ঢাকা সিটি করপোরেশন
আজকের হরতাল সমর্থন করছি
আমরা আজকের হরতাল সমর্থন করছি। বিএনপি অতীতে কিছু হরতাল করেছে ক্ষমতার রাজনীতির লক্ষ্যে কিংবা বাড়ি রক্ষা বা দুর্নীতির মামলার প্রতিবাদে। অতীতে আওয়ামী লীগও এমন কিছু হরতাল করেছে, যেখানে গোষ্ঠী বা ব্যক্তিস্বার্থের বিষয়টি ছিল মুখ্য। গোষ্ঠী বা ব্যক্তিস্বার্থে জাতির জীবনযাত্রা জিম্মি করা কোনো সচেতন নাগরিকের পক্ষে সমর্থনীয় নয়। আমরা সেসব হরতাল সমর্থন করিনি। কিন্তু বিএনপির আজকের হরতাল ঢাকা সিটি করপোরেশন ভাগের বিরুদ্ধে। ঢাকা ভাগ অবৈধ, অগণতান্ত্রিক ও গণস্বার্থবিরোধী। এই হরতাল যদি হয় শুধু ঢাকা ভাগের প্রতিবাদে, আমরা তাতে সমর্থন করছি।
হরতাল বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রেখেছে, গণতন্ত্র অর্জনেও। অতীতে কিছু হরতাল গণমানুষের অধিকার ও স্বার্থকে তুলে ধরেছে। কিছু হরতাল আবার মানুষের অসীম দুর্গতি ও জাতির বিপর্যয়ের কারণ হয়েছে। জনমতের প্রকাশের পদ্ধতি হিসেবে হরতাল কর্মসূচি তাই যৌক্তিক, সুচিন্তিত ও অত্যন্ত পরিমিতভাবে দেওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। অন্য কোনোভাবে জনমত বা জনগণের রায় জানানোর সুযোগ না থাকলে হরতাল হতে পারে বিকল্প কর্মসূচি। ঢাকা ভাগের প্রতিবাদে আহূত হরতালকে সেভাবে দেখার কারণ রয়েছে।
বর্তমান সরকার চার শ বছরের পুরোনো ঢাকা ভাগ করতে সময় নিয়েছে মাত্র চার মিনিট। জনজীবনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে এমন এই সিদ্ধান্তটি নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার কোনো জনমত যাচাই করেনি। সংসদ, জোট, দল এমনকি ঢাকার সাংসদ বা নগর আওয়ামী লীগের নেতাদের অভিমত জানতে চায়নি। বিএনপি বা অন্য কোনো দলও এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করেনি। এখন অন্য কোনো উপায় বা সুযোগ না থাকায় অবশেষে স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল পালন তাই জনগণের মতামত জানানোর অবলম্বন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমরা বিরোধী দলকে আহ্বান জানাব এই হরতাল পালনে জনগণকে বাধ্য করার মতো কোনো উগ্র কাজ করা থেকে বিরত থাকতে। সরকারকে আহ্বান করব হরতাল কর্মসূচি দমনে নিপীড়ন-নির্যাতন না চালাতে এবং অসাংবিধানিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে মানুষকে শাস্তি প্রদান না করতে। সরকারের কাছে আরও অনুরোধ করব হরতালকে ‘পরিবেশের জন্য ভালো’ এমন হালকাভাবে না দেখে এর মাধ্যমে প্রতিফলিত জনমতকে বোঝার চেষ্টা করতে।
সরকারের ঢাকা ভাগের সিদ্ধান্ত আমরা বিরোধিতা করছি এর বৈধতার প্রশ্নে এবং এর অগণতান্ত্রিকতার কারণে। ঢাকা ভাগের সিদ্ধান্ত সংবিধানের লঙ্ঘন কি না সেটি ভেবে দেখা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী এবং ১ অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র। অষ্টম সংশোধনী মামলার রায় অনুসারে হাইকোর্টকে ভাগ করা ছিল রাষ্ট্রের এককেন্দ্রিকতার লঙ্ঘন। ঢাকা ভাগের সিদ্ধান্ত একই মানদণ্ডে সংবিধানের ১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী বলে মনে করার কারণ রয়েছে। সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে প্রশাসনের সব পর্যায়ে এবং ৫৯ অনুচ্ছেদে নির্দিষ্টভাবে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিত্বের কথা বলা হয়েছে। ঢাকা ভাগ করে পুনরায় নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নগর প্রশাসনের দায়িত্ব অনির্বাচিত প্রশাসকের হাতে প্রদান সংবিধানের এসব অনুচ্ছেদেরও লঙ্ঘন হয়েছে।
সরকার যেভাবে ঢাকা সিটি করপোরেশন ভাগ করেছে তা গণতান্ত্রিক রীতিনীতিরও পরিপন্থী। ঢাকার বিভাজন শুধু করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, করপোরেশনের সেবাভোগী, ঢাকা শহরের প্রায় দেড় কোটি মানুষকে প্রভাবিত করবে না, ঢাকাকেন্দ্রিক সারা দেশের মানুষকেও নানাভাবে প্রভাবিত করবে। অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ এই ইস্যুতে সরকারের উচিত ছিল অন্তত ঢাকাবাসীর মতামত গ্রহণ করা। ঢাকার সাংসদ, বিভিন্ন দলের নগর কমিটি, নগর প্রশাসনের নির্বাচিত ব্যক্তিরা এবং ঢাকাবাসীদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে এই দায়িত্ব পালন করা যেত। সর্বোপরি বিরোধী দলের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও সংসদের অধিবেশনে এবং স্থানীয় সরকারসংক্রান্ত সংসদীয় কমিটিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করারও অবকাশ ছিল। দেশের অনেক বিশেষজ্ঞ, নগরবিদ, রাজনৈতিক নেতা এ বিষয়ে তাঁদের অভিমত ব্যক্ত করেছেন এবং সাধারণ মানুষের একাংশ সংবাদপত্রভিত্তিক বিভিন্ন জরিপে তাঁদের অবস্থান জানিয়েছেন। সরকার কয়েক মিনিটে ঢাকা ভাগের প্রক্রিয়ায় শুধু ইতিমধ্যে প্রকাশিত জনমতকে উপেক্ষা করেনি, আরও বৃহত্তর পরিসরে জনমত গ্রহণের দায়িত্ব পালনেও অনীহ থেকেছে। ঢাকাকে বিভক্ত করা যেহেতু বর্তমান সরকারের নির্বাচনী কর্মসূচির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল না, তাই এ বিষয়ে ব্যাপক জনগণের সম্মতি আছে কি না তা অবশ্যই জানার প্রয়োজন ছিল। এসব দায়িত্ব পালন না করে সরকার অগণতান্ত্রিক মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে এবং সুশাসনের ক্ষেত্রে খারাপ নজির স্থাপন করেছে বলে আমরা মনে করি।
ঢাকার বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের প্রকৃত সম্ভাবনা নিহিত রয়েছে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এবং সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত নগর সরকার কাঠামো তৈরির মধ্যে। অতীতে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত মেয়র মো. হানিফ এবং সাম্প্রতিককালে বিএনপি থেকে নির্বাচিত মেয়র সাদেক হোসেন খোকা এ ধরনের নগর সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি করেছিলেন। উন্নত বিশ্বে এবং প্রতিবেশী কিছু রাষ্ট্রে এভাবেই রাজধানী শহরকে বিকশিত, উন্নত এবং সময়োপযোগী করা হয়েছে। কিন্তু অতীতের বিএনপি সরকারের মতো বর্তমান সরকারও শক্তিশালী ও স্বাধীন নগর সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি উপেক্ষা করেছে।
বর্তমান সরকার নগর প্রশাসনকে শক্তিশালী করার পরিবর্তে বরং নজিরবিহীনভাবে একে বিভক্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার যদি যথেষ্ট তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ দিয়ে ঢাকা ভাগের তুলনামূলক সুবিধা সম্পর্কে জনগণকে আশ্বস্ত করতে সক্ষম হতো এবং এর পরে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিত, তাহলে তা এখনকার মতো সমালোচিত হতো না। সরকার তা না করে সামান্য কিছু ফাঁকা আশ্বাসবাক্য উচ্চারণের মাধ্যমে ঢাকা ভাগের যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে। সরকার দাবি করছে যে ঢাকা ভাগ হলে নাগরিক-সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু ঢাকাবাসীকে যাতায়াত, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, পানিসহ বিভিন্ন নাগরিক-সুবিধা প্রদানের দায়িত্ব যেসব প্রতিষ্ঠানের, তাদের কারও ওপরই ঢাকা সিটি করপোরেশনের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। এ অবস্থায় সরকারের এ ধরনের দাবির কোনো সারবত্তা আছে বলে আমরা মনে করি না।
ঢাকা ভাগের কারণে বরং নগর প্রশাসনের বাড়তি অবকাঠামো নির্মাণ, জনবল নিয়োগ ও দৈনন্দিন অফিস কার্যক্রম পরিচালনার বাড়তি খরচসহ বিপুল অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হবে। দেশের অর্থনৈতিক সংকটকালে এটি তাই রাষ্ট্রীয় অর্থের নিদারুণ অপচয় হবে কি না সরকার তা ভেবে দেখেছে বলে আমাদের মনে হয়নি। যে জনগণের দেওয়া অর্থ থেকে এসব খরচ জোগানো হবে, তারা বিশ্বাসযোগ্য কোনো সুবিধা ছাড়া এতে কেন রাজি হবে সে প্রশ্নও বিবেচনা করা হয়নি। ব্যাপক জনগণের অংশগ্রহণ ও সম্মতি ছাড়া তাঁদের ওপর বাড়তি ব্যয় ও বিড়ম্বনার বোঝা একতরফাভাবে চাপিয়ে দেওয়া শুধু অগণতান্ত্রিক নয়, এটি একই সঙ্গে অনৈতিক বলে আমরা মনে করি।
সরকার যখন জনগণকে উপেক্ষা করবে, জনস্বার্থকে বিবেচনায় নেবে না, জনগণের অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারের দায়িত্ব পালন করবে না, তখন জনগণের প্রতিবাদ ছাড়া গত্যন্তর নেই। জনগণের প্রতিবাদের এই অধিকার সংবিধানই প্রদান করেছে। আজকের হরতালকে বিএনপির প্রতি সমর্থন নয়, বরং সরকারের অগণতান্ত্রিক, অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তের প্রতি প্রতিবাদ জানানোর একটি সুযোগ হিসেবে দেখছি আমরা।
জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে এই হরতাল পালনের অনুরোধ জানাচ্ছি। হরতালকালে জনগণের জীবন, সম্পত্তি ও নিরাপত্তার অধিকার যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে দায়িত্ব পালনে আমরা সরকার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিরোধী দলসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলকে আহ্বান জানাচ্ছি।
লেখকেরা সদ্য গঠিত গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য নাগরিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।







arzubair
২০১১.১২.০৪ ০২:৩৫MUHAMMAD
২০১১.১২.০৪ ০২:৫৫প্রণয় সাহা
২০১১.১২.০৪ ০২:৫৮mayin
২০১১.১২.০৪ ০২:৫৯fahim
২০১১.১২.০৪ ০৩:০৬রহমান
২০১১.১২.০৪ ০৩:০৭জনাব, সংবিধানে কি বলা আছে ? “ ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের রাজধানী”।
কা বলতে আপনারা কি বোঝাতে চাচ্ছেন?
ঢাকা বিভাগ? ঢাকা জেলা? ঢাকা উপজেলা? ঢাকা সিটি কর্পোরেশন?
দুষ্ট র্তক করতে আপনাদের কাছে ৪ টা অপশন আছে। পান্ডিত্য জাহির করতে দুষ্টামি চালিয়ে যান ভবিষ্যতে কিছু একটা হতে পারবেন এমন কি নোবেল ব্যক্তি ও।
সংবিধানের ১ অনুচ্ছেদে বলা আছে “ প্রজাতন্ত্র - বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্তী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে।” আর আপনারা বললেন “বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র” দুইটা বক্তব্য কি একই অর্থ বহন করে? নিজেদের পান্ডিত্য জাহির করতে গিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা কেন করেন? ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কে ভাগ করলে কি বাংলাদেশ দুইটা হয়ে যাবে? বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকবেনা? আপনারা কি বোঝাতে চেয়েছেন।
হাইর্কোট বিকেন্দ্রীকরন করা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটা মাইল ফলক কিন্তু আপনাদের মত পন্ডিত দের ব্যবসায়িক ক্ষতি হবে তাই তাকে আপনারা যে ভাবেই হোক আটকিয়েছেন। দয়া করে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।
সুমন - দোহা - কাতার
২০১১.১২.০৪ ০৩:০৯শিপন মোল্লা
২০১১.১২.০৪ ০৩:০৯Mostafizur Rahman
২০১১.১২.০৪ ০৩:১৩a.r.main uddin bhuiyan
২০১১.১২.০৪ ০৩:১৪mohammad amjad hossain
২০১১.১২.০৪ ০৩:২৮স্বায়ত্বশাসিত নগর সরকারের সংজ্ঞায় কি এটা বলা আছে যে নগর কে দুটি প্রশাসনিক ইউনিটে বিভক্ত করলে স্বায়ত্বশাসিত নগর সরকার গঠন করা যাবে না। মানুষকে কেন বিভ্রান্ত করছেন?
আপনারা স্বায়ত্বশাসন আর প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরন দুইটা বিষয়কে সংঘর্ষিক মনে করছেন ? আপনাদের এত অশিক্ষিত বলে আমার মনে হয়না। আসলে আপনারা দুষ্ট লোক, জ্ঞান পাপি।
Md.Rashed Alam
২০১১.১২.০৪ ০৩:২৮Ahmed (Missouri, USA)
২০১১.১২.০৪ ০৩:২৯a.r.sumon
২০১১.১২.০৪ ০৩:৩২Rukon
২০১১.১২.০৪ ০৩:৩৩Iqbal
২০১১.১২.০৪ ০৩:৩৪razib
২০১১.১২.০৪ ০৩:৪৪Md. Kamrul Islam
২০১১.১২.০৪ ০৩:৫৬Md omer faroque
২০১১.১২.০৪ ০৪:০২Md omer faroque
২০১১.১২.০৪ ০৪:০৪
২০১১.১২.০৪ ০৪:৪৪Rifat
২০১১.১২.০৪ ০৪:৪৪Muzibur rahman
২০১১.১২.০৪ ০৪:৫৯MD.MOHAIMENUL ISLAM SOHAN
২০১১.১২.০৪ ০৫:১১Abdullah Al-Mamun. রংপুর।
২০১১.১২.০৪ ০৫:৩৩মিল
২০১১.১২.০৪ ০৫:৩৯Farhad Rana
২০১১.১২.০৪ ০৫:৫০Dr Ahsan Ullah
২০১১.১২.০৪ ০৫:৫১Samanta
২০১১.১২.০৪ ০৬:২৪Milton
২০১১.১২.০৪ ০৬:২৪শুধূ এরশাদ ই সৈরশাসক চিল না। আওয়ামিলিগ ও কিন্তু কম না। এ সরকারের কাছে জনগনের ইচছার কোনও দাম নাই।
M A A CHOWDHURY
২০১১.১২.০৪ ০৬:৩২Saif
২০১১.১২.০৪ ০৬:৩৫Zahid Chowdhury
২০১১.১২.০৪ ০৬:৪৩BD got lots of problem instead of solving them creating new. not very efficient Gov.

২০১১.১২.০৪ ০৬:৪৯absolute disregard to democratic standards.I have lived in Dhaka since 1947 & would
like to see city governance more effective & efficient & not broken into pieces without any
discussion or good reason.Thanks indeed.
Tugun Changma
২০১১.১২.০৪ ০৭:২৩Ali Asgar
২০১১.১২.০৪ ০৭:৩০Therefore, question comes to my mind, 'what is the real objective of this article? Some people may think that the writers (and their newly formed organization) are trying to get sympathy of BNP. Hope they will clarify.
Foyjur Razzak
২০১১.১২.০৪ ০৭:৩২maruf
২০১১.১২.০৪ ০৭:৩২Md. Aminul Islam
২০১১.১২.০৪ ০৭:৩৮Md. Enamul Haque
২০১১.১২.০৪ ০৭:৪০Md. Aminul Islam
২০১১.১২.০৪ ০৭:৪২Hasan
২০১১.১২.০৪ ০৭:৪৪Shahriar Iqbal
২০১১.১২.০৪ ০৭:৫১Mostafa Mahmud Hasan
২০১১.১২.০৪ ০৭:৫৩Saiful Haq Bhuiyan
২০১১.১২.০৪ ০৭:৫৭আপনারা লিখেছেন-আমরা আজকের হরতাল সমর্থন করছি, আজকের কিংবা আগামীর কিংবা গত কোন হরতালই একজন সঠিক দেশপ্রেমিক সমর্থন করতে পারেনা। দেশের অর্থনৈতিক দৈন্যদশা নিয়ে আপনারা পত্রিকায় কলাম লিখে যাচ্ছেন, আমরা দেশবাসী সাধুবাদ জানায়ে আসছি। হরতালের বিপক্ষে আপনারা অনেক লিখেছেন আমরা একমত পোষন করেছি, করছি।
ঢাকা বিভক্তির বিষয়ে হরতাল কোন যুক্তিতে সমর্থন করলেন আপনারা? আপনারা এও বলেছেন- হরতাল বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রেখেছে, গণতন্ত্র অর্জনেও, একথা দেশের সকল মানুষ জানে, স্বীকার করে।
বিএনপির হরতালে আপনারা সমর্থন দিলেন কিন্তু সূশীল সমাজের প্রতিনিধি হয়ে আপনাদের কোন কর্মসূচি আমরা দেখিনি। কলুষিত রাজনীতির মাঝে, অপরাজনীতির মাঝে, আপনাদের সমর্থন কেউই আশা করে না।
এই জাতি আপনাদের লেখনিতে সতর্ক হয়, সচেতন হয়, সঠিক নির্দেশনা পায়, আর আপনারাই হরতালের পক্ষে সাফাই গাচ্ছেন, এটা আমাদের ভবিষ্যতকে অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বৈকি? নতুন সংগঠন গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য নাগরিক আন্দোলন গঠনের পরপরই এই হরতালে আপনাদের অকুন্ঠ সমর্র্থন, আমাদের কোন ইঙ্গিত দিচ্ছে কিনা, সে প্রশ্ন কি খুব অবান্তর?
এই জাতির দুর্দিনে কার কাছে পাবে একটু শান্তির সুবাতাস? শেষকথা কোনভাবেই কোন হরতাল, কোন কারণেই গ্রহনযোগ্য নয়, অন্তত আজকের এই সমাজে।
Md. Enamul Haque
২০১১.১২.০৪ ০৭:৫৯Md. Tashfiq Islam
২০১১.১২.০৪ ০৮:০৫Shahidul Kaisar
২০১১.১২.০৪ ০৮:১৩monir
২০১১.১২.০৪ ০৮:১৫
২০১১.১২.০৪ ০৮:১৬M. Wazir Hossain
২০১১.১২.০৪ ০৮:৪৩Md. Nazrul Islam
২০১১.১২.০৪ ০৮:৪৩Russell
২০১১.১২.০৪ ০৮:৫১nazrul manik
২০১১.১২.০৪ ০৮:৫৬Hadi
২০১১.১২.০৪ ০৯:০৫MD.SHAFIUL AZAM
২০১১.১২.০৪ ০৯:১৬KHONDOKAR
২০১১.১২.০৪ ০৯:১৯Monir Hossain
২০১১.১২.০৪ ০৯:২২Ahsan
২০১১.১২.০৪ ০৯:২৩reaz hoque
২০১১.১২.০৪ ০৯:৩২reaz hoque
২০১১.১২.০৪ ০৯:৩৫Md. Rasel Miah
২০১১.১২.০৪ ০৯:৩৫Md. Nazim Uddin
২০১১.১২.০৪ ০৯:৩৭মেহেদী হাসান
২০১১.১২.০৪ ০৯:৩৭Md. Muniruzzaman
২০১১.১২.০৪ ০৯:৩৮
২০১১.১২.০৪ ০৯:৪২
২০১১.১২.০৪ ০৯:৫০Moniruzzaman
২০১১.১২.০৪ ০৯:৫২salahuddin
২০১১.১২.০৪ ০৯:৫৮STOP DHAKA DIVISION.
Md. Masud Khan
২০১১.১২.০৪ ১০:০৬Abdul Kaium Khan
২০১১.১২.০৪ ১০:০৭Halim Khan
২০১১.১২.০৪ ১০:১০MD. RAFIQUL ISLAM
২০১১.১২.০৪ ১০:১৪Tutul
২০১১.১২.০৪ ১০:১৪এটা জাতীর জন্য বড় লজ্জ্বাজনক বিষয়.........।
Moin
২০১১.১২.০৪ ১০:১৬SJA Mahbub
২০১১.১২.০৪ ১০:১৭Imtiaz Lama
২০১১.১২.০৪ ১০:১৯Mojibur
২০১১.১২.০৪ ১০:২০s rahman
২০১১.১২.০৪ ১০:২০Mamun-ul-alam
২০১১.১২.০৪ ১০:২৩মোঃ আবু নাফি ইবনে জাহিদ
২০১১.১২.০৪ ১০:২৩বাবুল করিম
২০১১.১২.০৪ ১০:২৪Division of Dhaka City Corporation will need extra office, employees and so on. Who will bear this cost? We the simpleton people. Why don't government listen to us? Before the division government could have conducted a pilot-survey on 10-20 thousands people, whether people support this division. We should be refrained doing any activity that do more harm than good.
shakil
২০১১.১২.০৪ ১০:২৯nurul absar hussain
২০১১.১২.০৪ ১০:৩১মানে ঢাকা ভাগ নয়. উদ্দেশ্যমূলক হরতাল . ঢাকা দুই ভাগ আর তিনভাগ হওয়ার সাথে সাধারণ জনতার কোনো লাভ ক্ষতি নাই. আর রবিবারে কেন? চারদিন দেশ অচল রাখিয়া অর্থনীতি ধংসের জন্য?
মো: হাফিজুর রহমান
২০১১.১২.০৪ ১০:৩৩নাম প্রকাশ না করে সংবিধান বিশেষজ্ঞ হওয়ার ক্ষুদ্র চেষ্টা করে বুঝালেন ঢাকা ২ ভাগ হয়নি বরং সিটি কর্পরেশনকে ২টা ভাগে ভাগ করা হয়েছে নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর জন্য!! বেশ ভাল। আপনার কাছে আমার প্রশ্ন হলো, শেয়ারবাজার, টিপাইমুখবাধ, দ্রব্যমূল্য, পদ্মা সেতুসহ হাজারো সমস্যায় জর্জরিত আমজনতার সমাধান কি ঢাকা ভাগের মধ্যে দিয়ে হয়ে গেল?
জনগনের মৌলিক চাহিদা পূরনরে উপর গুরুত্ব না দিয়ে ভাগাভাগি, নাম পাল্টাপাল্টি, একে অপরকে দোষারোপের জন্য আমজনতা দিনবদলের সরকারকে বিপুল সমর্থন দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছিল?? নির্বাচনী ইশতেহারের দিকে মনোযোগ না দিয়ে এরকম জনসমর্থনহীন আকাজ করে জনগনের ধ্যান-ধারনা ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়াই কি সরকারের কুটকৌশল না?
Anis Ahmed
২০১১.১২.০৪ ১০:৩৩
২০১১.১২.০৪ ১০:৩৪Helal Nuri
২০১১.১২.০৪ ১০:৩৭Naser Babu
২০১১.১২.০৪ ১০:৪০আর কোন মেট্টোপলিটন সিটিকে ২ ভাগে ভাগ করার ইতিহাস নজীর বিহীন!
প্রায় দের কোটি নগর বাসীর মতামত উপেক্ষা করে ঢাকাকে বিভক্ত করার আসল উদ্দেশ্য কি ??
Ataur Rahman
২০১১.১২.০৪ ১০:৪০Anas Md.Abdullah
২০১১.১২.০৪ ১০:৪০Saif
২০১১.১২.০৪ ১০:৪১Md.Mostafizur Rahman
২০১১.১২.০৪ ১১:১৯Sharif
২০১১.১২.০৪ ১১:৩১Dewan Nuruzzaman
২০১১.১২.০৪ ১১:৩৫Suman Mohammad
২০১১.১২.০৪ ১১:৩৯Mokaddesur Rahman
২০১১.১২.০৪ ১১:৪০mohammad hossain
২০১১.১২.০৪ ১১:৪১আব্দুল্লাহ্ আল মামুন খোশ্ নবীশ, প্যারাগুয়ে
২০১১.১২.০৪ ১১:৪৬shakhawat
২০১১.১২.০৪ ১১:৪৮rahman
২০১১.১২.০৪ ১১:৫০abdul moyeen
২০১১.১২.০৪ ১১:৫২robiul islam
২০১১.১২.০৪ ১১:৫৪mirza
২০১১.১২.০৪ ১২:০১asadullah
২০১১.১২.০৪ ১২:০৯আবদুল মালেক বিশ্বাস শিপন
২০১১.১২.০৪ ১২:১২Shawket sarwar
২০১১.১২.০৪ ১২:১৬আবদুল মালেক বিশ্বাস শিপন
২০১১.১২.০৪ ১২:৩৬মাসুম হোসেন
২০১১.১২.০৪ ১২:৪৫২০১১.১২.০৪ ১০:১৯
গতো তিন বসরে এই বারই সুধু হরতাল কে সমর্থন করতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারলাম না , জামাত সমর্থন করে এটাকে নাপাক করে দিয়েছে । ......thanks Imtiaz vai 100% agree with u.
B. Rashid
২০১১.১২.০৪ ১২:৪৯মিজানুর রহমান
২০১১.১২.০৪ ১৩:১৬shafiul azam
২০১১.১২.০৪ ১৩:১৭Russel
২০১১.১২.০৪ ১৩:২০jakir hussain
২০১১.১২.০৪ ১৩:২৩Jahin
২০১১.১২.০৪ ১৩:২৭মো: হাফিজুর রহমান
২০১১.১২.০৪ ১৩:২৯OSMAN GONI, Kuwait
২০১১.১২.০৪ ১৩:৩০Shafiqul Alam
২০১১.১২.০৪ ১৩:৩০Russel
২০১১.১২.০৪ ১৩:৩০nasim
২০১১.১২.০৪ ১৩:৩৭Newspaper like Prothom Alo when Headlines "Dhaka Bhag ............", People like Dr. Kamal Hussain thinks so, then what the society follow??
Imran Chowdhury
২০১১.১২.০৪ ১৩:৩৭Mahabub hasan
২০১১.১২.০৪ ১৩:৩৯Saiful Islam Khan
২০১১.১২.০৪ ১৩:৪৭Md. Ehsanul Islam
২০১১.১২.০৪ ১৩:৫০zahir
২০১১.১২.০৪ ১৩:৫২Md.Mostafa Kader
২০১১.১২.০৪ ১৪:০৪Bappy
২০১১.১২.০৪ ১৪:২৫Sheikh Moniruzzaman
২০১১.১২.০৪ ১৪:৫০মোঃ তানভীর সাজেদিন
২০১১.১২.০৪ ১৪:৫০md.murad hossain
২০১১.১২.০৪ ১৪:৫৪Kazi Kamal Hossain
২০১১.১২.০৪ ১৫:০০
২০১১.১২.০৪ ১৫:১৭Benzul haque
২০১১.১২.০৪ ১৫:২৩prodip
২০১১.১২.০৪ ১৫:২৫alamgir husain
২০১১.১২.০৪ ১৫:৩১Shafique
২০১১.১২.০৪ ১৫:৩৮Md Rashedul Haque
২০১১.১২.০৪ ১৫:৩৯KM Naimul Hasan
২০১১.১২.০৪ ১৫:৪৩ABDULLAH AL MOHAN
২০১১.১২.০৪ ১৫:৫৪Zaman
২০১১.১২.০৪ ১৫:৫৪“HARTAL” is a deadly particle which uses by all dirty political parties for their different issues (not for country or people).
Please stop HORTAL, deny HORTAL in any forms…….
jakir hussain
২০১১.১২.০৪ ১৬:০০
২০১১.১২.০৪ ১৬:১৩Zakir Hossain
২০১১.১২.০৪ ১৬:১৭Mr. Uzzal
২০১১.১২.০৪ ১৬:৫১A.Rahman
২০১১.১২.০৪ ১৮:৩৫Rupok Reza
২০১১.১২.০৪ ১৯:০২Arvil
২০১১.১২.০৪ ১৯:৪১Faisal
২০১১.১২.০৪ ১৯:৪৬
২০১১.১২.০৪ ১৯:৫৯Russell
২০১১.১২.০৪ ২০:০৪Bibek
২০১১.১২.০৪ ২০:১৪Rifat
২০১১.১২.০৪ ২০:৩৫Md. Delwar Hossain
২০১১.১২.০৪ ২১:৫৭arif abdus satter
২০১১.১২.০৪ ২২:০৩Mehedi Hasan Rony
২০১১.১২.০৪ ২২:০৯Morshed Hasan
২০১১.১২.০৪ ২২:৪২rony
২০১১.১২.০৪ ২৩:০০মোহাম্মাদ তারেক
২০১১.১২.০৪ ২৩:০২আসলে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে অনেক খুদ্র পদের স্রীষ্টি করে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরন করে বড় পদ গুলো যেগুলো উনার বিরুদ্ধাচারন করতে পারে সেগুলো বিলুপ্ত করতে চাচ্ছেন যেনো সবার উপরে উনি কলকাঠি নাড়তে পারেন। আর উনার ভুল ধরার মত কোন পদ যেনো না থাকে। যেমনটা করেছিলেন মন্ত্রী পরিষদ গঠনের সময়। তার সাথে দীপ্ত কন্ঠে কথা বলার সাহস আছে এমন ব্যাক্তিদের উনি মন্ত্রী পরিষদে নেননি। আর তাই ঢাকা সিটির মেয়র পদকে বিলুপ্ত করে উনি চাইছেন আর যেনো এমন কেও না থাকে যে তার সমকক্ষ বা তার কাছাকাছি। উনি বিভিন্ন বিষয়ে সরাসরী হস্তক্ষেপ করে দেখাচ্ছেন যে উনি ছাড়া কোন কাজই সম্ভব না। শেয়ার বাজারের ক্ষেত্রে তিনি এলেন প্রোনোদোনা দিলেন.। কিন্তু যারা এই কারসাজ়ীর জন্য দায়ী তাদের তো সাস্তি দেওয়াই হয় নি বরং পুরষ্ক্রিত করা হয়েছিল। আসলে এক মাথাই আর কত বুদ্ধি ধরে তাই বলতে ইচ্ছে হয় ঢাকা বিভক্তির মত প্রধানমন্ত্রীর পদটা দুই ভাগে ভাগ হলে হয় তো জনসেবার মানটা বারানো যেত।
ash
২০১১.১২.০৪ ২৩:৩২