ: ২৬-০৬-২০১২

  • ৭০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
রাজধানীর পান্থপথ এলাকার ফুটপাত দখল করে চলছে আমের মেলা। ছাত্রলীগের নেতাদের নামে এই বরাদ্দ দিয়েছ

রাজধানীর পান্থপথ এলাকার ফুটপাত দখল করে চলছে আমের মেলা। ছাত্রলীগের নেতাদের নামে এই বরাদ্দ দিয়েছে ঢাকা সিটি করপোরেশন

ছবি: প্রথম আলো

মানুষের হাঁটাচলার জন্য ফুটপাত। অথচ রাজধানীর কিছু এলাকার ফুটপাত আমের দোকানের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) দক্ষিণ। এসব বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাদের নামে। তবে দোকান চালাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, মতিঝিল, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগসহ বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতে দোকানের পর দোকান সাজিয়ে চলছে আমের মেলা। কোনোটির বরাদ্দ আছে আবার কোনোটির নেই। গত মাস থেকে এসব মেলা শুরু হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিটি করপোরেশনের একশ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় থানা ছাত্রলীগের নেতারা এসব ফুটপাত বরাদ্দ নিয়েছেন। প্রতি বর্গফুট ফুটপাত বরাদ্দ পেতে তাঁরা সিটি করপোরেশনকে দিয়েছেন পাঁচ টাকা করে। কিন্তু তাঁরা একেকটি দোকান বরাদ্দ দিতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়েছেন ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত।
ছাত্রলীগের নেতাদের নামে ফুটপাত বরাদ্দ দেওয়াসংক্রান্ত সিটি করপোরেশনের একাধিক চিঠি প্রথম আলোর কাছে আছে। যেমন, ৪৬,২০৭,০০০, ১৩,০১ ১৭২৩ ২০১২ স্মারক নম্বরের চিঠিতে সিটি করপোরেশন ধানমন্ডির সীমান্ত স্কয়ারের বিপরীতে লেকসংলগ্ন ফুটপাতে মেলা করার অনুমতি দিয়েছে হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতি বর্গফুট পাঁচ টাকা হারে ৩২০ বর্গফুট জায়গা এক হাজার ৬০০ টাকায় ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলো। মোট আটটি শর্তে এক মাসের জন্য এই বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২ ও ৩ নম্বর শর্তে বলা হয়েছে, জন ও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো যাবে না। অথচ ফুটপাত বরাদ্দ দিলে সেখানে চলাচল সম্ভব নয়। এ ছাড়া প্রথম শর্তে বলা হয়েছে, বর্ণিত জায়গার মালিকানা দাবি করা যাবে না। এ বিষয়ে কোনো মামলা করা যাবে না। বরাদ্দের এ চিঠিতে সই করেছেন সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা।
জানতে চাইলে হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা মৌসুমি আমের মেলা করতে সিটি করপোরেশনে আবেদন করেছিলাম। ডিসিসি অনুমতি দিয়েছে। আমাদের ছেলেরাই দোকান চালাচ্ছে। আমরা বৈধভাবেই সব করছি।’
নিউমার্কেট ক্রসিং চত্বরে ফুটপাতে আমের মেলা করার অনুমতি পেয়েছেন নিউমার্কেট থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। অভিযোগ উঠেছে, এখানে ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দিতে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতারা।
এ বিষয়ে নিউমার্কেট থানা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম সোহেল রানা বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই আমরা এই আমের মেলা করছি। ছাত্রলীগের ছেলেরাই এখানে দোকান চালাচ্ছে। তবে একটি দোকান আমরা ইস্পাহানি গ্রুপকে দিয়েছি।’ বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ও আমার সাধারণ সম্পাদকের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
এলিফ্যান্ট রোডে বাটা মোড়ে সড়কদ্বীপে আমের মেলা করার অনুমতি পেয়েছেন নিউমার্কেট থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিজান ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ। মিজান বর্তমানে যুবলীগের ও ফরিদ স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
আমের মেলার জন্য ফুটপাত বরাদ্দ দেওয়ায় ভয়াবহ অবস্থা হয়েছে পান্থপথ এলাকায়। এখানে বসুন্ধরা সিটির উল্টো দিকের ফুটপাতজুড়ে আমের মেলা চলছে। ফলে এ এলাকায় মানুষের হেঁটে চলা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এখানকার ফুটপাতের বরাদ্দ পেয়েছেন ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজিমউদ্দিন।
এখানকার একটি আমের দোকানি রুহুল আমিন নিজেকে ব্যবসায়ী দাবি করেন। দোকান বরাদ্দ নেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি এসব নিয়ে কথা বলতে পারব না। যুবলীগের পারভেজ ভাই আমাকে সব করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেউ এলে যেন তাঁর নাম বলি।’ কোত্থেকে আম আনেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে।
আরেক দোকানি মোহাম্মদ রাসেল জানান, ছাত্রলীগের নেতা নাজিমউদ্দিনের অনুমতি নিয়ে তিনি দোকান দিয়েছেন। রমজান মাস পর্যন্ত তিনি দোকান চালাবেন।
জানতে চাইলে নাজিমউদ্দিন বলেন, ‘ডিসিসি থেকে অনুমতি এনে ছাত্রলীগের ছেলেরা দোকান করছে। এখানে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নেই।’
পান্থপথে ‘আমের মেলা’ নামের একটি দোকানের মোহাম্মদ ইয়াকুব জানান, তাঁরা পাঁচজন মিলে ৭০ বর্গফুটের এই দোকান নিয়েছেন। কানসাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আম আনেন। কার কাছ থেকে বরাদ্দ নিয়েছেন, জানতে চাইলে বলেন, ‘দোকানের অনুমতি দিয়েছেন ফারুক ভাই। কিছু হলে তাঁরা দেখবেন বলেছেন।’
এই ফারুক হলেন কলাবাগান থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদি হাসান ওরফে ফারুক। তিনি বলেন, ‘এলাকার ফল ব্যবসায়ী আক্কাস ও ইয়াকুব আমাদের অনুমতি এনে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। তাঁদের অনুরোধেই আমরা সিটি করপোরেশন থেকে অনুমতি এনে দিয়েছি।’ বিনিময়ে কী পেয়েছেন, জানতে চাইলে বলেন, ‘না, আমরা কিছু নিইনি।’
পান্থপথের ফুটপাতজুড়ে এত আমের দোকানের বিষয়ে জানতে চাইলে কলাবাগান থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ফারুক ও আমার নামে এখানে চারটি দোকান বরাদ্দ দিয়েছে সিটি করপোরেশন। অন্য দোকানগুলো সম্পর্কে আমরা জানি না। এলাকার ছেলেরা এই দোকানগুলো করেছে। সেখান থেকে আমরা এক টাকাও নিইনি। একটা আমও ধরে দেখিনি।’ আপনাদের বরাদ্দ পাওয়া দোকানগুলো কারা চালাচ্ছে, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তো ব্যবসা জানি না। আমরা অনুমতি এনে দিয়েছি। ছাত্রলীগের ছেলেদের সঙ্গে ব্যবসায়ীরা মিলে ব্যবসা করছেন।’
ধানমন্ডি মাঠের পাশে আমের মেলা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এখানে দোকান চালাচ্ছেন ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন। তাঁকে যেন কেউ বিরক্ত না করে তা দেখছে থানা ছাত্রলীগ। এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের সভাপতি সুজাউদ্দিন তুহিন বলেন, ‘আমরা নিজেদের নামে অনুমতি নিইনি। ইসমাইল ভাই এলাকার মানুষ। তিনি ব্যবসা করতে চেয়েছেন। আমাদের অনুরোধ করেছেন এলাকার কেউ যেন বিরক্ত না করে। আমরা সেটিই করছি।’
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, আমের মেলার জন্য ছাত্রলীগের নেতাদের ফুটপাত বরাদ্দের বিষয়ে যোগসাজশ রয়েছে সিটি করপোরেশনের জরিপকারী মিজানুর রহমানের। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি কেবল সরেজমিনে সুপারিশ করে আমার মতামত দিয়েছি। ডিসিসির প্রশাসক থেকে শুরু করে সবাই বিষয়টি জানেন। তাঁদের অনুমতি ছাড়া কিছু হয় না।’
জানতে চাইলে সিটি করপোরেশন দক্ষিণের সম্পত্তি কর্মকর্তা বেলাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেলার নামে ফুটপাত বরাদ্দ দেওয়া আসলেই সমীচীন নয়।’ তাহলে কেন দিলেন জানতে চাইলে বলেন, ‘জনগণের চাপ থাকলে, চাহিদা থাকলে দিতে হয়।’ জনগণ কারা? তিনি বলেন, ‘আমরা তো মাত্র চারটি জায়গায় অনুমতি দিয়েছি। কিন্তু মেলা চলছে অনেক জায়গায়। সেসব জায়গায় কীভাবে চলছে আমরা জানি না।’
ঢাকা মহানগর পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, এমনিতে ভয়াবহ যানজট। ফুটপাত বরাদ্দ দেওয়ায় যানজট আরও বেড়েছে।
কতটা রাসায়নিকমুক্ত: ফুটপাতের এসব আমের মেলার দোকানিদের দাবি, তাঁদের আম শতভাগ রাসায়নিকমুক্ত এবং সরাসরি রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আনা। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। বাংলাদেশ মান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠানের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালত বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে এমন কিছু দোকানকে জরিমানা করেছেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রাসেলুল কাদের প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে ধানমন্ডি ও রামপুরা এলাকায় ফুটপাতে বসা এমন মেলায় অভিযান চালিয়েছি। কোনোটিতেই আমরা রাসায়নিকমুক্ত আম পাইনি। বরং যেখানে রাসায়নিকমুক্ত বলা হয় সেখানে সমস্যা থাকে আরও বেশি।’
আরেকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ জানান, শিগগিরই তাঁরা আবার অভিযান শুরু করবেন।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Pothik

Pothik

২০১২.০৬.২৬ ০২:৪৫
Nothing new and nothing to be worried about.

Zulfikar

Zulfikar

২০১২.০৬.২৬ ০৩:০৭
কিছু বলার ভাষা নাই। এদের ক্ষেত্রে আমি কম ইমানের অধিকারী, মনে মনে ঘৃনা করি এদেরকে।

Modesser Ali

Modesser Ali

২০১২.০৬.২৬ ০৩:১৭
কোন কোন জায়গায় নিয়ম নেই সেইটা কোন খবর নয় এখন। কিন্তু কোথায় কোথায় নিয়ম এই সরকারের আমলে টিকে আছে সেটাই খবর হতে পারে।

২০১২.০৬.২৬ ০৪:২১
আওয়ামিলীগ সরকার দেশটারে মঘের মুল্লুক বানায়ে ছাড়ল।

shofiqur rahman

shofiqur rahman

২০১২.০৬.২৬ ০৪:৩৫
শেখ হাসিনার সোনার ছেলেরা ।

M A ARAFIN

M A ARAFIN

২০১২.০৬.২৬ ০৪:৪১
I believe they will get all the toilet cleaning contracts as well in future.

Maniur Rahman

Maniur Rahman

২০১২.০৬.২৬ ০৫:৩৭
এটা এমন কি আর, ঢাকা ভাগের ফল!

Anwar Kamal

Anwar Kamal

২০১২.০৬.২৬ ০৫:৫১
Violation of law.

Nigar Sultana

Nigar Sultana

২০১২.০৬.২৬ ০৬:১৩
দারুন ব্যবসাতো! আমাদের সময়তো এই আইতডিয়া আসেনি। আসলেই আইডিয়াগুলো ডিজিটাল।

আহমাদ ইউসুফ শরীফ

আহমাদ ইউসুফ শরীফ

২০১২.০৬.২৬ ০৬:৫৫
ছাত্রলীগের এই দৌড়াত্ব আমাদের মত সাধারন আওয়ামী লীগারদের জন্য যথেষ্ঠ বিব্রতকর।

বাবুল করিম

বাবুল করিম

২০১২.০৬.২৬ ০৮:৪৮
শাবাশ ছাত্রলীগ, যত পার লুটেপুটে নাও; এখন সুযোগ আছে তাই রাষ্ট্র তোমাদের মদদ দিচ্ছে। মনে রেখো, এখানেই শেষ নয়; অদূর ভবিষ্যতে হয়তো এর জন্য বিচারের মুখোমুখি হতেও পার (যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসে।)

Habib_Sumon

Habib_Sumon

২০১২.০৬.২৬ ০৮:৫২
ওরা এখনো ছোট আর শিক্কানবিশতো এ জন্য ছোট খাটো কাজ দিয়ে হাতেখড়ি দেওয়া হছছে।

shawon

shawon

২০১২.০৬.২৬ ০৮:৫৭
আইনের এবং দেশের রক্ষক নাকি ভক্ষক!!!!!!!!!!

Nasir Uddin (Al Ain,UAE)

Nasir Uddin (Al Ain,UAE)

২০১২.০৬.২৬ ০৯:২১
আমাদের সাংবাদিক ভাইদের কোন কাজ নাই নাকি ?? আমাদের দেশের সোনার ছেলেরা জনসেবা করছে। আর সোনার ছেলেরা জা করে সবই বৈধ।

joy

joy

২০১২.০৬.২৬ ০৯:৪০
all the peoples whose are working for digital league is very much efficient and that's why do not wants to keep free our footpath bcs it seems wastage of land for them....................

২০১২.০৬.২৬ ০৯:৪৫
উপর ওয়ালারা কেউ পদ্মা সেতুর কমিশন, কেউ শেয়ার মার্কেটের কমিশন, কেউ কুইক রেন্টাল বরাদ্দ পাচ্ছে, তার নিচের কেউ বিনা টেন্ডারে কাজ পাচ্ছে কেউ শুল্কমুক্ত গাড়ি ‍আমদানির লাইসেন্স পাচ্ছে, তার নিচের লোকজন ভিজিএফ কার্ড, বয়স্কভাতা- দুস্থভাতা কার্ড পাচ্ছে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতারা বড় বড় টেন্ডার পাচ্ছে,তো পাতি নেতাদেরও তো কিছু হক ‍আছে তাই না ? তা’নাহলে টাকা জোগাড় করার জন্য মানুষের পকেটে হাত দিতে হবে। প্রয়োজনের সময় এদের হাতেই তো লগী- বৈঠা থাকে। মনের জোরটা ধরে রাখতে হবে না ?

২০১২.০৬.২৬ ০৯:৪৭
যারা অপরাধ করতে উতসাহ দেয় তারা কি করে বলে বাংলাদেশ সোনার দেশ, কিভাবে আমরা ৭১ এর চেতনায় বিশ্বাসী । ৭১ কি তাদের এটা শিখিয়েছে।

amjad khan

amjad khan

২০১২.০৬.২৬ ১০:০৫
জন ও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো যাবে না। এক দিকে ফুটপাতের রাসতা, অন্যদিকে বরাদ্দ- কেন? ছাত্রলীগ অন্য কোন জায়গা দেখে নাই? মনে হয় ইভজিটিং বাড়ানোর জন্য রাসতায় এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

২০১২.০৬.২৬ ১০:১৩
১। ডিসিসি শর্ত দিল জন ও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো যাবে না। অথচ ফুটপাত বরাদ্দ দিলে সেখানে চলাচল সম্ভব নয়। প্রদত্ত ছবিটিই বলে দিচ্ছে জন চলাচল বিঘ্ন ঘটেছে কিনা। বৃষ্টির কাদামাখামাখি দিনে পথচারীদের কতযে দুর্ভোগ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবেনা। আর যদি কেউ অসুস্থ হয়ে যান তারকাছে এই ফুটপাত মৃত্যুকূপ হয়ে যায়।
২। ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের কাছে যে ফুটঅভার ব্রিজ আছে মাত্র ৪ফুট প্রশস্থ এই অভার ব্রিজটি ৮০ % হকারদের দখলে। ওঠানামার সিড়িগুলিও ভাঙ্গা আর পিচ্ছিল। আর সিড়ির মুখে মানুষের জীবন্ত বিষ্টা। তিলোত্তমা ঢাকা যে কী দশা !
৩। ফুটপাত বরাদ্দ দেওয়াটা কোন আইনে আছে কিনা ? আমরা একেমন আজবদেশে বাস করছি। আমরা কি কোনদিনই শোধরাবো না। এভাবে আর কতকাল!

nasir

nasir

২০১২.০৬.২৬ ১০:২০
প্রতি বর্গফুট ফুটপাত বরাদ্দ পেতে তাঁরা সিটি করপোরেশনকে দিয়েছেন পাঁচ টাকা করে। কিন্তু তাঁরা একেকটি দোকান বরাদ্দ দিতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়েছেন ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত। " সেষ পর্যন্ত দুর্নীতি আমের উপর ও বাদ পড়েনি"

২০১২.০৬.২৬ ১০:২১
This is just looting of public property!

nasir

nasir

২০১২.০৬.২৬ ১০:২২
ফুটপাত কারো দোকান বরাদ্ধের জন্য নহে। জনগনের হাটাচলার স্থান, অতি তারতারি এখান থেকে আম বাণিজ্য সরিয়ে নেয়া হোক।

Mohammad Nuruddin Jahangir

Mohammad Nuruddin Jahangir

২০১২.০৬.২৬ ১০:২৬
ভাই দেশটাতো আউয়ামিলিগের তাইনা ?

হিমেল ৭১৭

হিমেল ৭১৭

২০১২.০৬.২৬ ১০:৪৮
ঢাকা ভাগ করার উদেশ্য কি তাহলে এটা ?

Mahbub Manik(Chourhash,Kushtia)

Mahbub Manik(Chourhash,Kushtia)

২০১২.০৬.২৬ ১০:৫৩
আজব তো! এটা কোন রিপোর্ট হলো, আমের ব্যবসা ছাত্রলীগ করবে নাতো শিবির করবে নাকি।

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.০৬.২৬ ১১:০৪
এরা ক্ষমতার বরপুত্র। কোন কিছু করতে এদের নেই মানা।

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৬.২৬ ১১:০৯
মানুষ হাটে সামনের দিকে, আর কথায় বলে, ভূত হাটে পেছন দিকে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ যেখানে সম্মূখ দিকে হাটছে, সেখানে আমাদের দেশটা কি দিন দিন মানুষের দেশ থেকে ভূতের দেশে পরিনত হচ্ছে !

মাহাতাব

মাহাতাব

২০১২.০৬.২৬ ১১:১১
বাংলাদেশ আমলীগ@@!!

Syed Md. Mahmudul Islam

Syed Md. Mahmudul Islam

২০১২.০৬.২৬ ১১:১৩
ভাবে মনে হয় দ্যাশ টাই তােগা !!!!!!!

সফিকুল ইসলাম সুমন

সফিকুল ইসলাম সুমন

২০১২.০৬.২৬ ১১:১৬
ঢাকার ফুটপাতকে উন্মুক্ত করার জন্য ( যানজট নিরসনের জন্য) ফ্রাইডে মার্কেট চালু করা হয়েছে, এখন যদি সেই ফুটপাতকে সরকারদলীয় কোন সংগঠনকে ব্যবসা করার জন্য লিজ দেওয়া হয়- তাহলে যানজট নিরসনে এটা কেমন পদ্ধতি ? সংশ্লিস্ট নীতিনির্ধারকরাই বলতে পারেন ।

Rasebul

Rasebul

২০১২.০৬.২৬ ১১:১৯
হাসিনার সোনার ছেলেরা হা হা হা হা !!!

Md. Ruhul Alam Sharif

Md. Ruhul Alam Sharif

২০১২.০৬.২৬ ১১:১৯
ছাত্রলীগ এর ছেলেদের ''সোনার ছেলে'' বলে ছোট করবেন না।
২০১২.০৬.২৬ ১১:২৩
তাইতো বলি, খোকাকে সরানোর জন্য এত তোড়জোড় শুরু হয়েছিল কেন?

Muhammad salahuddin

Muhammad salahuddin

২০১২.০৬.২৬ ১১:২৪
যাত্রা শুরু হলো "বাংলাদেশ আম লিগ"-র।

didarul islam

didarul islam

২০১২.০৬.২৬ ১১:২৮
What a moment ! Now footpath ..............................
২০১২.০৬.২৬ ১১:৪১
'যেখানে রাসায়নিকমুক্ত বলা হয় সেখানে সমস্যা থাকে আরও বেশি।’...............

nazrul

nazrul

২০১২.০৬.২৬ ১১:৫৩
aকসময় দেখবেন আপনার বাসার বারনদা বরাদ্দ হোে গেসে ফিলদিং মারার জনন

delwar hossain

delwar hossain

২০১২.০৬.২৬ ১১:৫৬
এই কি সুশাসনের নমুনা নাকি বঙ্গবন্ধুর সপ্ন বাস্তবায়নের একটি পদেক্ষপ তা মাননীয় সরকার প্রধানের কাছে যানতে চাই ।

Badruddozza

Badruddozza

২০১২.০৬.২৬ ১২:০৬
In this way political parties are destroying a significant number of young people of the country.

Forhad

Forhad

২০১২.০৬.২৬ ১২:১০
পরধান মনএি বলেছেন, আওয়ামীলিগ খমতায় আসে জনগনকে কিছু দেওয়ার জন্য .... ছাএলীগ কি জনগনের অংশ নয় ????
২০১২.০৬.২৬ ১২:১০
লে হালুয়া..এবার ফুটপাত দখল করে আমের ব্যাবসা..?

Habib_Sumon

Habib_Sumon

২০১২.০৬.২৬ ১২:১২
বাহ! ভাবতেই কত ভাল লাগে, ছাএ গুলো পড়ালেখা বাদ দিয়ে আম ব্যাবসায় ঝুকে পরেছে। এ জন্যই কি তাদেরকে সোনার ছেলে বলা হয় ????

s rahman

s rahman

২০১২.০৬.২৬ ১২:১৪
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে আম ব্যবসায়ীরা অনেক পাপ করেছে। সেই পাপ কিছুটা হলেও মোচন করতে পারে তারা। কেমনে? প্রতিদিন ছাত্রলীগ ভাইদেরকে ফ্রিতে রূপালী রংয়ের সুন্দর সুন্দর আম তাদেরকে মাস খানেক খাওয়াতে পারলেই কেল্লাফতে।

alamin

alamin

২০১২.০৬.২৬ ১২:১৪
ছাত্রলীগের নেতারা এখন আম ব্যবসায়ী !!!!!!!!!!! আর কি আছে ব্যবসার বাকি আছে !!!!

Md. Lokman Uddin

Md. Lokman Uddin

২০১২.০৬.২৬ ১২:১৫
যাক বাবা গরীব লোকেরা সস্থায় আম কিনতে পারবে !!!-!!-!!!

mustafizur

mustafizur

২০১২.০৬.২৬ ১২:১৬
ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা ব্যবসা করছে, ভাল কথা, চাদাবাজি ত আর করছে না ।

Jahangir Hossain

Jahangir Hossain

২০১২.০৬.২৬ ১২:২০
দেশের প্রতিটি জেলা শহর বা রাজধানীর ফুটপাতের দিকে তাকাইলে অন্তত একটা বিষয় নিশ্চিত হওয়া যায় যে এই দেশের মানুষের কত দুরাবস্থা। সংশারের ৪/ ৫ জনার মুখে দু'মুঠো ভাত তুলে দিতে বা নিজেকে একটু বাঁচিয়ে রাখার তাগিদে শ্রম বিনিয়োগে মানুষ ফুটপাতে এসে দাড়িয়েছে। জানা যায় এসব ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিশ ভাগ আইএ- বিএ পাস। যদিও সরকারের অনুমতি নেই এসব স্থানে ব্যবসা করার অথচ দৈনিক লক্ষ কোটি টাকা ঐ সব জায়গা থেকে উত্তলন করে তোলাবাজ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী, এবং দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তারা।

২০১২.০৬.২৬ ১২:৩৩
ছাত্র লীগের আম! আহা! ফরমালিন মুক্ততো অবশ্যই!
২০১২.০৬.২৬ ১২:৩৪
আমাদের সরকার আসুক তারপর দেখাব.

Mohammed Arifur Rahman Chowdhury

Mohammed Arifur Rahman Chowdhury

২০১২.০৬.২৬ ১২:৪০
Dear Administrator of DCC (North & South)
why only allocate the footpath? Please allocate all roads to do business. people's do not need the roads.

Jahan

Jahan

২০১২.০৬.২৬ ১২:৪২
Student- Street business .. DCC .. is it true !!? then Shame .. Shame but this is normal there in Bangladesh

sayed Ahmed

sayed Ahmed

২০১২.০৬.২৬ ১২:৪২
Nothing rest except Putpath ( BANK , MLM, Share bazar, ) now they started ------------------------------

big hand for golden boy !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

Rasebul

Rasebul

২০১২.০৬.২৬ ১২:৪৭
ছাত্রলীগ হল সোনার ছেলরে দল, এরা সব পারে!!!

২০১২.০৬.২৬ ১৩:০৮
খোদা তুমি এই এদের বিচার করো।

shawon

shawon

২০১২.০৬.২৬ ১৪:৩৪
আমাদের দেশে কি নাই, এই দেশের মাটিতে প্রাকৃতিকভাবে গ্যাসের খনি, কয়লার খনি, চুনাপাথরের খনি আছে, কিছুদিন আগে আবার তেলের খনি পাওয়া গেছে এর পরো আমরদের দেশের মানুষের দুঃখ কষ্টের সীমা বেড়েই চলেছ দিন দিন, এর এক মাত্র কারণ এই দূর্নীতিবাজ প্রশাসন।

Atif

Atif

২০১২.০৬.২৬ ১৪:৪৭
তবু েতা ভােলা েয, পুেরা রাস্তা েদয় িন।

Shahabuddin Ahmed

Shahabuddin Ahmed

২০১২.০৬.২৬ ১৪:৫৬
বাবারা ফুটপাত পর্যন্ত খেয়ে ফেললে ! এর পর অার কি খাবে ?

Saiful hassan

Saiful hassan

২০১২.০৬.২৬ ১৪:৫৬
আরে ভাই এটা আর নতুন কি.........সরকার তো তাদেরকে পুরো দেশই বরাদ্দ দিয়ে দিয়েছে। ;)

jakir hussain

jakir hussain

২০১২.০৬.২৬ ১৭:০৫
এ তো আমের অসুখ ! আনো পাকা খাটি আম, পাবে অনেক ইনাম !

jakir hussain

jakir hussain

২০১২.০৬.২৬ ১৭:৩১
এখন সময় এসেছে, আইন করে দূর্নীতিকে বৈধতা দেয়ার ! কারন গন ভবন থেকে সড়ক ভবন ! রাজপথ থেকে ফুটপাত , বাংলার আনাচে কানাচে আজ দূর্নীতি আর দূর্নীতি !
২০১২.০৬.২৬ ১৮:১১
দুদক কে দ্রুত তদন্ত করার দায়িত্ব দিয়ে দিন ।

zkarim

zkarim

২০১২.০৬.২৬ ১৮:৫৬
ওমা বলে কি!দেশটা কাদের দেখতে হবে না । ছাএ লীগ কে না দিয়ে ছাএদল কে দেবে। পাগল না কি??????????????

Saleh Arefin

Saleh Arefin

২০১২.০৬.২৬ ১৯:১১
আইন ভাঙ্গা হল বুঝলাম, কিন্তু আমগুলো ফরমালিন মুক্ত কিনা সেটাই ভাববার বিষয়।
২০১২.০৬.২৬ ২০:৪০
I am an old guy. I have no private car. I have only two legs. Can you give me a little space to walk on footpath......

Nazrul islam

Nazrul islam

২০১২.০৬.২৬ ২০:৪১
সবকিছুরই একটা শেষ আছে। ক্ষমতার দাপট দিয়ে একটা সময় পর্যন্ত টিকে থাকা যায়। তারপর ধস নামতে থাকে। সেই ধস ডেকে আনে পতন। এর উদাহরণ আমাদের ধারে-কাছেই অজস্র। বেশি দূরে যাওয়ার দরকার নেই। সেজন্য সরকারের কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা, যাদের মধ্যে কিঞ্চিত শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে, তাদের কথায় কান দিন। নিজেদের শুধরে নিন। এখনও হাতে দেড় বছর সময়। নইলে পরে পস্তাবেন। কারণ যে গতিতে এই সরকার অধঃপতিত হচ্ছে, তার শেষ অসম্মানে।

Hasan Abdullah

Hasan Abdullah

২০১২.০৬.২৬ ২১:১৯
চাপাতি নিয়া কোপাকোপি করার চেয়ে আমের ব্যাপারী হওয়া ভাল।
২০১২.০৬.২৬ ২১:৫১
এই আওয়ামীলীগের ভাবিষৎ যে কি হবে তা ভাবলেই গা শিঁউরে উঠে! এরা বিএনপির চাইতেও খারাপ পজিশনে চলে যাচ্ছে। আল্লাহ্ তুমি এদের হেদায়েত কর!

Borhan

Borhan

২০১২.০৬.২৬ ২৩:০১
its better than tender baji .good work at least earn money with hard work ,honest way boys

Ataur rahman

Ataur rahman

২০১২.০৬.২৬ ২৩:০৬
নতুন আইডিয়া , নতুন ছাত্রলীগ এর।

Shurid Aziz

Shurid Aziz

২০১২.০৬.২৬ ২৩:৫৫
এরকম হরহামেশাই হয়ে আসছে, আজ Prothom-alo তে এল এই যা।