সাদাসিধে কথা
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও বাংলাদেশ
যাঁরা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস, গ্রামীণ ব্যাংক, বাংলাদেশ সরকার এবং দেশের আইনকানুন নিয়ে নির্মোহ, বস্তুনিষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ আলোচনা পড়তে চান, তাঁদের এ লেখাটি পড়ার প্রয়োজন নেই। এটি সে রকম একটি লেখা নয়, এটি প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে অসম্ভব পছন্দ করে, সে রকম একজন মানুষের অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট একটি লেখা।
আমি প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে অসম্ভব পছন্দ করি এবং তার চেয়ে বেশি সম্মান করি। আমি জানি, এ দেশে আমার মতো এ রকম মানুষের কোনো অভাব নেই। মনে আছে, প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নোবেল পুরস্কার পাওয়ার খবরটি পেয়ে আমি আনন্দে কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষের মতো চেঁচামেচি করেছিলাম। ক্রিকেট বাংলাদেশ টিম যখন পাকিস্তান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের মতো টিমকে হারায়, তখন টেলিভিশনের সামনে লাফঝাঁপ দিয়ে আনন্দে চিৎকার করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু একটি খবর শুনে আনন্দে লাফঝাঁপ দিয়ে চিৎকার করার ঘটনা আমার জীবনে খুব বেশি ঘটেনি। আমার একজন পরিচিত মানুষ নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, সেটি আনন্দের কারণ ছিল না, আনন্দের কারণ ছিল এক ধাক্কায় বাংলাদেশের মর্যাদার জায়গাটি অনেক উঁচুতে উঠে যাওয়াটুকু। যাঁরা জীবনের একটা অংশ বিদেশের মাটিতে কাটিয়ে এসেছেন, শুধু তাঁরাই জানেন আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিটিকে বিদেশের মাটিতে কী নিষ্ঠুরভাবে তাচ্ছিল্য এবং অসম্মানের সঙ্গে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস একা সেটিকে কত বড় একটি মর্যাদার আসনে নিয়ে গেছেন।
কিছুদিন আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে বাংলাদেশের ওপর খুব চমৎকার একটা রিপোর্ট ছাপা হয়েছিল, সেখানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মানুষের মানসিকতার স্বরূপ বোঝানোর জন্য লেখা হয়েছিল, পাকিস্তানের জনগণের কাছে জাতীয় বীর হচ্ছেন দুর্বৃত্ত (ৎogue) নিউক্লিয়ার বিজ্ঞানী আবদুল কাদির খান, যিনি বেআইনিভাবে দেশে-বিদেশে নিউক্লিয়ার অস্ত্র চোরাচালানি করেন আর বাংলাদেশের জাতীয় বীর হচ্ছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস, যিনি ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে দরিদ্র নারীদের সাহায্য করেন।
সেই প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে এ দেশের সরকার খুব ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে হেনস্থা করতে শুরু করেছে। এটি নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এজেন্ডা ছিল এবং আগে হোক পরে হোক, এটি নিশ্চয়ই শুরু হতো। গত ডিসেম্বর মাসে নরওয়ের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান এই হেনস্থাকরণ-প্রক্রিয়া শুরু করার চমৎকার একটা সুযোগ করেছিল। নব্বইয়ের দশকে নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়া সেই বিষয়টির সূত্র ধরে প্রথমেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে এমন কঠোর ভাষায় কিছু বক্তব্য দিলেন, যেটি শুনে এই দেশের কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন প্রত্যেকটি মানুষ হতবাক হয়ে গেল। আমাদের সংস্কৃতিতে আমরা সম্মানী মানুষের, বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ সম্মানী মানুষের সম্মান রক্ষা করে কথা বলি, তাই প্রধানমন্ত্রীর সেই কথাগুলো এ দেশের অনেক মানুষকে অত্যন্ত ব্যথিত করেছিল। আমাদের অর্থমন্ত্রী প্রথমে যৌক্তিকভাবে কিছু কথা বললেন, কিন্তু নিশ্চয়ই তখন তাঁকে রূঢ় ভাষায় কথা বলার জন্য চাপ দেওয়া হলো এবং তখন তিনিও একই ভাষায় কথা বলতে শুরু করলেন। সাধারণভাবে বাঁশের চাইতে কঞ্চি বড় হয়ে থাকে, তাই সবচেয়ে কদর্যভাবে কথা বলতে শুরু করল ছাত্রলীগ। তাদের কথাগুলো লেখার মতো নয়, যত দূর মনে পড়ে, তারা নোবেল পুরস্কার কেড়ে নেওয়ার হুমকিও দিতে থাকে। মৌখিক খিস্তির পর আমরা রাষ্ট্রীয় হেনস্থার স্বরূপটি দেখতে পেলাম। বাংলাদেশের আনাচকানাচে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নামে মামলা হতে লাগল এবং আমরা দেখতে পেলাম, প্রফেসর ইউনূস সারা দেশে ছোটাছুটি করে সেই মামলার জামিন নেওয়ার চেষ্টা করছেন। যে মানুষটি সারা পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানী মানুষদের একজন, তাঁকে তাঁর দেশের সরকার এ রকমভাবে অসম্মান করতে পারে, সেটি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হতে চায় না। আজকের (বৃহস্পতিবার) খবরের কাগজে দেখেছি, সরকার তাঁকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অপসারণ করেছে। আমি নিশ্চিত, সরকারের পক্ষ থেকে নানা রকম আইনকানুন দেখানো হবে, কিন্তু পুরো বিষয়টি এমনভাবে ঘটে এসেছে যে, আমি বাজি ধরে বলতে পারি, এ দেশের সাধারণ মানুষ আর সেগুলো বিশ্বাস করবে না। তারা ধরেই নেবে, এটি হচ্ছে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্থা করার আরও একটি ধাপ, শত হাইকোর্ট দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে তাদের বিশ্বাস থেকে টলানো যাবে না।
এ খবরটি অবিশ্বাস্য দ্রুততায় এবং অবিশ্বাস্য গুরুত্বের সঙ্গে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে। বেশ কয়েক বছর আগে জেএমবি যখন সারা দেশে একসঙ্গে বোমা ফাটিয়েছিল, তখন দেশের খুব বড় একটা ক্ষতি হয়েছিল, পৃথিবীর অনেকেই ধরে নিয়েছিল, আমাদের দেশটি বুঝি জঙ্গিদের। অনেক দিন পর আবার দেশের খুব বড় একটা ক্ষতি হলো, সারা পৃথিবী ধরে নিল, এ দেশের সরকার হচ্ছে অকৃতজ্ঞ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ। যে মানুষটি এ দেশের মর্যাদা সারা পৃথিবীর সামনে উঁচু করেছেন, এ দেশের সরকার তার পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করছে তাঁকে অসম্মান করার জন্য!
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংক এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হয়। এর পক্ষে-বিপক্ষে অনেক মানুষ। আমাদের সবারই ইচ্ছে, এ বিষয় নিয়ে গবেষণা হোক, তথ্য-উপাত্ত দিয়ে যুক্তিপূর্ণ আলোচনা হোক এবং ভেতরের সত্যটুকু বের হোক। কতটুকু আশার ব্যাপার, কতটুকু স্বপ্ন, কতটুকু বাস্তব এবং কতটুকু অবাস্তব, সেই তথ্যগুলো আমাদের সামনে প্রকাশিত হোক, কিন্তু তার মানে কি এই বিষয়ের স্বপ্নদ্রষ্টাকে অসম্মান করা হবে? এবং এত স্থূলভাবে?
সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশ পৃথিবীর সামনে পরিচিত হতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। এই সরকার বিশ্বাস করুক আর না-ই করুক, এই দশকে পৃথিবীতে বাংলাদেশ পরিচিত হয় প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে দিয়ে। কাজেই যখন এ দেশে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে অসম্মান করা হয়, তখন যে বাংলাদেশকেই পৃথিবীর সামনে অসম্মান করা হয়, সেই সহজ কথাটি কি এই সরকারের ভেতর কেউ জানে না?
প্রকাশ্যে থুথু ফেলা অশোভন কাজ। যদি ফেলতেই হয়, তাহলে নিচের দিকে ফেলতে হয়। কখনোই ওপরের দিকে কাউকে লক্ষ্য করে থুথু ফেলতে হয় না। তাহলে অবধারিতভাবে সেই থুথু নিজের মুখের ওপর এসে পড়ে।
এই সরকার কি জানে, তারা মুখ ওপরের দিকে করে থুথু ফেলছে?
মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক। অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।







Raihanul Islam
২০১১.০৩.০৫ ০২:২৮অনিত্য
২০১১.০৩.০৫ ০২:৩৯
২০১১.০৩.০৫ ০২:৫৭Kazi Farid
২০১১.০৩.০৫ ০৩:১৪Rifat
২০১১.০৩.০৫ ০৩:১৭Rifat
২০১১.০৩.০৫ ০৩:২৪Habib Canada
২০১১.০৩.০৫ ০৩:২৯jahangir
২০১১.০৩.০৫ ০৩:৫১Munna
২০১১.০৩.০৫ ০৩:৫৮
২০১১.০৩.০৫ ০৩:৫৯Monir
২০১১.০৩.০৫ ০৪:৩৮আতিকুর রহমান
২০১১.০৩.০৫ ০৫:০৪Babu
২০১১.০৩.০৫ ০৫:১৪aziz ahmed
২০১১.০৩.০৫ ০৬:৩০bablu
২০১১.০৩.০৫ ০৬:৪২Sayed Mohammed Zakir Hossain
২০১১.০৩.০৫ ০৬:৫১Tabaruk Ullah
২০১১.০৩.০৫ ০৮:১০Raihan
২০১১.০৩.০৫ ০৮:৩২msnrajon
২০১১.০৩.০৫ ০৮:৫৭
২০১১.০৩.০৫ ০৮:৫৮A.M.Rian
২০১১.০৩.০৫ ০৯:১৮
২০১১.০৩.০৫ ০৯:৪৪Md. Eunus Khan
২০১১.০৩.০৫ ০৯:৪৫hasan
২০১১.০৩.০৫ ০৯:৪৬Mithun Chandra Das
২০১১.০৩.০৫ ০৯:৫১Sarmin Aktar
২০১১.০৩.০৫ ০৯:৫৩Rezaul Karim Reza
২০১১.০৩.০৫ ০৯:৫৪Omar Hasan Al Zahid
২০১১.০৩.০৫ ০৯:৫৫Adom ali
২০১১.০৩.০৫ ০৯:৫৬Sardar Younus
২০১১.০৩.০৫ ১০:১১Md. Solaiman Ali
২০১১.০৩.০৫ ১০:২০Mohammad Morsed Alam
২০১১.০৩.০৫ ১০:২২মো: হাফিজুর রহমান
২০১১.০৩.০৫ ১০:২৩Ruhul
২০১১.০৩.০৫ ১০:৩২Sumon
২০১১.০৩.০৫ ১০:৪২ashequr rahman
২০১১.০৩.০৫ ১০:৪৩Sumon
২০১১.০৩.০৫ ১০:৪৬Sumon
২০১১.০৩.০৫ ১০:৪৭Sumon
২০১১.০৩.০৫ ১০:৫৫Abul Kalam
২০১১.০৩.০৫ ১০:৫৫Md. Asif Sultan Razu
২০১১.০৩.০৫ ১১:১২স্যার বলেছেন ""যিনি ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে দরিদ্র নারীদের সাহায্য করেন"। আমি বলি বাস্তবে কতজন নারী ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে দারিদ বিমোচন করেছেন?? তারচেয়ে অনেক বেশি নারী "ক্ষুদ্রঋন" শোধ করতে গিয়ে ঘরের টিন, গবাদি পশু বিক্রি করেছেন।
Kousik Zaman
২০১১.০৩.০৫ ১১:৩৪Ariful
২০১১.০৩.০৫ ১১:৩৫Md. Omor Faruk
২০১১.০৩.০৫ ১১:৫৫Ruhshan Ahmed
২০১১.০৩.০৫ ১১:৫৬শূন্য
২০১১.০৩.০৫ ১২:১১Farid Uddin Ahmed
২০১১.০৩.০৫ ১২:২৪Zubayer Alam
২০১১.০৩.০৫ ১২:৩৫Pankaj Kanti Dash
২০১১.০৩.০৫ ১২:৩৫Rashida Alam
২০১১.০৩.০৫ ১৩:০১Mukaddim Sarwar
২০১১.০৩.০৫ ১৩:০৯R. Hasan
২০১১.০৩.০৫ ১৩:২৪Socheton
২০১১.০৩.০৫ ১৩:৩৯Kutub Uddin
২০১১.০৩.০৫ ১৩:৪৪Ahsan
২০১১.০৩.০৫ ১৩:৪৭Sayem Chowdhury
২০১১.০৩.০৫ ১৩:৫৮মাজহার
২০১১.০৩.০৫ ১৫:২৩দেশে পরিবর্তন আসবে; যোগ্যরা সম্মান পাবেন।
সর্বোপরি দেশের জনগনের আগে শুভ-বুদ্ধি আসা দরকার। কোন দেশের সাধারন জনগন যখন ভাল-মন্দের পার্থক্য করতে ভূল করে, তখন আল্লাহ তায়ালা তাদের উপর অত্যাচারী বাদশাহ নিযুক্ত করে দেন, যিনি সম্মানিত ব্যক্তিদের যথাযথ সম্মান দেবেন না, গরীব-দূখীদের স্নেহ করবেন না।
আমাদের মধ্যে দক্ষ, যোগ্য আর দেশপ্রেমিক ব্যক্তির অভাব নাই, শুধু অভাব একজন ব্যক্তির যিনি এদের সবার মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন। পরিবর্তন আসবেই, আসবে। সম্মানিতরা সম্মান পবেই পাবে।
নয়তো আবার বিএনপি !!!!!!!!!!! তারেক আর কোকোর সাথে লালু, ফালু, কালু, পিন্টু, মিন্টু, সেন্টু, ঘেন্টু !!!!!!!!!!
প্রস্তুত থাকেন নতুন কোন অপমানের।
Md. Asif Sultan Razu
২০১১.০৩.০৫ ১৫:২৪# নব্বই এর দশকের "ঝামেলা"টা ইউনুস সাহেব মিটিয়েছেলেন মিমাংশার মাধ্যমে। আইন গত ভাবে নয়।
# নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন এটা জাতীর জন্য একটি গৌরবের বিষয়। কিন্তু কি কারনে তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন সে বিষয়ে আমার এবং অনেকেরই সন্দেহ আছে। আমার মনেহয় আপনি যদি গ্রমীনফোন এর মত একটা কোম্পানীর মাধ্যমে কোনো দেশকে কাড়ি কাড়ি অর্থ দেন তবে অবশ্যই তারা আপনাকে পুরস্কৃত করবে। দেশটা যেহেতু নরওয়ে তাই পুরষ্কার টা হল নোবেল।
Shahinur Islam
২০১১.০৩.০৫ ১৫:২৯Tawhid
২০১১.০৩.০৫ ১৫:৩২Md. Asif Sultan Razu
২০১১.০৩.০৫ ১৫:৪০আপনারা ডঃ ইউনুস সাহেবের পক্ষে আর আমি তার বিপক্ষে এই জন্য? উত্তর গুলো জানতে চাই। আমিতো কোনো খারাপ/আশালীন কথা বলিনি। কেন এই কাজ করছেন?
শূন্য
২০১১.০৩.০৫ ১৫:৪৫Salim Parvez
২০১১.০৩.০৫ ১৫:৫৮Engr. Abdul Barek
২০১১.০৩.০৫ ১৬:০০Our 150 millions people believe and honor Dr. Mohd. Yunus.
Rabbi
২০১১.০৩.০৫ ১৬:০১Imran Chowdhury
২০১১.০৩.০৫ ১৬:০৫md. jakir hosain
২০১১.০৩.০৫ ১৬:০৯ডঃ ইউনুস অবশ্যই দেশের সুনাম একলাফে অনেক অনেক উচুতে নিয়ে গিয়েছেন। বিশেষ করে যারা প্রবাসি আছেন তারা ভালো বলতে পারবেন বেশি - কতটুকু উচু এই সন্মান আসলেই একটি দেশ এবং জাতির জন্য।
কিন্তু ইউনুস সাহেবেরও তো সব কিছু বুঝে এই বয়সে এসে গ্রামীন থেকে সরে দাড়াতে পারতেন। যেহেতু উনি নিজেও জানেন উনাকে পছন্দ করার লোকজন যেমন আছে। ঠিক তেমনি উনাকে অপছন্দ করার লোকজনও কম নেই।
তবে তাকে নিয়ে জায়গায় জায়গায় মামলা আর বয়ান শুনতে সরকারি দলের কাছ থেকে। তা দেখে খুব দৃষ্টি কটু মনে হচ্ছে। আশা করি সবকিছু ঠিক হয়ে যাক। আমজনতার আশা ছাড়া আর কিইবা করার আছে। আমরাও তো বলতে চাই।
Md Amzad Hossain
২০১১.০৩.০৫ ১৬:১৪Obaidur Rahman
২০১১.০৩.০৫ ১৬:১৬Obaidur Rahman
২০১১.০৩.০৫ ১৬:১৯Md. Rony Sarker
২০১১.০৩.০৫ ১৬:৪৩Rina Akter
২০১১.০৩.০৫ ১৭:১২sadaf
২০১১.০৩.০৫ ১৭:৩৬Md Zohir Raihan
২০১১.০৩.০৫ ১৭:৪৩hussain
২০১১.০৩.০৫ ১৭:৪৬zakir hossain
২০১১.০৩.০৫ ১৭:৫৩Rakib
২০১১.০৩.০৫ ১৮:০৭প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস
আমাদের গরব , আমাদের ভবিষ্যতের পথ দেখান লোক,
তাকে অপমান করে আমাদের পুরো জাতিকে অপমান করলো সরকার।
আমরা এর নিনদা জানাছি .
.
হায় অভাগা েদশ, তার েচেয় েবিশ অভাগা এেদেশর মানুষ যােদর েনতারা হেচ্ছন অকৃহজ্ঞ ো প্রিতিহংসাপ্ররায়ণ।
Age of our current prime minister and the chairman of AW(not made by herself) is also exceeds 60 which is now 63+ from
http://en.wikipedia.org/wiki/Sheikh_Hasina
And as far as I can remember it was discussed during care taker govt.
Kabir
২০১১.০৩.০৫ ১৮:৪৯Arnab Biswas
২০১১.০৩.০৫ ১৮:৫৪সনৎ
২০১১.০৩.০৫ ১৯:০৫atiqur
২০১১.০৩.০৫ ১৯:১৯Quazi Hafiz
২০১১.০৩.০৫ ২০:১৯The Banlgadesh politcians are corrupted, Revenge, Arrogant and ill-educate. It lies to all people of Bangladesh becasue we elected them.
Robert Gonsalves
২০১১.০৩.০৫ ২০:৩৫Mohammad Zakaria
২০১১.০৩.০৫ ২০:৪৬এছলাম সরকার
২০১১.০৩.০৫ ২১:০৪Md. Ikram Iqbal
২০১১.০৩.০৫ ২২:০৮RCH
২০১১.০৩.০৫ ২২:৩৩It is our nature to criticize without all the facts. There will be failures for many reasons but the greater good and hope that Dr Yunus brought for the poor of poor is unquestionable ---Why can’t we help one person during our lifetime to come out of the poverty and give them education and hope? Then we don’t need Dr. Yunus or Grameen Bank to do our work where our political leaders utterly failed. Our political leaders actually brought themselves out of poverty level with multi-million dollar deals for them and for their family members living in Bangladesh or abroad.
Z.Rahman
২০১১.০৩.০৫ ২২:৩৯dilip kumar de
২০১১.০৩.০৫ ২২:৫৫মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন (মিঠু)
২০১১.০৩.০৫ ২৩:১২mohammad
২০১১.০৩.০৫ ২৩:১৪rajib
২০১১.০৩.০৬ ০০:০২আমার শুধু জানতে ইচ্ছা করে দেশের সরকার এ কি এমন একজন ও নাই যে নভেল এর মর্যাদা বুঝে!!!!!!!
যারা নভেল এর সম্মান টাই বুঝে না ওদের কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করা ও যায় না।।
Md.Azam Khan
২০১১.০৩.০৬ ০০:০৫Umar Abdullah
২০১১.০৩.০৬ ০০:০৬Mahbub A. Chunnu
২০১১.০৩.০৬ ০০:১২আপনি দেশের সিংভাগ মানুষের মনের কথা লিখে দিয়েছেন।
kamal
২০১১.০৩.০৬ ০০:১৯Jamil Ahmed
২০১১.০৩.০৬ ০০:৩৯Musabbir
২০১১.০৩.০৬ ১১:৪৫muhammad jasim uddin
২০১১.০৩.০৬ ১২:৫২Telapoka Buddhigibi
২০১১.০৩.০৬ ১৩:৩৪অবি
২০১১.০৩.০৬ ১৬:০৩imran
২০১১.০৩.০৬ ২০:৪৮মাঝে মাঝে মনে হয় কেন যে এই দেশে জন্ম না হয়ে অন্য কোন দেশে হলো না!
ছোট্ট একটা দেশ হলে ই চলতো; যেখানে সবাই আত্মসম্মান নিয়ে বুক ঊচু করে কথা বলতে পারতো! বিদেশে থেকে এই আত্মসম্মান টূকূর বড় ই অভাব বোধ করছি!
Salman M. Wahed
২০১১.০৩.০৭ ১৫:০৫Mohammed Elius Chowdhury
২০১১.০৩.০৭ ১৬:৪১------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
এই সত্যটাকে মেনে নেওয়ার ক্ষমতা কখনোই এই সরকারের হবে না......কারন তাদের মাথা থেকে বাংলাদেশ সৃষ্টির পিছনে এবং সামনে শুধু একজনের অবদানই গ্রহনযোগ্য এখানে অন্য কাউকে ভাগিদার করা যাবে না। একবিংশ শতকের এ যুগে এসে এ ধরনের মানষিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে নয়ত কখনোই দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া যাবে না।
Md.Humaun Kabir
২০১১.০৩.০৮ ১৬:৫৪আপনি'ও প্রস্তুত থাকবেন, অপ্রিয় সত্য কথা বলার জন্য হয়ত এর পর আপনি'ই তাদের টার্গেট হয়ে যাবেন।