শিরোনাম:

কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা

মোহাম্মদ মাহবুবুল হক | তারিখ: ২৬-০৩-২০১২

  • ৫৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম

জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম

মুক্তিযুদ্ধের সূচনাতেই ২৬ মার্চ দুপুরে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ঘোষিত স্বাধীনতার বেতার ঘোষণা প্রচারের জন্য ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’-এর গোড়াপত্তন হয়। পাকিস্তান সরকার কর্তৃক পরিচালিত সামরিক গণহত্যার খবর, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা এ বেতারকেন্দ্র থেকেই প্রচারিত হয়। এ বেতারকেন্দ্র থেকে সর্বশক্তি দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর মোকাবিলা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়। গণহত্যা শুরুর আগে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বিদেশি সাংবাদিকদের বহিষ্কার এবং সংবাদ প্রচার ও প্রকাশের ওপর সামরিক আইনের কড়াকড়ির কারণে এ সময়ের আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমকে বাংলাদেশ বা পূর্ব পাকিস্তানের বিষয়গুলোর জন্য প্রধানত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বিষয়ের ওপরই নির্ভর করতে হয়। পাকিস্তান সরকারের প্রচারণার বিরুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রচারযুদ্ধে নেমে মুক্তিযুদ্ধের ‘দ্বিতীয় ফ্রন্ট’ হিসেবে কাজ করে।
চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র আগ্রাবাদে অবস্থিত বেতার ভবন ও কালুরঘাট ট্রান্সমিটার—এ দুটির সমন্বয়ে গঠিত। আগ্রাবাদ বেতার ভবন থেকে অনুষ্ঠান টেলিফোন লাইন, এফএম ট্রান্সমিটার অথবা এক্সটিএলের মাধ্যমে কালুরঘাট ট্রান্সমিটারে পাঠানো হতো। কালুরঘাট ট্রান্সমিটার তা গ্রহণ করে ৩৪৪.৮ মিটার বা ৮৭০ কিলোহার্জে তা প্রচার করে। কালুরঘাট সম্প্রচারকেন্দ্রে একটি ছোট স্বয়ংসম্পূর্ণ ইমারজেন্সি স্টুডিও ছিল। চট্টগ্রাম বেতারের প্রচারক্ষমতা ছিল ১০ কিলোওয়াট, ইমার্জেন্সি স্টুডিও ব্যবহারের সময়ও ওই ১০ কিলোওয়াট ক্ষমতাই ব্যবহূত হতো। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারক্ষমতাও ছিল ১০ কিলোওয়াট। কালুরঘাট সম্প্রচারকেন্দ্রটির অবস্থান চান্দগাঁও এলাকায়, বর্তমানে বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালের উত্তর পাশে অবস্থিত।
২৫ মার্চ মধ্যরাতের পর, অর্থাত্ ২৬ মার্চের প্রথমার্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা পাওয়ার পর চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতারা, এমনকি স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ সাধারণ জনগণ তা হাতে লিখে, সাইক্লোস্টাইল করে, মাইকিং করে ব্যাপকভাবে প্রচার করে। ২৬ মার্চ সকালে আওয়ামী লীগ ও চট্টগ্রাম সংগ্রাম পরিষদের নেতারা আখতারুজ্জামান বাবুর বাসভবন ‘জুপিটার হাউস’-এ এক বৈঠকে মিলিত হন এবং স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেন। ডা. জাফর ঘোষণাটি বাংলায় মুসাবিদা করেন এবং কমিটি তা অনুমোদন করে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, জহুর আহমদ চৌধুরী, এম আর সিদ্দিকী, অধ্যাপক নূরুল ইসলাম চৌধুরীসহ চট্টগ্রামের এমএনএ/এমপিএদের মধ্যে যাঁরা চট্টগ্রাম শহরে আছেন, তাঁরা একত্রে বেতারকেন্দ্রে যাবেন এবং জহুর আহমদ চৌধুরী স্বাধীনতার ঘোষণা বেতারে প্রচার করবেন।
উল্লেখ্য, ২৬ মার্চ প্রভাতি অধিবেশনের জাতীয় অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে সামরিক আইনের ধারাসমূহ প্রচারিত হওয়া মাত্রই চট্টগ্রাম বেতারের কর্তব্যরত স্বাধিকার চেতনায় উদ্বুদ্ধ কর্মীরা তাত্ক্ষণিকভাবে আগ্রাবাদ বেতার ভবন ও কালুরঘাট সম্প্রচার ভবন ত্যাগ করেন।
২৬ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র মোট ১৩টি অধিবেশন সম্প্রচার করে বলে জানা যায়। এর মধ্যে ২৬ মার্চের তিনটি ও ২৭ মার্চের প্রভাতি অধিবেশনের উদ্যোক্তাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ছিল না এবং তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বেতারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও কালুরঘাট সম্প্রচারকেন্দ্রের স্বয়ংসম্পূর্ণ স্টুডিও সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। এ জন্য এ পর্যায়ের উদ্যোক্তারা বেতার চালু করার জন্য প্রথমে আগ্রাবাদ বেতার ভবনে যান। আগ্রাবাদ বেতার ভবন চট্টগ্রাম বন্দরের কাছাকাছি স্থানে অবস্থিত। চট্টগ্রাম বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক, সহকারী আঞ্চলিক পরিচালক, আঞ্চলিক প্রকৌশলীদের পরামর্শে চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থানরত পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজের শেলিং আওতা থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থিত কালুরঘাটের ইমার্জেন্সি স্টুডিও থেকে বেতার চালু করা হয়। পরবর্তী অধিবেশনগুলো এখান থেকেই প্রচারিত হয়।
২৬ মার্চের প্রথম অধিবেশন: স্বাধীনতার ঘোষণা বেতারে প্রচারের লক্ষ্যে ১২টার পর আতাউর রহমান খান কায়সার, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, মীর্জা আবু মনসুর, ডা. এম এ মান্নান, এম এ হান্নান, শাহ-ই-জাহান চৌধুরী, রাখাল চন্দ্র বণিক প্রমুখ আগ্রাবাদ বেতার ভবন হয়ে কালুরঘাট সম্প্রচারকেন্দ্রে যান। অনুষ্ঠান উপস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয় ছাত্রনেতা রাখাল চন্দ্র বণিককে। বেলা দেড়টা-দুইটার দিকে রাখাল চন্দ্র বণিক বেতারে ঘোষণা করেন, ‘চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র। একটি বিশেষ ঘোষণা। একটু পরেই জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক জনাব এম এ হান্নান। আপনারা যাঁরা রেডিও খুলে বসে আছেন, তাঁরা রেডিও বন্ধ করবেন না।’ এ ঘোষণাটি রাখাল চন্দ্র বণিকের কণ্ঠে বারবার প্রচারিত হয়। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাসহ ডা. জাফরের মুসাবিদাকৃত ভাষণটি এম এ হান্নান প্রচার করেন। এ ভাষণটি ডা. মান্নানসহ আরও কয়েকজনের কণ্ঠে প্রচার করা হয়েছিল বলে জানা যায়। অনুষ্ঠান ঘোষণাসহ এ অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল ছিল প্রায় ১৫ মিনিট। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত এই প্রথম এ অধিবেশনে কারিগরি সহায়তা দিয়েছিলেন আঞ্চলিক প্রকৌশলী মীর্জা নাসির উদ্দিন, বেতার প্রকৌশলী আবদুস সোবহান, বেতার প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন এবং মেকানিক আবদুস শুকুর।
লক্ষণীয় যে ২৬ মার্চ সকালে সংগ্রাম পরিষদের সিদ্ধান্ত ছিল: জহুর আহমদ চৌধুরী স্বাধীনতার ঘোষণা বেতারে প্রচার করবেন; কিন্তু স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে জহুর আহমদ চৌধুরীর উপস্থিতি পাওয়া যায় না। যাঁরা বেতারকেন্দ্রে যান, তাঁরা ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। জহুর আহমদ চৌধুরী ছিলেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি। দীর্ঘদিন থেকে চট্টগ্রাম শহর ও জেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল, এটা কি সেই দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ? অবশ্য বেতারকেন্দ্রে যাওয়া নেতাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেন, তাঁরা জহুর আহমদ চৌধুরীর বাসায় গিয়েছিলেন; কিন্তু তিনি অসুস্থতার অজুহাতে বেতারকেন্দ্রে যেতে রাজি হননি।
বেতারে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচারের পর (কলামিস্ট) ইদরিস আলমের ভাষ্যমতে, জহুর আহমদ চৌধুরী একজন সেনা কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাধীনতার বেতার ঘোষণা প্রচারের ওপর জোর দেন। অতঃপর নেতারা প্রথমে ক্যাপ্টেন রফিকের (পরে মেজর ও মন্ত্রী) সঙ্গে যোগাযোগ করেন; কিন্তু তিনি রণাঙ্গন ছেড়ে শহরতলিতে অবস্থিত বেতারকেন্দ্রে যেতে রাজি হননি। এরপর মেজর জিয়ার (পরে লে. জেনারেল ও রাষ্ট্রপতি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
দ্বিতীয় অধিবেশন: ২৬ মার্চ সকালে চট্টগ্রাম বেতারের পাণ্ডুলিপিকার বেলাল মোহাম্মদ ও তাঁর বন্ধু ফটিকছড়ি কলেজের উপাধ্যক্ষ আবুল কাসেম সন্দীপ, বেতারের অনুষ্ঠান প্রযোজক আবদুল্লাহ আল ফারুক সংগ্রাম পরিষদের আনুকূল্যে বেতার চালু করার উদ্দেশ্যে স্টেশন রোডে শহর আওয়ামী লীগের অফিস ও সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ‘রেস্ট হাউসে’ যান। এখানে অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। তাঁরা বেতারের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য ক্যাপ্টেন রফিকের সঙ্গে দেখা করেন। অতঃপর বেতার চালু করার জন্য কালুরঘাট সম্প্রচারকেন্দ্র হয়ে আগ্রাবাদ বেতার ভবন হয়ে পুনরায় কালুরঘাটে গিয়ে বেতার চালু করেন। বেতার চালু করা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন কাজী হোসনে আরা, ডা. আনোয়ার আলী, ওয়াপদার ইঞ্জিনিয়ার আসিকুল ইসলাম, ডা. সুলতান-উল-আলম, কবি আবদুস সালাম, ডা. আবু জাফর ও এম এ হান্নান।
২৬ মার্চ সন্ধ্যা সাতটা ৪০ মিনিটে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে বলছি’—এ বাক্য উচ্চারণের মাধ্যমে শুরু হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের দ্বিতীয় অধিবেশন। কবি আবদুস সালাম কর্তৃক কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় মূল অধিবেশন। এরপর ডাক্তার আনোয়ার আলীর কাছ থেকে পাওয়া বঙ্গবন্ধুর নামাঙ্কিত ‘জরুরি ঘোষণা’ শীর্ষক স্বাধীনতার ঘোষণা-সম্পর্কিত প্রচারপত্রটি বিভিন্ন কণ্ঠে বারবার প্রচারিত হয়। বহির্বিশ্বের সাহায্য কামনায় ইংরেজিতে নিউজ বুলেটিনে কণ্ঠ দেন বেতারের প্রযোজক আবদুল্লাহ্ আল ফারুক। কবি আবদুস সালাম স্বাধীনতার পক্ষে ও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলার সর্বস্তরের জনগণকে যার হাতে যা আছে তা নিয়ে প্রতিরোধযুদ্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেন। এ সময় এম এ হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পুনঃপ্রচার করেন। গণসংগীতের মাধ্যমে আধা ঘণ্টা স্থায়ী এ অধিবেশনের সমাপ্তি ঘটে। পরদিন সকাল সাতটায় আবার অনুষ্ঠান প্রচারের ঘোষণা দিয়ে অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষিত হয়। বেতারে কারিগরি সহায়তা দেন বেতার প্রকৌশলী মুসলিম খান, দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ মুছা ও মেকানিক আবদুস শুকুর।
তৃতীয় অধিবেশন: বেলাল মোহাম্মদের বন্ধু মাহমুদ হোসেন, বেতারের নিজস্ব শিল্পী রঙ্গলাল দেব চৌধুরী ও ঘোষক কবির, আগ্রাবাদ হোটেলের কর্মাধ্যক্ষ ফারুক চৌধুরী প্রমুখের উদ্যোগে রাত ১০টার দিকে তৃতীয়বারের মতো বেতার চালু হয়। এ অধিবেশন সম্পর্কে বিশেষ তথ্য পাওয়া যায় না। ২৬ মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পায়।
২৭ মার্চের প্রথম অধিবেশন: ২৭ মার্চ সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ প্রতিরোধ কেন্দ্রের ছাত্রনেতারা বেতার চালু করার সিদ্ধান্ত নেন। ছাত্রনেতাদের মধ্যে আলোচনাক্রমে মেডিকেল কলেজের মাহফুজুর রহমান, বেলায়েত হোসেন, আবু ইউসুফ চৌধুরী, শাহ-ই-জাহান চৌধুরী, পলিটেকনিক্যালের (ভিপি) আবদুল্লাহ আল হারুন, আজিজ, খুরশিদসহ অনেকে কালুরঘাট সম্প্রচারকেন্দ্রে যান। এ সময় ডা. এম এ মান্নান এমপিএ ও আবুল কাসেম সন্দীপ তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। বেতারকেন্দ্র চালু করে প্রথম ভাষণ দেন ডা এম এ মান্নান। এরপর সংবাদ পাঠ করেন শাহ-ই-জাহান চৌধুরী ও মাহফুজুর রহমান, ইংরেজি সংবাদ পাঠ করেন বেলায়েত হোসেন এবং মাহফুজুর রহমান সংবাদ বুলেটিন পড়েন। আবদুল্লাহ আল হারুন একটি ভাষণ দেন। সবশেষে ইউসুফ চৌধুরী একটি প্রতিবেদন পড়েন। এ অধিবেশনে দেশাত্মবোধক গানও প্রচার করা হয়। ঘণ্টা দু-তিনেক থাকার পর উদ্যোক্তারা শহরে যুদ্ধের অন্যান্য কাজে চলে যান। এ অধিবেশনে মেকানিক আবদুস শুকুরও উপস্থিত ছিলেন।
২৭ মার্চের ২য় (সান্ধ্য) অধিবেশন: ২৭ মার্চ সকালে সংগঠকদের মধ্যে বেলাল মোহাম্মদ তাঁর বন্ধু মাহমুদ হোসেন, কাজী হাবিব উদ্দীন, এয়ার মাহমুদ, ফারুক চৌধুরী, ওসমান গণিকে নিয়ে বেতারের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বোয়ালখালীর ফুলতলীতে অবস্থানরত মেজর জিয়ার কাছে যান। মেজর জিয়া বেতারের নিরাপত্তার জন্য একটি সেনাদল পাঠান। বিকেল পাঁচটার মধ্যে সেনারা বেতারকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে এলাকাটির নিরাপত্তা জোরদার করেন। সন্ধ্যার মধ্যে মেজর জিয়া বেলাল মোহাম্মদ ও তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে বেতারকেন্দ্রে উপস্থিত হন। এরপর মেজর জিয়া স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর প্রথম ঘোষণাটি দেন।
মেজর জিয়ার দ্বিতীয় ঘোষণা: ২৮ মার্চ মেজর জিয়া নিজেকে ‘অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান’ দাবি করে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর দ্বিতীয় ঘোষণাটি দেন।
মেজর জিয়ার তৃতীয় ঘোষণা: ২৮ মার্চের অধিবেশনে মেজর জিয়া নিজেকে ‘Provisional head of the Swadhin Bangla Liberation Government’ বলে ঘোষণা করলে রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী ও সচেতন মহলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধকে সেনা-অভ্যুত্থান হিসেবে প্রচার করার সুযোগ পেত। এ জন্য তাঁরা এটার সংশোধনী প্রচারে সক্রিয় হয়েছিলেন। পাকিস্তানের একসময়কার শিল্পমন্ত্রী ও বিশিষ্ট শিল্পপতি এ কে খান এবং চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের নেতারা, বিশেষ করে জহুর আহমদ চৌধুরী, এম আর সিদ্দিকী, মীর্জা মনসুর, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, এম এ হান্নান প্রমুখ যৌথভাবে একটি ঘোষণা তৈরি করেন। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও মীর্জা মনসুর ২৯ মার্চ রাতে এ ঘোষণাটি নিয়ে মেজর জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। মেজর জিয়াসহ তাঁরা তিনজন বেতারকেন্দ্রে আসেন, কিন্তু তখন সেখানে বেতারের কর্মীরা ছিলেন না। মেজর জিয়া, মীর্জা মনসুর ও মোশাররফ হোসেন বেতার চালু করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। তখন মেজর জিয়া সেনাদের বেতারকর্মীদের ধরে আনার নির্দেশ দেন। ২৯ মার্চ রাতে সেকান্দর হায়াত খান ও তাঁর ভাই হারুন-অর-রশীদ খান তাঁদের বাড়িতে বেতারকর্মীদের থাকা ও খাওয়ার আয়োজন করেছিলেন। ২৯ মার্চ সান্ধ্য অধিবেশনের পর বেতারকর্মীরা বেতারকেন্দ্র বন্ধ করে সেকান্দর হায়াত খানদের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেনারা তাঁদের গভীর রাতে সেখান থেকে ধরে বোয়ালখালীতে মেজর জিয়ার কাছে নিয়ে যান। ৩০ মার্চ প্রভাতি অধিবেশনে মেজর জিয়া ২৮ মার্চের ঘোষণা সংশোধন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সরকার গঠন এবং তাঁর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত উল্লেখযোগ্য অন্যান্য বিষয়: ২৫ মার্চের মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচারের পর ২৭ মার্চ পাকিস্তান সরকার বেতারে বঙ্গবন্ধুর গ্রেপ্তারের খবর প্রচার করে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শুনলে জনগণের মধ্যে বিশৃঙ্খলা ও হতাশা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা ছিল। এ জন্য স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তা অস্বীকার করে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বিপ্লবী পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে মুক্তিবাহিনীকে নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছেন। স্পষ্টতই এ পরস্পরবিরোধী বক্তব্য বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করেছিল। ২৮ মার্চ পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারের সচিত্র খবর সংবাদপত্রে প্রকাশ করে তা প্রমাণ করতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তা বরাবরই অস্বীকার করে, এমনকি বঙ্গবন্ধু কর্তৃক সরকার গঠন এবং তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বিপ্লবী পরিকল্পনা কেন্দ্রে অবস্থান করছেন বলে প্রচার করা হয়।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বিভিন্ন প্রোপাগান্ডার মধ্যে অন্যতম ছিল মুক্তিবাহিনী কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ও সামরিক আইন প্রশাসক লে. জেনারেল টিক্কা খান ও তাঁর সঙ্গীদের নিহত হওয়ার খবর। এ-সম্পর্কিত প্রথম খবরটি প্রচারিত হয় ২৭ মার্চ। এ প্রোপাগান্ডায় বিবিসিসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী গণমাধ্যম প্রভাবিত হয়েছিল।
বিবিসি, ভয়েস অব আমেরিকা ইত্যাদির বরাত দিয়েও বেশ কিছু প্রোপাগান্ডা চালানো হয়। পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশের পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং পাকিস্তানি বাহিনীর মধ্যে অন্তর্বিরোধের খবরও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে একাধিকবার প্রচার করা হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হামলার মুখে বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে বাঙালি একা নয়, বিশ্বজনমত বাঙালির পক্ষে—স্বাধীনতাকামী বাঙালি জনগণের মনোবল চাঙা রাখার জন্য স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে এ ধরনের কিছু খবর প্রচার করা হয়।
২৮ মার্চের প্রভাতি অধিবেশন থেকে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের নিয়মিত অধিবেশন প্রচারিত হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়: প্রথম অধিবেশন সকাল নয়টার পর, দ্বিতীয় অধিবেশন বেলা একটার পর এবং সন্ধ্যা সাতটার পর তৃতীয় অধিবেশন। নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠান প্রচার সম্ভব ছিল না বলে শ্রোতাদের উদ্দেশে এভাবে আগাম ঘোষণা দেওয়া হয়।
আওয়ামী লীগ ও চট্টগ্রাম সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ চালু করলেও তার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ কিংবা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। অবশ্য বেতার চালু হওয়ার শুরু থেকে এর সঙ্গে সামগ্রিকভাবে জড়িত ছিলেন কালুরঘাট সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক সেকান্দর হায়াত খান। তিনি ও তাঁর ভাই হারুন-অর-রশিদ খানের নেতৃত্বে বেতারকেন্দ্রের আশপাশের লোকজন বেতারকর্মী ও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেনাদের খাবারের ব্যবস্থা করত।
প্রথম দিকে বেতারের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন ইপিআর সেনারা। ২৭ মার্চের বিকেল থেকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বেতারের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। ২৭ মার্চের সান্ধ্য অধিবেশনের পূর্ব পর্যন্ত কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম কিংবা কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা ছিল না। এর পর থেকে বেতারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছাড়াও সামরিক কর্মকর্তারা বেতারে প্রচারিতব্য বিষয়গুলো পড়ে অনুমোদন করে দিতেন।
৩০ মার্চ প্রভাতি অধিবেশনে অনুষ্ঠানের সূচনায় ও সমাপ্তিতে ঢাকা রেকর্ডের ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটির এপিঠ-ওপিঠ বাজানো হয়। সূচকসংগীত হিসেবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে শেষ দিন পর্যন্ত ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটির প্রচার চালু ছিল। নভেম্বর থেকে সমাপ্তিতে জাতীয় সংগীত প্রচার করা হয়। ৩০ মার্চ প্রভাতি অধিবেশন থেকেই সমাপ্তি ঘোষণায় ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন, আমি তখনই কোনো জাতিকে সাহায্য করি, যখন সে জাতি নিজেকে সাহায্য করে’—এ বাক্যটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শেষ দিন পর্যন্ত প্রচলিত ছিল।
৩০ মার্চ দুপুরে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বোমা হামলায় বেতারকেন্দ্রের বিদ্যুত্ সরবরাহ, বৈদ্যুতিক চ্যানেলগুলো ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। কালুরঘাট সম্প্রচারকেন্দ্রে ১০ কিলোওয়াট ট্রান্সমিটার ছাড়াও এক কিলোওয়াটের একটি স্বতন্ত্র ট্রান্সমিটার ছিল। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচার অব্যাহত রাখার জন্য এ ট্রান্সমিটারটি ডিসমেটাল করে প্রথমে পটিয়া, পরে পটিয়া থেকে রামগড় হয়ে ভারতের আগরতলায় নিয়ে যাওয়া হয়। শুরু হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের দ্বিতীয় পর্যায়।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের নামকরণ: ২৬ মার্চের প্রথম অধিবেশনে সংগঠকেরা এ বেতারকেন্দ্রকে ‘চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র’, ‘বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র’ ইত্যাদি বলে উল্লেখ করেন। রাখাল চন্দ্র বণিক বলেন, প্রথমে ‘চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র’ বলে ঘোষণা দিলেও পরে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র’ বলে তিনি ঘোষণা করেন। এ প্রসঙ্গে তত্কালীন বেতারের মেকানিক আবদুস শুকুর বলেন, তাঁরা খুব নার্ভাস ছিলেন এবং তাড়াহুড়ো করছিলেন। অন্যকিছু না বলে ‘বিপ্লবী বেতার থেকে বলছি’ বলে একজন তরুণ ঘোষণা দেয়। ২৬ মার্চের দ্বিতীয় অধিবেশনে এটাকে একটি গুপ্ত বেতারকেন্দ্র হিসেবে শুধু বেতারকেন্দ্রের নাম ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র’ বলে প্রচার করা হয়। ২৬ মার্চ সন্ধ্যা সাতটা ৪০ মিনিটে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে বলছি’—এ বাক্যের মাধ্যমে ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের’ দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়। ২৬ মার্চ ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র’ নামকরণ করা হলেও এ নামটি সব সময় হুবহু ব্যবহার করা হয়নি। যেমন, ২৮ মার্চের প্রভাতি অধিবেশনে আবুল কাসেম সন্দীপের পড়া সংবাদ বুলেটিনে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র’, ‘বাংলা বেতার কেন্দ্র’, ‘বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র’ ইত্যাদি নাম উল্লেখ করা হয়। ২৮ মার্চের দুপুরের অধিবেশন থেকে মেজর জিয়ার নির্দেশে লে. শমশের মবিনের (পরে পররাষ্ট্রসচিব ও রাষ্ট্যদূত) প্রস্তাবক্রমে বেতারের নাম থেকে ‘বিপ্লবী’ শব্দটি বাদ দেয়া হয়। বেতারের নাম হয় ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত ঘোষণা থেকেই বাংলাদেশ ও বিশ্বের জনগণ পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কর্তৃক বাংলাদেশে পরিচালিত বর্বর গণহত্যা এবং এ পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ঘোষিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা জানতে পারে। স্বাধীনতার বেতার ঘোষণা ছাড়াও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘স্বাধীন বাংলা মুক্তিবাহিনী’ গঠন এবং ‘বাংলাদেশ সরকার’ প্রতিষ্ঠার কথা প্রথম প্রচারিত হয়—এ দুটি সংগঠন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অনেক পরে। ১০ কিলোওয়াটের ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’-এর প্রচারক্ষমতা ছিল মাত্র ৬০ বর্গকিলোমিটার। এ জন্য পুরো দেশের জনগণ এ কেন্দ্রের অনুষ্ঠান সরাসরি শুনতে পায়নি। তবে বৈশ্বিক গণমাধ্যম স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ঘোষণাগুলো ব্যাপকভাবে প্রচার করায় দেশবাসী ও বিশ্ববাসী বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনাপর্বের কথা জানতে পারে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠালগ্নে বেতার প্রকৌশলী আবদুস সোবহান ও দেলোয়ার হোসেন এবং কাস্টসম কর্মকর্তা এম এ হালিমও সংশ্লিষ্ট ছিলেন। বেলাল মোহাম্মদের মতে, নিম্নোক্ত দশজন বেতারকর্মী স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সূচনা থেকে শেষ পর্যন্ত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন: মোহাম্মদ আমিনুর রহমান, কাজী হাবিব উদ্দীন আহমদ, আ ম শারফুজ্জামান, মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী, সৈয়দ আবদুস শাকের, মুস্তফা আনোয়ার, আবুল কাশেম সন্দ্বীপ, রাশেদুল হোসেন, আবদুল্লাহ আল ফারুক ও বেলাল মোহাম্মদ। তাঁরা ‘শব্দসৈনিক’ নামে পরিচিত।
ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক: অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

২০১২.০৩.২৬ ১৩:১৭
জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক, এটা ধ্রুবতারার মতো সত্য

sumon

sumon

২০১২.০৩.২৬ ১৩:২৬
একটি বাংলাদেশ...
তুমি জাগ্রত জনতার.......
সারা বিশ্বের বিস্ময়......
তুমি আমার অহংকার....
আজকের এই দিনে আমরা...
স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও
শহীদ সেই সব লড়াকু সৈনিকদের প্রতি জানাই সশ্রদ্ধ সালাম।...

shadeen

shadeen

২০১২.০৩.২৬ ১৩:২৮
এখানে জিয়ার ছবির পাশাপাশি এম এ হান্নান, বেতারকর্মী সহ অন্যান্য যারা স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠে ভুমিকা রেখেছিলেন তাদের ছবিও সমান গুরুত্ব দিয়ে ছাপা উচিৎ।

Habib_Sumon

Habib_Sumon

২০১২.০৩.২৬ ১৩:৩৫
স্বাধীনতার জন্য যিনি যতটুকু করেছেন তাকে ততটুকু সমমান দেওয়া আমাদের দায়িত। না দিলে অক্বতগগতা হবে। তারা সবাই আমাদের কাছে মহানায়ক। আললাহ সবাইকে শান্তি দান করুন।

আবদুল কারিম

আবদুল কারিম

২০১২.০৩.২৬ ১৩:৪০
যাহা সত্য তাহা একদিন প্রকাশ পাবেই। কেননা সে সময়ের অনেকে এখনও জিবীত আছেন। আমরা সত্যটাই জানিতে চাই।
২০১২.০৩.২৬ ১৩:৪১
এখানে জিয়ার ছবির পাশাপাশি এম এ হান্নান, বেতারকর্মী সহ অন্যান্য যারা স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠে ভুমিকা রেখেছিলেন তাদের ছবিও সমান গুরুত্ব দিয়ে ছাপা উচিৎ। তাদের অবদান জিয়ার ছেয়ে কোন অংশে কম নয় বরং কোন কোন অংশে বেশি।

Muhammed Yahhia Aabrar

Muhammed Yahhia Aabrar

২০১২.০৩.২৬ ১৩:৪৪
""I, Major Ziaur Rahman, do here by declare, the independence of Bangladesh on behalf of our great national leader Bangabandhu Sheikh Mujibar Rahman"

M.A. Hannan was d 1st in 26th March, Belal was the 2nd in 26th March and Zia was the 3rd in 27th March to read the declaration on behalf of Bangabandhu.

Mahfuzar Rahman

Mahfuzar Rahman

২০১২.০৩.২৬ ১৩:৫৬
শহীদ জিয়া কে হাজার সালাম

মুহা: মোরশেদুল আলম

মুহা: মোরশেদুল আলম

২০১২.০৩.২৬ ১৩:৫৯
আজকের এই দিনে জিয়া তোমায় পড়ে মনে ...

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.০৩.২৬ ১৪:০২
হাতে লিখে, সাইক্লোস্টাইল করে স্বাধীনতার ঘোষনা দেয়া গেলে বেতার থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা দেবার দরকার হতো না । কালুরঘাট বেতার থেকে তৎকালীন মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন তা ইতিহাসে নিরধারিত ।

শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ

শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ

২০১২.০৩.২৬ ১৪:০৩
জাতির কাছে স্বাধীনতা ঘোষনা পত্রটি পরিবেশনের প্রকৃত তথ্যটি উপস্থাপনের জন্য লেখককে ধন্যবাদ। এম.এ হান্নান সবার আগে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষনা পত্রটি পরিবেশন করেছিলেন, তাই ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। সংবাদে এম.এ হান্নান সাহেবের ছবি ছাপানো উচিত ছিল। এম.এ হান্নান সাহেবের কোন আলাদা বা নিজের বানানো রাজনৈতিক দল নাই তাই .. .. .. .. ?

Joynul Abedin Khan.

Joynul Abedin Khan.

২০১২.০৩.২৬ ১৪:১৮
১৭ই ফেব্রুয়ারীর ভাষনে আব্দুল হামিদ খান ভাসানী কর্তৃক স্বাধিনতার মত প্রকাশ, ০৭ মার্চ শেখ মুজিবর রহমান কর্তৃক স্বাধিনতার অঙ্গিকার, ২৬শে মার্চ জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্বাধিনতার ঘোষনাতে ১% ও কারো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। আমার বাবা আওয়ামীলিগ ছিলেন, তাই বলে আমি গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদেরকে যার যার স্থানে সম্মান দিতে মোটেও দ্বিধা করি না। আর এটা কোন নিরপেক্ষ মানুষের জন্য মোটেও উচিত নয়। আমাদের দেশের মানুষ কোন দল করলে তাদের নিজের নেতা ছাড়া অন্য সবার ভাল কাজকে অবমূল্যায়ন করে। জঘন্য আচরণ।

mooni

mooni

২০১২.০৩.২৬ ১৪:১৯
হাতে লিখে,সাইক্লোস্টাইল করে স্বাধীনতার ঘোষনা দেয়া গেলে বেতার থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা দেবার দরকার হতো না । কালুরঘাট বেতার থেকে তৎকালীন মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন তা ইতিহাসে নিরধারিত ।

71

71

২০১২.০৩.২৬ ১৪:১৯
বিলতু শাহেব আপনি কিভাবে নিচিত হলেন? লেখাতা আবার বার বার পরেন,তাহলে বুজবেন ঘসক কে ?

আমান জান্নাতি

আমান জান্নাতি

২০১২.০৩.২৬ ১৪:২০
একটি বাংলাদেশ...তুমি জাগ্রত জনতার.......সারা বিশ্বের বিস্ময়......তুমি আমার অহংকার-----বিশাল বলিষ্ঠ লেখা। ধন্যবাদ।ইতিহাস চলবে নিজ গতিতে। কারো অবদান ছোট করে দেখার সুযোগ নাই।মি আ আপনি ঠেলা ঠেলি করে কি হবে ?

Joynul Abedin Khan.

Joynul Abedin Khan.

২০১২.০৩.২৬ ১৪:৩২
আমার একটাই প্রশ্নঃ
কমপক্ষে বাংলাদেশের জেলা প্রশাসক পর্যন্ত কর্মকর্তাগন চাকুরী গ্রহনের সময়ে ইন্টারভিউ সংক্রান্ত বইয়ে স্বাধিনতার ঘোষক হিসাবে কার নাম দেখেছে এবং উত্তর দিয়েছ ? আইন করে কি কানের ছিদ্র বন্ধ করা যায় ? ৭১ সনে আমাদের কান কি নষ্ট ছিল ? ধিক !

mohammad najibul basher

mohammad najibul basher

২০১২.০৩.২৬ ১৪:৩৬
একটি বাংলাদেশ...
তুমি জাগ্রত জনতার.......
সারা বিশ্বের বিস্ময়......
তুমি আমার অহংকার....

shaker

shaker

২০১২.০৩.২৬ ১৪:৫৫
খেতাব চুরি করে সম্মানী হওয়ার প্রয়াস ব্যাক্তির ব্যাক্তিত্বহানির সমতুল্য । একজন সিপাহি হয়েও আমাদের দেশের সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ট সম্মানে ভূষিত হয়েছেন , স্বমহিমায় তিনি মহিমান্বিত । অন্যের কৃতিত্ব নিজের বলে চালিয়ে দেওয়ার এমন রোগ্ণপ্রয়াস আদৌসমিচীন নই । যা নিজের সম্মানকেই হানী করার নামান্তর । ইতিহাস এর সাক্ষী । জাতির কাছে স্বাধীনতা ঘোষনা পত্রটি পরিবেশনের প্রকৃত তথ্যটি উপস্থাপনের জন্য লেখককে ধন্যবাদ।

Maynul

Maynul

২০১২.০৩.২৬ ১৫:৩৮
যাদের ত্যাগে সোনার বাংলা সবার জন্য বিনম্র সালাম । কিছু প্রশ্নের উত্তরের হিসাব মিলেনা।...

Shahid Ahmed

Shahid Ahmed

২০১২.০৩.২৬ ১৬:০১
People do know what is true or not true..........

billah

billah

২০১২.০৩.২৬ ১৬:১২
বেতারের আনুষ্ঠানিক ভাবে এম.এ হান্নান সবার আগে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা প্রথম ঘোষনাটি পরিবেশন করেছিলেন, দ্বিতীয় বারও তিনি ঘোষনাটি পড়েন, তাই ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। সংবাদে এম.এ হান্নান সাহেবের ছবি ছাপানো উচিত ছিল। এম.এ হান্নান সাহেবের নিজের বানানো রাজনৈতিক দল নাই তাই তার নাম নাই, থাকলে আজ তার দল বলত তিনিই স্বাধিনতার ঘোষক যে ভাবে বিএনপি বলে আসছে। উল্লেখিত তথ্য প্রমান করে জিয়া ৪র্থ তম ব্যাক্তি জিনি ঘোষনাটি পাটকরেন। লেখকে ধন্যবাদ সত্য প্রকাশ করার জন্য।

Mohammad Solaiman

Mohammad Solaiman

২০১২.০৩.২৬ ১৬:১৫
এখন যদি প্রশ্ন করা হয়, সেনাবাহিনীর একজন নাম পরিচয়হীন মেজর কোন অধিকারে, কার ম্যানডেটে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিএনপিওয়ালারা কি জবাব দেবেন?

Nirmol

Nirmol

২০১২.০৩.২৬ ১৬:২০
ঘোষক আর পাঠকের মধ্যে কি কোন পার্থক্য নেই ! দু’জনেই কি সমান গুরুত্বপূর্ণ !

Shahid Ahmed

Shahid Ahmed

২০১২.০৩.২৬ ১৬:২১
By adding subtracting on Zia's read out independent diclaration his party-his foolowers- his wife- his sons UNDERMINIG Zia's dedication in FF no one else.... I would request 'think carefully' . If you real Zia lover you cannot do it-- if you do it your are not Zia ideology follower, you something........... what all people know it.

Kiron Ahmed

Kiron Ahmed

২০১২.০৩.২৬ ১৬:৩৭
আমি তো মনে করি জিয়াউর রহমান সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষনা করেন নি। তিনি একজন পাঠক মাত্র। তাছাড়া লেখাটা পড়ে মনে হচ্ছে এখানে জিয়াউর রহমানের থেকে অন্যান্য ব্যাক্তিদের ভূমিকাটা বেশী মুখ্য। তাহলে বিএনপি কেন ..নিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া বলে রাজনীতি করছে।
২০১২.০৩.২৬ ১৬:৪৮
জিয়া স্বাধীন্তার ঘোষনা পাঠ করেছিলেন ২৭ তারিখে, এর আগে এম এ হান্নান সহ আরও অনেকে স্বাধীন্তার ঘোষনা পাঠ করেন। সেই হিসাবে জিয়া স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে প্রচারিত ঘোষনার পাঠকদের মধ্যে অন্যতম। সব ঘোষনা পাঠকদেরকেই সমান মর্যাদা দেয়া উচিৎ। বিশেষ কারনে শুধু একজন ঘোষনা পাঠকের ছবি ছেপে প্রথম আলো ঠিক করেন নি। সব ঘোষনা পাঠকদেরকেই বিনমরো সালাম।

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন খোশ্ নবীশ, প্যারাগুয়ে

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন খোশ্ নবীশ, প্যারাগুয়ে

২০১২.০৩.২৬ ১৭:০০
Mr. Muhammed Yahhia Aabrar! you are absolutely right. thanks

Naeim

Naeim

২০১২.০৩.২৬ ১৭:১৩
@২০১২.০৩.২৬ ১৬:৪৮.. Only difference is leadership, on others declaration did not have that much influence in national or international level. example: Moulana Vasani was the first person who said about freedom of Bangladesh but most of us only know .. it is Bongobondhu... Respect to all who lead us during that time.

Dipankar Basak

Dipankar Basak

২০১২.০৩.২৬ ১৮:১৭
স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ঘটনাগুলোর যথাযথ ইতিহাস আমরা চাই যাতে দ্বন্দ্বমুক্ত আদর্শে উত্জীবিত হয়ে এ প্রজন্মের আমরা দেশ গড়ার কাজে ঝাপিয়ে পরতে পারি l "স্বাধীনতার অর্জন হয়েছে অনেক, আরো প্রয়োজন/ আশাহত নই মোরা, আবার দেখিব মায়ের, স্বহাস্য বদন// পিছনে দাড়িয়ে মোদের, ঐ যে,বীর মুক্তিসেনা/
ভয় নাই, ভয় নাই,
আছে বল মনে
উন্নত হইব নিজে,করিব জাতিকে,শপথ করেছি, প্রতি জনে জনে,
শক্তি যোগাবে মোদের, বীর শহীদের অনুপ্রেরণা //"
( ধন্যবাদ প্রথম আলোকে একটা বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশের জন্য )

Sumon Hossain.

Sumon Hossain.

২০১২.০৩.২৬ ১৮:৩৭
আমরা আর কত কাদা মারা মারি খেলা দেখবো, জার জা সমমান তা তাকে দিতে হবে।
২০১২.০৩.২৬ ১৮:৫৫
Joynul Abedin Khan@
২৬শে নয় জিয়া ঘোষনা পাঠ করেছিলেন ২৭ শে মার্চ। আর ২৬শে মার্চ করেছিলেন এম এ হান্নান।
ঘোষনা আর ঘোষনা পাঠ একজিনিস নয়।

Maskud Labib

Maskud Labib

২০১২.০৩.২৬ ১৮:৫৯
প্রথম আলো শুধুমাত্র জিয়ার ছবি ছেপে কী বুঝাতে চেয়েছে তা অস্পষ্ট।
জিয়া জীবিতকালে নিজে কোন দিন দাবি করেননি যে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক। বরঞ্চ ১৯৭৪ সালের মার্চ সংখ্যা সাপ্তাহিত বিচিত্রায় ‘একটি জাতির জন্ম’ শীর্ষক প্রবন্ধে জিয়া শেখ মুজিবকেই সর্বৈভ কৃতিত্ব দিয়েছেন।

Omar Faruk

Omar Faruk

২০১২.০৩.২৬ ১৯:১২
আমি স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠকারী সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলছি, আমার কাছে স্বাধীনতার ঘোষণা কে পাঠ করেছিলেন তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে স্বাধীনতার ঘোষণা কার কাছ থেকে এসেছিল।
আর স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ কে প্রথম করেছিল এটা নিয়ে যদি আমাদের জাতির মাঝে সন্দেহ থাকে তাহলে আমাদের অনুরোধ থাকবে ঘোষণার অডিও সহ সকল তথ্য তুলে ধরা হোক।
২০১২.০৩.২৬ ১৯:২২
We are divided sometimes by our leaders,sometimes by columnists,sometimes by religions and sometimes by HISTORIANS !

২০১২.০৩.২৬ ১৯:২৮
পাঠক আর ঘষোক কি কখনও এক হতে পারে ? তা হলেত টিভি বা রেডিওতে যারা খবর পড়ে শুনায় তারাই সব পেছনে যারা আছে তারা মুল্যহিন।
২০১২.০৩.২৬ ১৯:৩৪
ভারতীয়রা আজ এক অইক্যবধ্য জাতি হিসেবে নিজেদের কে প্রকাশ করতে পেরেছে কারন তারা গান্ধী আর নেহেরু ভাগ করে নি তাদের কে জার জার প্রাপ্য সম্মান দিয়ে সম্মানিত করেছে রাজনৈতিক বিরধ থাক না কেন এই দুই নেতাকে তারা ভাগ করে নি। আমরা যতদিন জাতির জনক আর স্বাধীনতার ঘসক এর যথাযথ মর্জাদা দিতে না পারব ততদিন আমরাও ঐক্যবদ্ধ্য জাতি হতে পারব না।

Shakir Hossain

Shakir Hossain

২০১২.০৩.২৬ ১৯:৩৬
we know well who was declare in the radio....!! shaikh Mujibor Rahman is our best leader, there no any doubt. We salute Shaikh Mujibor Rahman. We must Salute Ziaur Rahman for declaration!!
but don't change our real history by arm power..... !!!

Md Nasir

Md Nasir

২০১২.০৩.২৬ ১৯:৪২
আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, তাই ইতিহাসবিদদের কথার উপর ভরসা করতে হয়।
আর ইতিহাসবিদরাই যখন দুইরকম কথা বলে কার কথা বিশ্বাস করব।
কাল হয়ত দেখব অন্য একজন অধ্যাপক ঘোষকের নাম অন্যরকম
ক্রমানুসারে লিখবে তখন কার কথা বিশ্বাস করব।

abdul moyeen

abdul moyeen

২০১২.০৩.২৬ ১৯:৪৪
This article actually presents how greedy Zia was from the begining. He introduced himself as the 'Provisional head of the Swadhin Bangla Liberation Government’. This article actually humiliates him as someone who has greed for power through the backdoor.

abdul moyeen

abdul moyeen

২০১২.০৩.২৬ ১৯:৫৯
To Mr. Nasir and others, may I request you to read news articles published by international media during the liberation war and before that period if you would like to know the true history. In fact, history is one but some people for only political propaganda are trying to falsify it. They even lie about their birth date as well!!!!

RAFIQUE AHMED BHUIYAN

RAFIQUE AHMED BHUIYAN

২০১২.০৩.২৬ ২০:০০
Very good article ,real historical scenario we have got here. I heard from Balal Mohammod during his visit to the USA infront of him.Others okay.So I want to know which is right.Thankas.

Md. Nurul Hoque

Md. Nurul Hoque

২০১২.০৩.২৬ ২০:০২
২৭ মার্চের ২য় (সান্ধ্য) অধিবেশন মেজর জিয়া স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর প্রথম ঘোষণাটি দেন।
২৮ মার্চ মেজর জিয়া নিজেকে ‘অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান’ দাবি করে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর দ্বিতীয় ঘোষণাটি দেন।
But স্বাধীনতা দিবস ২৬ শে মার্চ। It is the base of BNP politics. How funny !!!!!!!!

monir

monir

২০১২.০৩.২৬ ২০:৩৮
জিয়া জীবিতকালে নিজে কোন দিন দাবি করেননি যে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক।

Md.Jahidul Islam

Md.Jahidul Islam

২০১২.০৩.২৬ ২০:৫০
Thanks to Proffessor for your nice and truthful article...

সফিউল  আলম

সফিউল আলম

২০১২.০৩.২৬ ২১:৩৭
মেজর জিয়াই বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। I, Major Ziaur Rahman, do hereby declare the independence of Bangladesh on behalf of Bangabandu......

Melon Pathan

Melon Pathan

২০১২.০৩.২৬ ২১:৪০
এখানে লেখা থেকেই বোঝা যাচ্ছে, জিয়াউর রহমান কখন কবে ও কিভাবে ঘোষণা পাঠ করেছিলেন। তারপরও তাঁকেই ঘোষক বানানোর গোঁয়ার্তুমি কেনো করা হচ্ছে বুঝিনা। আরেকটি লেখার লিঙ্ক দিলাম।

Jaman

Jaman

২০১২.০৩.২৬ ২১:৫১
@২০১২.০৩.২৬ ১৯:৩৪ : ভাইয়া / আপু আপনার মন্তব্যটা খুব ভাল লেগেছে। একতাই শক্তি।

Zasimuddib Bhuiyan

Zasimuddib Bhuiyan

২০১২.০৩.২৬ ২১:৫৩
িজয়া স্বাধীনতার েঘাষক নয়, তা িবএনিপর সবাই জােন । তারা সত্যেক ভয় পাই ।

Md Musa

Md Musa

২০১২.০৩.২৬ ২২:২১
বিনপির সমর্থকদের কাছে একটাই প্রশ্ন - জিয়া ২৭শে মার্চে তার প্রথম ঘোষনা দেন। তাহলে স্বাধিনতা দিবস কি ২৭শে মার্চে হওয়া উচিত না? এটা ২৬শে মার্চে কেন? একটু চিন্তা করে দেখুন। জিয়ার নিজের লেখাতে তিনি বঙ্গবন্ধুকেই স্বাধিনতার ঘোষক বলেছেন। মিথ্যা কখনো একটা বড় দলের ভিত্তি হতে পারে না। এক সময় না এক সময় মাশুল দিতেই হবে।

Sadeque

Sadeque

২০১২.০৩.২৬ ২২:২৬
স্বাধীনতার ঘোষক কিংবা পাঠক হিসাবে আপনারা যাঁকেই আখ্যায়িত করুন না কেন,আমি বলবো অন্য কথা।আর তারিখটা ২৬/২৭ শে মার্চ যাই বলুন ,প্রকৃত পক্ষে স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা দান কারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নিজেই। আর সেটা হলো ৭ই মার্চ।ঐ দিন তিনি তার জ্বালাময়ী ভষণে বিশাল জনসমুদ্রকে উপলক্ষ করে বলেছিলেন---”এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম......................................।” বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণেই স্বাধীনতার ঘোষণা হয়ে গেছে বলে আমি মনে করি।যারা বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ শুনেছেন ,তারা নিশ্চয়ই আমার সাথে একমত পোষণ করবেন বলে আশা রাখি। তবে কেন অযথা স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া/হান্নান কে নিয়ে এত বাড়াবাড়ি। তবে আমি অস্বীকার করবো না স্বাধীনতার যুদ্ধে তাঁদের অবদানের কথা।

Lean Ahammad

Lean Ahammad

২০১২.০৩.২৬ ২২:৫১
খবরটা ভালকরে পড়েন তার পর মন্তব্য লিখেন, না বুঝলে বার বার পড়েন......................... আর একটা কথা সবার জানা দরকার পাঠক কখনো ঘোষক হতে পারে না ।
২০১২.০৩.২৭ ০০:০৩
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার খবর অলিই জিয়াকে জানান
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার খবর জিয়াউর রহমানকে প্রথম অবহিত করেন কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম (অব.)। সেনাবাহিনীতে চাকরিরত থাকাকালীন কর্নেল অলির বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের (এসিআর) পঞ্চম পৃষ্ঠায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
এসিআর থেকে জানা গেছে, বিএসএস-৯৭০৬ অলি আহমদ সম্পর্কে ১৯৭৪ সালের ৮ মার্চ ব্রিগেড কমান্ডার মীর শওকত আলীর ইংরেজিতে করা মন্তব্য ছিল_ 'এই কর্মকর্তার অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা। তিনি কঠোর পরিশ্রমী এবং পদমর্যাদা অনুযায়ী তার ওপর অর্পিত দায়িত্বের চেয়েও বেশি দায়িত্ব পালনে সক্ষম। সঠিক নির্দেশনা পেলে তিনি সেনাবাহিনীতে সম্পদ হিসেবে পরিগণিত হবেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। বস্তুত তিনিই প্রথম কর্মকর্তা, যিনি ঝুঁকি নিয়ে নিজ উদ্যোগে একাত্তরের ২৫/২৬ মার্চ রাতে স্বাধীনতার ঘোষণার খবর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে অবহিত করেন।' এদিকে ২০ আগস্ট ১৯৭৪ জিয়াউর রহমান (ডেপুটি চিফ অব আর্মি স্টাফ) হিসেবে একই পৃষ্ঠায় ইংরেজিতে মন্তব্য করেন_
'তিনি
খুবই অনুগত, সাহসী ও চৌকস অফিসার। তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও উদ্যমী।'
এই গোপন প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অনেকেই বলেছেন_ ১৯৭১ সালের ২৫/২৬ মার্চ মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে জিয়াউর রহমানকে অলি আহমদের খবর দেওয়া প্রসঙ্গে মীর শওকতের এই প্রত্যয়ন এবং জেনারেল জিয়ার তাতে অনুস্বাক্ষরের পর জিয়া কি আর স্বাধীনতার ঘোষক থাকেন?

Maain

Maain

২০১২.০৩.২৭ ০০:০৬
Dear Sir (ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক: অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়); Thank you very much for your important information (May be true) but why 41 years later if you are alive. This makes confusion. BNP says জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক and never says there is no more person to announce this. BNP also never claim that the announcement was 26, 27 or 28 March.

abdullah yousif

abdullah yousif

২০১২.০৩.২৭ ০০:২৪
the writer tried to be over smart. he cleverly and scenically undermined the contribution of major zia.