শিরোনাম:

• উপদেষ্টা মতিনের বিরুদ্ধে মামলা করবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়   • মেজর জলিলের পক্ষে সম্মাননা নিতে কেউ যাননি   • হাইকমিশনের নিরাপত্তার বিষয়ে ঢাকাকে কিছু জানায়নি দিল্লি   • রাঙামাটিতে বিডিআরের নয় সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন   • আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে কোন্দল নিরসন করে একসঙ্গে কাজ করুন   • অভিন্ন ৫৪ নদীর পানিবণ্টনে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে: প্রধানমন্ত্রী   • ঝিনাইদহে মাহমুদুর রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা    • যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হচ্ছে ফেব্রুয়ারি-মার্চে: আইনমন্ত্রী   • সাকা চৌধুরীকে ২৪ জানুয়ারি খুলনায় আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ   • পঞ্চম সংশোধনী: আপিলের শুনানি ৩ জানুয়ারি   
  • হোম
  • প্রথম পাতা
  •   ঘড়ির কাঁটা পেছানোর ক্ষণ নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন, বিড়ম্বনার আশঙ্কা

ঘড়ির কাঁটা পেছানোর ক্ষণ নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন, বিড়ম্বনার আশঙ্কা

শরীফ উল্লাহ | তারিখ: ২৭-১২-২০০৯

  • ৩৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

অবশেষে সরকার ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু গ্রেগরিয়ান দিনপঞ্জির শেষ দিনের শেষ ক্ষণে অর্থাত্ ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা বাজলে ঘড়ির সময় এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১১টা করার সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘড়ির কাঁটা পেছানোর এই সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক রীতিও মানা হয়নি।
দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার বা ডেলাইট সেভিং টাইম-ব্যবস্থার আন্তর্জাতিক রীতি হচ্ছে, শীত মৌসুমের আগেই (সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে) ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দিতে হবে। সরকার ডেলাইট সেভিং টাইম-ব্যবস্থা চালু করার পরও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রীতিটা অনুসরণ না করায় অনেক সমালোচনা হয়েছে। শেষমেশ ঘড়ির কাঁটা পেছানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ক্ষণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক রীতি উপেক্ষিত হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান মুহম্মদ জাফর ইকবাল মনে করেন, ডেলাইট সেভিং টাইমের মেয়াদ যেমন ইচ্ছেমতো ঠিক করা উচিত নয়, তেমনি ঘড়ির কাঁটা এগোনো বা পেছানোর ক্ষণটিও ইচ্ছেমতো নির্ধারণ করা যায় না।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘড়ির কাঁটা এগোনো-পেছানোর কাজটা করা হয় এমন সময়ে, যখন এ পরিবর্তনের ক্ষণটুকু মানুষের জীবনযাপনের ওপর সবচেয়ে কম প্রভাব ফেলে। যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত রাত দুইটার সময় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে রাত একটা করা হয়। ইউরোপে ঘড়ির কাঁটা পেছানো হয় রাত একটায়। কিন্তু বাংলাদেশে শুধু তারিখ পরিবর্তনের ক্ষণে নয়, পুরো একটা সাল পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করা হচ্ছে। এতে বিড়ম্বনা সৃষ্টি হবে।
উদাহরণ দিয়ে বলা যাক। ধরুন, সময়টা ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড। এক সেকেন্ড পর রাত ১২টা বাজলেই তারিখ পাল্টে যাচ্ছে। আর বছরের শেষ দিন বলে সালটাও পাল্টে যাচ্ছে। ঠিক ওই সময় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছানো হলেও সময়-নির্দেশক কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে তারিখ ও সাল পাল্টাবে না। মোবাইল ফোনসেট, কম্পিউটারসহ ডিজিটাল সব মাধ্যমে তখন তারিখ ও সময় দেখাবে ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি। বিড়ম্বনা আরও আছে—কম্পিউটার, ডিজিটাল ঘড়ি বা মোবাইল ফোনসেটে ২৪ ঘণ্টা টাইম ফরম্যাট অনুসরণ করা হলে, তখন সময় দেখাবে ১ জানুয়ারি রাত ১১টা। আর ১২ ঘণ্টার টাইম ফরম্যাট থাকলে দেখাবে ১ জানুয়ারি বেলা ১১টা। অথচ এটা হওয়ার কথা ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা। বর্তমান নির্ধারিত ক্ষণে এক ঘণ্টা সময় পেছালে সময় এগিয়ে যাবে ১২ ঘণ্টা বা ২৪ ঘণ্টা। কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনসেটের তারিখ ও সময় পরিবর্তনের মাধ্যমে যে কেউ বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন।
তবে বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশে বিমান চলাচল, ট্রেন যোগাযোগ বা জরুরি সেবা সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ড পুরোপুরি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত নয়। ফলে এই সময় পরিবর্তনের বিড়ম্বনার স্বরূপ পুরোপুরি বোঝা যাবে না।
বাংলাদেশে ঘটা করে গ্রেগরিয়ান নববর্ষ (যা ইংরেজি নববর্ষ হিসেবে পরিচিত) উদ্যাপনের তেমন রীতি নেই। এর পরও অনেকেই হয়তো রাত ১১টা ৫৯ মিনিট ৫০ সেকেন্ড থেকে ক্ষণ গণনা বা কাউন্টডাউন শুরু করবেন নতুন বছরের। কিন্তু রাত ১২টা বাজলেই আবার সময় এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১১টা করা হলে, এক ঘণ্টা পর কি আবারও ক্ষণ গণনা করতে হবে নববর্ষের। অনেকে তাই প্রশ্ন তুলেছেন, এবার কি দুবার নববর্ষের ক্ষণ গণনা করতে হবে?
অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, যুক্তি না মেনে সিদ্ধান্ত নিলে এ রকম জটিলতাই দেখা দেবে। ডেলাইট সেভিং টাইম প্রচলন ও প্রয়োগ করার আগে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভালো করে জানা উচিত ছিল। সময় নিয়ে এ ধরনের ছেলেখেলা করলে দেশে হয়তো কোনো ব্যবহারিক প্রভাব পড়বে না, কিন্তু আগামী প্রজন্মের কাছে এটা যুক্তিহীন সিদ্ধান্তের উদাহরণ হয়ে থাকবে। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি মেনেই ঘড়ির কাঁটা পেছানোর ক্ষণটা পুনর্নির্ধারণ করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
মুহম্মদ জাফর ইকবাল মনে করেন, বাংলাদেশে ডেলাইট সেভিং টাইমের প্রচলন করাটাই ছিল ভুল। আর এর খুঁটিনাটি প্রয়োগ নিয়ে ভুল তো হবেই। তবে সরকারের নীতিনির্ধারক মহল এ ভুলটি বুঝতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Nazrul Islam

Nazrul Islam

২০০৯.১২.২৭ ০৩:৩৭
ঘডির কাঁটা একবার আগে একবার পিছে । কি মজা ? মহাজ্ঞানীদের একি কঠিন সিদ্ধান্ত। ঘডির কাঁটা খুলে ফেলে দিন না। তাহলে সব
ল্যাঠা চুকে যায় । বলে দিন কাল থেকে কোন ঘডিতে কাঁটা থাকবেনা - সমস্যা শেষ।

Shyam

Shyam

২০০৯.১২.২৭ ০৫:০৫
This is being now proven again and again that "the Clerks write laws (in this case draft decision) and Legislators stamp it". I really doubt about the performance of the cabinet ministers and the other mps; more over the policy of the utilization of the civil society and pundits on issue like this. Why the govt doesn't seek advice/suggestion to them. Reminding the politicians that you are not the expertese on subject matters but professional coordinators/organizers, who can seek the opinions of experts and utilize it towards formulating decision. Wishing that goods prevail in Bangladesh. Thanks

saifu

saifu

২০০৯.১২.২৭ ০৯:০৯
First of all thanks to অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ এবং মুহম্মদ জাফর ইকবাল for their valuable explanation. Most of our so-called intellectual those who give idea to Govt., don't really think what time change can make an impact to country. B4 changing the time on the first place, they didn't follow GMT+6 rules. This is must be followed. However if you really need to change for present circumstances, it should not be experimented in few seconds thinking. Let’s say an example, at present BD is GMT+7, which means, when in UK 9am (normal Office time), in BD it is 4pm. Those who are having business with Europe will have only 1 hour to do business, but in previous occasion, they would have 2 hours. Secondly, when 1 hour time made change, govt said it's to reduce load-shading, how many Megawatts was saved during this six months period?? Please don't play with issues, where country will not be benifited more.

Prothoma

Prothoma

২০০৯.১২.২৭ ১০:১৫
কে বলেছে সময় নিয়ে ছেলেখেলা হচ্ছে ? জনাব মোহাম্মদ কায়কোবাদ ো জনাব মুহম্মদ জাফর ইকবাল - কয়টা ডক্টরেট ডিগ্রী আছে আপনাদের ? আর আপনাদের জ্ঞানের বহর-ই বা কতটুকু ? আপনারা আবার নিয়ম শেখান দেশের সবচাইতে ক্ষমতাধর ো বিজ্ঞ পণ্ডিত - ৮-১০টা ডক্টরেট ডিগ্রীর মালিক যা কিনা বিশ্বের বাঘা বাঘা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত- সেরকম এক মহান ব্যক্তিকে জ্ঞানদান করছেন ? সত্যিই কথাই যে বলে - অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কারী - তা আপনাদের দেখলে সহজেই অনুমেহ হয়।

MAS Molla

MAS Molla

২০০৯.১২.২৭ ১০:১৯
I fully endorse Prof. Jafar Iqbal's view that the government is yet to understand the mistake done in implementing DST (even that in a wrong way!) in this tropical country. I also think this mistake was prompted by some Advisers who are spring cuckoos having no political comitment or people-orientation. Unfortunately the Cabinet okayed that wrong initiative. Now the Cabinet must realize that this single wrong step has caused unnecessary trouble to the people and thus contributed to decrease in popularity of the party and the governement. So the Cabinet must rethink resorting to DST again in March/April and would better change only the working hours during summer days.

MD. NASIR UDDIN

MD. NASIR UDDIN

২০০৯.১২.২৭ ১০:২৮
রাত ১২টা বাজলে ঘড়ির সময় এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১১টা না করে, রাত ১১ টা বাজলে ঘড়ির সময় এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১০ টা নিরধারন করা যেতে পারে। এতে এ সমস্যার কিছুটা সমাধান হতে পারে ।

Nirupam Hira

Nirupam Hira

২০০৯.১২.২৭ ১০:৩২
ডিজিটাল বাংলাদেশের উদাহরণ এমন হওয়া উচিত নয়।

MRJ Mehedi

MRJ Mehedi

২০০৯.১২.২৭ ১০:৫৪
Govt. once again proved that, they are running with unskilled people. They shouldn't take the decision whenever, whatever they want.

Ivan Hussain

Ivan Hussain

২০০৯.১২.২৭ ১১:১০
Jafar Iqbal's speech is true. Our Government's Idiot High Officials would not understand general peoples pain.

Rana

Rana

২০০৯.১২.২৭ ১১:২৮
জেনে খুশি হলাম যে সরকারের সুমতি হয়েসে শেশপরযন্ত সময় সংশধনের !! তবে ের শুরুতাু থিক সিলনা, শেশতা অ থিক হলনা !! (sorry for the bangla spelling.)

nasir ahmed

nasir ahmed

২০০৯.১২.২৭ ১১:৩১
it is time to come back...we should carefull for decission making.

A M Nazmul Huda

A M Nazmul Huda

২০০৯.১২.২৭ ১১:৫৭
I m agreed with Prof. Kaikobad and Mr. Jafar Iqbal., Yes of course, domestic people face many problems if suddenly take decision to change the time, ITS BETTER TO CHANGE THE TIME AS LIKE PAST AS SOONEST.

Alim Al Razi

Alim Al Razi

২০০৯.১২.২৭ ১২:৫২
এখানে মন্তব্য লিখে কি লাভ? যারা শুনেও কম শোনে, বুঝেও কম বোঝে, তারা আসলেই রাজনীতির ব্যবসায়ী (এদেরকে ঘৃণা করেও লাভ নেই)। এরা মনে করেন, ঘড়ির কাটা পেছানোর ব্যাপারটা যেন তার নিজের হাতঘড়ির সময়টা যা খুশি তাই করার মতো।

Rajib Ahmed

Rajib Ahmed

২০০৯.১২.২৭ ১৩:৩২
First of all, I think DST (Daylight Saving Time) is a good idea for a country like Bangladesh which is suffering from power shortages. Secondly, it is quite all right to adjust the clock at midnight. When it will be 1st of January, 2010, man-oeuvre the clock to show 11 p.m. on 31st December, 2009. This should not be a problem in any electronic device at all. And we may do it as we choose, and we don't necessarily have to comply with the so called 'international' practices. So, with all due respect, the observations of Dr. Kaykobad and Dr. Iqbal was, in my opinion, largely unwarranted.
২০০৯.১২.২৭ ১৩:৩৫
This is possibly the example of doing something for no valid reasons.Some 'AAkamer Kazi" inside Govt. has prompted to do this to show their 'doing something' skill.But lest we forget -this has caused or invited miseries for many people in return of no apparent gain for the country.To me personally,this DST cange/rechange decision is the most rubbish or questionable amongst all decisions of the present Govt. over last one year.The sooner they realise this mistake,the better for them.

Md. Mamunur Rashid

Md. Mamunur Rashid

২০০৯.১২.২৭ ১৩:৪০
এক সাংবাদিক বন্ধু তার এক বন্ধুকে বলল, আচ্ছা বল তো সরকার কেন ঘড়ির কাঁটা পেছাতে এত সময় নিল। দ্বিতীয় বন্ধু বলল, তোদের জন্যই তো। সাংবাদিক বন্ধু তো হতবাক! আমাদের জন্য ? হ্যাঁ, তোদের জন্য। ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে ১২ টায় নিয়ে যাওয়ার কারণে তোরা লেখালেখি করলি যে, শেখ হাসিনা নিজ হাতে দেশের ১২ টা বাজাল। তাই রাগে, দুঃখে, ক্ষোভে, অভিমানে তোদের একটু শাস্তি দিল।
মূলতঃ সেই তো মা নথ খসালি, তবে কেন লোক হাসালি, সরকার শেষ পর্যন্ত জ্বালানী উপদেষ্টার উপদেশে জ্বলেনি। তবে জ্বালানী উপদেষ্টা মানুষের মনে যে আগুন জ্বালিয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের ২-৫% কেউ কেউ বলে আরও বেশি ভোট হাওয়া হয়ে হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে। সরকারকে এইসমস্ত কর্মকাণ্ডের দিকে আরও বেশি নজর ভোট কমানোর জন্য এবং ওই সমস্ত উপদেষ্টাদের উপদেষ বেশি করে আমলে নেওয়ার আহবান জানাচ্ছি...
২০০৯.১২.২৭ ১৩:৫৯
Worst amongst all decisions so far taken by the present govt.over last one year.This caused unwarranted miseries to public life style without gaining anything in return.A kind of "Aakamer kam''.
The sooner they realise it,the better for them and for us.Govt.'s job is to smoothen citizens life,not to complicate it further.
.


Goonjohn Chowdhury

Goonjohn Chowdhury

২০০৯.১২.২৭ ১৪:০৫
ঘড়ির কাঁটা আগানোর সময় একবার দেশের বারোটা বাজানো হয়েছিলো, এবার বারোটা বাজানো হবে দুইবার!
"যা শুনাইলেন স্যার, সত্যিই ফাইন!!!"

Jisan M Yasin

Jisan M Yasin

২০০৯.১২.২৭ ১৫:১২
ঘড়ির কঁটা বছরে দুবার পাল্টানো মানে এদেশের মানুষকে বছরে দুবার যন্ত্রনা দেয়া। আমরা আসলে সবাই কে নিজের মত ভাবি, তাই মনে হচ্ছে বারবার সময় পাল্টলে দেশের সকল মানুষের কনো সমস্যা হবে না । কিন্তু একটু চিন্তা করলেই আমরা বুঝতে পারব যে বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে এই কাজটা মোটেও উচিত হচ্ছেনা। প্রথমত ব্যাপারটা অপ্রিয় হলেও সত্য যে আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই ঘড়ি দেখতে জানে না। তারা সূর্যের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে সময় নির্ধারন করে থাকে। আর তাই হয়তো আপনার বাসার কাজের মাহিলাটি আপনার বলে দেয়া সময়ে এসে নাস্তা বানাতে পারেনা। এভাবে সময়ের গ্যাঁড়াকলে পরে আপনার হয়তো ঠিক মত নাস্তাটাই করা হয়না,আর কনোমতে করলেও হয়ত যথাসময়ে কর্মস্থলে পৌছেতে পারেন না। এমনই এক বিপত্তিকর পরিস্থিতিতে হয়তো আপনার বাসার কাজের মহিলাটি আপনার বাসা থেকে থকে বিতারিত হয়ে দিশেহারা হয়ে পরে। ২য় তয় আমাদের দেশের বিরট একটা জনগোষ্টি আছে যারা কেবল ঘড়ি দেখে সগর্বে সময় বলে দিতে পারবে এবং এটিই তাদের কাছে যথেস্ট। ঘড়ির দেখে কি ভাবে সময় বের করতে হয় তা শিখতেই তাদের দফারফা হয়ে গেছে। আর এখন যদি মরার উপর খরার ঘাঁর মত তাদের বছরে দুবার ঘড়ি নিয়ে নাড়াচারা করতে হয় তাহলে বুঝুন তাদের কি অবস্থা হবে। তাদেরতো মাথাই আওলায়ে যাবে। তাদেরই একজন হয়তো হবে আপনার গাড়ির ড্রইভার,যার হাতের ঘড়ি এবং আপনার হাতের ঘড়ির সারা বছরই সময়ের এক ঘন্টার পার্থক্য বজায় রাখবে। আর এতে আপনার এবং ড্রইভারের যে কি পরিমান বিপত্তি ঘটবে তা নিশ্চই বলে দিতে হবে না। এরকম আরও অনেক কাহিনি আছে,সেপ্রসঙ্গে আর নাই যাই। তো আমাদের যেসব পলিসি মেকার সময় নিয়ে নাড়াচারা করছে তারা কি এই সব অবহেলিত মানুষদের বিবেচনায় রাখছে না! যদি তাই হয় তাহলেতো এটা মারাত্তক ভুল হচ্ছে,কারন এরাইতো সংখ্যায় বেশি। বেশি বললে ভুল হবে,আসলে বলতে হবে অনেক বেশি। যাইহোক তারপরও যদি কনো কনো বিশেষ পলিসি মেকার ( যারা কাউয়া হইয়া নিজেদের মূয়ুর ভাবে) ইউরোপিয়ানদের অনুকরনে বছরে দুবার "Time Change" না করলে পেটের পীড়ায় ভুগবেন, তাদের বলছি আপনাদের খায়েস পূরন করতে হলে গোটা জাতিকে সুশিক্ষিত করে তুলুন। তো সেটা করতে গেলে সাবার আগে দেশের সকল মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পেটে ভাত থাকলেই না মানুষ শিক্ষার আলো গ্রহন করবে। এভাবে যখন দেশের সকল কিংম্বা বেশিরভার মানুষ শিক্ষার আলো গ্রহন করতে পারবে কেবল তখনই আপনারা আরামসে ঘড়ির কাঁটা নিয়ে খেলা করতে পারবেন। দেশের সকল মানুষও তখন আরামসে আপনাদের খেলাটা উপভোগ করতে পারবে। আর তাই এবার ঘড়ির কাঁটায় ক্ষান্ত দিয়ে দেশের সকল মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার ও শিক্ষার নিশ্চয়াতার দিকে মনোনিবেশ করুন। আপনারাও ভাল থাকুন আমাদেরকেও ভাল থাকতে দিন।

Md. Mohsin Hussain

Md. Mohsin Hussain

২০০৯.১২.২৭ ১৫:১৫
gov. see international rukes

Md. Mohsin Hussain

Md. Mohsin Hussain

২০০৯.১২.২৭ ১৫:১৬
gov. see international rules

Mahbubur Rahman

Mahbubur Rahman

২০০৯.১২.২৭ ১৫:১৭
আমেদর মুর্খ কান্ডজ্ঞানহীন সরকার মহলের দ্বারা আমাদের সোনার বাংলাতদেশকে যে কোনিদনও ডিজিটাল বাংলাদেশ করা সম্ভব হবেনা সেটা সন্মানিত জনাব মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও জনাব মোহাম্মদ কায়কোবাদ এর বক্তব্য থেকে খুব সহজেই বোঝা যায়।

Nipun

Nipun

২০০৯.১২.২৭ ১৬:১১
Mr.Kaykobad & Jafar Iqbal sir,whom are you trying to explain ??? Our government,which consists of people who have failed their play-group classes ?
@Prothomjanala :- Couldn't get whether u are being sarcastic & trying to present an irony or not !!!
Daylight time saving is not applicable in a country like Bangladesh because of the climate & stuff.Jafar Iqbal sir had written a wonderful article about this in Prothom Aloo some days ago.I suggest everybody read that article & try to understand.Unfortunately,the person who needs to understand this the most(Sheikh Hasina)won't understand,because she is a play-group fail !!!

Shantonu Rahman

Shantonu Rahman

২০০৯.১২.২৭ ১৭:০০
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে daylight-saving-time একেবারেই অপ্রয়োজনীয় ছিল। এখন এটা পুরোপুরি বাতিল করাটাই সবচেয়ে ভালো হত।

Imtiaz Uddin

Imtiaz Uddin

২০০৯.১২.২৭ ১৭:২২
Desh Pechone Jacce Vhabte Valoi Lagey.

HMR

HMR

২০০৯.১২.২৭ ১৮:৩০
আমি মনে করি DST সিদ্ধান্তটি ঠিক ছিল, তবে সরকার আরো গবেষনা করে, বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে এটি প্র্রয়োগ করতে পারতো।
২০০৯.১২.২৭ ১৮:৪১
Is this just a game?
Govt. should remember that they cannot make any decision whenever they want.
Maximum ministers of them r new and `yes mam' ..sorry..`yes sir' `yes sir' typed.
So we cannot expect from them anything without too much talk ends in nothing.
২০০৯.১২.২৭ ১৮:৫৭
সরকার মাসের প্রথমে এ কাজ করেল ভালো হতো

Zulfikar

Zulfikar

২০০৯.১২.২৭ ২০:৪৩
its a fun only for Digital gov.

Aranya

Aranya

২০০৯.১২.২৭ ২১:৫৪
যারা ঘুমায়, তাদের ডাকা যায় । কিন্তু যারা জেগে ঘুমায় ....................।

২০০৯.১২.২৭ ২২:৫৭
How dare you, teaching govt?? They are so matured and expert enough to make lives hell. They are visiting each and every country in the world rather serving country. And instead learning they are astonishing seeing (hmm it must be impossible) things in first world.

James L Roy

James L Roy

২০০৯.১২.২৮ ১০:১৪
kaj ta korta hoba rat ektar (1:00) somoy jamonta amra england a bochora 2bar ko ra thaki. Eta ekta test case. Amader uchit Government k sahajjo kora. Mona rakha jate para j eta Government er doler jonno kono kaj noy eta ek ti National work. We should have a national sence.

maisun

maisun

২০০৯.১২.২৮ ২১:৩৪
তাহলে কি আমাকে দুই বার করে "happy new year" sms পাঠাতে হবে ? খরচ বেরে গেল না ?

maisun

maisun

২০০৯.১২.২৮ ২১:৩৬
Mr. prothom janala do you have any idea who is Dr. Md. Jafar Iqbal and Prof. Kaikobad. if you had known them you couldn't have make those comments.