শিরোনাম:

ঢিলেঢালা প্রথম দিনের হরতাল, রাজপথে নেতা-কর্মী ছিলেন কম, পুলিশও দাঁড়াতে দেয়নি। রাতে চার বাসে আগুন

ফারুককে কেন্দ্র করে উত্তাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৭-০৭-২০১১

  • ১৬৩ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
  • ঢিল ছোড়ার ভঙ্গিতে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ

    ঢিল ছোড়ার ভঙ্গিতে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ

  • পুলিশকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়

    পুলিশকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়

  • ন্যাম ভবনে ঢোকার সময় আবার পুলিশের হামলা

    ন্যাম ভবনে ঢোকার সময় আবার পুলিশের হামলা

  • ছবি: প্রথম আলো

হরতালের আগের দিন মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকেই গাড়ি পোড়ানোর কারণে রাজধানীতে হরতালের উত্তাপ টের পাওয়া যাচ্ছিল। তবে গতকাল বুধবার সেই উত্তাপ অনেক বেশি ছড়িয়েছে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায়।
গতকাল হরতালের শুরুতেই সংসদ ভবন এলাকায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। সারা দিন এ নিয়েই উত্তপ্ত ছিল রাজনৈতিক অঙ্গন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন, চিফ হুইপের মাথায় ১১টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি এ ঘটনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের ঘটনা ছাড়া ৪৮ ঘণ্টার হরতালের প্রথম দিনে তেমন কোনো উত্তেজনা ছিল না। ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে প্রথম দিনের হরতাল। রাজপথে জোটের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। পুলিশও নেতা-কর্মীদের দাঁড়াতে দেয়নি। কোথাও কোথাও নেতাদের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে তাঁদের ঘর থেকে বের হতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। দিনভর সমমনা দলগুলোর কোনো কার্যকলাপও চোখে পড়েনি।
বিএনপি দাবি করেছে, প্রথম দিনে সারা দেশে চার শতাধিক নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। আর জামায়াতের দাবি, তাদের দেড় শ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশের লাঠিপেটায় আহত জয়নুল আবদিন ফারুক: সংসদ ভবনের সামনে পুলিশের লাঠিপেটায় আহত হন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। বিরোধীদলীয় সাংসদদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুনুর রশিদও আহত হয়েছেন।
গতকাল সকালে সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া এভিনিউতে এ ঘটনা ঘটে। বিরোধীদলীয় সাংসদেরা দাবি করেছেন, পুলিশ অতর্কিতে ফারুকের ওপর হামলা চালায়। তবে পুলিশ দাবি করেছে, ফারুক পুলিশ সদস্যদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন।
গতকাল ভোর ছয়টার দিকে জয়নুল আবদিন ফারুকের নেতৃত্বে বিরোধী দলের ১৫ থেকে ২০ জন সাংসদ মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সামনে জড়ো হন। ভোরবেলা তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে হেঁটে সংসদ ভবন এলাকা থেকে ফার্মগেট এলাকায় পৌঁছান। পরে ফার্মগেট থেকে তাঁরা আবার মানিক মিয়া এভিনিউতে ফিরে যান। এ সময় হঠাৎ করে একটি বাস লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইমাম হোসেন, সহকারী উপকমিশনার হারুনুর রশিদ ও মোহাম্মদপুর অঞ্চলের সহকারী কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার সাংসদদের সামনে গিয়ে তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের এক দফা কথা-কাটাকাটি হয়। পুলিশের ডিসিকে উদ্দেশ করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘তুই কে? তুই কী করবি?’ এ সময় পুলিশ জয়নুল আবদিনের দিকে তেড়ে যায় এবং ‘পাগল পাগল’ বলে চিৎকার করতে থাকে। আরও কয়েকজন পুলিশ তাঁর দিকে এগিয়ে গেলে ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং তিনি পড়ে যান। কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাঁকে লাথি মারেন এবং তাঁকে ধরে টানাটানি করতে থাকেন। এ সময় ফারুকের গেঞ্জি খুলে যায়। একপর্যায়ে একজন পুলিশ সদস্যের লাঠির আঘাতে ফারুকের মাথা ফেটে যায় এবং রক্ত বের হতে থাকে। সকাল থেকেই চিফ হুইপের ডান হাতে ব্যান্ডেজ থাকলেও পরে ধস্তাধস্তির সময় সেটি খুলে যায়।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের মাথায় রক্ত দেখে মহিলা সাংসদেরা তাঁকে নিয়ে ন্যাম ভবনের দিকে এগিয়ে যেতে চান। এ সময় পুলিশ আবার এগিয়ে এলে ফারুক আত্মরক্ষায় ন্যাম ভবনের দিকে দৌড় দেন। এরপর পুলিশ তাঁর পিছু নিয়ে আবার সেখানে গিয়ে ফারুকসহ সাংসদদের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ ফারুককে চ্যাংদোলা করে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। এ সময় তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
এরপর সাংসদেরা ফারুককে উদ্ধার করে মহিলা সাংসদ আসিফা আশরাফীর ন্যাম ভবনের বাসায় নিয়ে যান। সকাল পৌনে ১০টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনা সম্পর্কে জয়নুল আবদিন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওরা আমাকে বুট দিয়ে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। মাথা ও পায়ে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছি। সারা শরীরেই ব্যথা। কোন দেশে আমি আছি?’
তবে সহকারী কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ফার্মগেট এলাকায় গিয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক রাস্তার মাঝখানে বসে পড়ে যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেন। এ সময় পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে গেলে তাঁরা পুলিশকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেন।
বিপ্লব কুমার সরকার জানান, সাংসদ ফারুক পুলিশ সদস্যদের জঘন্য ভাষায় গালাগাল করেন। তাঁদের গায়ে হাত তোলেন এবং পুলিশকে গালি দিয়ে বলতে থাকেন ‘পারলে মার।’ এ সময় পুলিশ তাঁকে সরিয়ে দিতে গেলে তিনি ধস্তাধস্তি শুরু করেন এবং হঠাৎ করে পড়ে যান।
আহত পুলিশের এডিসি হারুনুর রশিদ জয়নুল আবদিনকে পেটানোর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ধস্তাধস্তির সময় পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পেতে পারেন। পুলিশ তাঁর ওপর হামলা চালায়নি, বরং তিনিই পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছেন।’
ফারুককে মারধরের প্রতিবাদে বিরোধীদলীয় সাংসদেরা সংসদ ভবনের ভেতরে মিছিল করেছেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়: হরতালের প্রথম দিনে বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ছিল সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ। কার্যালয়ের ভেতরে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীকে দেখা গেছে। এ ছাড়া দলের আর কোনো নেতাকে দলীয় কার্যালয়ের ভেতর বা বাইরে দেখা যায়নি।
আগের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার রাত থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিএনপির কার্যালয় অবরোধ করে রাখে। এর আগের হরতালগুলোতে নেতা-কর্মীরা কার্যালয়ের দিকে আসার চেষ্টা করলেও গতকালের হরতালে তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। দুপুর ১২টা পর্যন্ত পুলিশ ওই স্থান থেকে কোনো নেতা-কর্মীকে আটক করেনি। তবে পল্টন থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, সাড়ে ১২টা থেকে দুইটা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আটজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি এদের বিএনপির কর্মী বলে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন।
মহাখালী ও গুলশান: মহাখালী-গুলশান এলাকায় হরতালের সমর্থনে জোরালো কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি। বিচ্ছিন্নভাবে গুলশানে মহিলা দলের কিছু নেতা-কর্মী সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু পুলিশের বাধায় মিছিল বা পিকেটিং করতে পারেননি। এই এলাকায় সারা দিনই কিছু বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
গুলশান ১ নম্বরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে সকাল থেকে পুলিশ অবস্থান নেয়। পুলিশের দাবি, বিএনপির সাবেক সাংসদের বাড়িতে অন্তত ২০-২৫ জন মহিলা পিকেটার অবস্থান নিয়েছেন। রাত আটটার আগে মহিলা পিকেটারদের কেউ এই ভবন থেকে বের হলেই আটক করা হবে।
বেলা ১১টার দিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী নূরে আরা সাফাসহ ছয়জনকে মহাখালীর ওয়্যারলেস গেট থেকে পুলিশ আটক করে। তাঁরা রিকশায় করে গুলশান ১ নম্বর গোলচত্বর থেকে মহাখালীর দিকে যাচ্ছিলেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার আশরাফুল আজিম দাবি করেন, এই ছয়জন গুলশান থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসার পথে আটক হন।
সকাল নয়টার দিকে মহাখালীর তিতুমীর কলেজে ছাত্রলীগ হরতালবিরোধী মিছিল বের করে।
পুরান ঢাকা: হরতালের সমর্থনে মীরহাজীরবাগ এলাকায় পিকেটিং করার চেষ্টা করলে শ্যামপুর থানার পুলিশ জামায়াতে ইসলামীর দুই কর্মীকে আটক করে।
হরতালের সমর্থনে সূত্রাপুর থানা যুবদল টিপু সুলতান রোডে মিছিল বের করে। অন্যদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ এবং ৭৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ হরতালের বিপক্ষে সদরঘাট এলাকায় মিছিল বের করে।
পুরান ঢাকার বেশির ভাগ দোকানপাট বন্ধ ছিল। সদরঘাট থেকে গাবতলী ও সদরঘাট হয়ে মিরপুর রুটের অল্পসংখ্যক বাস চলাচল করেছে। এসব এলাকার স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিল। ছাত্রলীগের কর্মীরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে পাহারা বসান। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ: হরতালের সমর্থনে গতকাল সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সরকারবিরোধী আইনজীবীরা। এদিকে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একক অবকাশকালীন বেঞ্চ ১১টা থেকে কিছুক্ষণ এজলাসে বসে বিচারকাজ পরিচালনা করেছেন। এর আগে সকাল ১০টার দিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে সরকারবিরোধী আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ হলে জড়ো হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য পর্ব শেষে আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেনের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক আইনজীবী মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে সমবেত হন।
বেলা ১১টার দিকে আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটক থেকে রাস্তায় বের হতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁরা মূল ফটকের প্রবেশমুখেই বসে অবস্থান নেন।
ছাত্রদল: হরতালের সমর্থনে রাজধানীর গ্রিন রোডে গতকাল মিছিল করেছে ছাত্রদল। সকাল ১০টার দিকে ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিলটি বের হয় এবং পান্থপথ ঘুরে আসে। পরে গ্রিন রোডেই সমাবেশ করে ছাত্রদল।
জামায়াতের তৎপরতা: সকাল নয়টার দিকে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের একটি মিছিল কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের উল্টো পাশ থেকে শুরু হয়। মিছিলটি টিটিপাড়ার দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ দেখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
দলের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর কমিটির সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ মিছিলের নেতৃত্বে দেন। পুলিশ আসার আগে তড়িঘড়ি বক্তব্য দিয়ে তিনি চলে যান।
সকাল সাড়ে ছয়টায় হরতালে সমর্থনে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরের কাছ থেকে ঘুপচি মিছিল বের করে স্থানীয় জামায়াত। মিছিলটি কাজীপাড়ার দিকে কিছুদূর গেলে রাস্তার দুই পাশ ঘিরে পুলিশ লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সেখান থেকে পুলিশ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে। এতে ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে জামায়াত দাবি করেছে।
এ ছাড়া পুরান ঢাকার চানখাঁরপুল ও উত্তর বাড্ডা থেকে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশের লাঠিপেটায় তা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় পুলিশ চানখাঁরপুল থেকে নয়জন ও উত্তর বাড্ডা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
সকালে যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়ক থেকে মিছিল বের করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে পুলিশ মীরহাজীরবাগ এলাকায় ছাত্রশিবিরের একটি মেসে তল্লাশি করে ছাত্রশিবিরের চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, গতকাল ঢাকা মহানগরে ৩৯ জন, কুড়িগ্রামে ২৮ জনসহ সারা দেশে বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের ১৫০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় পুলিশের হামলায় ৫০ জন আহত হয়।
খালেদা জিয়ার নিন্দা: জয়নুল আবদিন ফারুককে পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হত্যার অশুভ অভিপ্রায় ফারুকের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে। তিনি আক্রমণকারী পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
চার বাসে আগুন: গতকাল সন্ধ্যার পর রাজধানীতে চারটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানানো হয়, রাত আটটার দিকে আজিমপুরে ইডেন কলেজের সামনে একটি বাসে, এরপর খিলক্ষেতে একটিতে, গুলিস্তানে একটিতে এবং সাভারের উলাইলে একটি মিনিবাসে আগুন দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বাসগুলোর আগুন নেভানোর আগেই বাসগুলোর বেশির ভাগ অংশ পুড়ে যায়।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

হাফিজ আল ফারুকী

হাফিজ আল ফারুকী

২০১১.০৭.০৭ ০১:৪৭
এটা ঢিল ছোড়ার ভঙ্গি না। এটা তাঁর পূর্বেই ব্যথা পাওয়া হাত, কাঁধের সাথে ঝুলিয়ে রাখা। ভাঙ্গা বা ব্যথাপ্রাপ্ত হাতই সাধারণত এভাবে কাঁধের সাথে ঝুলিয়ে রাখতে হয়। এরকম হাতে ঢিল ছোঁড়া যায়ও না। এই হাত দিয়ে ঢিল ছোঁড়ার চেষ্টা করা হচ্ছে না। তিনি পুলিশের হাত থেকে মুক্ত হওযার চেষ্টা করছেন।

jahangir

jahangir

২০১১.০৭.০৭ ০১:৫০
বরাবর সরকার,
ছবিগুলোর দকে তাকান আর ভবিস্যৎ ভাবেন ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

M Sarowere Alam

M Sarowere Alam

২০১১.০৭.০৭ ০১:৫৪
Police Officers of Bangladesh are more powerful than the members of the parliament, it happened in past, it happens now, it would happen in future, let us work together to stop it.

২০১১.০৭.০৭ ০২:০০
I know J.A.Faruk wanted to be Hero by drama, most MP like that.

২০১১.০৭.০৭ ০২:০৮
হুইপ জয়নাল যা অভিনয় করলো !!!

Jahed Ahmed

Jahed Ahmed

২০১১.০৭.০৭ ০২:১৩
পুলিশ জিনদাবাদ !

ইমতিয়াজ় জ়ামান নিশীথ

ইমতিয়াজ় জ়ামান নিশীথ

২০১১.০৭.০৭ ০২:১৪
হাতে ব্যান্ডেজ নিয়েই যে স্টাইলে ঢিল ছুড়ছেন, হাতে ব্যান্ডেজ না থাকলে যে কি করত, আল্লাহ ই ভাল জানে।
২০১১.০৭.০৭ ০২:২৬
সংসদ সদসসকে লাটি পেটা করা নজির বিহিন ঘটনা........
২০১১.০৭.০৭ ০২:২৭
এসব খবর আর প্রকাশ না করলে হয় না ? এসব ঘটনাকে এত গুরুত্ব দেয়ার কি আছে ?

ইমন রহমান

ইমন রহমান

২০১১.০৭.০৭ ০২:২৯
লেখাটাতে কিছু বিষয় এরিয়ে যাওয়া হয়েছে। জয়নুল আবদিন ফারুককে যে ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, আমরা সাধারণ জনতা ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে যে ভাবে দেখেছি সে ভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। আমরা যে বিষয়গুলো দেখতে পারিনি সে গুলো যেমন লিখেছে আমি বিশ্বাস করি প্রথম আলো মিথ্যা লিখতে পারে না। তবে কিছু নির্যাতনের নির্মমতা যে ভাবে আড়াল করা হয়েছে তা দেখে আমি শঙ্কিত হচ্ছি। আমার মনে প্রশ্ন জাগছে প্রথম আলো কি এই সরকারকে ভয় পাচ্ছে। আমরা অগনিত পাঠক প্রথম আলোর পাশে আছি, ভয় নাই আপনারা এগিয়ে যান নির্ভীক চিত্তে।

Abdul Halim Miah

Abdul Halim Miah

২০১১.০৭.০৭ ০২:৩১
পুলিশের খমতা অসীম !!!

khaled

khaled

২০১১.০৭.০৭ ০২:৩৮
Dear reporter .u didn't mention about video clip and all world seen the truth.you didn't watch that then where is the truth?

Russel Islam

Russel Islam

২০১১.০৭.০৭ ০২:৪০
Picture says a thousand word. This is the piture that shows what was our Opposition Chief Whip Joinal Abedin Farook, MP doing prior to the physical fight with Police. Police MUST file a case against this MP for hurling Stone at the bus endangering public life. It seems pretty clear now that Mr. Farook was acting like a thug/mastan instead of an MP. Shame shame shame... Then you got what you deserved. Now BNP wants home minister's resignation? Mr. Farook should resign and hide from public eye.

mostafa

mostafa

২০১১.০৭.০৭ ০২:৫২
এটা ঘটনা গনতন্ত এর জন্য অশনি সংকেত ।

MUHAMMAD

MUHAMMAD

২০১১.০৭.০৭ ০২:৫২
পুলিশ উপ-কমিশনার হারুনের এখনই কোথাওএসাইলাম সিক করা উচিৎ। মিথ্যা বলে লাভ হবে না । টি ভি চ্যানেলগুলো তার আসল চেহারা দেখাচেছ।

kazi murad

kazi murad

২০১১.০৭.০৭ ০২:৫৪
"আরও কয়েকজন পুলিশ তাঁর দিকে এগিয়ে গেলে ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং তিনি পড়ে যান। কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাঁকে লাথি মারেন এবং তাঁকে ধরে টানাটানি করতে থাকেন। এ সময় ফারুকের গেঞ্জি খুলে যায়।" গতকাল এই বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে প্রথম আলোতে ছাপা হয়ে ছিলো বিরোধী দলীয় নেতা নিজেই তার জামা খুলে ফেলে পুলিশের প্রতি মারমুখী হয়ে ছিলেন এবং মাটিতে শুয়ে পরে আহত হওয়ার ভঙ্গি করেছিলেন। প্রথম আলো নিশ্চয়ই জানে শুধূমাত্র বিশেষ কোনো দলের সাপোর্টাররাই প্রথম আলোর পাঠক নয় ভিন্নমতাবলম্বী এবং নির্দলীয়রাও এই পত্রিকা পড়েন এবং এ কারণেই প্রথম আলোর এই ঈর্ষনীয় জনপ্রীয়তা। প্রথম আলোর আরও জানা উচিত "বদলে যাও বদলে দাও" এই শ্লোগানকে বাস্তব করতে হলে আগে নিজেকেই বদলাতে হবে। বিরোধী দলের নেতা পুলিশের প্রতি যে ধরনের আচরণই করুকনা কেনো পুলিশ তার গায়ে কোনো অবস্থাতেই হাত তূলতে পারে না। এই ধরনের বর্বর ও অমানবিক ঘটনাকে আকারে ইঙ্গিতে সমর্থন করাও বদলে যাও বদলে দাও এই শ্লোগানের যথার্থতা প্রমান করেনা !!!!!

জিয়াউর রহমান

জিয়াউর রহমান

২০১১.০৭.০৭ ০২:৫৬
টিভিতে কিন্ত দেখলাম ফারুক সাহেব (!) একজন পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দিল। এখন কথা হলো হরতাল করা কারও গণতান্ত্রীক অধীকার নয়। সংবিধান এর কোথাও হরতাল এর কোনো উল্লেখ নাই। বিরোধী দলগুলো হরতাল করে তাদের আখের গুছানোর জন্য। তবে এই অগণতান্ত্রীক অধীকার বাস্তবায়ন করার জন্য যদি কেউ রাস্তায় গাড়ী ভাংচুর করে, ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের গালা-গালী করে এবং মার খায় সেটা কার দোষ? সে জন্য কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী করা কি যৌক্তিক?

Rose Hasan

Rose Hasan

২০১১.০৭.০৭ ০৩:১৯
I read this news. When I saw Video clips than I can't justified about Police and Political leader speech. Shame for us, who loves Bangladesh. I am trying to work at Sweden about Beautiful Bangladesh on the other hand .................Shame.

Misbahul Islam

Misbahul Islam

২০১১.০৭.০৭ ০৩:২৭
প্রথম ছবিতে তিনি কি ঢিল ছুড়ছেন? ২য় ছবি দেখেই বুঝা যায় উনার ডান হাতে মোবাইল ছিল, এবং ওই হাতে ব্যান্ডেজ বাধা ছিল। এই ধরনের সাংবাদিকতার মানে কি?

Syful Islam Tonmoy Wvc

Syful Islam Tonmoy Wvc

২০১১.০৭.০৭ ০৩:৩০
Video footage of tv chanel shows Faruk was attack badly by police............Shame......

Md Shahi Imran Murad

Md Shahi Imran Murad

২০১১.০৭.০৭ ০৩:৩৪
তার হাতে কোন সমস্যা আছে বলে মনে হয়।

Enamul

Enamul

২০১১.০৭.০৭ ০৪:০৬
The picture shows cell phone in hand faruk. ADC Harun was a satra league cader 1997 at Surjo shen hall. politically, he got this police job. once upon a time he was illegal cader,now became a legal cader. same work just change the colour.
২০১১.০৭.০৭ ০৪:১৪
যে ছবিগুলো দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে দ্বিতীয়টি দেখে এই খবরের বিপরিত বলে মনে হয়েছে কারণ টিভিতে ও ইউটিউবে দেখা ভিডিওতে বোঝা যায় যে পুলিশ জয়নাল আবেদিনের হাতের ব্যান্ডেজ খুলতে গিয়েছে। আরও দেখা গিয়েছে যে পুলিশ বলেছে যে একটা গাড়িতে হাত দিলে থাপ্পড় দিয়ে দাত ফেলে দিবে এবং হাড় গুড়া করে দিবে তার পর হয় ধস্তাধস্তি। প্রথম আলোর সাংবাদিকদের কাছ থেকে এটা অনভিপ্রেত ছিল।

M.Muquit Ahmed /London

M.Muquit Ahmed /London

২০১১.০৭.০৭ ০৪:১৫
পুলিশের কাজ পুলিশ করবে ,তাদের কাজে বাধা দিলে পরিনতি এরকম আজকাল আমরা আরব দেশ ও পশচিমা দেশ গুলাতে সচরাচর দেখছি।

MUHAMMAD

MUHAMMAD

২০১১.০৭.০৭ ০৪:২৪
উপ-কমিশনার হারুন সাবেক ছা: লীগ ক্যাডার এবং বিগত আওয়ামী লীগ আমলে দলীয় ভাবে নিয়োগ পেয়েছিল। সে না কি ঢা: বি: তে ছা: লীগ করতো।

Abu Hena

Abu Hena

২০১১.০৭.০৭ ০৪:৪৬
from the news of DESH TV, it is evident that Mr. Faruq was irritated Police, hence, Faruq to be blamed at first. Mr. faruq, who needs to take "Personality development" course, is very much communal and tries to utilize the sentiment of common people by fooling them.
But, it is very sad that, a member of Parliament got beaten by the law enforcement agencies, though, during BNP regime even more worst occurrences was a regular & very much common issue over opposition. Unlike past, this time it created enough senses than before, so, Govt. should take immediate steps in favor of the victim as nobody wants the repetition of past.
Strike is a democratic right, hence everybody hold the right of participating in Strike or reject it. But whoever calls Strike, Govt. takes extra preparation to protest it through police, and the caller of the strike forces people to stop their their regular activities. Hence a battle takes place, so all the parties should sit together as they claim themselves as democratic party before calling any further strike and Govt. should allow peaceful activities as long as it doesn't hurt people.

a.k.m.masum

a.k.m.masum

২০১১.০৭.০৭ ০৪:৫১
hahahahah funny picture broken hand r all rite ............................this is our real politics shame .

২০১১.০৭.০৭ ০৪:৫৭
যে দেশে পুলিশ, একজন সংসদ সদস্য তথা বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ কে বিবস্ত্র করে, আর এই পুলিশ দিয়ে কিভাবে দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা হবে? মিডিয়া সামনে না থাকলে, এই বিরোধী দলীয় চীফ হুইপের অবস্থা লিমনের মত হত।

এছলাম সরকার

এছলাম সরকার

২০১১.০৭.০৭ ০৫:০২
তিন নম্বর ছবিটা (ন্যাম ভবনে ঢোকার সময় আবার পুলিশের হামলা) দেখলে রবীন্দ্রনাথের কবিতার লাইন মনে পড়ে, "দৌড়টা ছিলো দেখার মতো"। :)

Ruhel  Ahmed

Ruhel Ahmed

২০১১.০৭.০৭ ০৫:১৪
ঢিল ছোড়ার ভঙ্গিতে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ!! হাতে মোবাইল তার পর বেন্ডেজে হাত বাঁধা উনি কি ভাবে ডিল ছুড়বেন ?

misbah

misbah

২০১১.০৭.০৭ ০৫:২৪
I read that ADC Haron and AC Biplob both are American citizen . BNP should file civil right violation lawsuit in USA. I am sure there is enough evidence.

Ashraf Chowdhury

Ashraf Chowdhury

২০১১.০৭.০৭ ০৫:২৮
I have seen the horrific bloody picture of faruq in other media.But prothom alo tried to blame faruq for initiating the battle in their pic & report.Even if it is true, my question to the reporter who have empowered police for this sort of cruelty?You should have mentioned that two of the involved police officer were ex awami league cader.
২০১১.০৭.০৭ ০৫:৪৩
You can see the bruise on Joinul's face in the 2nd picture. So this is evident from the 2nd picture that Joinul Abedin Faruq thrusted the police to the ground only after being attacked first by the police. What sort of civilized country do we live in? The government must take action against those policemen who were involved with this atrocious and heinous activity. We are deeply ashamed as a nation after this terrible incident!

Shurja Sen

Shurja Sen

২০১১.০৭.০৭ ০৬:১০
প্রথম আলোর এভাবে খরবটা লেখা উচিৎ হয় নি। এই ঘটনার কিছু ভিডিও নেটও আছে। এতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে হুইপের দোষ আছে, কিন্তু খবরে যা লেখা হয়েছে সে দোষ তার নেই! পুরো কথোপকথন দেখলে এটা পরিস্কার যে পুলিশ সুযোগ খুঁজছিল এবং পেয়েও গেল। যেটা পুলিশের বৈধ আচরনের সাথে যায় না।

md babu

md babu

২০১১.০৭.০৭ ০৬:২৪
SO SAD, THE WAY YOU WROTE THE REPORT ON MP FARQUE IS SO PARTIAL.I M REALLY REALLY UPSET!!!!

Russell

Russell

২০১১.০৭.০৭ ০৬:৪২
পুলিশকে গালাগালি, উত্তেজিত করা এবং গাড়ি ভাংচুরের, আমাদের দিকে (গাড়ীতে) ঢিল ছোড়ার জন্য তাকে ভ্রম্যমান আদলতে প্রেরণের অনুরোধ জানবো।

Khondokar Farid Ahmmed

Khondokar Farid Ahmmed

২০১১.০৭.০৭ ০৬:৫০
পুলিশ যে তাকে পেটাল সে সব ছবি কই ? প্রথম আলর কাছে এটা আশা করি নি।

SAGAR

SAGAR

২০১১.০৭.০৭ ০৬:৫২
প্রথম আলোর সংবাদ আর টিভির ফুটেজের মিল পেলাম না. প্রথম আলো দিন দিন একটি বিশেষ দলের হয়ে কথা বলা শুরু করেছে.

Ershad

Ershad

২০১১.০৭.০৭ ০৭:১০
I don't know what is going on. All the political parties should think about the nation & the mass people.We should respect each other as human being. We are very shamful about the incident of last day.

সোহেল চৌধুরী

সোহেল চৌধুরী

২০১১.০৭.০৭ ০৭:১২
প্রথমআলোর কাছ থেকে এরকম একটি একপেশে খবর আশা করিনি। ইউটিউব এর এই ভিডিও দেখলেই জয়নাল আবেদিন ফারুক পুলিশকে প্রথম গালি দিয়েছিলেন এবং পুলিশের গায়ে হাত তুলেছিলেন কিনা তা পরিস্কার বুঝা যায়। ( http://www.youtube.com/watch?v=TZ_d8tSOyJk )। আমি কোন দলের সমর্থক নই। বাংলাদেশের রাজনীতিকে বলতেগেলে অন্তর থেকে অপছন্দ করি। তবুও দুদলের মধ্যে কিছু বিষয়ের জন্য আওয়ামিলীগের প্রতি মাঝে মাঝে কিছু সহানুভুতি অনুভব করি। কিন্তু, তাই বলে তাদের অরাজকতা চোখবুজে নিতে পারিনা। আজকের প্রথমআলোর এই একপেশে লিড নিউজ পড়ে বুঝলাম তারা আওয়ামীলীগের প্রতি কতটুকু একপেশে।

২০১১.০৭.০৭ ০৭:১৭
দোষ যার এ হোক না কেন , পুলিশ এর নগ্ন আচরণ বাড়াবাড়ি পর্যায়ের ............।

Shafiqul Islam

Shafiqul Islam

২০১১.০৭.০৭ ০৭:১৮
if faruk again try to do the same, i request police to give him a very good lesson.

Md. Lokman Uddin

Md. Lokman Uddin

২০১১.০৭.০৭ ০৭:২২
হরতাল বিরোধী মিছিলই হরতাল সফল করার প্রধান উপাদেয়। এই কারনে যারা হরতাল আহব্বান করেছেন তারা আওয়ামীলিগ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা দরকার।

Onindo

Onindo

২০১১.০৭.০৭ ০৭:৩১
প্রথম আলোর এই রিপোর্ট আর ভিডিও ফু্টেজ এক কথা বলছেনা। ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে মোহাম্মদপুর অঞ্চলের সহকারী কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ কে "থাপরাইয়া দাত ফালাইয়া দিবো" বলছে এবং ২ বার তিনি বিরোধী দলীয় চিফ হুইপকে (যিনি কীনা পদমর্যাদায় পুলিশের আইজি'র উপরে) 'কুকুরের বাচ্চা' এবং 'শুওরের বাচ্চা' বলেছেন। যে কেউ এই ভিডিও ফু্টেজটি দেখতে পারেন।
২০১১.০৭.০৭ ০৭:৪৪
জয়নাল আবেদিন ফারুকের ওপর পুলিশি নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজ ইউটিউবে ছাড়া হয়েছে। সেখানে যা দেখা যাচ্ছে তার সাথে এই সংক্রান্ত প্রথম আলোর প্রতিবেদনগুলোর বর্ণনার মিল পাওয়া যাচ্ছে না। রিপোর্টার জিনিই হোন তিনি বস্তুনিষ্ঠ বর্ণনা দিচ্ছেননা। এটা প্রথম আলোর নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এমনটা অসম্ভব নয় যে এখানে জয়নাল ফারুক সাহেব কোন উস্কানি দেননি। কিন্তু তার বিপরীতে পুলিশের আচরন ছিল অকল্পনিয়। সেটার দায়কে লঘু করে দেখানো হয়েছে প্রথম আলোর রিপোর্টগুলিতে। এটা প্রথম আলোর কাছে অপ্রত্যাশিত।
২০১১.০৭.০৭ ০৭:৪৫
There is much difference between TV report and prothom alo, is prothom-alo folower of present Goverment. i see a try of cover up the truth .thats not good for prothom-alo.

M.J.A KHAN

M.J.A KHAN

২০১১.০৭.০৭ ০৭:৫৯
সরকারী ও বিরোধী উভয় দলের লজ্জা শরম আছে এমন সাংসদদের পদত্যাগ করা উচিত। কারন সিকিউটিরিট হাতে পেটানি খাওয়ার চেয়ে মান সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকা বেশী জরুরী। সাংসদরা হয়তো দুঃখ জনক, অনভিপ্রেত বলেই খান্ত থাকবে।

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন খোশ্ নবীশ, প্যারাগুয়ে

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন খোশ্ নবীশ, প্যারাগুয়ে

২০১১.০৭.০৭ ০৮:০১
অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বিএনপি হরতাল করেনি, হরতাল করেছে পুলিশ।
২০১১.০৭.০৭ ০৮:০৩
একটা লোক কয়েক জন পুলিশ ধস্তা ধস্তি করছে। আর শত শত ক্যামেরামেন চারিদিক দিয়ে এর ছবি তুলছে। সংবাদে, সংবাদ পত্রে প্রচারের জন্য। এটি কখনো একটি দেশের সার্বিক চিত্র হতে পারে না। এগুলি জনগনকে বুঝতে তে হবে।

Siddiq

Siddiq

২০১১.০৭.০৭ ০৮:০৪
so socked to read the news. after reading several newspapers I'm sorry to comment that Prothom Alo is not always bias free for certain parties.
২০১১.০৭.০৭ ০৮:০৫
আমরা সাধারণ জনগনের ১% ও জানি না যে সংসদ ভবন এলাকায় কোনপ্রকার মিছিল, পিকেটিং করা যায় না। এটি খুবই সংরক্ষিত একটি এলাকা। এ এলাকার বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখতে হয়। তা হয়তো আমরা অনেক কম লোকই জানি। সুতরাং এ এলাকায় মিছিল, পথ যাত্রা, ইত্যাদি কঠোর হস্তে দমন করা হয়।

মোঃ আবু নাফি ইবনে জাহিদ

মোঃ আবু নাফি ইবনে জাহিদ

২০১১.০৭.০৭ ০৮:০৭
হরতালের নামে গাড়ি ভাংচুর এবং হরতালে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের উপর পুলিশি নির্যাতন - দুটোরই প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
২০১১.০৭.০৭ ০৮:১২
এগুলি কখনোই দেশ বাচানোর আন্দোলন নয়। এগুলি তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার আন্দোলন, যার নামে জনগনকে জিম্মি করে রেখে ক্ষমতায় যাওয়ার রাস্তা তৈরী করা হয়। এগুলি জনগনকে বুঝতে হবে। যা গত ৪০ বছর যাবত চলছে। তারা কখনো দেশ গড়ার আন্দোলন করে না। তারা সব সময় দেশ বাচানোর আন্দোলন করে। আসলে নিজে বাচার জন্য আন্দোলন করে।

Shajed

Shajed

২০১১.০৭.০৭ ০৮:১৫
ছবিটিতে তিনি মোটেও ঢিল ছুঁড়ছিলেননা। তার হাতে ছিল মোবাইল। এবং তার ডান হাত ছিল ব্যান্ডেজ দিয়ে ঝুলানো। প্রথম আলোর এহেন পক্ষপাত আচরণে খুবই কষ্ট পেলাম।

M Z HAQ

M Z HAQ

২০১১.০৭.০৭ ০৮:১৮
See his action? How come this talent is out of national cricket team?
২০১১.০৭.০৭ ০৮:২৩
"ঢিল ছোড়ার ভঙ্গিতে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ" বাংলাদেশের রাজনিতি; এ রকমই হয় । জানিনা জাতির কপালে কি যে আছে ?

Dr. Alam

Dr. Alam

২০১১.০৭.০৭ ০৮:২৩
AL is the pioneer in limiting hortal activity. They should be awarded for developing this unique effective technique

nurul absar hussain

nurul absar hussain

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩০
ছবি কথা বলে. চিফ হুইফ বটে ! উনার কারখানা আর আর হাত দুইটাই চলিতেছে. হরতাল শুধু আমার আপনার.
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩১
হরতালের ভাত নাই। এখন ক্ষমতায় যেতে হরে অন্য কিছু করতে হবে। সরকারকে দেশ গঠনে সহায়তা করতে হবে। দেশ গঠনো আলোচনা করতে হবে। শুধু ক্ষমতায় যাবার জন্য হরতালের দিন শেষ মানুষ এখন অনেক সচেতন। সবাই এখন ইন্টারনেট নির্ভর। যা করেছেন তার ফলাফলের জন্য প্রস্তুত হোন।

Tareque Ahmed Kowsar

Tareque Ahmed Kowsar

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩৬
হরতালের সময়ে পুলিশকে সবসময় বিরোধী দলের বিপক্ষে খড়গহস্ত হতে দেখা যায় কেন?

T Alahee

T Alahee

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩৬
কি ঘটেছে তা আমরা টিভি ফুটেজে পুরোপুরি দেখেছি, এখানে নিজস্ব প্রতিবেদক কিছু ছবির মাধ্যমে তা যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার প্রতিবেদনটা কিছুটা একপেশে মনে হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা দুইজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বলে বিরোধীএমপিরা অভি্যোগ করেছেন। তাদের বরাত দিয়ে যেভাবে ঘটনাটা তুলে ধরা হয়েছে তা পক্কপাতদুষট। প্রথম আলোর কাছে এমনটা আশা করিনা।

Dr. Nafis Amanul Haque

Dr. Nafis Amanul Haque

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩৮
মাননীয় সম্পাদক, এখানে যে ক্যাপশন সহ ৪টি ছবি দেয়া তার প্রথম ২টি ছবির ক্যাপশনের উপর আমার কিছু আপত্তি আছে। এই ছবিগুলো সবাই অনেকবার করে টিভিতে দেখেছেন আশাকরি। ১ম ছবিতে ফারুক সাহেব মোটেও ঢিল ছুড়ছিলেন না, এখানে শ্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, পুলিশ উনার হাত ঝুলিয়ে রাখার শ্লিং টি টেনে খুলে নেয়ার চেষ্টা করছে আর দ্বিতীয় ছবিতে শ্লিং টি হেচ্কা টেনে খুলে নেয়ার পর তাল সামলাতে না পেরে ঐ পুলিশ নিজেই নিচে পড়ে যায়। এই ছবি আমরা অনেকবার টিভিতে দেখেছি। সুতরাং ক্যাপশনটি সংশোধন করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩৯
সহজ বাংলায় চীফ হুইপ রাষ্ট্রের অংস, তাকে আক্রমণ রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল।

Azad

Azad

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩৯
যদিও এই ধরনের ঘটনা কোন ভাবে সমর্থন যোগ্য নয়। আমরা অতীতে দেখেছি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাসিম, মতিয়া, তোফায়েল, সাবের হোসেন, নানক ও অন্যদের বিএনপির আমলে কি ভাবে রাস্তার উপর নির্মম পিঠিয়ে ছিল পুলিশ। ঐ দিন পুলিশ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে নাসিমকে সামান্যতম দয়া করেনি, দেশে যখন আগুন জ্বলছিল তখন খালেদা তনয় ক্রিকেট খেলায় ব্যস্ত ছিল। ঐ পুলিশ সেই ধারাবাহিকতা এখনো রক্ষা করে চলেছে। স্রেফ বুমেরাং। আফসোস যে, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয়না।

Emran

Emran

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৪০
পুলিশের এডিসি হারুনুর রশিদ জয়নুল আবদিনকে পেটানোর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ধস্তাধস্তির সময় পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পেতে পারেন। পুলিশ তাঁর ওপর হামলা চালায়নি, বরং তিনিই পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছেন।’
I am sure this ADC will get promoted to DC soon...

Md. Mahabub Morshed

Md. Mahabub Morshed

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৪৫
Prothom Alo published the news that Mr. Abedin has bitten Police, how much pathetic a leading news paper "prothom alo" can invert the news, they proved themselves they are biased :(. From the video its clear that the police use slang language not Abdin. How can a police say "tui " to a cheif wheep.

Shohidur

Shohidur

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৪৮
I do agree with Ruhel Ahmed. Media should disclose truth to the mass people

shohel

shohel

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫১
so, how save MP's and who save MP's ........ ?

shamim

shamim

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫২
প্রথম আলোর সংবাদের নিরেপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ। টিভি মিডিয়াকে এজন্য ধন্যবাদ না দিয়ে পারছিনা।

syfullah

syfullah

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫২
you see and decide what was the main fact actually.At the first picture in his hand there was no stone it was his mobile;is a mobile can be thrown?on the otherhand police caught his bandage and trying to snatch it forcely.
Moreover in the second picture police snatches away his bandage ;you see the bandage is in the hand of police.Faruk actually did not do anything.It was police who attack on him intentionally

Syed Jamal Uddin

Syed Jamal Uddin

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫৪
Extremely sorry! My favorite news paper "prothom-alo" failed to publish impartial news.

Mohammad Shakhawat Hossain

Mohammad Shakhawat Hossain

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫৫
হরতাল অবশ্যই কাম্য নয়। গাড়ী পোড়ানো কিনবা ভাঙ্গার তো প্রশ্নই উঠে না। তবে একজন চিপ হুয়িপ কে ৬ জন পুলিশ দ্রুত বিচার আইনেই কি বিচার করল। চিপ হুইপ কে মার দেওয়ার ছবিতে দেখলাম পিছনে সংসদ ভবনের ম্লান ছবি। আক্ষরিক অর্থেই যেন প্রকাশ করছে আমাদের অবস্থা।

Faruk

Faruk

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫৯
Throwing stone by a parliament member is not desireable, at the same time it is really unexpected to beat an honourable parliament member by the police. Our political leaders should change their attitude and mentality. We are really hopeless.

Aminul Ahesan

Aminul Ahesan

২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫৯
The incident is very pathetic. But it is clear that Mr. Faruk has committed crime by attacking the police on duty and trying to create anarchy by throwing stone. Everybody should be careful about his/her position. His activities in no way match his position. Probably police will sue a case also against him.

২০১১.০৭.০৭ ০৯:০৩
"এ সময় ফারুকের গেঞ্জি খুলে যায়"" কিন্তু আমরা টিভি তে দেখলাম উহা টেনে খুলে ফেলা হচ্ছে।
@Ruhel Ahmed এর সাথে একমত পোষণ করছি। সত্য খবরটি জানার জন্য প্রথম আলোর দারস্থ হই। কিন্তু অবাস্তব সংবাদ পরিবেশন করলে ভীষণ হতাশ হই। আশা করছি.. সত্য প্রকাশে প্রথমআলো বিচ্যুত হবে না।

Sahin

Sahin

২০১১.০৭.০৭ ০৯:০৪
এটা একটা ভাল সংস্কৃতি। এখন এরা শিক্ষার্থী। এরা শিখছে। পরে যদি কোন দিন ক্ষমতায় আসেন তবে এ শিক্ষা কাজে লাগবেন।

Md Anisur Rahman

Md Anisur Rahman

২০১১.০৭.০৭ ০৯:১১
Police need to be shown more tolerance in dealing such situation. It is really an unexpected incident for the nation.

Md. Firoz Hossain

Md. Firoz Hossain

২০১১.০৭.০৭ ০৯:১৪
এরা মানুষ না কি আওয়ামী লীগ ??????
২০১১.০৭.০৭ ০৯:১৪
বিএনপি জামাত সরকার এর আমল এ আওয়ামীলীগ এর নেতাদের কুকুর এর মতো পিটাত। গালিগালাজ করা লাগত না, বিনা উসকানি তেই পিটাত। পুলিশ রে এই রকম গালি যদি সেই আমল এ দিত, কত নেতা যে লাশ হতেন সেই হিসাব করার মানুষ কম। এখন কথা হচ্ছে হাত ফারুখ সাহেব এর হাত এর বেথা গেল কই? যেই হাত এ কাপর পেঁচিয়ে ছিলেন সেই হাত দিয়ে পুলিশ রে গুঁতা দিয়ে কিভাবে বলেন " থো তর অ্যাকশান"! আর একজন এমপি হিসেবে কেন তিনি দৌড় দিবেন? পুলিশ পিটাইলে পিটাবে। ধরে নিয়ে গেলে যাবে। পুলিশ এর তারা খেয়ে দৌড় দিয়ে পালালে তিনি কেমন নেতা?

Juel

Juel

২০১১.০৭.০৭ ০৯:২১
আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে পুলিশের দোষ দিয়ে থাকি। আমি একটি গল্প বলবো সবাই মন দিয়ে পড়বেন- " এক ছেলে তার বড় বোনের বাসায় বেড়াইতে গেছে, তো বেড়াতে যাওয়ার পর ছেলেটির মাওউ(বোনের শ্বাশুড়ী) রান্না ঘরে রান্না করছিলো। ছেলেটি তার মাওউ পার্শ্বে গিয়ে বসে কথা বলছিলো আর হাসছিলো, তখন মাওউ জিজ্ঞেস করছিলো যে বাবা তুমি হাসছো কেন? ছেলেটি তখন উত্তরে বলছিলো " না মাওউ আমি হাসি নাই, আমার মুখ টাই এ রকম"। ঠিক এ রকমই " পুলিশের কাজটিই হলো অপরাধীকে পিটানো, পিটিয়ে সোজা বানানো অর্থাৎ ভালো বানানো। আওয়ামীলীগ যে ভাবে পুলিশ কে দিয়ে বিএনপি কে পিটাচ্ছে ঠিক সেভাবে বিএনপি পুলিশ কে দিয়ে আওয়ামীলীগ কে পিটিয়েছিলো। কেন মনে নেই মতিয়া চৌধুরীর কথা, নাসিমের কথা, জলিলের কথা, নূর সাহেবের মত একজন ভালো মানুষের কথা, সে সময় কিভাবেই না পুলিশ কে দিয়ে বিএনপি গরু- ছাগলের এদের কে পিটিয়ে ছিলো।
আমরা যদি পাগল বা উম্মাদ না হয় তাহলে কোন সময়ই পুলিশ কে দোষ দিবো না, পুলিশ হলো সরকারের গোলাম, পুলিশ যদি না পেটায় তাহলে পুলিশের চাকুরী থাকবে না, তখন কি আপনার বাসায় বসে তাকে খেতে দিবেন। পিটানো টাই হলো পুলিশের প্রধান কাজ।

Saimon

Saimon

২০১১.০৭.০৭ ০৯:২৪
This is our police politics.
২০১১.০৭.০৭ ০৯:২৫
We have seen on TV & also pictures in other papers,then how come you print one picture which is exactly opposite to the fact & pictures of police excesses.We expected better from Prothom Alo,or were we wrong in our belief? What has changed? Will you be fair again? How about this letter,may be not worth printing?Where can we rest our hopes for impartial reportage?
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩০
ছবি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রথম আলো আমাকে অনেকটা আশাহত করেছে। এবং অনেকেই মনে হয় এটা বলবে, অন্তত যারা প্রথম আলো কে পছন্দের এক নম্বরে রাখে। প্রথম আলো কি তার চিরাচরিত নিরপেক্ষতা থেকে বের হতে চাইছে ? এ আমাদের কাম্য নয়।
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩১
মি.Shaikat Saha২০১১.০৭.০৭ ০৭:১৭ পুলিশ কি পিকেটারের পায়ে ধরে মাপ চাবে নাকি। তাদের তো কিছু দায় দায়িত্ব আছে সংসদ ভবন এলাকায়। এ তো হাতে ধরে টানাটানি। আর শত শত ক্যামেরাম্যান, রিপোর্টার ছবি তুলেছে। যা দেখছি এটি তো দেশের কোন চিত্র নয়।
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩২
মি। সপ্ন দেখি না২০১১.০৭.০৭ ০৪:৫৭ আপনাকে স্বপ্ন দেকতে কে বলেছে!
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩৪
সংসদে যান না আবার সংসদ ভবনের দিকে পদ যাত্রা। এটা ঠিক যাত্রা অভিনয়ের মত। ফারুক সাহেবতো নিজেই ইস্যু সৃষ্টি করলেন মাটিতে শুয়ে পড়ে।
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩৪
মি।jahangir২০১১.০৭.০৭ ০১:৫০ আপনি আপনার নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবেন। সরকারের ভবিষ্যৎ ভাবতে হবে না।

Md. Imran-Bin-Alam

Md. Imran-Bin-Alam

২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩৫
আহত পুলিশের এডিসি হারুনুর রশিদ জয়নুল আবদিনকে পেটানোর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ধস্তাধস্তির সময় পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পেতে পারেন। পুলিশ তাঁর ওপর হামলা চালায়নি, বরং তিনিই পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছেন।’
(এই কমেন্ট পড়ে হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছিনা) সারা জাতি দেখলো এক আর পুলিশ বলে আরেক।
আমরা টিভিতে দেখেছি কি ঘটেছে। পুলিশ জঘন্যতম মিথ্যূক তা আর একবার প্রমানিত হলো।
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩৮
if the condition of a parliament member was like that what will be our(general people) condition.

Ashis Chakma

Ashis Chakma

২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩৮
এটা ঠিক চিলনা। পুলিশের বারাবারি এটা।

Ariful Hossain

Ariful Hossain

২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩৯
ফারুকের উপর পুলিশ যে ব্যবহার গতকালকে করেছে, ঠিক এরকম বা এর চেয়ে আরো কম ব্যবহার বিএনপি আমলে কোন আওয়ামী লীগ নেতার উপর পুলিশ করলে প্রথম আলোর নিউজ কি এরকম হতো? বিরোধী দলের ৫ বার নির্বাচিত একজন এমপি ও চীপ হুইপকে পুলিশ দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে বেধড়ক পিটাল, অথচ প্রথম আলো ছবি দিল ফারুক ঢিল ছোড়ার ভঙ্গিতে আছে। এর মানে কি ঢিল ছুড়তে চাওয়ারটাই ফারুকের ঘটনার আসল উপজীব্য! ঢিল ছুড়তে চেয়েছে বলেই পুলিশ লাটিপেটা করেছে এবং ঠিক আছে!? এটাই কি প্রথম আলো বুঝাতে চেয়েছে? তা না হলে এ ছবি কি কারণে ছাপা হলো? ফারুকের উপর নির্মম হামলার কোন ছবি কেন দেয়া হয়নি? এ ধরনের সাংবাদিকতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
জানি এ মন্তব্য ছাপানো হবেনা। কারণ প্রথম আলোর যেমন সরকারের পক্ষে এ রিপোর্ট ছেপেছে তেমন মন্তব্যও যদি প্রথম আলোর পক্ষে দেয়া হয় তাহলেই ছাপানো হবে।

Oyhidule K

Oyhidule K

২০১১.০৭.০৭ ০৯:৪৬
রাজনীতিবিদদের দোষ আছে এটা সত্য, তবে পুলিশ যা করছে তা স্পষ্ট সীমালঙ্ঘন। একটা ভিডিও তে দেখলাম পুলিশ বলছে "থাপড়া এ দাঁত ফেলে দিব" !! আশ্চর্য না হয়ে পারিনি। ভিডিও গুলো দেখলেই বোজা যাই, এই লেখাতে সম্পূর্ণ সত্য প্রকাশ পাইনি। প্রথম আলো কে আর নিরপেক্ষ হতে হবে, এটা আশা করিনি !!!
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৪৯
প্রথম আলোর এই মনোভাব ভালো লাগলো না। উপরের ছবিটি (ঢিল ছোড়ার ভঙ্গিতে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ) না হয়ে (আহত অবস্থায় বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ), হলে ভালো হতো না। পক্ষপাত দোষে দুষ্ট এই ছবির জন্য আমি মর্মাহত। আপনাদের মনের অজান্তে অপনারা প্রকাশ করে ফেলেন আপনাদের অবস্থান।

atikur rahman

atikur rahman

২০১১.০৭.০৭ ০৯:৫০
what has done by both side unexpected.

Saleh Ahmed

Saleh Ahmed

২০১১.০৭.০৭ ০৯:৫৩
এটা অসভ্যতাকেও হার মানিয়েছে। হয়তো বিএনপি যদি ক্ষমতায় যায় এই শিক্ষাগুলোকে উদাহরণ হিসেবে কাজে লাগাবেন। তখন আওয়ামীলীগের নেতারা কি করবেন ভেবে দেখেছেন কি?
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৫৬
কি বলব!!

Md. Moniruzzaman Monir

Md. Moniruzzaman Monir

২০১১.০৭.০৭ ০৯:৫৬
What is the meaning of "ঢিল ছোড়ার ভঙ্গিতে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ"?

Tanbir Ahmed

Tanbir Ahmed

২০১১.০৭.০৭ ১০:০১
We should avoid the both political party Aowami & BNP to save our country. Both are very dirty......

Md. Ibrahim Khalil (Suman)

Md. Ibrahim Khalil (Suman)

২০১১.০৭.০৭ ১০:০২
We needs a powerful political team except current small team,

Noyon

Noyon

২০১১.০৭.০৭ ১০:০৩
Before making any comment, please go to youtube and watch the real situation. How come this bare person ran so fast that time and why? Very interesting, indeed, he could win the 100 m race! At news release standpoint Prothom alo tried to save mr. Faruk but originally he couldn't save himself due to this video.

Shaheen_Raozan_Chittagong

Shaheen_Raozan_Chittagong

২০১১.০৭.০৭ ১০:০৯
Sorry to say, Mr. Faruk didn’t behave from his position. He did rude behave as usual.

sanoar

sanoar

২০১১.০৭.০৭ ১০:১০
PROTHOM ALO ,WHY THIS KINDS OF PARTIALITY !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!???PLEASE TRY TO PUBLISH TRUE NEWS WITH TRUST

Kamruzzaman Titu

Kamruzzaman Titu

২০১১.০৭.০৭ ১০:১০
পুলিশকে গালি দিয়ে যদি ধাক্কাদিয়ে ফেলে দেওয়া হয় সে পুলিশ কি ফারুকে আদর করবে নাকি? পুলিশকে ধাক্কা দেওয়ার আগে ফারুকের তাদের গত আমলের কথা ভাবা উচিৎ ছিল। এক জন চীপ হুইপ যদি পুলিশকে গালি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় তাহলে তাদের নেতা কর্মীরা সাধারন মানুষের সাথে কি আচরন করে তা সহজে অনুমেয়। টিভিতে ভিডিও ফুটেজে দেখলাম তাদের এক মহিলা নেত্রী এক মহিলা পুলিশকে বার বার থাপ্পর দিতেছে। এরাই দেখবেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বড় বড় পদ পাবে। এটাই বাংলাদেশের রাজনীতি যা অনেক দিন থেকে চলে আসছে। এক দল ক্ষমতায় থাকলে অন্যদলকে পুলিশ দিয়ে পিটায়। একদল শিখিয়ে যায় অন্য দল ক্ষমতায় গেলে তা প্রয়োগ করে। এটা এখন আমাদের রাজনীতিতে সাধারন ব্যপার হয়ে গেছে।

আসাদ

আসাদ

২০১১.০৭.০৭ ১০:১৩
একজন মন্তব্যকারী লিখছেন "সংসদ সদসসকে লাটি পেটা করা নজির বিহিন ঘটনা........"।আপনারা এক চোখা কেন বলুনতো! যে দেশে পুলিশ সাধারণ মানুষকে পেটায় নিরাপরাধ মানুষকে পঙ্গু করে দেয় বা তাদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তার করে তাহলে সাংসদের কেন নয়? কেও কেও সংসদ সদস্য বলার আগে মানণীয় বলে থাকেন।আমি এসবের কোন অর্থ খুজে পায়না।মতিয়া বা আর দু'চার জন ছাড়া অন্যদের কর্মকান্ড দেখে কি মনে হয় তাদের এত সম্মান করা উচিত?

Mohammed Manirul Islam Khan

Mohammed Manirul Islam Khan

২০১১.০৭.০৭ ১০:১৪
জয়নাল আবেদীন ফারুক জনগণের সমমানকে ভুলনঠিত করেছেন। তিনি সাংসদ ও হুইপ নামের কলংক। ছবি দেখে বুঝা যাচছে, তিনি কত বড় মাসতান ছিলেন। ভাংগা হাতের ভান করে তিনি ভাঃগা হাত দিয়ে ঢিল ছুড়েছেন। রাজনীতিকরা জনগনকে নিয়ে তামাসা করেন, জেলে গেলে অসুসথ হয়ে পরেন, আর গতকাল দেখলাম ভাংগা হাতের কারিশমা। তাকে আইনের আওতায় এনে দৃশটান্ত মুলক শাসতি দেয়ার দাবি যানচছি। রাজনিতিতে এই ধরনের ভন্ডামী আর কতদিন চলবে ?
২০১১.০৭.০৭ ১০:১৭
একজন সংসদ সদস্য বাস লক্ষ্য করে ঢিল মারলেন কি করে ??? হাতে ব্যান্ডেজ নিয়েই যে স্টাইলে ঢিল ছুড়ছেন, হাতে ব্যান্ডেজ না থাকলে যে কি করত...?? হুইপ জয়নাল দারুন অভিনয় পারেন....... কে বলসে বাংলাদেশে নায়কের অভাব ????????????

Shaheen_Raozan_Chittagong

Shaheen_Raozan_Chittagong

২০১১.০৭.০৭ ১০:১৭
What I guess! He is true political actor……lollz!
২০১১.০৭.০৭ ১০:২৪
প্রথম আলোর ছবি ও রিপোর্টটি সত্যিই হাস্যকর। গতকালের বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলের ভিডিও ফুটেজ গুলি কি রিপোর্টটার দেখেন নি একবারো?
এমনকি সরকার দলীয় সমর্থক একটি চ্যানেলে একজন প্রত্যক্ষদর্শী ক্যামেরাম্যান ও টিভি সাংবাদিক যা বলল তার সাথেও অনেক অমিল!

২০১১.০৭.০৭ ১০:৩৩
পুলিশ কে ধন্যবাদ !উনি যদি গাড়ি ভাংতে পারে !তাহলে পুলিশ ছড়া হতে বাদা কি ? মারটা অনেক কম হয়েচে ! নাটক চিল বেশি

Mohammad Abul Kashem (MAK)

Mohammad Abul Kashem (MAK)

২০১১.০৭.০৭ ১০:৩৫
বরাবর সম্পাদক
প্রথম আলো
যথাবিহীত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে আমি প্রথম আলোকে অনেক বেশি বিশ্বাস করি।তাই এমন কোন সংবাদ বা ছবি ছাপাবেন না যা আপনাদের প্রতি আমার মত লক্ষ- কোটি পাঠকে বিভ্রান্ত করখদয়া করে ভিডিও ফুটেজটা দেখুন এবং আপনাদের গতকালের অনলাইন+আজকার নিউজটার সাথে মেলান। প্লিজ দয়া করে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না।

Nirob Ahmed Shimul

Nirob Ahmed Shimul

২০১১.০৭.০৭ ১০:৩৫
প্রথম আলো পত্রিকায় ফারুকের যে প্রথম ছবিটা দেওয়া হয়েছে তা কি ঢিল ছোড়ার ছবি ?
আসলে ফারুকের হাতে ছিল মোবাইল? মোবাইল দিয়ে কেউ কি ঢ়িল মারে ?
দ্বিতীয় ছবিতে হাতের মোবাইলটি ষ্পষ্ট দেখা যায়।
এই হল গণতন্ত্র.................
পুলিশের এই কার্যকলাপের জন্য সেই পুলিশ কর্মকর্তাদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড হওয়া উচিত।

Rexon Ahmed

Rexon Ahmed

২০১১.০৭.০৭ ১০:৩৮
পুলিশের আচরন নয় বরং একজন চীপ হুইপের আচরন ছিল নজীর বিহীন । এই না হলেই বিএনপি !!! সাবাস বিএনপি এগিয়ে যাও দেখিয়ে দা্‌ও তোমরা কি না পারো । গানটা যেন কি ছিল ................................................. সব কিছু ভাইসা যাবে বঙ্গপসাগরে.. দুঃখিত আগের লাইনটি ভুলে গেছি .. ফারুক সাহেব মনে করিয়ে দিবেন কি ??? আমরাও গাইতাম আপনার সাথে...

Sk. Arman Jahan

Sk. Arman Jahan

২০১১.০৭.০৭ ১০:৪২
এই সরকারের কাছে ভাল (কিছু) পরিবর্তন/কাজ/মনোভাব আশা করেছিলাম কিন্তু এই সরকার অতীত সব সরকারের কাছ থেকে শিক্ষা নেয়নি !!! সব রের্কড (মন্দকাজের) ভেঙ্গেছে তারপর উদাহরণ সহ দেখাচ্ছে প্রতিশোধ কাকে বলে ???
উহা কত প্রকার এবং কি কি ????
সম্মান দিলে.... সম্মানের আশা করা যায়..... জনাব টুকু এবং জনাবা সাহারা !!!!!

Musfiqur

Musfiqur

২০১১.০৭.০৭ ১০:৪৯
এখানে অনেকেই সরকার র পুলিশ এর নিনদা করতেছেন, একজন সাংসদ এর গায়ে এভাবে হাত তোলা আমি ও সমরথন করি না। যদিও আগেও সোহেল তাজ, মতিয়া ৌধুরি দের পুলিশ এভাবেই পিটিয়েছে। তার আগে একটু ভাবুন, একজন সাংসদ, যে কিনা আবার চিফ হুইপ, তার আচরন আর ভাষা কি এমন হওআ উচিত ? সে কি একটা বাস এর উপর এভাবে ঢিল মারতে পারে , যে বাসে আপনি আমি চলাফেরা করি? সমালোচকদের বলছি, এই কথা গুলর উৎর দিন। এক চোখ দিয়ে দেখবেন না।

fahim

fahim

২০১১.০৭.০৭ ১০:৪৯
সাংবাদিকদের দালালির একটা সীমা থাকা উচিত। বিরোধী দলীয় চীফ হুইপের মাথা ফেটে রক্ত বের হওয়ার ছবিটা কোথায়? কোথায় সেই ছবিটা যেখানে চারজন পুলিশ তাকে বেধরক পিটাচ্ছে? কেন এই কথা উল্লেখ করা হলো না যে, পুলিশ অফিসার দুজন ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগের ক্যাডার ছিল এবং এর একজনকে শৃংখলাবিরোধী কর্মকান্ডের জন্য সারদা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। ৩০০ জন পুলিশ ৯ জন সাংসদের উপর ঝাপিয়ে পড়ল, অথচ এমন ভাবে উল্লেখ করা হলো যেন ৩০০ জন লোক নিয়ে তারা ৯ জন পুলিশকে মারধর করেছে। সাংবাদিকের এটা মনে রাখতে হবে যে, আমরা টিভিতে পুরো ঘটনা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেছি।

monir hossain

monir hossain

২০১১.০৭.০৭ ১০:৫৬
ফারুকের এইটা করা ঠিক হলো না

Naser Ahmed

Naser Ahmed

২০১১.০৭.০৭ ১১:১১
This report is motivated and baseless. It has tried to present the day as night! This is very unfortunate for a national daily like 'Prothom Alo'. This is why people say electronic media is more powerful than print media. No TV channel (including AL supporter channels) has fabricated the fact the way 'Prothom Alo' did. Why 'Prothom Alo' wants to hide the fact? This is sameful. I protest the role of this daily. It hurt the right of it's readers!

jakir hussain

jakir hussain

২০১১.০৭.০৭ ১১:১৪
প্রথম আলো, যদি এমন হতো যে ,বাংলাদেশে আর কোন পত্রিকা নেই, On line এর সব পেপার 'ব্লকড' হয়ে গেছে , দেশে কোন ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়া নেই এবং অন্য কোন উপায়েও সত্য জানার পথ বন্ধ, তখন আপনারা যেভাবে ইচ্ছা মনের মাধুরী মিশিয়ে খরব প্রকাশ করতে পারতেন ; আমরা বিশ্বাস করতাম । 'Face book' এর যুগে জনগনকে টুপি পড়ানোর চেষ্টা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয় । ছবি এবং তার ক্যাপশনেই সত্য প্রকাশিত ! 'ব্যান্ডেজ' করা হাতে 'মোবাইল' দিয়ে 'ঢিল' ছোড়ার 'ভঙ্গি' !!

২০১১.০৭.০৭ ১১:৪৮
হায়রে গনতন্ত্র! এটা আমরা কি দেখি। কেউ কি কোন প্রতিবাদ করতে পারবেনা সরকারের অন্যায় আচরনের বিরুদ্ধে? পুলিশ তো জাতে মিথ্থুক সাথে বর্তমান সরকার ো। আমরা বিভিন্ন চ্যানেলে কি দেখলাম আর পুলিশ এবং সরকার কি বলে। আমি অবাক হলাম যতনা সরকারের মিথ্যাচারে তার চেয়েো প্রথম আলো এই রিপোটারের লেখায়। আমরা প্রথম আলো পড়ি আসল সত্যটা জানার জন্য কিন্তু এই ধরনের চামচা মার্কা রিপোটার থাকলে আসল সত্য পাোয়া যাবেনা। এই লিখাতে অনেক সত্য গোপন করা হয়েছে। সরকারের এবং পুলিশের চামচামি করা হয়েছে। আমি নিশ্চিত এই রিপোটার সরকারের চামচা এবং আোয়ামীলীগের সদস্য। আপনি যে কোন দল করতে পারেন কিন্তু যখন কোন রিপোট লিখবেন তখন বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্ট লিখবেন।এই দিন দিন নয় সামনে আরো কঠিন দিন আসতেছে। এই দুই পুলিশ এর নাম কালো খাতায় নাম উঠে গেছে।সময় কথা বলবে। সর্বশেষ প্রথম আলোর সম্পাদকের কাছে অনুরোধ আপনার পত্রিকায় আোয়ামী চামচা দেরকে দূরে রাখুন। যদিো আপনিো আোয়ামী চামচা। তারপরো আপনার লেখাকে আমরা মূল্যায়ন করি।
২০১১.০৭.০৭ ১১:৫১
If the opposition chief whip make any offense, then police should arrest him. If you are not ready to accept slang language, then you should not join in Bangladesh Police. But the police should not beat up a public representative so barbarically in front of the Parliament. The Police officers are also from Chattro League, Prothom Alo should mention it. However it should be stop.

nazmul haque

nazmul haque

২০১১.০৭.০৭ ১১:৫২
জনাব jahangir আয়নায় নিজের চেহারা এবং নিকট অতীতের কৃতকর্ম স্মরণ করুণ। অতঃপর মন্তব্য ঢিল ছুড়ুন।

Omar Rana

Omar Rana

২০১১.০৭.০৭ ১১:৫৪
Things politicians and the police say and do don't really surprise me. But I AM SHOCKED at PA for such a biased news and how blind many of the readers are. The pic clearly shows it is a mobile that Faruk is holding, no stone. Viewers pls watch the youtube vid and all the tv news coverages then comment. Don't be blind and fools.

mahedi al maruf

mahedi al maruf

২০১১.০৭.০৭ ১২:২৬
ফারুক এত ধনী কখন থেকে হলেন যে মোবাইল দিয়ে গাড়ির গ্লাস ভাঙছেন , মোবাইল কে ঢিল হিসেবে ব্যাবহার করছেন ? পুরো ঘঠনা টিভিতে দেখেছি পরিস্কার । এখানে ১ নং ছবিটি হল পুলিশ যখন তার হাতের ব্যান্ডেজ ধরে টান মেরেছে তখনের ।

২০১১.০৭.০৭ ১২:৩০
হরতাল আমাদের দেশের রাজনীতিতে পরিচিত একটি বিষয়। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী হরতাল, অবরোধের ইতিহাস আওয়ামী লীগেরই। বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের প্রথম কর্মসূচী থাকত হরতাল। এর বিপরীতে সবাই স্বীকার করেন বাংলাদেশে বর্তমান বিরোধী দলের মতো সহিঞ্চুতা আর কোন সরকারের সময় কোন বিরোধী দল দেখাতে পারেনি। শুরু থেকেই বিরোধী দলে সকল ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মসূচী পরিহার করে, মিছিল, মানববন্ধন, সমাবেশের মতো কর্মসূচী দিয়ে আসছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ সম্ভবতঃ এসবকে দূর্বলতা হিসেবে নিয়ে সম্পূর্ণ ফ্যাসিবাদী আচরণ বিরোধী দলের প্রতি দেখাতে শুরু করে। মাত্র কয়েকটি হরতাল দিয়েছে বিরোধী দল। এসব হরতালে পুলিশের মারমূখী আচরণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরোধী দলের চীপ হুইপের উপর এধরনের আক্রমণ আর কখনো হয়নি। আরো আশ্চর্যের বিষয় সরকার এধরনের হামলাকে সাপোর্টও করছে!!

কবি নবারুণ ভট্টাচার্য্য'র কবিতার লাইনগুলোর মতোই অনেকেরই মনে হবে এ কী আমার দেশ?
না, এ দেশ আমার হতে পারে না। এ রকম বাংলাদেশ আমরা চাইনি।
এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না
এই জল্লাদের উল্লাস মঞ্চ আমার দেশ না
এই বিস্তীর্ণ শ্মশান আমার দেশ না
এই রক্তাক্ত কসাইখানা আমার দেশ না’

Jisan M Yasin

Jisan M Yasin

২০১১.০৭.০৭ ১৩:১৫
"বাংলাদেশ পুলিশ" আর "বাংলাদেশ পুলিশ" রইল না, এটিকে এখন " বাংলাদেশ পুলিশ লীগ" নামে ডাকলেই যথাযথ মনে হবে!
২০১১.০৭.০৭ ১৩:৩৬
চিপ হুইপকে পেটানী দেয়া দুই পুলিশ আফিসার ছাত্র লীগের সাবেক নেতা এবং আমেরিকা ফেরত !

Ahmad Abdullah

Ahmad Abdullah

২০১১.০৭.০৭ ১৩:৪৩
অসাধারন সব ছবি দেখে মুগ্ধ হলাম। কৌশলে মার খাওয়ার আসল ছবি গুলো এড়িয়ে বেশ সুন্দর রিপোর্ট হল। ফারুক যে মোবাইল ফোন দিয়ে বাসে " ঢিল ছোড়ার ভংগি" করছিলেন তাও জানলাম।

mohammad

mohammad

২০১১.০৭.০৭ ১৩:৪৩
প্রথম ২ টি ছবি হাতের ব্যিন্ডেজ খোলার (পুলিশ র্কতৃক ) দৃশ্য, প্রথম আলো থেকে এটা আশা করা যায়না ।
২০১১.০৭.০৭ ১৩:৪৮
Puspita ২০১১.০৭.০৭ ১২:৩০ চলে যান এ দেশ থেকে আপনাকে কি কেউ থাকতে বলেছে নাকি??????
২০১১.০৭.০৭ ১৩:৪৮
Puspita২০১১.০৭.০৭ ১২:৩০ চলে যান এ দেশ থেকে আপনাকে কি কেউ থাকতে বলেছে নাকি। দেখেন না কেউ আপনাকে যায়গা দেয় নাকি???????

Ruhel  Ahmed

Ruhel Ahmed

২০১১.০৭.০৭ ১৩:৫২
মাননীয় সম্পাদক, এখানে যে ক্যাপশন সহ ৪টি ছবি দেয়া তার প্রথম ২টি ছবির ক্যাপশনের উপর আমার কিছু আপত্তি আছে। এই ছবিগুলো সবাই অনেকবার করে টিভিতে দেখেছেন আশাকরি। ১ম ছবিতে ফারুক সাহেব মোটেও ঢিল ছুড়ছিলেন না, এখানে শ্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, পুলিশ উনার হাত ঝুলিয়ে রাখার শ্লিং টি টেনে খুলে নেয়ার চেষ্টা করছে আর দ্বিতীয় ছবিতে শ্লিং টি হেচ্কা টেনে খুলে নেয়ার পর তাল সামলাতে না পেরে ঐ পুলিশ নিজেই নিচে পড়ে যায়। এই ছবি আমরা অনেকবার টিভিতে দেখেছি। সুতরাং ক্যাপশনটি সংশোধন করার অনুরোধ জানাচ্চি ১০০ ভাগ নিরপেক্ষ হতে না পারলেও এক পক্ষ নিয়ে খবর ছাপবেন কেন ?
২০১১.০৭.০৭ ১৩:৫৪
জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো ........ আসলেই আমরা ধন্য এমন একটি দেশে জন্মগ্রহণ করে । যে দেশে দলের বা সরকারের বড় পদের (চীপ হুইপ) জীবনের কোন নিশ্চয়তা নেই, সম্মান নেই শ্রদ্ধাবোধ নেই; সেই দেশে সাধারণ জনগণের জীবনের নিশ্চয়তা কোথায়। আইন ভঙ্গ কারীকে পুলিশ গ্রেফতার করবে, বিচার করার দায়িত্ব আদালতের। পুলিশকে এ অধিকার কে দিল বিচার করার ? আমি অবাক হয় যখন দেখি রাজপথে আমাদের চোখের সামনে একটি ঘটনা ঘটছে, আর ঘরে বসে সরকারী দলের নেতারা চোখে মুখে মিথ্যা কথা বলেন। অনেক ভালোবেসে দিন বদলের জন্য জীবনের প্রথম ভোটটা দিয়েছিলাম।

Nazrul Islam

Nazrul Islam

২০১১.০৭.০৭ ১৪:০৭
একেই বলে এক মাঘে শীত যায় না,এই দৃশ্যগুলা আজকে যারা বিরোধি দল তারা সরকারে থাকতেও দেখেছি।এমনকি একের পর এক নেতাদের বোমা মেরে হত্যাও করা হয়েছে যার বিচার আজ ও হয়নি.

nazim

nazim

২০১১.০৭.০৭ ১৪:১৩
Chief Hweep Mr. Abdus Shahid u should be ready to face the action after 2 Years

Shohidul Islam Sazib

Shohidul Islam Sazib

২০১১.০৭.০৭ ১৪:১৭
ঘটনা এবং তাতে জড়িত উভয় পক্ষের পালনকৃত ভূমিকার যৌক্তিকতা নিয়ে কিছু বলব না। তবে প্রথম আলো সংবাদটি প্রকাশে চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছে।

G. A. Masum

G. A. Masum

২০১১.০৭.০৭ ১৪:২৩
সরকারের এই দুই অসভ্য-বর্বর পুলিশ অফিসারের পরিচয় কি?
২০তম বিসিএস ক্যাডারে পুলিশের চাকরি নেয়া হারুন ১৯৯৮ সালে ছাত্রলীগের বাহাদুর-অজয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একসময় চাকরি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ দিয়ে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে চাকরি নেয়ার পর থেকেই ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন তিনি। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চোখে ‘বেয়াদব’ হিসেবে পরিচিত হলেও নানা অপকর্ম করে অদৃশ্য কারণে তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যান।
অন্যদিকে মোহাম্মদপুর জোনের এসি বিপ্লব কুমারের বিরুদ্ধে চাকরি জীবনের শুরু থেকেই শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। ২১তম বিসিএস ক্যাডারে চাকরি নেয়া বিপ্লব সরকার ছিলেন ছাত্রলীগ জগন্নাথ হল শাখার সেক্রেটারি। পুলিশ বিভাগে চাকরি হওয়ার পর নিজের অতীত কৃতকর্মের কথা ভেবে ২০০৩ সালের অক্টোবরে সারদায় ট্রেনিং করেই ডিভি ভিসা পেয়ে আমেরিকায় চলে যান। ৭ বছর আমেরিকায় থেকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে আসেন। পুলিশের ভাষায়, এসময় তিনি ছিলেন ফেরারি। কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন কর্মস্থলে না থাকায় তার বিরুদ্ধে জিডিও করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ ৭ বছর অনুপস্থিত থেকে দেশে ফিরে রহস্যজনকভাবে পুনরায় চাকরি ফিরে পান তিনি। অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। কিশোরগঞ্জ সদরের বাসিন্দা বিপ্লবকে বিশেষ অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর জোনে বদলি করা হয়। তিনি জয়নুল আবদিন ফারুককে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।

প্রথম আলো পত্রিকায় ফারুকের যে প্রথম ছবিটা দেওয়া হয়েছে তা কি ঢিল ছোড়ার ছবি ?
আসলে ফারুকের হাতে ছিল মোবাইল; মোবাইল দিয়ে কেউ কি ঢ়িল মারে ?

আরিপ হোসেন

আরিপ হোসেন

২০১১.০৭.০৭ ১৪:২৭
প্রথম আলোর কাছে আমাদের নিরপেক্ষ সংবাদ আশা করি। টিভি নিউজ দেখে মনে হলো প্রথম আলো অনেক কিছু এড়িয়ে যেয়ে প্রতিবেদনটি করেছে যা আমাদের আশা নয়।

Dr. Nafis Amanul Haque

Dr. Nafis Amanul Haque

২০১১.০৭.০৭ ১৪:৩৪
২ জন পুলিশ কর্মকর্তা (!) উক্ত ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি আছে, আর আমাদের মাননীয় (!) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের দেখতে গেছে। গুরুতর আহত (!) হওয়ার পর ঐ দুই পুলিশ কর্মকর্তা (!) ঐ স্থানে আরো ৩/৪ ঘন্টা ডিউটিতে ছিল এবং তারা বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে বিবৃতিও দেয়, পরে বিকালে তারা দুজনেই গিয়ে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এই হল গুরুতর (!) আহত হওয়ার নমুনা। ভন্ডামীর একটা সীমা থাকা উচিত। কি বিচিত্র এই দেশ !!!!!!!

Md. Mahfujur Rahman

Md. Mahfujur Rahman

২০১১.০৭.০৭ ১৪:৫৬
সরকার এবং পুলিশ সদস্যদের আচরন দেখে আমরা শঙ্কিত! এটা ছিল বর্বর এবং অমানবিক । বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুককে যে ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে তা প্রথমআলোর কাছ থেকে এরকম একটি রিপোর্ট আশা করিনি!

Rafee

Rafee

২০১১.০৭.০৭ ১৫:০৩
প্রথম আলোর থেকে এ ধরনের একপেশে রিপোর্ট কখনো আশা করিনা। ফারুক সাহেব যাই করে থাকুননা কেনো প্রকাশ্য িদবালোকে এরকম বর্বরোচিত হামলা কোন সভ্য রাষ্ট্রে অাশা করা যায়না............ প্রথম আলোর এই রিপোর্ট পড়ে মনে হচ্ছে তারা পুলিশের কাজটিকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছে।
২০১১.০৭.০৭ ১৫:১০
মি.Golzar Ahmed Masum২০১১.০৭.০৭ ১৪:২৩ ভাই আমেরিকা থেকে কেউ এদেশে পুলিশের চাকুরী নেয়। আপনি নিবেন??? আপনি যে ভাবে লিখেছেন তাতে মনে হয় আপনি পুলিশের এডমিনিন্ট্রিটিভি ব্যাপারে আপনি অনেক কিছু জানেন। কিন্তু আপনারা তো পুলিশের এডমিনিস্‌ট্রারেটিভ বিষয়ে তো জানার কথা নয়। আপনি কি পুলিশের লোক।
২০১১.০৭.০৭ ১৫:১৩
একজন লোক দুজন পুলিশের সাথে ধস্তা ধস্তি করছে। এটি ১লাখ ৪৪ হাজার বর্গকিলোমিটারের অবস্তা প্রকাশ করে না। যে ভাবে আলোচনা হচ্ছে তাতে তো মনে হচ্ছে এটি এই বাংলাদেশর সব কিছু। বেচারার পরিশ্রম টা সার্থক বলা যায়।

Ankur Das Apu

Ankur Das Apu

২০১১.০৭.০৭ ১৫:২৯
সরকারি দলের মতে -হরতাল জনগন আশা করেনা / বিরুদি দলের মতে -হরতাল জনগন সতসপুরত ভাবে মেনে নিাচে/ কিন্তু/ আমরা সাধারন জনগন হরতাল ের পক্কে বা বিপক্কে কি বলতে চাি তা কি তারা কখনো জান্তে চাি

jahangir

jahangir

২০১১.০৭.০৭ ১৬:০২
সরকার মধ্যযুগিয় বরবরতাকে ও হার মানাইছে ।

Md. Sadekur Rahaman

Md. Sadekur Rahaman

২০১১.০৭.০৭ ১৬:০৩
প্রিয় প্রথম আলোর এমন রিপোর্ট এ কষ্ট পেলাম । রিপোট এ পুলিশকে ফারুক সাহেব কি বলেছেন সেটা উল্লেখ আছে কিন্তু পুলিশ তাকে কি বলেছেন তা প্রকাশ করা হয়নি। পত্রিকার অন্য পাতায় দেখলাম ফারুক সাহেবের ব্যবহার নিয়ে হানিফ সাহেবের করা মন্তব্যকে হাইলাইট করে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

Rupok Ahsan

Rupok Ahsan

২০১১.০৭.০৭ ১৬:০৫
নির্জলা পক্ষপাত।

jahangir

jahangir

২০১১.০৭.০৭ ১৬:১৩
ভিডিওতে দেখলাম পূলিশ বলছে "থাপপর দিয়া দাত ফালাইয়া দিমু শুরয়রের বাচ্চা কোথাকার ",,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, একজন বিরুধিদলিয় হুইপ কে একজন কনেসটেবল বলার সাহস কে দিল ? নিসচয় মন্তরি সাহেব । তাছারা উপ-কমিশনার হারুন সাবেক ছা: লীগ ক্যাডার এবং বিগত আওয়ামী লীগ আমলে দলীয় ভাবে নিয়োগ পেয়েছিল। সে না কি ঢা: বি: তে ছা: লীগ করতো। । জাতির বিবেকের কাছে পরশনো ?
২০১১.০৭.০৭ ১৬:৩৭
The nation is thinking of the same scenario of another Faruk from AL after the next election.....is this our desired democracy. ..isn't the 1/11 rather better than such type democracy???

Nasir Uddin (Al Ain,UAE)

Nasir Uddin (Al Ain,UAE)

২০১১.০৭.০৭ ১৭:১৬
আপনরা যারা পুলিশের পক্ষে মন্তব্য দিতেছেন তারা কি টিভির খবর দেখেছেন ?
২০১১.০৭.০৭ ১৭:২৩
ভাংা হাত। হা হা হা !!!র কত অভিনয় ।

Swkat

Swkat

২০১১.০৭.০৭ ১৭:৩৬
এমিপ ফারুেকর জন্য সমেবদনা; িবএনিপ ক্ষমতায় েগেল তােক স্বরাস্ট্রমন্তী িহসােব িনেয়াগ িদক এই কামনায় ...

mahfujul islam

mahfujul islam

২০১১.০৭.০৭ ১৮:৩৫
একটা জিনিস মনে রাখা দরকার যে প্রথম আলো কালের কন্ঠ না।এই পত্রিকার কাছে আমাদের চাহিদা অনেক।নিরভেজাল খবর এর জন্য ই আমরা প্রথম আলো পড়ি।দয়া করে আমাদের আশাহত করবেন না...

২০১১.০৭.০৭ ১৮:৫৮
পাঠক ভাইয়েরা, দিন বদলায় কিন্ত পুলিশ বদলায় না !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
শ্রোতা ভাইয়েরা, আমার এই লাঠি পেটাতেই(পথ চলাতেই) আনন্দ............।

SHAON

SHAON

২০১১.০৭.০৭ ১৯:১৯
আমরা সাধারণ জনগনের ১% ও জানি না যে সংসদ ভবন এলাকায় কোনপ্রকার মিছিল, পিকেটিং করা যায় না। এটি খুবই সংরক্ষিত একটি এলাকা। এ এলাকার বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখতে হয়। তা হয়তো আমরা অনেক কম লোকই জানি। সুতরাং এ এলাকায় মিছিল, পথ যাত্রা, ইত্যাদি কঠোর হস্তে দমন করা হয়।
২০১১.০৭.০৭ ২০:১৬
খুব খারাপ লাগল আজ প্রথম আলোর খবর প্রকাশনা দেখে। ভাবতে কষ্ট হচ্ছে প্রিয় পত্রিকাটি কীভাবে বিটিভির মত খবর প্রকাশ করে(!!)

Mohammad Rezuanul Hoque

Mohammad Rezuanul Hoque

২০১১.০৭.০৭ ২১:১৮
I do not like Mr. Faruque. But police (or ex-BCL cadres?) should not act like this. Prothom Alo also did not act responsibly in reporting it. The photos do not match the description of the events and the videos available. Mr. Faruque also should not have scolded the police officers.

Al Mahmood

Al Mahmood

২০১১.০৭.০৭ ২১:৫৮
It's a rubbish report. Not a good journalism. I think it will harm the popularity of Prothom Alo.

Mustaq Ahammed

Mustaq Ahammed

২০১১.০৭.০৭ ২২:১২
Today I recall my university days during 1998 when the popular daily Prothom Alo (PA) started their glorious journey with the slogan that "people do not need to read many newspaper for trustworthy news if Prothom Alo is there". Today after 13 years when I compare the news of PA and TV news with video footage I realize that dramatic changes have already took place with PA. It will not take longer to change readers dramatic role if PA continues same.

jahangir

jahangir

২০১১.০৭.০৭ ২৩:৩৩
টু- monir hossain
২০১১.০৭.০৭ ১০:৫৬ ফারুকের এইটা করা ঠিক হলো না ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, আপনি ত বরাবরের মতই আ।লিগের সকল অন্যায়ের সমরথক ও অনধ ভক্ত । তাই বলছি দেশের কথা চিন্তা করুন । ভাবুন । সঠিক মতামত দিন । আর ভাল করে ভিডিওটা দেখেন ।

Eshfat Ara

Eshfat Ara

২০১১.০৭.০৭ ২৩:৪১
টিভিতে কিন্ত দেখলাম ফারুক সাহেব (!) একজন পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দিল। এখন কথা হলো হরতাল করা কারও গণতান্ত্রীক অধীকার নয়। সংবিধান এর কোথাও হরতাল এর কোনো উল্লেখ নাই। বিরোধী দলগুলো হরতাল করে তাদের আখের গুছানোর জন্য। তবে এই অগণতান্ত্রীক অধীকার বাস্তবায়ন করার জন্য যদি কেউ রাস্তায় গাড়ী ভাংচুর করে, ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের গালা-গালী করে এবং মার খায় সেটা কার দোষ?

Steve ndc

Steve ndc

২০১১.০৭.০৮ ২১:৫৯
It was too much.

sodanondo Rahman

sodanondo Rahman

২০১১.০৭.০৯ ১৬:৪৬
মানুষ কি টেলিভিশন দেখে নাই? প্রথম আলোর এই রকম সংবাদে আমরা মর্মাহত বিশেষ করে আমরা যারা প্রতিদিন প্রথম- আলো পড়ি। প্রথম- আলো কে অনুরোধ করছি এই সংবাদের একটা রিভিউ সংবাদ দিতে।

২০১১.০৭.৩০ ১০:৪৯
হাতে তার ছিল কালো মোবাইল । তারপর ও তাকে নেয়ে এই রকম একটি মিথ্যা সংবাদ প্রথম আলোর মত পত্রিকা প্রকাশ করবে তা ভাবিনি।