পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে ইইউর সহায়তা চাইলেন সন্তু লারমা
পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের আর্থসামাজিক ও অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষা কার্যক্রমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহযোগিতা চাইলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কার্যালয়ের সভাকক্ষে গতকাল মঙ্গলবার এক আলোচনায় সন্তু লারমা ইইউর প্রতিনিধিদের কাছে এই সহযোগিতা চান।
আঞ্চলিক পরিষদের সমাজকল্যাণবিষয়ক কর্মকর্তা বরুণ চাকমা ইইউর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সন্তু লারমার আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইইউর প্রতিনিধিদলে রয়েছেন জার্মানি, নেদারল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত। এ ছাড়া এই দলে ইইউর অ্যাম্বাসেডর ও ইইউর দুজন প্রতিনিধি রয়েছেন।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সূত্রে জানা গেছে, আট সদস্যের এই প্রতিনিধিদল গত সোমবার থেকে রাঙামাটি সফর শুরু করেছে। আজ বুধবার রাজস্থলী উপজেলা পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ঢাকায় ফিরে যাবেন। গতকাল দুপুর ১২টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী রাষ্ট্রদূতরা সন্তু লারমার সঙ্গে আলোচনা করেন।
এ সময় সন্তু লারমা বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেয়নি। তবে সম্প্রতি চুক্তির বেশ কিছু বিষয় বাস্তবায়নে সরকার সম্মতি প্রকাশ করেছে। পার্বত্য চুক্তির এক দশকেরও বেশি সময় হয়ে গেছে। কিন্তু এখানকার জনগণের আশানুরূপ আর্থসামাজিক উন্নতি হয়নি। অবকাঠামোগত উন্নয়নেও পার্বত্য চট্টগ্রাম এখনো অনেক পিছিয়ে।
সন্তু লারমা সেনাবাহিনীর বর্তমান ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করে ইইউর প্রতিনিধিদের জানান, ২০১১ সাল থেকে সেনাবাহিনীর ভূমিকা চুক্তি বাস্তবায়নের সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।
এ ছাড়া ইইউর প্রতিনিধিরা রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, চাকমা সার্কেলপ্রধান রাজা দেবাশীষ রায় ও জেলা প্রশাসক মেসৗরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ ছাড়া তাঁরা লংগদু উপজেলা পরিদর্শন করেছেন।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন









