শিরোনাম:

সরকারের বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন আপাতত বিকল্প ট্রানশিপমেন্ট  প্রয়োজন ৫০ হাজার কোটি টাকা  ১৫ ধরনের মাশুল আদায়ের সুপারিশ

ট্রানজিট এখনই নয়

জাহাঙ্গীর শাহ | তারিখ: ২৪-০৪-২০১১

  • ২২ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

ভারত, নেপাল ও ভুটানকে এই মুহূর্তে পূর্ণাঙ্গ ট্রানজিট-সুবিধা দেওয়ার মতো অবকাঠামো বাংলাদেশের নেই। অবকাঠামোর দুর্বলতার কারণেই ট্রানজিট দেওয়ার জন্য এখন প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ।
এ জন্য পার্শ্ববর্তী দেশগুলোকে কমপক্ষে তিন বছর অপেক্ষা করতে হবে। আর এ সময়ে অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা।
ট্রানজিট নিয়ে সরকারের গঠন করা একটি বিশেষ কমিটি বা ‘কোর গ্রুপ’-এর প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে ট্রানজিটের বিকল্প হিসেবে আপাতত ট্রানশিপমেন্ট দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ট্রানশিপমেন্ট হলো, যে দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করা হবে, সেই দেশের সীমান্তে এসে পণ্য ওই দেশের যানবাহনে করে ভূখণ্ড পাড়ি দেবে।
ভারত, নেপাল, ভুটানসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোকে ট্রানজিট-সুবিধা দিতে গত ২ ডিসেম্বর ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানকে সভাপতি করে এই কোর গ্রুপ গঠন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কোর গ্রুপের কার্যপরিধি ছিল চারটি, এগুলো হলো: ট্রানজিট রুট চিহ্নিত করা, অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও তা পুনরুদ্ধার, ট্রানজিট মাশুল এবং ট্রানজিটের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ। এর মধ্যে রুট নির্ধারণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ বিষয়ে দুটি উপদলের প্রধান ছিলেন ট্রানজিট বিশেষজ্ঞ রহমত উল্লাহ। ট্রানজিট মাশুল নির্ধারণ বিষয়ে উপদলের প্রধান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (শুল্ক) শাহ আলম খান, বিভিন্ন দেশ বা অঞ্চলের ট্রানজিট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণসংক্রান্ত অপর উপদলের প্রধান ছিলেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষণসংক্রান্ত উপদলের প্রধান ছিলেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) ভাইস চেয়ারম্যান সাদিক আহমদ।
কমিটি ট্রানশিপমেন্ট দিতে বাংলাদেশি যানবাহন ব্যবহার করে ভূখণ্ড পাড়ি দেওয়ার সুপারিশ করেছে। আর বিকল্প প্রস্তাব হিসেবে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের যৌথ উদ্যোগে একটি ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি গঠনের কথা বলা হয়েছে, যার ৫১ শতাংশ মালিকানা বাংলাদেশের থাকবে। এই কোম্পানির যানবাহনের মাধ্যমেই নিজ নিজ দেশের ভূখণ্ডে পণ্য পরিবহন করা হবে।
পূর্ণাঙ্গ ট্রানজিট দেওয়া হলে বছরে এক কোটি ৭৩ লাখ টন কার্গো বহন করা সম্ভব হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আর আপাতত ট্রানশিপমেন্ট দেওয়া হলে সম্ভব হবে এর ১০ শতাংশ, অর্থাৎ ১৮ লাখ টন কার্গো বহন করা যাবে।
প্রতিবেদনে ট্রানজিটের জন্য সড়ক, রেল ও নৌরুটগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ১৫ ধরনের ট্রানজিট মাশুল নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। আবার পূর্ণাঙ্গ ট্রানজিটের জন্য আগামী ১০ বছরে কোথায়, কী পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হবে, তারও একটি বিবরণী রয়েছে প্রতিবেদনে।
ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান ও ট্রানজিট-সংক্রান্ত কোর গ্রুপের সভাপতি মুজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, অবকাঠামো দুর্বলতার কারণে এই মুহূর্তে পূর্ণাঙ্গ ট্রানজিট-সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আপাতত ট্রানশিপমেন্ট-সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
মুজিবুর রহমান আরও জানান, প্রতিবেদনটি মূলত ট্রানজিট নিয়ে সরকারের একটি অবস্থানপত্র। সরকারি পর্যায়ে এর আগে এ ধরনের কাজ হয়নি। প্রতিবেদনটির মাধ্যমে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা ট্রানজিট-সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। আর পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সমঝোতার সময় প্রতিবেদনটি একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
ট্রানজিট মাশুল: প্রতিবেদনে ১৫ ধরনের মাশুল আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে মাশুল কত হবে, সে বিষয়ে কোনো সুপারিশ করা হয়নি। এগুলো হলো: টোল (আন্তসীমান্ত ব্যবহারকারী মাশুল), প্রশাসনিক ব্যয় মেটানোর মাশুল, রেল, সড়ক ও নৌপথ রক্ষণাবেক্ষণ, বিভিন্ন ধরনের সেবা গ্রহণ, অতিরিক্ত ওজন, জ্বালানি কেনার কর, ভারী যানবাহন ব্যবহার, বিদেশি যানবাহন নিবন্ধন, পার্কিং, যানজট, পরিবেশদূষণ (বায়ু ও শব্দদূষণ), প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিনষ্ট করা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির মাশুল।
মূল মাশুল হিসেবে প্রতিবেদনে টোলকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই টোলের মাধ্যমেই সড়ক, রেল ও নৌ-অবকাঠামো নির্মাণে বিনিয়োগকৃত অর্থসহ লাভ বা প্রিমিয়ামের সিংহভাগ উঠে আসবে।
বিনিয়োগ: পূর্ণাঙ্গ ট্রানজিট-সুবিধা দিতে আগামী ১০ বছরে ৪৯ হাজার ৮৩৫ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বিনিয়োগের কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পরবর্তী ২০ বছরে তা প্রিমিয়ামসহ উঠে আসবে। পৃথিবীর বৃহত্তম ট্রানজিট অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত ইউরোপীয় ইউনিয়নে ট্রানজিট বিনিয়োগে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রিমিয়াম থাকে।
প্রতিবেদনে অবকাঠামো উন্নয়নে সড়কপথে ১১ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা, রেলপথে ৩২ হাজার ২৩ কোটি টাকা, নৌপথে এক হাজার ১৬১ কোটি টাকা, চট্টগ্রাম বন্দরে এক হাজার ৭০৯ কোটি টাকা, মংলা বন্দরে দুই হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা এবং স্থলবন্দরগুলোর জন্য ২০১ কোটি টাকা বিনিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূলত মাশুল আদায়ের মাধ্যমেই বিনিয়োগে অর্থ আসবে। তবে তা নির্ভর করবে মাশুলের হারের ওপর। আবার মাশুল নির্ধারণের বিষয়টি নির্ভর করবে ট্রানজিট-সুবিধা গ্রহণকারী ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে সমঝোতার ওপর। কেননা এসব দেশ কোন কোন রুট ব্যবহার করবে, আর প্রতিবছর কী পরিমাণ পণ্য বহন করবে, তার ওপরও বিনিয়োগ ও মাশুল নির্ধারণের বিষয়টি জড়িত। এ জন্য প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সমঝোতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর: ট্রানজিট-সুবিধার আওতায় চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন কনটেইনার ধারণক্ষমতার ৫৭ শতাংশ ও কার্গো ধারণক্ষমতার ৫৪ শতাংশ ব্যবহূত হয়।
আর মংলা বন্দরে বছরে ৬৫ লাখ মেট্রিক টন কার্গো আর ৫০ হাজার কনটেইনার ধারণক্ষমতা রয়েছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে এই বন্দরে মাত্র সাড়ে ১৬ লাখ টন কার্গো ও দুই হাজার ৬৫ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।
নিরাপত্তা প্রসঙ্গ: ট্রানজিট-সংক্রান্ত নিরাপত্তা ও আইনি বিষয় নিয়ে প্রতিবেদনে বেশ কিছু প্রটোকলের মাধ্যমে ট্রানজিটের সামগ্রিক বিষয়গুলোর আইনি কাঠামো দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর আওতায় নিষিদ্ধ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পণ্য পরিবহন করা যাবে না। ট্রানজিট-সংক্রান্ত সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা এবং তা পরিপালন করা হবে।
এ ছাড়া প্রতিবেদনে ট্রানজিট মাশুলের বিষয়টিও আইনি কাঠামোতে আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এ জন্য কনটেইনার ও কনসাইনমেন্ট সিল করা, যানবাহনের নিবন্ধন, পণ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা, শুল্কায়ন ও ইমিগ্রেশন-প্রক্রিয়া, ট্রানজিট যানবাহনের চলাচলের সীমারেখা, বিমা, দুর্ঘটনা, বিরোধ বিধি ইত্যাদি বিষয় আইনি কাঠামোর মধ্যে থাকবে।
ট্রানজিটের কিছু ঝুঁকির কথাও কমিটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে। যেমন—যদি কম পণ্য পরিবহন হয় এবং অবকাঠামো উন্নয়নের অর্থ যদি বিদেশি ঋণদান সংস্থা থেকে আনা হয়, তাহলে এই বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সুতরাং ট্রানজিট-সুবিধা টেকসই করতে সব পক্ষকেই সবার জন্য লাভজনক বা ‘উইন উইন সিচুয়েশন’ তৈরি করতে হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় ট্রানজিট-সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
৭ এপ্রিল এই কোর গ্রুপ প্রতিবেদন জমা দিলে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে অর্থমন্ত্রী একটি বৈঠক করেন। ট্রানজিট-সংক্রান্ত এই প্রতিবেদনের ওপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি জাতীয় সেমিনার করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের মতামত নেবে বলে জানা গেছে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

msu shimul

msu shimul

২০১১.০৪.২৪ ০২:০১
fantastic!! it will never heppen n it shouldnt happen!! cos next gov not gona follow this!! n we shouldnt trust india!!!!

MD MEHEDI HASSAN

MD MEHEDI HASSAN

২০১১.০৪.২৪ ০২:১৩
ভাই এক কাজ করা যায়না?ভারত,নেপাল আর ভুটান ৫০,০০০ কোটি টাকা দিবে আর পরের ২০ বছরে তা মাশুল থেকে কেটে নিবে।আর্থ-সামাজিক,রাজনৈতিক অবস্থা ২০ বছর পর কি হবে তার কোন ঠিক নেই আর আমরা ৫০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে বসে থাকব?আর নেপাল- ভুটানে মাল পৌঁছে দেয়ার জন্য ভারত কি আমাদের করিডোর দিবে?

Abdullah Al-Mamun. রংপুর।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর।

২০১১.০৪.২৪ ০২:২২
100% দেশীয় স্বার্থের বিষয়টি মাথায় রেখে চুক্তি বাস্তবায়ন করা।আর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলের কাছে এই চুক্তির গ্রহনযোগ্যতা না থাকলে কি ফলাফল দাড়াতে পারে সেটি ভাবনায় রাখতে হবে।

SR Taufiq

SR Taufiq

২০১১.০৪.২৪ ০২:৫১
কবে? ২০২১ সালে!!

সুমন - দোহা -  কাতার

সুমন - দোহা - কাতার

২০১১.০৪.২৪ ০৩:১৪
নেপাল ও ভুটানের অর্থনীতি ছোট । আমাদের ভাবতে হবে ভারত কে নিয়ে । কোন ভাবে ট্রানজিট দেওয়া উচিত হবে না । কারণ আমরা ইউরোপের মত দক্ষ না । তবে ট্রানশিপমেন্ট দিলে সবচেয়ে ভাল হবে ,আর তা আমাদের দেশীয় পরিবহন দিয়ে দিতে হবে । সবার আগে দেওয়ার চেয়ে পাওয়াটা বেশি হিসাব করতে হবে । একবার হাত থেকে ফসকে গেলে সবকিছু হিতে বিপরীত হবে । কারণ বন্ধু বড় বেঈমান !!!

M. Shawkat Ali

M. Shawkat Ali

২০১১.০৪.২৪ ০৬:৪৪
আন্তর্জাতিক বানিজ্য বা অন্যান্য আন্ত-আঞ্চলিক বা দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বানিজ্য বা দেশীয় স্বার্থ আদায়ে বাংলাদেশ কতটা দক্ষ তা ভারতের সাথে ট্যানজিট চুক্তির বিষয়টির মাধ্যমেই পরিদৃশ্যমান। এ যেন ঘোড়ার আগে গাড়ী জোড়ার মত অবস্থা। ট্যারিফ, শুল্ক, ফি, মাসুল বা টোল যাই হোক না কেন, এসবের কোন কিছু ঠিক করার আগেই ভারত তার প্রয়োজনীয় মালামাল এদেশের ভিতর দিয়ে বহন করে নিয়ে যাচ্ছে। এগুলো নিয়ে যাওয়া শেষ হলে ভারতের ভাষায় "যৌক্তিক" মাশুল প্রদানের বিষয়টি যে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঝুলে যাবেনা তার গ্যারান্টি কে দেবে? এ বিষয়টিও যে বেরুবাড়ী, দহগ্রাম বা আঙ্গরপোতার ভাগ্য বরন করবেনা তা কে জানে? তারপর নেপাল বা ভুটানের ট্যানজিট পাবার বিষয়টি একান্তভাবেই ভারতের ইচ্ছা-অনিচ্ছার উপর নির্ভর করবে। সেখানে বাংলাদেশের কোন বক্তব্য ধোপে টিকবেই এমন কথা বিশ্বাস করাটা একটু বেশী হয়ে যাবে না কি ?
২০১১.০৪.২৪ ০৮:১৯
If the transhipment are only by movable container then the cost would be less.The government may take partial project the fund should be raised from bond through IPO.Gradually the quality services will be render to Nepal,Bhutan.The first priority would be given to India as a largest end user.First develop Chttagong port,Kustia to Akhaura rail,Bhomra to Zaflong road as well hilli to Jaflong road facilities.I hope the think tank would not want to make it overnight,try to make it one by one within our capacity.

Md. Abdul Latife, Sabuz

Md. Abdul Latife, Sabuz

২০১১.০৪.২৪ ০৮:৪৫
it will be better to provide transhipment to India, Bhutan and Nepal by water transport through Bangladesh.

Shahparan (south korea)

Shahparan (south korea)

২০১১.০৪.২৪ ০৯:২০
shuman via, i also agree with you.

Ghum Bibek

Ghum Bibek

২০১১.০৪.২৪ ০৯:৩৬
জনাব shuman from Qatar, আপনার মতামত এই বিশ্বায়নের যুগে অচল। ইউরপের মত দক্ষ না হয়েও এই বিশ্বের অনেক দেশই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে ট্রানজিট চুক্তির মাধ্যমে পাস্পারিক স্বার্থ রক্ষা করছে। বন্ধু রাষ্ট্রের প্রতি সহ্যোগীতার হাত বাড়ালেইতো তারা আমাদের বন্ধু হবে। এই যুগের জন্য বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল । তবে আপনি যে ভুটানের প্রশ্নটি তুলেছেন সে ব্যাপারে আমিও একমত, কারন ভুটানের জনসংখ্যা মাত্র ৭ লাখ যা আমাদের দেড়খানা উপজেলাতেই আছে।

Asad

Asad

২০১১.০৪.২৪ ০৯:৫৪
ট্রানজিট ফি ছাড়া ট্রানজিট দিলে শেখ হাসিনার পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না।

mohammed yasin

mohammed yasin

২০১১.০৪.২৪ ১০:২০
But what is the benefit of Bangladesh???

mohammed yasin

mohammed yasin

২০১১.০৪.২৪ ১০:২৪
Any international Business is possible for out country?? Benefit will go pocket, loss will go govt.
২০১১.০৪.২৪ ১০:২৯
এটিকে আটকিয়ে না রেখে আপাদত চালু করা হোক। পরবর্তীতে সময়ের সাথে সাথে এটি আরো আধুনিক ও যুগোপযোগি হবে নিশ্চিত। আর আমাদের অফুরন্ত আয়ের একটি বিশাল সম্ভাবনা হবে।

FAYSAL RAHMAN

FAYSAL RAHMAN

২০১১.০৪.২৪ ১০:৩১
এই বিশ্বায়নের যুগে প্রতেক দেশরই প্রতিবেশী দেশগুলোর ট্রনজিট সুবিধা থাকা উচিত । আমাদের প্রতিবেশী ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলিএ যদি আমাদের দেশের ট্রানজিট সুবিধা পেতে চাই তাহলে দেওয়ার আগে আনেক ভেবে - চিন্তা করে দিতে হবে। কারণ যত বড়ই বন্ধু হোক না কেন সবাই আগে নিজের স্বার্থটাই দেখা উচিত । আমাদের সবচাইতে বড় বন্ধু আমাদের নদীর পানিও অনেক হিসাব করে দেই । যার প্রভাব আমাদের নদীগুলোর দিকে তাকালেই আমরা বুঝতে পারি। অতএব হিসাবটা অনেক হিসাব কষেই করা উচিত।

M.A.H. Tofail Mahmud

M.A.H. Tofail Mahmud

২০১১.০৪.২৪ ১০:৩৮
if required 50thousand crore taka, no problem. stop making new air port and invest money for transhipment or transit which is more effective.

Sharif Hasan

Sharif Hasan

২০১১.০৪.২৪ ১৪:০০
শুধু ভারত নির্ভর ট্রানসিট কেন, আমরা তো চীনকেও ট্রানসিট দিতে পারি. চীন তাদের রফতানি চিটাগং বন্দর দিয়ে সম্প্রসারণ করতে পারে. চীন এবং ভারত কে শর্ত দেওয়া যেতে পারে যে তারা আমাদের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করবে.
২০১১.০৪.২৪ ১৪:০৮
Really agree with Mr. Tofail Mahmud. We shold not only depend on gmts industry for foreign currency.

T Alahee

T Alahee

২০১১.০৪.২৪ ১৪:১১
বাংলাদেশ কি পাবে তা সমপর্কে নিশচিত না হয়েই অনেকদুর অগ্রুসর হয়ে গেছে। এখন চাইলেই এ থেকে আর পিছিয়ে আসা সমভব নয়। আমাদের বন্ধুরা কুটনীতিতে বেশ পাকা, কম দিয়ে বেশী আদায়ের কঊশল তাদের জানা আছে। এই ব্যপারে সরকারের ভুমিকা বেশ দুর্বল, তাদের দেখে মনে হচ্চে তারা কিছু না নিতে পারলেই খুশী, যে টুকু নিতে হচ্চে তা জনমত আর বিরোধী দলের ভয়ে।

Mojibur Rahman

Mojibur Rahman

২০১১.০৪.২৪ ১৪:২৩
ট্রানজিট ফি ছাড়া ট্রানজিট!!!!!!

mohammad

mohammad

২০১১.০৪.২৪ ১৪:৩৩
যিনি ট্রানজিট ফি চাইতে লজ্জা পান তাকে আমাদের বাংলা সিনেমার সেন্সর বোর্ডের সদস্য বানিয়ে দিন ভাল ফল আসবে ।

Md. Rahat Chowdhury Plabon

Md. Rahat Chowdhury Plabon

২০১১.০৪.২৪ ১৪:৩৪
আমাদের দেশের সরকার ব্যবস্থা কোনও ঠিক নাই আজ এই সরকার তো কাল ওই সরকার। ৫ বছর পর যখন অন্য সরকার আসবে আর ইন্ডিয়ার সাথে দেখা যাবে তার শত্রুতা তখন এত বিনিয়োগ কি কোনও কাজে আসবে?