শিরোনাম:

শিক্ষকের লালসার শিকার

তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীটি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি | তারিখ: ০৩-০৮-২০১১

  • ৯ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

স্কুলের প্রধান শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াইংগ্যাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাড়ি গর্জনিয়ার থিমছড়ি এলাকায়।
মেয়েটির বাবা জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগের ঘটনা। একদিন স্কুল ছুটি শেষে প্রধান শিক্ষক স্কুল ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে তাঁর মেয়েকে রেখে দেন। পরে সবাই চলে গেলে তিনি মেয়েটিকে মুখে কাপড় বেঁধে ধর্ষণ করেন। শিক্ষকের ভয়ে মেয়েটি এ কথা কাউকে বলেনি। সম্প্রতি মেয়েটির শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হলে সে বিষয়টি তার মাকে খুলে বলে। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরীকে জানানো হয়।
জানতে চাইলে থোয়াইংগ্যাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (৪০) প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি তাঁর মামা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে মীমাংসা করা হয়েছে।
কী শর্তে মীমাংসা করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না, আমার মামা জানেন।’ একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, উপবৃত্তি না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি আরও বলেন, মেয়েটি ছয় মাস ধরে স্কুলে অনুপস্থিত। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সর্বশেষ গত ১৬ জুন মেয়েটি স্কুলে উপস্থিত ছিল। অসুস্থ থাকায় বর্তমানে সে স্কুলে যেতে পারছে না।
মীমাংসা করার বিষয়টি অস্বীকার করে গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনাটি সত্য। মেয়েটির বাবা-মা আমার কাছে এসেছিলেন। আমি তাঁদের থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে বলেছি।’
স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুরুল আমিন প্রধান শিক্ষকের শাস্তি দাবি করে বলেন, এ রকম ঘটনা দুঃখজনক। এলাকার প্রভাবশালীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
রামু উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাকের উল্লাহ বলেন, তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে নজিবুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শহীদ মোহাম্মদ ছাইদুল হক বলেন, তিনি যতটুকু শুনেছেন, তাতে বিষয়টি সত্য মনে হয়েছে। আজ বুধবার প্রধান শিক্ষক, মেয়েটিসহ তার মা-বাবাকে তাঁর কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

atikur rahman

atikur rahman

২০১১.০৮.০৩ ০৮:৫৭
such type of teacher should to be hanged in public.worse than an animal..

Md. Ibrahim

Md. Ibrahim

২০১১.০৮.০৩ ১৩:৩০
প্রধান শিক্ষক তুমি মহান!! ভয় পেওনা, তোমার কিছুই হবে না। তোমার মত বাংলাদেশের অন্যান্য শিক্ষকেরাও এসব করে বেড়াচ্ছে, তাদেরও কোনো বিচার হয় নাই।

Mohammad Ashraf Uddin

Mohammad Ashraf Uddin

২০১১.০৮.০৩ ১৮:৫৭
হায়রে শিক্ষক সমাজ তোমাদের আজ ‌এই দশা কেন? জাতিকে তোমরা শিক্ষা দিচ্ছ ? তোমাদের দ্বারা যে ভবিষ্যত গড়ে উঠবে তারা দেশকে কি দেবে ?
২০১১.০৮.০৪ ১০:২৩
Bangladesh herself is victim of rape by BNP & Aeameleague. How can others get rid of it? Police rapes, teacher rapes, Lawyer rapes, teacher gets persecution these are now general issues of our Beloved Bangladesh..

আফছানা বেগম অর্থী

আফছানা বেগম অর্থী

২০১১.০৮.০৪ ১৯:৫৯
ধিক্কার!!!

প্রবাল

প্রবাল

২০১১.০৮.০৬ ০৩:৩৯
সেদিন আর দূরে নেই, যেদিন ইংলিশ পরীক্ষায় ট্রান্সলেশনে আসবে “স্কুল ছুটি হওয়ার পর মেয়েটি ধর্ষিত হল”।

Jafar

Jafar

২০১১.০৮.০৬ ০৯:০৭
ধিক্কার জানানোর ভাষা হারিয়ে গেছে।

Habibur Rahman

Habibur Rahman

২০১১.০৮.০৬ ০৯:১৩
ধিক্কার!!! ; শয়তান, শিক্ষক নামের কলঙ্ক। জন সন্মুখে গুলি করে মারা উচিৎ। যাতে সকল শিক্ষক জাতি এই দৃশ্য দেখে শিক্ষা গ্রহণ করে।

Shafiq

Shafiq

২০১১.০৮.০৬ ২০:০৪
এখনও এলাকাবাসী ....টারে বাঁচিয়ে রেখেছে, ওরে জ্যান্ত পুতে ফেলে নাই কেন। তৃতীয় শ্রেণীর একটা বাচ্চাও ওদের কাছে সেইফ না !!! এর চেয়ে দেশ একেবারে ধ্বংস হয়ে যাক এটাই কামনা করি।