সেনাবাহিনীর প্রকৌশলীর সমীক্ষা
ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়েই ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে
ঢাকা মহানগরের ভবনগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসিয়ে অন্তত ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এ অভিমত দিয়েছেন সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে গবেষণায় কর্মরত সেনাবাহিনীর একজন প্রকৌশলী।
দেশে বর্তমানে প্রায় ছয় হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন চার হাজারেরও কম।
সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের এই সম্ভাবনাটি তুলে ধরেছেন বর্তমানে সেনা কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্ট’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্নেল মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেছেন, এভাবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ‘সোলার হোম সিস্টেম’-এর মতো ব্যাটারিতে ধরে রেখে শুধু নিজেরা ব্যবহার করতে পারবে, তা নয়। গ্রিডের মাধ্যমে তা সরবরাহও করা যাবে। তবে এর ব্যবহার হবে শুধু দিনের বেলায়।
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিজয় সরণির সমরাস্ত্র প্রদর্শনী মাঠে কর্নেল মোহাম্মদ আলী সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসিয়ে একটি সেচপাম্প চালাচ্ছেন। বিতরণ লাইনেও ১০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছেন তিনি। প্রদর্শনীতে তাঁরা সৌরবিদ্যুৎচালিত রাস্তার বাতি, ছাদে পানি গরম করার পদ্ধতি এবং ব্যাটারিচালিত কয়েক ধরনের যানবাহনও উপস্থাপন করেছেন।
কর্নেল মোহাম্মদ আলী বলেন, তিনি এ বিষয়ে একটি ‘নিবিড় সমীক্ষা’ চালিয়েছেন এবং বাস্তব ক্ষেত্রেও কাজ করছেন। রাজউক, সিটি করপোরেশন এবং কয়েকজন পেশাজীবীর সহায়তায় পরিচালিত সমীক্ষায় দেখা গেছে, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন আকারের কমবেশি আড়াই লাখ ভবনের অর্ধেকের ছাদেও সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসালে অন্তত ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এ জন্য ভবন মালিকেরা তিন লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করে ২৫ বছর পর্যন্ত প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে (সর্বমোট ১৫ লাখ) পেতে পারেন। প্রতিটি ভবনে সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা স্থাপনের জন্য সরকারকেও ব্যয় করতে হবে ১০ লাখ টাকা, যা সরকার বিদ্যুতের দাম থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে তুলে নিতে পারবে। সেনা কর্মকর্তা বলেন, এসব বিষয় তিনি বিস্তারিত হিসাব-নিকাশ করেই দেখিয়েছেন।
কর্নেল মোহাম্মদ আলী দাবি করেন, ঢাকা সেনানিবাসের শুধু অফিস ভবনগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসিয়ে তিন মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।
বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্ট প্রদর্শনীস্থলে ৪ দশমিক ৮ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসিয়ে উৎপাদিত ডিসি বিদ্যুৎকে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে তা দিয়ে একটি সেচপাম্প চালাচ্ছে। এই পাম্প দিয়ে প্রতি মিনিটে সর্বোচ্চ ৬২ হাজার ও সর্বনিম্ন ৫১ হাজার লিটার পানি সরবরাহ করা সম্ভব। কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) হিসাব অনুযায়ী এ ধরনের পাম্পে প্রতি মিনিটে গড়ে ৫০ হাজার লিটার পানি ওঠানো সম্ভব।
এর পাশেই ১০ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসিয়ে একই পদ্ধতিতে রূপান্তর করে বিতরণ লাইনে দেওয়া হচ্ছে। এ প্রদর্শনী চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
একসময় শিল্প মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্ট’ একেবারে রুগ্ণ অবস্থা থেকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ২০০৭ সালে এটি সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। যানবাহন ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ব্যবহূত ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশসহ অনেক নতুন নতুন জিনিসপত্র এখানে তৈরি করা হচ্ছে।







Mahbubur Rahman
২০১০.০৩.২৯ ০৩:৩২
২০১০.০৩.২৯ ০৪:১২
২০১০.০৩.২৯ ০৪:১৭Abul Kashem
২০১০.০৩.২৯ ০৬:৫৭nurul absar hussain
২০১০.০৩.২৯ ১০:২৯Whose are advising this process he should do work for improvement of solar power and reducing price of that system rather then talking. Other wise this will stay in news not in peoples use.
Moniruddin Ahmed
২০১০.০৩.২৯ ১০:২৯Qamar Uddin
২০১০.০৩.২৯ ১৫:৩৭M.Huq
২০১০.০৩.২৯ ২০:২৯May Allah bless you always. carry on Colonel we Bangladeshis are always with you & your sincere honest effort.
Please do not look back or what others say, look forward & go forward.None can stop you none can stop Bangladesh where people like you are there.
তরুণ রায়
২০১০.০৩.২৯ ২৩:২১ABMA Baset
২০১০.০৩.৩০ ১৩:০৭If I have got it correct, he has built a 10 kW Solar Power system at a cost of Tk.13 lacs.
On the other hand Bangladesh Bank has installed an 8 kW system at a staggering cost of Tk. 1.35 crore. Where have I gone wrong? Can someone educate me about the difference between the two systems?