ঢিলেঢালা প্রথম দিনের হরতাল, রাজপথে নেতা-কর্মী ছিলেন কম, পুলিশও দাঁড়াতে দেয়নি। রাতে চার বাসে আগুন
ফারুককে কেন্দ্র করে উত্তাপ
-
ঢিল ছোড়ার ভঙ্গিতে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ
-
পুলিশকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়
-
ন্যাম ভবনে ঢোকার সময় আবার পুলিশের হামলা
-
ছবি: প্রথম আলো
হরতালের আগের দিন মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকেই গাড়ি পোড়ানোর কারণে রাজধানীতে হরতালের উত্তাপ টের পাওয়া যাচ্ছিল। তবে গতকাল বুধবার সেই উত্তাপ অনেক বেশি ছড়িয়েছে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায়।
গতকাল হরতালের শুরুতেই সংসদ ভবন এলাকায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। সারা দিন এ নিয়েই উত্তপ্ত ছিল রাজনৈতিক অঙ্গন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন, চিফ হুইপের মাথায় ১১টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি এ ঘটনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের ঘটনা ছাড়া ৪৮ ঘণ্টার হরতালের প্রথম দিনে তেমন কোনো উত্তেজনা ছিল না। ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে প্রথম দিনের হরতাল। রাজপথে জোটের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। পুলিশও নেতা-কর্মীদের দাঁড়াতে দেয়নি। কোথাও কোথাও নেতাদের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে তাঁদের ঘর থেকে বের হতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। দিনভর সমমনা দলগুলোর কোনো কার্যকলাপও চোখে পড়েনি।
বিএনপি দাবি করেছে, প্রথম দিনে সারা দেশে চার শতাধিক নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। আর জামায়াতের দাবি, তাদের দেড় শ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশের লাঠিপেটায় আহত জয়নুল আবদিন ফারুক: সংসদ ভবনের সামনে পুলিশের লাঠিপেটায় আহত হন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। বিরোধীদলীয় সাংসদদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুনুর রশিদও আহত হয়েছেন।
গতকাল সকালে সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া এভিনিউতে এ ঘটনা ঘটে। বিরোধীদলীয় সাংসদেরা দাবি করেছেন, পুলিশ অতর্কিতে ফারুকের ওপর হামলা চালায়। তবে পুলিশ দাবি করেছে, ফারুক পুলিশ সদস্যদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন।
গতকাল ভোর ছয়টার দিকে জয়নুল আবদিন ফারুকের নেতৃত্বে বিরোধী দলের ১৫ থেকে ২০ জন সাংসদ মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সামনে জড়ো হন। ভোরবেলা তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে হেঁটে সংসদ ভবন এলাকা থেকে ফার্মগেট এলাকায় পৌঁছান। পরে ফার্মগেট থেকে তাঁরা আবার মানিক মিয়া এভিনিউতে ফিরে যান। এ সময় হঠাৎ করে একটি বাস লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইমাম হোসেন, সহকারী উপকমিশনার হারুনুর রশিদ ও মোহাম্মদপুর অঞ্চলের সহকারী কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার সাংসদদের সামনে গিয়ে তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের এক দফা কথা-কাটাকাটি হয়। পুলিশের ডিসিকে উদ্দেশ করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘তুই কে? তুই কী করবি?’ এ সময় পুলিশ জয়নুল আবদিনের দিকে তেড়ে যায় এবং ‘পাগল পাগল’ বলে চিৎকার করতে থাকে। আরও কয়েকজন পুলিশ তাঁর দিকে এগিয়ে গেলে ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং তিনি পড়ে যান। কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাঁকে লাথি মারেন এবং তাঁকে ধরে টানাটানি করতে থাকেন। এ সময় ফারুকের গেঞ্জি খুলে যায়। একপর্যায়ে একজন পুলিশ সদস্যের লাঠির আঘাতে ফারুকের মাথা ফেটে যায় এবং রক্ত বের হতে থাকে। সকাল থেকেই চিফ হুইপের ডান হাতে ব্যান্ডেজ থাকলেও পরে ধস্তাধস্তির সময় সেটি খুলে যায়।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের মাথায় রক্ত দেখে মহিলা সাংসদেরা তাঁকে নিয়ে ন্যাম ভবনের দিকে এগিয়ে যেতে চান। এ সময় পুলিশ আবার এগিয়ে এলে ফারুক আত্মরক্ষায় ন্যাম ভবনের দিকে দৌড় দেন। এরপর পুলিশ তাঁর পিছু নিয়ে আবার সেখানে গিয়ে ফারুকসহ সাংসদদের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ ফারুককে চ্যাংদোলা করে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। এ সময় তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
এরপর সাংসদেরা ফারুককে উদ্ধার করে মহিলা সাংসদ আসিফা আশরাফীর ন্যাম ভবনের বাসায় নিয়ে যান। সকাল পৌনে ১০টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনা সম্পর্কে জয়নুল আবদিন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওরা আমাকে বুট দিয়ে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। মাথা ও পায়ে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছি। সারা শরীরেই ব্যথা। কোন দেশে আমি আছি?’
তবে সহকারী কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ফার্মগেট এলাকায় গিয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক রাস্তার মাঝখানে বসে পড়ে যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেন। এ সময় পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে গেলে তাঁরা পুলিশকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেন।
বিপ্লব কুমার সরকার জানান, সাংসদ ফারুক পুলিশ সদস্যদের জঘন্য ভাষায় গালাগাল করেন। তাঁদের গায়ে হাত তোলেন এবং পুলিশকে গালি দিয়ে বলতে থাকেন ‘পারলে মার।’ এ সময় পুলিশ তাঁকে সরিয়ে দিতে গেলে তিনি ধস্তাধস্তি শুরু করেন এবং হঠাৎ করে পড়ে যান।
আহত পুলিশের এডিসি হারুনুর রশিদ জয়নুল আবদিনকে পেটানোর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ধস্তাধস্তির সময় পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পেতে পারেন। পুলিশ তাঁর ওপর হামলা চালায়নি, বরং তিনিই পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছেন।’
ফারুককে মারধরের প্রতিবাদে বিরোধীদলীয় সাংসদেরা সংসদ ভবনের ভেতরে মিছিল করেছেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়: হরতালের প্রথম দিনে বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ছিল সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ। কার্যালয়ের ভেতরে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীকে দেখা গেছে। এ ছাড়া দলের আর কোনো নেতাকে দলীয় কার্যালয়ের ভেতর বা বাইরে দেখা যায়নি।
আগের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার রাত থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিএনপির কার্যালয় অবরোধ করে রাখে। এর আগের হরতালগুলোতে নেতা-কর্মীরা কার্যালয়ের দিকে আসার চেষ্টা করলেও গতকালের হরতালে তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। দুপুর ১২টা পর্যন্ত পুলিশ ওই স্থান থেকে কোনো নেতা-কর্মীকে আটক করেনি। তবে পল্টন থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, সাড়ে ১২টা থেকে দুইটা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আটজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি এদের বিএনপির কর্মী বলে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন।
মহাখালী ও গুলশান: মহাখালী-গুলশান এলাকায় হরতালের সমর্থনে জোরালো কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি। বিচ্ছিন্নভাবে গুলশানে মহিলা দলের কিছু নেতা-কর্মী সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু পুলিশের বাধায় মিছিল বা পিকেটিং করতে পারেননি। এই এলাকায় সারা দিনই কিছু বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
গুলশান ১ নম্বরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে সকাল থেকে পুলিশ অবস্থান নেয়। পুলিশের দাবি, বিএনপির সাবেক সাংসদের বাড়িতে অন্তত ২০-২৫ জন মহিলা পিকেটার অবস্থান নিয়েছেন। রাত আটটার আগে মহিলা পিকেটারদের কেউ এই ভবন থেকে বের হলেই আটক করা হবে।
বেলা ১১টার দিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী নূরে আরা সাফাসহ ছয়জনকে মহাখালীর ওয়্যারলেস গেট থেকে পুলিশ আটক করে। তাঁরা রিকশায় করে গুলশান ১ নম্বর গোলচত্বর থেকে মহাখালীর দিকে যাচ্ছিলেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার আশরাফুল আজিম দাবি করেন, এই ছয়জন গুলশান থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসার পথে আটক হন।
সকাল নয়টার দিকে মহাখালীর তিতুমীর কলেজে ছাত্রলীগ হরতালবিরোধী মিছিল বের করে।
পুরান ঢাকা: হরতালের সমর্থনে মীরহাজীরবাগ এলাকায় পিকেটিং করার চেষ্টা করলে শ্যামপুর থানার পুলিশ জামায়াতে ইসলামীর দুই কর্মীকে আটক করে।
হরতালের সমর্থনে সূত্রাপুর থানা যুবদল টিপু সুলতান রোডে মিছিল বের করে। অন্যদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ এবং ৭৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ হরতালের বিপক্ষে সদরঘাট এলাকায় মিছিল বের করে।
পুরান ঢাকার বেশির ভাগ দোকানপাট বন্ধ ছিল। সদরঘাট থেকে গাবতলী ও সদরঘাট হয়ে মিরপুর রুটের অল্পসংখ্যক বাস চলাচল করেছে। এসব এলাকার স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিল। ছাত্রলীগের কর্মীরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে পাহারা বসান। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ: হরতালের সমর্থনে গতকাল সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সরকারবিরোধী আইনজীবীরা। এদিকে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একক অবকাশকালীন বেঞ্চ ১১টা থেকে কিছুক্ষণ এজলাসে বসে বিচারকাজ পরিচালনা করেছেন। এর আগে সকাল ১০টার দিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে সরকারবিরোধী আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ হলে জড়ো হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য পর্ব শেষে আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেনের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক আইনজীবী মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে সমবেত হন।
বেলা ১১টার দিকে আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটক থেকে রাস্তায় বের হতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁরা মূল ফটকের প্রবেশমুখেই বসে অবস্থান নেন।
ছাত্রদল: হরতালের সমর্থনে রাজধানীর গ্রিন রোডে গতকাল মিছিল করেছে ছাত্রদল। সকাল ১০টার দিকে ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিলটি বের হয় এবং পান্থপথ ঘুরে আসে। পরে গ্রিন রোডেই সমাবেশ করে ছাত্রদল।
জামায়াতের তৎপরতা: সকাল নয়টার দিকে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের একটি মিছিল কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের উল্টো পাশ থেকে শুরু হয়। মিছিলটি টিটিপাড়ার দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ দেখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
দলের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর কমিটির সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ মিছিলের নেতৃত্বে দেন। পুলিশ আসার আগে তড়িঘড়ি বক্তব্য দিয়ে তিনি চলে যান।
সকাল সাড়ে ছয়টায় হরতালে সমর্থনে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরের কাছ থেকে ঘুপচি মিছিল বের করে স্থানীয় জামায়াত। মিছিলটি কাজীপাড়ার দিকে কিছুদূর গেলে রাস্তার দুই পাশ ঘিরে পুলিশ লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সেখান থেকে পুলিশ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে। এতে ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে জামায়াত দাবি করেছে।
এ ছাড়া পুরান ঢাকার চানখাঁরপুল ও উত্তর বাড্ডা থেকে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশের লাঠিপেটায় তা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় পুলিশ চানখাঁরপুল থেকে নয়জন ও উত্তর বাড্ডা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
সকালে যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়ক থেকে মিছিল বের করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে পুলিশ মীরহাজীরবাগ এলাকায় ছাত্রশিবিরের একটি মেসে তল্লাশি করে ছাত্রশিবিরের চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, গতকাল ঢাকা মহানগরে ৩৯ জন, কুড়িগ্রামে ২৮ জনসহ সারা দেশে বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের ১৫০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় পুলিশের হামলায় ৫০ জন আহত হয়।
খালেদা জিয়ার নিন্দা: জয়নুল আবদিন ফারুককে পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হত্যার অশুভ অভিপ্রায় ফারুকের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে। তিনি আক্রমণকারী পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
চার বাসে আগুন: গতকাল সন্ধ্যার পর রাজধানীতে চারটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানানো হয়, রাত আটটার দিকে আজিমপুরে ইডেন কলেজের সামনে একটি বাসে, এরপর খিলক্ষেতে একটিতে, গুলিস্তানে একটিতে এবং সাভারের উলাইলে একটি মিনিবাসে আগুন দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বাসগুলোর আগুন নেভানোর আগেই বাসগুলোর বেশির ভাগ অংশ পুড়ে যায়।







হাফিজ আল ফারুকী
২০১১.০৭.০৭ ০১:৪৭jahangir
২০১১.০৭.০৭ ০১:৫০ছবিগুলোর দকে তাকান আর ভবিস্যৎ ভাবেন ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
M Sarowere Alam
২০১১.০৭.০৭ ০১:৫৪
২০১১.০৭.০৭ ০২:০০
২০১১.০৭.০৭ ০২:০৮Jahed Ahmed
২০১১.০৭.০৭ ০২:১৩ইমতিয়াজ় জ়ামান নিশীথ
২০১১.০৭.০৭ ০২:১৪ইমন রহমান
২০১১.০৭.০৭ ০২:২৯Abdul Halim Miah
২০১১.০৭.০৭ ০২:৩১khaled
২০১১.০৭.০৭ ০২:৩৮Russel Islam
২০১১.০৭.০৭ ০২:৪০mostafa
২০১১.০৭.০৭ ০২:৫২MUHAMMAD
২০১১.০৭.০৭ ০২:৫২kazi murad
২০১১.০৭.০৭ ০২:৫৪জিয়াউর রহমান
২০১১.০৭.০৭ ০২:৫৬Rose Hasan
২০১১.০৭.০৭ ০৩:১৯Misbahul Islam
২০১১.০৭.০৭ ০৩:২৭Syful Islam Tonmoy Wvc
২০১১.০৭.০৭ ০৩:৩০Md Shahi Imran Murad
২০১১.০৭.০৭ ০৩:৩৪Enamul
২০১১.০৭.০৭ ০৪:০৬M.Muquit Ahmed /London
২০১১.০৭.০৭ ০৪:১৫MUHAMMAD
২০১১.০৭.০৭ ০৪:২৪Abu Hena
২০১১.০৭.০৭ ০৪:৪৬But, it is very sad that, a member of Parliament got beaten by the law enforcement agencies, though, during BNP regime even more worst occurrences was a regular & very much common issue over opposition. Unlike past, this time it created enough senses than before, so, Govt. should take immediate steps in favor of the victim as nobody wants the repetition of past.
Strike is a democratic right, hence everybody hold the right of participating in Strike or reject it. But whoever calls Strike, Govt. takes extra preparation to protest it through police, and the caller of the strike forces people to stop their their regular activities. Hence a battle takes place, so all the parties should sit together as they claim themselves as democratic party before calling any further strike and Govt. should allow peaceful activities as long as it doesn't hurt people.
a.k.m.masum
২০১১.০৭.০৭ ০৪:৫১
২০১১.০৭.০৭ ০৪:৫৭এছলাম সরকার
২০১১.০৭.০৭ ০৫:০২Ruhel Ahmed
২০১১.০৭.০৭ ০৫:১৪misbah
২০১১.০৭.০৭ ০৫:২৪Ashraf Chowdhury
২০১১.০৭.০৭ ০৫:২৮Shurja Sen
২০১১.০৭.০৭ ০৬:১০md babu
২০১১.০৭.০৭ ০৬:২৪Russell
২০১১.০৭.০৭ ০৬:৪২Khondokar Farid Ahmmed
২০১১.০৭.০৭ ০৬:৫০SAGAR
২০১১.০৭.০৭ ০৬:৫২Ershad
২০১১.০৭.০৭ ০৭:১০সোহেল চৌধুরী
২০১১.০৭.০৭ ০৭:১২
২০১১.০৭.০৭ ০৭:১৭Shafiqul Islam
২০১১.০৭.০৭ ০৭:১৮Md. Lokman Uddin
২০১১.০৭.০৭ ০৭:২২Onindo
২০১১.০৭.০৭ ০৭:৩১M.J.A KHAN
২০১১.০৭.০৭ ০৭:৫৯আব্দুল্লাহ্ আল মামুন খোশ্ নবীশ, প্যারাগুয়ে
২০১১.০৭.০৭ ০৮:০১Siddiq
২০১১.০৭.০৭ ০৮:০৪মোঃ আবু নাফি ইবনে জাহিদ
২০১১.০৭.০৭ ০৮:০৭Shajed
২০১১.০৭.০৭ ০৮:১৫M Z HAQ
২০১১.০৭.০৭ ০৮:১৮Dr. Alam
২০১১.০৭.০৭ ০৮:২৩nurul absar hussain
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩০Tareque Ahmed Kowsar
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩৬T Alahee
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩৬Dr. Nafis Amanul Haque
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩৮Azad
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৩৯Emran
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৪০I am sure this ADC will get promoted to DC soon...
Md. Mahabub Morshed
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৪৫Shohidur
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৪৮shohel
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫১shamim
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫২syfullah
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫২Moreover in the second picture police snatches away his bandage ;you see the bandage is in the hand of police.Faruk actually did not do anything.It was police who attack on him intentionally
Syed Jamal Uddin
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫৪Mohammad Shakhawat Hossain
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫৫Faruk
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫৯Aminul Ahesan
২০১১.০৭.০৭ ০৮:৫৯
২০১১.০৭.০৭ ০৯:০৩@Ruhel Ahmed এর সাথে একমত পোষণ করছি। সত্য খবরটি জানার জন্য প্রথম আলোর দারস্থ হই। কিন্তু অবাস্তব সংবাদ পরিবেশন করলে ভীষণ হতাশ হই। আশা করছি.. সত্য প্রকাশে প্রথমআলো বিচ্যুত হবে না।
Sahin
২০১১.০৭.০৭ ০৯:০৪Md Anisur Rahman
২০১১.০৭.০৭ ০৯:১১Md. Firoz Hossain
২০১১.০৭.০৭ ০৯:১৪Juel
২০১১.০৭.০৭ ০৯:২১আমরা যদি পাগল বা উম্মাদ না হয় তাহলে কোন সময়ই পুলিশ কে দোষ দিবো না, পুলিশ হলো সরকারের গোলাম, পুলিশ যদি না পেটায় তাহলে পুলিশের চাকুরী থাকবে না, তখন কি আপনার বাসায় বসে তাকে খেতে দিবেন। পিটানো টাই হলো পুলিশের প্রধান কাজ।
Saimon
২০১১.০৭.০৭ ০৯:২৪Md. Imran-Bin-Alam
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩৫(এই কমেন্ট পড়ে হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছিনা) সারা জাতি দেখলো এক আর পুলিশ বলে আরেক।
আমরা টিভিতে দেখেছি কি ঘটেছে। পুলিশ জঘন্যতম মিথ্যূক তা আর একবার প্রমানিত হলো।
Ashis Chakma
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩৮Ariful Hossain
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৩৯জানি এ মন্তব্য ছাপানো হবেনা। কারণ প্রথম আলোর যেমন সরকারের পক্ষে এ রিপোর্ট ছেপেছে তেমন মন্তব্যও যদি প্রথম আলোর পক্ষে দেয়া হয় তাহলেই ছাপানো হবে।
Oyhidule K
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৪৬atikur rahman
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৫০Saleh Ahmed
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৫৩Md. Moniruzzaman Monir
২০১১.০৭.০৭ ০৯:৫৬Tanbir Ahmed
২০১১.০৭.০৭ ১০:০১Md. Ibrahim Khalil (Suman)
২০১১.০৭.০৭ ১০:০২Noyon
২০১১.০৭.০৭ ১০:০৩Shaheen_Raozan_Chittagong
২০১১.০৭.০৭ ১০:০৯sanoar
২০১১.০৭.০৭ ১০:১০Kamruzzaman Titu
২০১১.০৭.০৭ ১০:১০আসাদ
২০১১.০৭.০৭ ১০:১৩Mohammed Manirul Islam Khan
২০১১.০৭.০৭ ১০:১৪Shaheen_Raozan_Chittagong
২০১১.০৭.০৭ ১০:১৭এমনকি সরকার দলীয় সমর্থক একটি চ্যানেলে একজন প্রত্যক্ষদর্শী ক্যামেরাম্যান ও টিভি সাংবাদিক যা বলল তার সাথেও অনেক অমিল!

২০১১.০৭.০৭ ১০:৩৩Mohammad Abul Kashem (MAK)
২০১১.০৭.০৭ ১০:৩৫প্রথম আলো
যথাবিহীত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে আমি প্রথম আলোকে অনেক বেশি বিশ্বাস করি।তাই এমন কোন সংবাদ বা ছবি ছাপাবেন না যা আপনাদের প্রতি আমার মত লক্ষ- কোটি পাঠকে বিভ্রান্ত করখদয়া করে ভিডিও ফুটেজটা দেখুন এবং আপনাদের গতকালের অনলাইন+আজকার নিউজটার সাথে মেলান। প্লিজ দয়া করে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না।
Nirob Ahmed Shimul
২০১১.০৭.০৭ ১০:৩৫আসলে ফারুকের হাতে ছিল মোবাইল? মোবাইল দিয়ে কেউ কি ঢ়িল মারে ?
দ্বিতীয় ছবিতে হাতের মোবাইলটি ষ্পষ্ট দেখা যায়।
এই হল গণতন্ত্র.................
পুলিশের এই কার্যকলাপের জন্য সেই পুলিশ কর্মকর্তাদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড হওয়া উচিত।
Rexon Ahmed
২০১১.০৭.০৭ ১০:৩৮Sk. Arman Jahan
২০১১.০৭.০৭ ১০:৪২উহা কত প্রকার এবং কি কি ????
সম্মান দিলে.... সম্মানের আশা করা যায়..... জনাব টুকু এবং জনাবা সাহারা !!!!!
Musfiqur
২০১১.০৭.০৭ ১০:৪৯fahim
২০১১.০৭.০৭ ১০:৪৯monir hossain
২০১১.০৭.০৭ ১০:৫৬Naser Ahmed
২০১১.০৭.০৭ ১১:১১jakir hussain
২০১১.০৭.০৭ ১১:১৪
২০১১.০৭.০৭ ১১:৪৮nazmul haque
২০১১.০৭.০৭ ১১:৫২Omar Rana
২০১১.০৭.০৭ ১১:৫৪mahedi al maruf
২০১১.০৭.০৭ ১২:২৬
২০১১.০৭.০৭ ১২:৩০কবি নবারুণ ভট্টাচার্য্য'র কবিতার লাইনগুলোর মতোই অনেকেরই মনে হবে এ কী আমার দেশ?
না, এ দেশ আমার হতে পারে না। এ রকম বাংলাদেশ আমরা চাইনি।
এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না
এই জল্লাদের উল্লাস মঞ্চ আমার দেশ না
এই বিস্তীর্ণ শ্মশান আমার দেশ না
এই রক্তাক্ত কসাইখানা আমার দেশ না’
Jisan M Yasin
২০১১.০৭.০৭ ১৩:১৫Ahmad Abdullah
২০১১.০৭.০৭ ১৩:৪৩mohammad
২০১১.০৭.০৭ ১৩:৪৩Ruhel Ahmed
২০১১.০৭.০৭ ১৩:৫২Nazrul Islam
২০১১.০৭.০৭ ১৪:০৭nazim
২০১১.০৭.০৭ ১৪:১৩Shohidul Islam Sazib
২০১১.০৭.০৭ ১৪:১৭G. A. Masum
২০১১.০৭.০৭ ১৪:২৩২০তম বিসিএস ক্যাডারে পুলিশের চাকরি নেয়া হারুন ১৯৯৮ সালে ছাত্রলীগের বাহাদুর-অজয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একসময় চাকরি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ দিয়ে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে চাকরি নেয়ার পর থেকেই ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন তিনি। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চোখে ‘বেয়াদব’ হিসেবে পরিচিত হলেও নানা অপকর্ম করে অদৃশ্য কারণে তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যান।
অন্যদিকে মোহাম্মদপুর জোনের এসি বিপ্লব কুমারের বিরুদ্ধে চাকরি জীবনের শুরু থেকেই শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। ২১তম বিসিএস ক্যাডারে চাকরি নেয়া বিপ্লব সরকার ছিলেন ছাত্রলীগ জগন্নাথ হল শাখার সেক্রেটারি। পুলিশ বিভাগে চাকরি হওয়ার পর নিজের অতীত কৃতকর্মের কথা ভেবে ২০০৩ সালের অক্টোবরে সারদায় ট্রেনিং করেই ডিভি ভিসা পেয়ে আমেরিকায় চলে যান। ৭ বছর আমেরিকায় থেকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে আসেন। পুলিশের ভাষায়, এসময় তিনি ছিলেন ফেরারি। কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন কর্মস্থলে না থাকায় তার বিরুদ্ধে জিডিও করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ ৭ বছর অনুপস্থিত থেকে দেশে ফিরে রহস্যজনকভাবে পুনরায় চাকরি ফিরে পান তিনি। অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। কিশোরগঞ্জ সদরের বাসিন্দা বিপ্লবকে বিশেষ অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর জোনে বদলি করা হয়। তিনি জয়নুল আবদিন ফারুককে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।
প্রথম আলো পত্রিকায় ফারুকের যে প্রথম ছবিটা দেওয়া হয়েছে তা কি ঢিল ছোড়ার ছবি ?
আসলে ফারুকের হাতে ছিল মোবাইল; মোবাইল দিয়ে কেউ কি ঢ়িল মারে ?
আরিপ হোসেন
২০১১.০৭.০৭ ১৪:২৭Dr. Nafis Amanul Haque
২০১১.০৭.০৭ ১৪:৩৪Md. Mahfujur Rahman
২০১১.০৭.০৭ ১৪:৫৬Rafee
২০১১.০৭.০৭ ১৫:০৩Ankur Das Apu
২০১১.০৭.০৭ ১৫:২৯jahangir
২০১১.০৭.০৭ ১৬:০২Md. Sadekur Rahaman
২০১১.০৭.০৭ ১৬:০৩Rupok Ahsan
২০১১.০৭.০৭ ১৬:০৫jahangir
২০১১.০৭.০৭ ১৬:১৩Nasir Uddin (Al Ain,UAE)
২০১১.০৭.০৭ ১৭:১৬Swkat
২০১১.০৭.০৭ ১৭:৩৬mahfujul islam
২০১১.০৭.০৭ ১৮:৩৫
২০১১.০৭.০৭ ১৮:৫৮শ্রোতা ভাইয়েরা, আমার এই লাঠি পেটাতেই(পথ চলাতেই) আনন্দ............।
SHAON
২০১১.০৭.০৭ ১৯:১৯Mohammad Rezuanul Hoque
২০১১.০৭.০৭ ২১:১৮Al Mahmood
২০১১.০৭.০৭ ২১:৫৮Mustaq Ahammed
২০১১.০৭.০৭ ২২:১২jahangir
২০১১.০৭.০৭ ২৩:৩৩২০১১.০৭.০৭ ১০:৫৬ ফারুকের এইটা করা ঠিক হলো না ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, আপনি ত বরাবরের মতই আ।লিগের সকল অন্যায়ের সমরথক ও অনধ ভক্ত । তাই বলছি দেশের কথা চিন্তা করুন । ভাবুন । সঠিক মতামত দিন । আর ভাল করে ভিডিওটা দেখেন ।
Eshfat Ara
২০১১.০৭.০৭ ২৩:৪১Steve ndc
২০১১.০৭.০৮ ২১:৫৯sodanondo Rahman
২০১১.০৭.০৯ ১৬:৪৬
২০১১.০৭.৩০ ১০:৪৯