শিরোনাম:

কর্নেল তাহেরের গোপন বিচার আদালতে মার্কিন সাংবাদিক লিফশুলজের বক্তব্য এটা শুধু বিচার বিভ্রাট নয়, রাষ্ট্র কর্তৃক সংঘটিত একটি অপরাধ

তাহেরকে ফাঁসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৪-০২-২০১১

  • ৫৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

মেজর জেনারেল মঞ্জুর পুরোপুরি নিশ্চিতভাবে জানতেন, কথিত বিচার শুরু হওয়ার আগেই জিয়া তাহেরকে ফাঁসি দেওয়ার ব্যাপারে ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ওই সময় জিয়ার ঘনিষ্ঠ ছিলেন এমন দুজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাও এ বিষয়ে তাঁকে নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলজ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ই-মেইলে পাঠানো লিফশুলজের বক্তব্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান।
এর আগে ২০ জানুয়ারি হাইকোর্ট লে. কর্নেল এম এ তাহেরের গোপন বিচার সম্পর্কে বক্তব্য দিতে মার্কিন সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলজকে অনুরোধ জানান। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও পররাষ্ট্রসচিবকে যোগাযোগ করতে বলা হয়। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় লরেন্স লিফশুলজ ই-মেইলে রাষ্ট্রপক্ষের বরাবরে তাঁর বক্তব্য পাঠান। ১৯৭৬ সালে তাহেরসহ অন্যদের গোপন বিচার চলাকালে মার্কিন এই সাংবাদিককে বাংলাদেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
পাঁচ পৃষ্ঠার বক্তব্যে লিফশুলজ বলেছেন, ‘নির্মোহভাবে আমি বিশ্বাস করি, বিচার শুরুর আগেই এ রায় নির্ধারিত হয়েছিল। যে তথাকথিত রায়ে তাহেরকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, সে রায়কে বাতিল করার এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট তথ্য-উপাত্ত তখনই ছিল। তাহেরের ফাঁসিকে শুধু “বিচার বিভ্রাট” বললেই যথেষ্ট হয় না, এটিকে “রাষ্ট্র কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ” হিসেবেও আখ্যায়িত করা উচিত।’
প্রত্যক্ষদর্শী লিফশুলজ: হলফনামার শুরুতেই লরেন্স লিফশুলজ নিজের পরিচয় ও বাসস্থানের কথা উল্লেখ করেন। তৃতীয় অনুচ্ছেদে তিনি বলেছেন, ‘৩০ বছরের বেশি সময় ধরে আমি এই অনুরোধটি পাওয়ার প্রত্যাশা করেছি। ঢাকায় আদালতকক্ষে বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের সামনে দাঁড়ানোর সুযোগকে আমি জীবনের অন্যতম সম্মানজনক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করি। আমার মতে, ঢাকায় ১৯৭৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে একটি দুঃখজনক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। ওই ঘটনার হাতে গোনা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীর একজন ছিলাম আমি।’
তাহেরের বেঁচে থাকা নিয়ে আশঙ্কা: লিফশুলজ তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণের কথা আমি আদালতের সামনে উপস্থাপনের প্রত্যাশা করছি।...১৯৭৬ সালের জুনের শুরুতে যখন আমি ঢাকায় পৌঁছাই, আমি জেনারেল মোহাম্মদ মঞ্জুরের সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওই সময় মঞ্জুর ছিলেন চিফ অব জেনারেল স্টাফ।...তাঁর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ এবং কীভাবে তাঁরা সেনাবাহিনীর জুনিয়র অফিসার হিসেবে পাকিস্তান থেকে পালিয়েছিলেন, তা নিয়ে আলাপ হয়।...দ্রুত আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর মনে অনেক কিছু জমা আছে।...তিনি চাচ্ছিলেন, সেনানিবাসে তাঁর সদর দপ্তরে রাতে তাঁর সঙ্গে আমি দেখা করি।...ওই রাতে জেনারেল মঞ্জুর তাহেরের বিষয়েই আমার সঙ্গে আলাপ করেন। ওই সময় তাহেরের কারাবন্দিত্বের মেয়াদ ছয় মাস পার হয়েছিল। মঞ্জুর বলেছিলেন, বন্দিদশার বেশির ভাগ সময় তাহেরকে একা রাখা হয়েছিল।...তাঁর আশঙ্কা ছিল তাহেরকে বিচারের মুখোমুখি করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন জিয়া। মঞ্জুর এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া অন্য সামরিক কর্মকর্তারা জিয়াকে এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু জুনের শুরুতে মঞ্জুর অনিশ্চিত হয়ে পড়েন, তিনি এই বিচার-প্রক্রিয়াটি থামাতে পারবেন কি না। সেনাবাহিনীতে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেছিলেন। তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমার ঢাকায় থাকা উচিত।’
সাক্ষাৎকারের অনুমতি দেননি জিয়া: এরপর লিফশুলজ বলেছেন, ওই মাসে জেনারেল মঞ্জুরের সঙ্গে আমার আর দেখা হয়নি। ঢাকায় উত্তেজনা বেড়ে চলছিল। আমি জেনারেল জিয়ার সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা করি। তাঁর সহকারীরা আমাকে প্রশ্নের একটি তালিকা দিতে বলেন।...সেখানে ৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থান এবং আবু তাহেরের গ্রেপ্তারের বিষয়েও প্রশ্ন ছিল। জিয়ার কাছে আমি প্রশ্ন রেখেছিলাম নিশ্চিত হওয়ার জন্য যে, তাহের এবং তাঁর নেতৃত্বে থাকা বাহিনী জিয়ার জীবন বাঁচিয়েছিল। যদি এটা সত্যি হয়, তাহলে কেন তিনি তাহেরকে আটক করেছেন এবং যারা আসলে তাঁকে (জিয়া) আটকের জন্য দায়ী, তাদের মুক্তি দিয়েছেন। কিন্তু আমাকে সাক্ষাৎকার গ্রহণের অনুমতি দেননি জিয়া।
ওই বিচার সম্পর্কে: লিফশুলজ বলেছেন, ওই ট্রাইব্যুনালে যাঁদের বিচার হয়েছিল তাঁদের পর্যাপ্ত আইনি সহায়তা দেওয়া হয়নি এবং আইনজীবী নিয়োগ করতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকারও লঙ্ঘিত হয়েছে। অত্যন্ত গোপনে এমন এক আদালতে এই বিচার হয়েছিল, যার কোনো আইনগত ভিত্তিই ছিল না। এই অবিচারের বিরুদ্ধে যাতে গণরোষ ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য গণমাধ্যমকে শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং বিদেশি সাংবাদিকদের তাঁদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান প্রথম আলোকে বলেন, লরেন্স লিফশুলজ ই-মেইলে তাঁর বক্তব্য পাঠিয়েছেন এবং আদালতে তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়েছেন। তা আদালতে তুলে ধরেছি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসে হলফনামা করে ওই বক্তব্য জমা দেওয়া হয়েছে। তা আসার অপেক্ষায় রয়েছে। মেজর জেনারেল (অব.) নূরুল ইসলাম শিশুর বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁকে আসার জন্য ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার তাহেরসহ ১৭ জনকে বিশেষ সামরিক ট্রাইব্যুনালের গোপন বিচারে ১৯৭৬ সালের ১৭ জুলাই সাজা দেওয়া হয়। এরপর ২১ জুলাই ভোররাতে কর্নেল তাহেরের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। কর্নেল তাহেরের গোপন বিচারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কর্নেল তাহেরের ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন, তাহেরের স্ত্রী লুৎফা তাহের এবং সামরিক আদালতের বিচারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ খানের স্ত্রী ফাতেমা ইউসুফ গত ২৩ আগস্ট হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাহেরের বিচারের জন্য সামরিক আইনের মাধ্যমে জারি করা আদেশ এবং এর আওতায় গোপন বিচার ও ফাঁসি কার্যকর করাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানাতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া ওই সময় গোপন বিচারের মুখোমুখি অপর পাঁচ ব্যক্তি হাইকোর্টে রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রুল জারি করেন। তাঁরা হলেন জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সহসভাপতি রবিউল আলম, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জিয়াউদ্দিন, হাবিলদার আব্দুল হাই মজুমদার, করপোরাল শামসুল হক ও আব্দুল মজিদ। এখন রিটের ওপর চূড়ান্ত শুনানি চলছে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Anwar Sadat

Anwar Sadat

২০১১.০২.০৪ ০৩:২৪
History has started taking it's own course.
২০১১.০২.০৪ ০৬:৩২
আমার মনে হয় এ বিচার কাজটি অনেক আগেই শুরু করা উচিত ছিল। এর আদেশ হতে যেন আর দেরি না হয়।

mridulchowdhury

mridulchowdhury

২০১১.০২.০৪ ০৬:৪৭
ZIA was a great ... who destroyed the full structure of the country. He should be punished

২০১১.০২.০৪ ০৭:৩৭
জিয়াউর রহমান যে এরকম করতে পারেন, তাতে আর আশ্চর্য কি? আর ফল দেখলেই যখন বেশীরভাগ ক্ষেত্রে বৃক্ষকে চেনা যায়!

Abul Kalam

Abul Kalam

২০১১.০২.০৪ ০৭:৫৪
তাহেরের বিচার এবং এই নিয়ে জিয়ার চরিত্র্রহনন- এইবিষয়ে সরকার, আদালত, কিছু চিন্হিত বুদ্ধিজীবি, প্র্রথম আলো খুব মনোযোগ দিয়েছে। কিন্তু কারো কাছ থেকে এটা জানতে পারলাম না যে ঐ বিচারে তাহেরের বিরুদ্ধে কি অভিযোগ ছিল??

Mohammad Solaiman

Mohammad Solaiman

২০১১.০২.০৪ ০৯:০৩
ইতিহাস থেকে মীর জাফরের নাম তুলে দিয়ে সেখানে জিয়ার নাম প্রতিস্থাপন করতে হবে।

Imrul Haider Piyash

Imrul Haider Piyash

২০১১.০২.০৪ ০৯:৪৫
I would like to request Prothom-alo to take an interview of Khaleda Zia regarding this serious issue along with taking interview of others millitary officers during Zia's regime. This is very important for correct imformation why it was occured.....

Md. Mizanur Raman

Md. Mizanur Raman

২০১১.০২.০৪ ১০:২০
This is not good for future generation.

Nipo Sarker

Nipo Sarker

২০১১.০২.০৪ ১০:২৪
The man who set country 100 years back by endorsing the killing of all our national assets. His family is still leading a top political team, wow!

Syed Zahid Hussain

Syed Zahid Hussain

২০১১.০২.০৪ ১০:২৮
Now every body try to characterless of Shaeed Zia.My question is while Col.Taher retire in the year 1972 and he again return in the year 1975 after the death of Sk.Mujibur Rahman as a member of GONO Bhahani with Mr.Hasanul Haque enu, they are then a person of civilian.Then why they enter in Dhaka Cantonment and try to make a revaluation of Bangladesh Army.

২০১১.০২.০৪ ১০:৩২
History never forgive nobody. Let the truth come forward and punish the real culprits behind scene.

A.W.Haq

A.W.Haq

২০১১.০২.০৪ ১০:৪১
Prothom Alo please just don't be bias anymore .

Maruf

Maruf

২০১১.০২.০৪ ১০:৫২
এত কষ্টসাধ্য স্বাধীনতা এমন কিছু ব্যক্তি কলুষতায় দূষিত।

Md. Tazemul Haque

Md. Tazemul Haque

২০১১.০২.০৪ ১১:০৩
পথ-হারা’র সাথে আমি সম্পূর্ণ এক মত। কর্ণেল তাহেরের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল তা খুটিয়ে খুটিয়ে পড়েও জানতে পারলাম না।

amanullah aman

amanullah aman

২০১১.০২.০৪ ১১:০৪
its a better time to make us free from the blame of the history.

B C Gomes

B C Gomes

২০১১.০২.০৪ ১১:০৮
I would like to know clearly too, why Zia was afraid to keep Cl.Taher, alive.What was the reason to have death penalty? Please publish the true history as we are in dark about this.

khairul islam

khairul islam

২০১১.০২.০৪ ১১:২৮
এইতো ইতিহাস ! কিন্তু এরপর কী ?
২০১১.০২.০৪ ১১:৪৩
Path-hara ও Md. Tazemul Haque আর কি যে জানতে চান আপনারা , বুঝলাম না ! ! !
প্রথম আলোর পাঠকদের সাথে এই লিঙ্ক টা শেয়ার করলাম :
http://www.col-taher.com/english/default.asp

Mohammed Manirul Islam Khan

Mohammed Manirul Islam Khan

২০১১.০২.০৪ ১১:৪৫
পরিচয় গোপনকারী "পথ -হারাকে" বলছি, আসলেই আপনি পথ হারিয়েছেন। তা না হলে খুনী খমতলোভী জিয়া তাহেরকে কেন হত্যা করেছিলেন তা তা ইতিহাসের পথে লিখা আছে। কষট করে জেনে নিবেন। আযথা বলবেন না জিয়ার চরিত্র্রহনন করা হয়েছে। অযথা - এইবিষয়ে সরকার, আদালত, বুদ্ধিজীবি ও প্র্রথম আলো দোষ খুজবেননা।
২০১১.০২.০৪ ১১:৪৮
জিয়ার চরিত্র্রহননের উদ্দেশ্যে কর্ণেল তাহেরের নাম ব্যবহার দেখে যারা লাফাচ্ছে, তাদের অনেকেই জানে না যে কর্ণেল তাহের একজন ঘোর-আওয়ামীবিরোধী লোক ছিলেন।

saidur

saidur

২০১১.০২.০৪ ১১:৪৮
Make a symbolic court and hang zia again for doing historic stupidity.

কানা-বাবা

কানা-বাবা

২০১১.০২.০৪ ১২:২৪
পথহারা ও তোজামমেল সাহেব, ইতিহাসের বই পড়ুন তাহলে তাহেরের ঘটনা ও আভিযোগ কি ছিল তা জানতে পারবেন। সরকার, আদালত, বুদ্ধিজীবি ও প্র্রথম আলো জিয়ার চরিত্র্রহনন করছে না, যা সত্য তাই বলছে। আপনাদের সুবিধার জন্য একটি বই এর নামও দিলাম: Lifschultz, Lawrence. Bangladesh: The Unfinished Revolution. London: Zed Books, 1979.
বইটির বাংলা আনুবাদও আছে,ইংরেজি ভাল না লাগলে সেটা পড়ে দেখতে পারেন। আগে পড়ুন, জানুন, তারপরে পাবলিক ডোমেইনে কথা বলুন, সেটাই কি বিবেচকের মত কাজ হবে না?

মনিরুজ্জামান

মনিরুজ্জামান

২০১১.০২.০৪ ১৩:১৭
We would like to request Prothom Alo to 'dig' the matter to bottom, Take interview of those involved and revel the truth, including the charge against Colonel Taher and let the people know the truth, It appears to me that General Zia was a cold headed 'Killer'. After reading the statement Mr. Lifsulz now I could find the answer why General Monjur Killed Zia.

Shuvro Rahman

Shuvro Rahman

২০১১.০২.০৪ ১৩:২৬
Major Zia was the main culprit of this murder. Many of the new generation do not know about it. So I would rather request you all to go through the real story of what happened after the killing of Bongobodu in 1975.

Khairul Basher

Khairul Basher

২০১১.০২.০৪ ১৩:৩৮
Can we trust a statement sent by email ?

Brata Roy

Brata Roy

২০১১.০২.০৪ ১৪:০১
পথ-হারাঃ পথ সত্যিই হারাইয়াছে তোমার!

Abul Kalam

Abul Kalam

২০১১.০২.০৪ ১৪:১৯
নাম না জানানো লোক এবং শাহরীয়ার সাহেব,আপনাদের Link এর জন্য ধন্যবাদ। ইতিহাসের বই বা website লেখক তার দৃষ্টিকোণ থেকে লেখেন। ভুল বুজবেন না; আমি কর্ণেল তাহের সমপর্কে প্র্রশ্ন তুলছি না।আমার আপত্তি হলো কোন কিছু প্র্রমাণ হবার আগেই কারো বিরুদ্ধে বিষোদগার।

২০১১.০২.০৪ ১৪:৩১
জনাব রাজীব শাহরীয়ার লিফ্শুল্জের বইটি পরেছি, কিন্তু আমার মনে হয় মতিউর রহমান রেন্টুর লেখা "আমার ফাসি চাই" বইটি আরো বেশি তথ্যবহুল। ঐটা পরে দেখবেন।

ds

ds

২০১১.০২.০৪ ১৪:৪৭
রাজীব শাহরিয়ারের সাথে আমি সম্পূর্ন একমত।

২০১১.০২.০৪ ১৪:৫৬
নবগঠিত রাষ্ট্রের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণপন চেষ্টা করেছিলেন সিরাজ শিকদার এবং কর্নেল আবু তাহের। দুজনকেই প্রাণ হারাতে হয় তত্কালীন শাসকবৃন্দের বিরাগভাজন হবার কারণে। দুক্ষজনক হলেও সত্য, তাহেরের হত্যাকান্ড নিয়ে বিচার, সভা এবং প্রগতিশীল পত্র পত্রিকায় পাতার পর পাতা জুড়ে এক শ্রেনীর বুদ্ধিজীবিদের মন্তব্য ক্রমাগতভাবে ছাপা হলেও, সিরাজ শিকদার হত্যাকান্ডের ব্যাপারে ওই একই শ্রেণী নির্লজ্জভাবে নিশ্চুপ। সুবিধাভোগী প্রগতিবাদীদের ভন্ডামি পরিহার করার জন্য প্রথম আলোকে করজোরে অনুরোধ করছি।

Bijoy

Bijoy

২০১১.০২.০৪ ১৫:০৩
I also support this, But I have a request to prothom-alo, Please write/publish something for "ZAHIR RAIHAN" and "SIRAJ SIKDER".

Mustafa

Mustafa

২০১১.০২.০৪ ১৫:০৫
mr. khairul bhashar, if you don't trust statement sent by email, no problem. it's about the faith who sent that email from thousand mile far from bd & this is a serious case not a game.

Imrul Haider Piyash

Imrul Haider Piyash

২০১১.০২.০৪ ১৫:৩০
I think beside Col. Taher's death investigation, I would earnestly request Prothom-alo to dig out the killing of Brigadier General Khaled Mosharraf. Because we want justice for all of them equally. All must know why he was killed by...

saifuddin

saifuddin

২০১১.০২.০৪ ১৫:৫৫
Both the killers died in their respective ways. No sorrow, no lamentation.This was their due.

ইমরান হোসেন

ইমরান হোসেন

২০১১.০২.০৪ ১৬:৩৭
Very Bad.
২০১১.০২.০৪ ১৬:৫১
বরতমান ফাঁসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত কে নিছছেন আটা ও ইতিহাসে একদিন বের হয়ে আসবে .....................।

md. jakir hosain

md. jakir hosain

২০১১.০২.০৪ ১৭:০৪
ধন্যবাদ সাংবাদিক লিফশুলজ। আপনি হলেন দৃষ্টান্ত আসলেই। স্যালুট অবশ্যই আপনার সময়পোযোগি এবং সাহসি পদক্ষেপের জন্য।

আফসোস একজন কর্নেল তাহেরের পক্ষে বলার জন্য আমরাই এখনও সাহসী না।

samalochok

samalochok

২০১১.০২.০৪ ১৭:৩৮
উপরে পথ হারা ও টুথপেস্ট নামে দুজন লিখেছেন, তারা তাহেরের বিরুদ্ধে কি অভিযোগ ছিল তা জানেন না- আমি নিশ্চিত যে, তারা একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থক, যে দলটির সমর্থন মানুষ না জেনে বুঝেই করে। প্রথম আলোর নীতিমালার সাথে যায়না বলে দলের নামটি বললাম না। তাহেরের বিরুদ্ধে কি অভিযোগ ছিল তা জানেন না- আফসোস।

Asad

Asad

২০১১.০২.০৪ ১৭:৪২
ছাই দিয়ে সত্যকে চাপা দিয়ে রাথা যায় না। অতীতের সব সত্য যেমন জনগণের কাছে স্পষ্ট; বর্তমান সরকারের সকল অপকর্মের নেপথ্য সত্যগুলোও জনগণের কাছে ক্রমান্বয়ে স্বচ্ছ হয়ে ওঠছে।
২০১১.০২.০৪ ১৭:৪৮
Let's wait for the court verdict before commenting about Gen. Zia.

Md. Tazemul Haque

Md. Tazemul Haque

২০১১.০২.০৪ ১৭:৫০
I want to know the untrue claim against Taher raised by Zia, not the name of books or website.
২০১১.০২.০৪ ১৭:৫৩
Whatever way the court verdict is , Khaleda must make a statement as the wife of Gen Zia and the chairperson of BNP founded by Gen Zia.

Masud

Masud

২০১১.০২.০৪ ১৮:১১
আসলে আমরা অনেকে জিয়াউর রাহমান সাহেব কে শহীদ বলি এইটা আমাদের ধর্ম ও সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃত নয় ।। আর মার্কিন সাংবাদিক লিফশুলজের বক্তব্য মতে প্রমানিত হয় তিনি তাহের এর মতো দেশপ্রেমিক একজন মানুষ কে হত্যা করেছেন।। ছি ছি ছি লজ্জাতে মরা উচিত আমদের

Qamar Uddin

Qamar Uddin

২০১১.০২.০৪ ১৯:২০
history and present proves that some army general still decide the fate of this country. this country is going to be next pakistan...ashamed of being a citizen of this country

Qamar Uddin

Qamar Uddin

২০১১.০২.০৪ ১৯:২৮
stop cantonment politics and this country on its way to prosperity. these coward army officers are the main culprits for the downfall of this country. zia initiated to power them and ershad executed it fully.
২০১১.০২.০৪ ২০:০৩
we are waiting for Zia's punishment..even he had passed away.

Abul Hossain

Abul Hossain

২০১১.০২.০৪ ২০:০৭
রাজীব শাহরীয়ার ভাই অাপনাকে অনেক অনেদ ধন্যবদ ইতিহাসের বইটির বাংলা আনুবাদও ইংরেজি আনুবাদ এর নাম দেয়ার জন্য

Ramen Kumar Samadder

Ramen Kumar Samadder

২০১১.০২.০৪ ২০:৪৫
আমার মনে হয় সবার আগে এই বিচারটা করা উচিত। এটা আমাদের অস্তিত্তের কথা বলে। জিয়া যে এ কাজ করেছে তাতে শাক্ষির দরকার হয় বলে মনে হয় না।

Abbas

Abbas

২০১১.০২.০৪ ২১:০৩
Good, another controversy matter. People will have lots to discuss and move away from current burning issues. Who knows what happened during that time. We are listening to one story now. When BNP will rule, there will be another story.

Mirza arifur rahman

Mirza arifur rahman

২০১১.০২.০৪ ২১:০৮
this is for sure that zia was nothing only a power greedy man...we want trial over zia...

ড. গন্ড মূর্খ  (পিএইচডি)

ড. গন্ড মূর্খ (পিএইচডি)

২০১১.০২.০৪ ২২:২৯
জিয়া ও তার পরিবার এই দেশের উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশী করেছেন। এবং ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে সম্ভবত আরো ক্ষতি করবেন। কে জানে তারা হয়তো বাংলাদেশকে অন্য কোন দেশের কাছে মেয়াদভিক্তিক লিজও দিয়ে দিতে পারেন।
অত্যন্ত ক্ষোভের সাথেই বলছি - মেজর জিয়ার মরনোত্তর দুনিয়াবী বিচার হওয়া উচিত।

ড. গন্ড মূর্খ  (পিএইচডি)

ড. গন্ড মূর্খ (পিএইচডি)

২০১১.০২.০৪ ২২:৩২
জিয়া ও তার পরিবার এই দেশের উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশী করেছেন। এবং ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে সম্ভবত আরো ক্ষতি করবেন। কে জানে তারা হয়তো বাংলাদেশকে অন্য কোন দেশের কাছে মেয়াদভিক্তিক লিজও দিয়ে দিতে পারেন।
অত্যন্ত ক্ষোভের সাথেই বলছি - মেজর জিয়ার মরনোত্তর দুনিয়াবী বিচার হওয়া উচিত।
২০১১.০২.০৫ ০০:২৬
জিয়ার ব্যাপারে যে প্রথম- আলোর গা জ্বালা আছে তা আগেই জানাছিল। এ আর নতুন কি!

Rafique

Rafique

২০১১.০২.০৫ ০১:৫০
নিধিরাম সর্দার এর মন্তব্যটি সমপর্কে কারো কোন মন্তব্য না দেখে শুধু এটাই ধারনা হয় যে, এখানে সব মন্তব্যকারিই রাজনীতিক দলগুলোর অনধ সমর্থক।