শেষ শ্রদ্ধায় শায়িত মোজাফফর আহমদ
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের প্রতি আজ বুধবার সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। তাঁর প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বাদ জোহর ধানমন্ডির পুরোনো ঈদগাহ ময়দানে। জানাজায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিপুলসংখ্যাক মানুষ যোগদান করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিচারপতি হাবিবুর রহমান, ড. কামাল হোসেন, অধ্যাপক রেহমান সোবহান, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এম সাঈদুজ্জামান, নজরুল ইসলাম খান, সাংসদ ফজলে নূর তাপস, সৈয়দ আবুল মকসুদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, তৌফিক আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।
জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের কর্মস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ প্রাঙ্গণে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাড়ি পৌঁছায় বেলা সোয়া দুইটার দিকে। আড়াইটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শিক্ষক-ছাত্রসহ সর্বস্তরের মানুষ মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সাংসদ রাশেদ খান মেনন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, আইন ও সালিস কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ, সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রমুখ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজিমপুর কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় দাফনের জন্য। সেখানে মোজাফফর আহমদের ইচ্ছা অনুসারে তাঁর মায়ের কবরের ওপরই চিরনিদ্রায় সমাহিত করা হয় তাঁকে।
জানাজায় অংশ নেওয়া ও শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিশিষ্ট ব্যক্তিরা গণমাধ্যমের সঙ্গে বিক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় মোজাফফর আহমদের কর্মমুখর জীবনের বিভিন্ন দিকে আলোকপাত করেন। এ সময় তাঁরা বলেন এই কৃতী শিক্ষক শিক্ষকতা ও অর্থনীতি চর্চার পাশাপাশি দেশের নাগরিক সমাজকে বিভিন্ন বিষয়ে সক্রিয় ও সচেতন হতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তাঁরা আরও বলেন, মোজাফফর আহমদ দুর্নীতি প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে যে অবদান রেখেছেন, তা দৃষ্টান্তমূলক ও অনুসরণীয়।
কুলখানি শুক্রবার: আগামী শুক্রবার বাদ আসর ধানমন্ডিতে তাকওয়া মসজিদে (লেক-সংলগ্ন) মোজাফফর আহমদের কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন






