প্রথম আলো ট্রাস্টের পরামর্শ অনুষ্ঠান

মাদকাসক্ত বন্ধু না ছাড়লে মাদক ছাড়া কঠিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৬-০৩-২০১২

  • ৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
ধানমন্ডির ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে প্রথম আলো ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত প্রথম আলো মাদকবিরোধী আন্দোল

ধানমন্ডির ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে প্রথম আলো ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত প্রথম আলো মাদকবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে গতকাল মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা অনুষ্ঠানে বক্তারা

ছবি: প্রথম আলো

মাদকাসক্ত বন্ধু বা পারিপার্শ্বিকতা না ছাড়লে মাদক ছাড়া কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে মাদকে আসক্ত ব্যক্তিকে দোষারোপ না করে বন্ধুর মতো আচরণ করতে হবে। তাঁদের লুকিয়ে না রেখে পরামর্শ বা চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তুলতে হবে।
গতকাল সোমবার বিকেলে ধানমন্ডির ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে প্রথম আলো ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত প্রথম আলো মাদকবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা-২৪ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মাদকাসক্ত ও তাঁদের অভিভাবকদের কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যা শুনে পরামর্শ দেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ তাজুল ইসলাম, মোহিত কামাল, আহমেদ হেলাল, অভ্র দাস ভৌমিক, ফারজানা রহমান, নাফিয়া ফারজানা চৌধুরী ও ব্রাদার রোনাল্ড ড্রাহোজাল।
মাদক ছেড়ে সুস্থ হওয়া কয়েকজন তরুণ অনুষ্ঠানে তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা বলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন প্রথম আলো বন্ধুসভার জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান রওশন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলো ট্রাস্টের সমন্বয়কারী ফেরদৌস ফয়সাল।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

M. Shawkat Ali

M. Shawkat Ali

২০১২.০৩.০৬ ০৯:১৭
মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিই যথেষ্ঠ নয়। আর এ সম্মন্ধে যে আইন আছে তা আরো দুর্বল। দেখা যাচ্ছে যে মাদক সেবন, বহন বা পাচারের জন্য বড়জোর ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হচ্ছে। আমি একটি এনজিওর সাথে যুক্ত আছি যা মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করে। আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখা যায় যে বর্তমান আইনী দুর্বলতার সুযোগে মাদকের বিস্তার রোধ করা প্রায় অসম্ভব। এ যেন মিসাইলের বিরুদ্ধে ইট-পাথর নিয়ে লড়াইয়ের মত। এতে মাদকের ব্যপক বিস্তার রোধ করা যাবে না।

Rajib

Rajib

২০১২.০৩.০৬ ১৮:৫৫
শুরুটা হয় সিগারেট থেকে। রাস্তায় চলতে ফিরতে যখন দেখি স্কুল পড়ুয়া ছেলেরা সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে আয়েশ করে সেল ফোনে কথা বলে তখন অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি, আর ভাবি। এসব শিশুরা(?) দু’দিন পরে ধাপে ধাপে বিভিন্ন মাদকদ্রব্যে (চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে) আসক্ত হতে থাকে। অনেকে আছেন যাঁরা সিগারেটকে মাদক হিসেবে মানেন না। এ ব্যাপারে অভিভাবকের আরও বেশি সচেতন হতে হবে। আর আ্নি যা আছে তা অত্যন্ত দুর্বল িএতে কোন সন্দেহ না্।ি তাছাড়া আ্নের যথাযথ প্রয়োগও ন্।ি

saju

saju

২০১২.০৩.০৬ ২২:০০
আমাদের সমাজে েক ধরনের মানুস আেছ জারা আর েকজন কে মাদকাসক্ত বানায়। েদের থেকে মুক্ত থাকুন।

G. Rahman

G. Rahman

২০১২.০৩.০৬ ২৩:৩১
Prothom Alo’s anti intoxicants efforts are always praiseworthy & enormous beneficial for the nation. To evacuate this devastating habit from the society; massive awareness, strict law enforcement and religious teachings are equally important. Quran says “Intoxication is devil's handiwork” (Surah# 5, Verse#90